একুশে ফেব্রুয়ারি ২০২০ ইং উপলক্ষে মিডিয়া জগতে প্রকাশ করলাম আমার প্রথম কাব্য " কবি রাণীর কাব্য"
কবিঃ আসাদুল্লাহ, জম্মঃ ২০০১ সালের ১৫ মার্চ
নরসিংদী জেলা,রায়পুরা উপজেলা, আমীরগঞ্জ ইউনিয়ন, বালুয়াকান্দি গ্রাম।
#কাব্যঃ কবি রাণীর কাব্য
#কবিতাঃ ৪৫ টি
#লেখকঃ আসাদুল্লাহ
#টাইপঃআসাদুল্লাহ
#সম্পাদক ও প্রকাশকঃ আসাদুল্লাহ
#প্রকাশনীঃ ফেইজবুক, আমার ওয়েবসাইট, ইউটিউব চ্যানেল, এবং পেইজ
#মুদ্রণেঃ রিডমী কী-বোর্ড
#মোবাইলঃSAMSUNG J1
#আবৃত্তি_ভিডিওঃ " Asadullah TV.BD "
My Youtube Channel.
#ওয়েবসাইটঃ Asadullah News & Library ডট com
#উৎসর্গ_করিলামঃ ভালোলাগার ত্রয়ী তনয়াকে
#প্রকাশের_তারিখঃ ২০-০২-২০২০ ইং
#সময়ঃ দুপুর ১ টায়
#কৃতজ্ঞায়_ও_ধন্যবাদান্তেঃ বাড়ির পিছনের আহাদুর রহমান আহাদ ভাইকে (সভাপতি: বালুয়াকান্দি অনিবার্ণ সংগঠন), বাড়ির সামনের প্রিয় আয়েশা সিদ্দিকা ম্যাডামকে,স্নেহের ছোট ভাই হাফেজ আবদুল্লাহকে,হাফেজ জাকির ভাইকে এবং মুফতি মুহসিিনু কারিম বিন কাসেম ভাইকে।
#কবিতাঃ ৪৫ টি
#লেখকঃ আসাদুল্লাহ
#টাইপঃআসাদুল্লাহ
#সম্পাদক ও প্রকাশকঃ আসাদুল্লাহ
#প্রকাশনীঃ ফেইজবুক, আমার ওয়েবসাইট, ইউটিউব চ্যানেল, এবং পেইজ
#মুদ্রণেঃ রিডমী কী-বোর্ড
#মোবাইলঃSAMSUNG J1
#আবৃত্তি_ভিডিওঃ " Asadullah TV.BD "
My Youtube Channel.
#ওয়েবসাইটঃ Asadullah News & Library ডট com
#উৎসর্গ_করিলামঃ ভালোলাগার ত্রয়ী তনয়াকে
#প্রকাশের_তারিখঃ ২০-০২-২০২০ ইং
#সময়ঃ দুপুর ১ টায়
#কৃতজ্ঞায়_ও_ধন্যবাদান্তেঃ বাড়ির পিছনের আহাদুর রহমান আহাদ ভাইকে (সভাপতি: বালুয়াকান্দি অনিবার্ণ সংগঠন), বাড়ির সামনের প্রিয় আয়েশা সিদ্দিকা ম্যাডামকে,স্নেহের ছোট ভাই হাফেজ আবদুল্লাহকে,হাফেজ জাকির ভাইকে এবং মুফতি মুহসিিনু কারিম বিন কাসেম ভাইকে।
#My_social_address :
Facebook : Md Asadullah
Youtube Channel : Asadullah TV.BD
My Webside : Asadullah News & Library. com
Facebook page : Asadullah TV.BD
E-mail : mdasadullah3434@gmail.com
mobile:01625101319
Facebook : Md Asadullah
Youtube Channel : Asadullah TV.BD
My Webside : Asadullah News & Library. com
Facebook page : Asadullah TV.BD
E-mail : mdasadullah3434@gmail.com
mobile:01625101319
১)কবি রাণীর কাব্য
২)পল্লীর রূপের রাণী
৩)কবি রাণী
৪)হঠাৎ পুষ্পিতার জন্য
৫)আও মেরে পুষ্পিতা
৬)কত বসন্ত আসে,আস না তো তুমি
৭)অপরূপের চাঁদ
৮)স্বপ্ন-সহচারী
৯)তোমায় দেখব বলে
১০)তুমি কাছে থেকেও দূরে
১১) প্রথম প্রেম-প্রিয়া-পদ্য
১২)তুমি এমনই একজন
১৩)সারাটি রাত্রি তারাটির সাথে
১৪)সারাটি রাত্রি তারাটির খুঁজে
১৫)তমিস্রা ঘরে স্বপ্নে তুমি
১৬) তোমাকে চিনি
১৭)মেঘনা পাড়ের ছেলে
১৮)মেঘনার তীরের তনয়া
১৯)মেঘনার তীরে তোমার অপেক্ষায়
২০)ওহে মেঘনা নদী,নেতাজি বাঁধ দিত যদি
২১)আমি যদি বাবা হতাম
২২)নিম গহনে
২৩)তুমি বুজলে না মোর ভাষা
২৪)তুমি বুজলে না মোর ব্যাথা
২৫)তুমি এমনই একজন
২৬)তোমাকে চিনি গো চিনি
২৭)চরনতলে
২৮)বকুল পুষ্পের মালা
২৯)গোপন প্রিয়ার প্রেম
৩০)চির স্বাধীনতা
৩১)বালুয়াকান্দি অনিবার্ণ
৩২)জাগো কাশ্মির
৩৩)বাবরি মসজিদ
৩৪)রাসূলের প্রতি প্রেম
৩৫)মুরজিয়া মোল্লা
৩৬)পেটুক মোল্লা
৩৭)শহিদ আবরার ফাহাদ মুজাহিদের প্রতি
৩৮)চলে-গেলে
৩৯)স্বার্থপর প্রিয়া
৪০)যদি প্রিয়া না আসে
৪১)তুমি কি মোর বন্ধু হবে, নাকি হবে প্রিয়া
৪২)মাতৃভাষার চেতনা ও একুশে ফেব্রুয়ারি
৪৩) নববর্ষ ১৫০০ সাল
৪৪)বালুয়াকান্দি কবরস্থানে
৪৫)বালুয়াকান্দির কবরস্থান
কবি রাণীর কাব্য
আসাদুল্লাহ
=================================
আমি তোমা ভালোবাসি তাইতো আমি কবি,
"কবি রাণীর কাব্য" সে যে তোমার প্রতিচ্ছবি।
তোমাতে খুজিয়া পাহি যত মম কবিতার ছন্দ,
ছড়াও ছন্দের প্রভা মম কাব্যের তুমি রূপসী চন্দ্র।
তোমায় দেখে রচি কাব্য,কবিতা রচা হয় নি কভু বন্ধ,
মহা কাব্যের রাণী তুমি, পড়িয়াছে লোকে বলেনি কভু তা যে মন্দ।
তোমায় আমি ভালোবাসি,তুমি কাব্যের মহা রাণী,
তোমায় আমি অমর করিলাম,লিখে গেলাম যত বাণী।
ভালোবেসে ডাকি তোমায় তুমি কাব্যের রাণী,
ভবের কাছে দিয়ে গেলাম "কবি রাণীর কাব্যখানি
তোমায় দেখে লিখে গেলাম অমর কাব্যখানি,
আমার পূত প্রেমে, আমার গানে আছ তুমি রাণী।
ভবে থেকে যাব যবে,মেলিও কাব্য স্মরণ হবে,
যবে তুমি নেত্রজল বিসর্জন দিবে, ধন্য হব তবে।
হৃদ গহীনে হৃদয় ভরে,পড়িবে মনে তখন মোরে,
ভবে থেকে পাঠিও দূরূদ-সালাম, সুখে রব পরপারে।
মোরে ভাবিয়া ফেলিও না ওগো প্রিয়া নেত্রজল,
তবে যে মুছে যাবে তোমার মায়াবী আঁখির কাজল।
ওগো, হঠাৎ একদিন হবে মম চির মরন,
পড়িও কাব্য যাবে না ভুলে হবে মোরে স্মরণ।
তোমায় আমি ভালোবাসি,
তুমি মম কাব্যের রাণী,
তাইতো আমি তোমা লাগি
লিখে গেলাম "কবি রাণীর কাব্যখানি"।
আমি তোমা ভালোবাসি তাইতো আমি কবি,
আমার এ কবিরূপ সে যে তোমার প্রেমের ছবি।
আমি তোমা ভালোবাসি তাইতো আমি কবি,
"কবি রাণীর কাব্য" সে যে তোমার প্রতিচ্ছবি।
তারিখঃ১৯-১২-২০১৯ ইং
সময়ঃ রাত ১২ টা ৩০
=================================
পল্লীর রূপের রাণী
আসাদুল্লাহ
খুজেছি বহু পথে-পল্লীতে জড়াব বলে অন্তরে,
আজি পেয়েছি তারে মম পল্লীর দখিন প্রান্তরে।
এ যে দীব্যাঙ্গনা!যেন মুখখানি পূর্ণিমাতিথির চাঁদ,
সেদিন কুঞ্জে পহেলা দর্শনে হৃদে জম্মিল তার প্রতি অনুরাগ।
উড়ছে লম্বা এলো অলক,পড়ে নাহি মম পলক,
কি হে তাহার রূপের ঝলক?পড়িয়াছে যে নোলক
রাঙ্গা চরনের নূপরের ঝুমুরে হৃদে লাগিয়াছে দোল,
তাহার কায়ার হাওয়ায় ভাঙ্গল যে মোর হৃদয় কূল
একাকীত্বে বহু বছর ছিনু কবে পাব তাহার দেখা,
অপেক্ষায় যবে দেখিব হবে তাহার রূপের কবিতা লেখা।
সেদিন নির্জন কাননে তাহার
দৃষ্টির উপর ফেলিয়া মম দৃষ্টি,
ঈক্ষণের ভাষায় বুজিয়াছিনু চৈতন্য,
যেন তাহার সনে হৃদের বন্ধন হয় সৃষ্টি।
তুমি আসবে বলে অপেক্ষায় ছিনু হৃদয় নীড়ে,
তোমার মাঝে মিশেছিনু আজি এসেছি হৃদ গভীরে।
তোমার মাঝে লুকায়িত মম যত কবিতার ছন্দ,
ওগো প্রয়সী!তোমা হৃদয় দ্বার কভু করিও না বন্ধ
শুন ওরে ভাই! পুষ্পিতা দেখিতে কিন্তু মন্দ না,
এ পাষাণে পাবার জন্য যুগ-যুগ ধরে করিয়াছি বন্দ না।
চন্দ্রনা কোনো কালেও কিন্তুু অন্ধ না,
মোর কাব্যের নন্দিনী কিন্তুু দেখিতে মন্দ না।
এত রূপ তাহার, এ রূপে দ্ধগ্ধ হয় মোর আঁখি,
যেন রূপ কেহ না দেখে, মম হৃদ পরশের চাঁদরে ডাকিয়া রাখি।
সে যে মোর পল্লীর রূপের রূপসী রাণী,
কাব্যে নিয়ে খেলি তারে করি টানা-টানি।
এত কাছে ছিলে তুমি ওগো মোর রাণী?
কাছে থেকেও দুজনার হয় নি কভু জানা-জানি।
আমার চোখে বয়ে চলে তোমা রূপের কায়া,
হঠাৎ করে মম হৃদয় মরুতে ফেলিলে তোমা ছায়া
যদি কভু ভ্রান্তি করি যেওনা দূরে করিও না রাগ,
সুখের আচলে বাঁধিয়া রাখিও দিও না ব্যাথার দাগ।
মোর বাঁশির সুরে আসিও কুঞ্জে,বসিও হস্ত ধরে,
একদিন তোমায় চিরতরে বধূ করে নিব মম ঘরে।
তুমি যে গো মোর পল্লীর অপরূপের রূপসী রাণী,
তোমার সনে প্রেম বাধিয়াছে বাঁধন প্রভু, তা জানি গো জানি।
তোমায় দেখিয়া বারে-বার মিটে নাহে আঁখির তৃপ্তি,
অনন্তকাল থাকিও পাশে দিও মোরে ভালোবাসার যত দীপ্তী।
তারিখঃ ১৬-১২-২০১৯ ইং
সময়ঃ রাত ১১ টা ৩০ মিনিট
উৎসর্গঃ ♥ কে
=================================
কবি রাণী
আসাদুল্লাহ
তোমাতে লুকিয়ে আছে সকল
কালের সকল কবির কবিতা,
তোমার রূপের বাহারে,মায়ার বন্ধনে,
মিথ্যে ছলনায়, তুমি কাব্যের দুহিতা।
সকল যুগের কবিগণ চির পরাজিত তোমার সনে,
এই অভিনয়ে,হেরেছে কবিরা হৃদয় প্রেমের রণে।
কত কবি নির্জন-নিভৃতে,নিশিতে জেগে রিচিয়েছে
নয়ন জলে, ব্যথার অনলে ডুবে,তোমার কবিতা?
ওগো কবি রাণী!ধ্বনিত হয়েছে কবির মুখে বাণী
তুমি সকল যুগের নাট্যের-অভিনয়ের চির বণিতা।
ওগো কবি রাণী!জীবন মাঝে চিরভাবে যেন লভি,
তাহি সব যুগের প্রকৃত প্রেমিক হয়েছে তোর কবি।
কবির হৃদয়ে কবিতা দিয়ে একেছে ঐ রূপের ছবি,
তুমি মিথ্যে কবি রাণী, তাহি যুগের প্রেমিকগণ কবি রাণীর জন্য হয়েছে কবি,মিথ্যে তোমার সবি।
কবি কভু নাহি লিখত এই কবিতা, এই কাব্য,
ব্যর্থ কবি রাণীর প্রেমে! নিঃষ্ঠুর কবির এই ভাগ্য।
কবি রাণীর রাঙ্গা পদের নূপুরের ঝুমুর-ঝুমুর সুরে
বাঁশির বুক ফেটে ধ্বনিত হয়েছে সুর ভরদুপুরে।
তৃষ্ণার্ত হৃদয়,ব্যকুল পরাণ, কবি রাণীর জন্যে,
চপল আবেগী মন ছুটে যাই গহীন অরন্যে।
বারে-বারে শুধু এই কবি রাণীর জন্যে।
ওগো কবি রাণী! নজরুল, রবি ঠাকুর, কালিদাসের মুখে ধ্বনিত হয়েছে তোমার বাণী,
ওগো কবি রাণী!আমি জানি গো তা জানি।
তোমাতে খুঁজে পেল সব যুগের কবি তার কবিতা,
তুমি প্রেম প্রয়াসী,হৃদয় ভঙ্গুরি,তুমি কাব্য দুহিতা।
ওগো কবি রাণী! আমি জানি গো চিরভাবে জানি,
সকল কবির মুখে ধ্বনিত হয়েছে তোমার বাণী।
(সমাপ্ত)
তাং:০৮-০২-২০১৯ ইং
সময়: শক্রবার দুপুর ১২ টায়
আম বাগানে বসে
==================================
হঠাৎ পুষ্পিতার জন্য
আসাদুল্লাহ
=================================
এই কলেবরে মিশে আছে
পুষ্পিতার পবিত্র হস্তের ছোয়া,
তুমি বল পুষ্পিতা মম এই হাত
দিয়ে কি পাপ করিতে পারি কভুয়া?
এই হস্ত ছোয়ে দিয়ে যেত
পুষ্পিতার লম্বা কালো এলো চুল,
মোর এই মরু তৃষ্ণার্ত হৃদয় ছিল
পুষ্পিতার পরশ প্রেম পাবার জন্য ব্যকুল।
পুষ্পিতার মায়াবী দৃষ্টিতে, সুখের হাসিতে,
পুষ্পিতাকে ইন্দ্রজালে বন্দী করেছি মম বাঁশিতে।
যবে নাহি ছিলুম ভবে পুষ্পিতা চিনত মোরে,
পুষ্পিতাকে দূরে থেকে ডাকিতুম মম বংশীর সুরে।
হঠাৎ পুষ্পিতার হৃদে লাগিল মম বংশীর সুর,
সুরে ব্যকুল হয়ে পুষ্পিতা আসিল হৃদয়পুর।
হঠাৎ অভিমান করিয়া পুষ্পার সুভাশ করিল বন্ধ,
পুষ্পিতা আর ফুটিল না,হয়ে গেল মম ভূবন অন্ধ
পড়ন্ত বেলায় বিষন্ন হয়ে এলো অলক মেলিয়া,
হয়ত পুষ্পিতা ভাবে যেদিনগুলো এসেছে ফেলিয়া
আমায় ভেবে পুষ্পিতা চেয়ে থাকে
আমি কখন আসব এই খোলা প্রান্তরে,
পুষ্পিতার যত দুখ সব দূর করিয়া দিব
অপেক্ষায় থাকে, পুষ্পিতা জড়াবে অন্তরে।
মায়ার বাঁধন কভু কি গো যায় ছেড়া?
জানি গো পুষ্পিতা,কষ্টের অম্বরে মোরে ছাড়া।
ওগো পুষ্পিতা! রজনীতে দেখি তুমি ঐ
অন্তরীক্ষের দখিনের প্রজ্বলিত তারা,
কথা হয়, অপেক্ষায় থাকি কখন উদিত হবে
জানি গো পুষ্পিতা, সঙ্গীবিহীন তুমিও দিশেহারা।
আমায় ভেবে তাকিয়া দেখে হয়ত
আমি সেই রক্তিম বিকেলের সবিতা,
পুষ্পিতা এখনও কথা বলে মোর সনে
আর আমি রচি পুষ্পিতার রূপের কবিতা।
আসাদুল্লাহ
=================================
এই কলেবরে মিশে আছে
পুষ্পিতার পবিত্র হস্তের ছোয়া,
তুমি বল পুষ্পিতা মম এই হাত
দিয়ে কি পাপ করিতে পারি কভুয়া?
এই হস্ত ছোয়ে দিয়ে যেত
পুষ্পিতার লম্বা কালো এলো চুল,
মোর এই মরু তৃষ্ণার্ত হৃদয় ছিল
পুষ্পিতার পরশ প্রেম পাবার জন্য ব্যকুল।
পুষ্পিতার মায়াবী দৃষ্টিতে, সুখের হাসিতে,
পুষ্পিতাকে ইন্দ্রজালে বন্দী করেছি মম বাঁশিতে।
যবে নাহি ছিলুম ভবে পুষ্পিতা চিনত মোরে,
পুষ্পিতাকে দূরে থেকে ডাকিতুম মম বংশীর সুরে।
হঠাৎ পুষ্পিতার হৃদে লাগিল মম বংশীর সুর,
সুরে ব্যকুল হয়ে পুষ্পিতা আসিল হৃদয়পুর।
হঠাৎ অভিমান করিয়া পুষ্পার সুভাশ করিল বন্ধ,
পুষ্পিতা আর ফুটিল না,হয়ে গেল মম ভূবন অন্ধ
পড়ন্ত বেলায় বিষন্ন হয়ে এলো অলক মেলিয়া,
হয়ত পুষ্পিতা ভাবে যেদিনগুলো এসেছে ফেলিয়া
আমায় ভেবে পুষ্পিতা চেয়ে থাকে
আমি কখন আসব এই খোলা প্রান্তরে,
পুষ্পিতার যত দুখ সব দূর করিয়া দিব
অপেক্ষায় থাকে, পুষ্পিতা জড়াবে অন্তরে।
মায়ার বাঁধন কভু কি গো যায় ছেড়া?
জানি গো পুষ্পিতা,কষ্টের অম্বরে মোরে ছাড়া।
ওগো পুষ্পিতা! রজনীতে দেখি তুমি ঐ
অন্তরীক্ষের দখিনের প্রজ্বলিত তারা,
কথা হয়, অপেক্ষায় থাকি কখন উদিত হবে
জানি গো পুষ্পিতা, সঙ্গীবিহীন তুমিও দিশেহারা।
আমায় ভেবে তাকিয়া দেখে হয়ত
আমি সেই রক্তিম বিকেলের সবিতা,
পুষ্পিতা এখনও কথা বলে মোর সনে
আর আমি রচি পুষ্পিতার রূপের কবিতা।
=================================
#তারিখঃ ১৪-০১-২০২০ ইং
#সময়ঃ বিকেল ৫ টায়
#উৎসর্গ_করিলমাঃ অপরূপ রূপের নন্দিনী পুষ্পিতাকে।
২০২০ সালের প্রথম কবিতা এটা
#তারিখঃ ১৪-০১-২০২০ ইং
#সময়ঃ বিকেল ৫ টায়
#উৎসর্গ_করিলমাঃ অপরূপ রূপের নন্দিনী পুষ্পিতাকে।
২০২০ সালের প্রথম কবিতা এটা
আও মেরে পুষ্পিতা
আসাদুল্লাহ
==================================
দিয়ে গেলে বক্ষে ব্যাথা,
ভিজে আছে দু'চোখের পাতা,
দিবস-শর্বরী গেল,পঞ্চ বছর গত হলো,
এলো না যে মোর ভালোবাসার পুষ্পিতা।
মন আকাশর লোকো-চুরি করে বেদনার মেঘ,
বেদনারা সঙ্গী আজি,হায় মম ভালোবাসার আবেগ।
ত্বরায় ছুটে এলুম দেখে তোমা এলো কেশে,
ভালোবেসে মন আকাশে ব্যাথার মেঘ
দিলে অবশেষে।
আজি চির পরাজিত কিশোর কবি, কবি রাণীর কাছে,
ছলনাময়ী-নাট্যময়ী তনয়ার প্রেমে
অবশেষে ব্যাথা ছাড়া কি মম আছে?
সাহিত্যাঙ্গনে তুমি বিনে চির শূন্য,
আও মেরে পুষ্পিতা! অপেক্ষায় রহিনু তোমা জন্য।
"পুষ্পিতা বাগ মে,বাহার কি আগ মে,
ভরা দীল দাগ মে, কাহা মেরে পিয়ারা,
আও-আও পিয়ারা, ও মেরে পিয়ারা। "
পুষ্পিতা বিনে মেরে জিন্দেগী বাহুত দিশেহারা,
মোজে মাফ কারো,আজি আও-আও পিয়ারা,ও মেরে পিয়ারা।
============================
আসাদুল্লাহ
==================================
দিয়ে গেলে বক্ষে ব্যাথা,
ভিজে আছে দু'চোখের পাতা,
দিবস-শর্বরী গেল,পঞ্চ বছর গত হলো,
এলো না যে মোর ভালোবাসার পুষ্পিতা।
মন আকাশর লোকো-চুরি করে বেদনার মেঘ,
বেদনারা সঙ্গী আজি,হায় মম ভালোবাসার আবেগ।
ত্বরায় ছুটে এলুম দেখে তোমা এলো কেশে,
ভালোবেসে মন আকাশে ব্যাথার মেঘ
দিলে অবশেষে।
আজি চির পরাজিত কিশোর কবি, কবি রাণীর কাছে,
ছলনাময়ী-নাট্যময়ী তনয়ার প্রেমে
অবশেষে ব্যাথা ছাড়া কি মম আছে?
সাহিত্যাঙ্গনে তুমি বিনে চির শূন্য,
আও মেরে পুষ্পিতা! অপেক্ষায় রহিনু তোমা জন্য।
"পুষ্পিতা বাগ মে,বাহার কি আগ মে,
ভরা দীল দাগ মে, কাহা মেরে পিয়ারা,
আও-আও পিয়ারা, ও মেরে পিয়ারা। "
পুষ্পিতা বিনে মেরে জিন্দেগী বাহুত দিশেহারা,
মোজে মাফ কারো,আজি আও-আও পিয়ারা,ও মেরে পিয়ারা।
============================
তারিখঃ ০৫-০২-২০২০ ইং
সময়ঃ রাত ১১ টায়
উৎসর্গ করিলামঃ ♥ কে
২০২০ সালের ২য় কবিতা
===================
সময়ঃ রাত ১১ টায়
উৎসর্গ করিলামঃ ♥ কে
২০২০ সালের ২য় কবিতা
===================
কত বসন্ত আসে,আস না তো তুমি
আসাদুল্লাহ
=================================
অদ্যাপি স্মৃতি নাড়া দিয়ে যায় আসাদ স্মৃতির দর্পণে,
ভুলিতে নাহি পাড়ি পুষ্পিতাকে বাসন্তীর আগমনে।
আম্র কাননে এমনই বসন্তের দিনে তার সনে,
গল্প-হাসি-উল্লাস করিতুম মনে পড়ে আজি বাসন্তীর আগমনে।
বৃক্ষরাজি আজি সজ্জিত বাসন্তীর ফুলে-ফুলে,
আজি শূন্য আম্র গহন নাহি পুষ্পিতা গেল চলে।
মোরে দেখিয়া এলো অলক মেলিয়া আসিত পুষ্পিতা প্রেম গহনে,
আজি বার-বার পড়ছে মনে বাসন্তীর আগমনে।
কি ব্যাথা দিয়ে গেল হৃদয়পুরে জ্বলছে আগুন?
কত দিবস-রজনী যায় আস না তো তুমি আসে বার-বার ফাগুন।
ফাগুনের পাখি আসে গেয়ে যায় সুমধুর গান,
গানের সুরে নাচিয়া ভ্রমরে ভরে যায় সব বাগান।
আমারও মুখে এমনই বসন্তরাগে ধ্বনিত হত যে গান,
আজি মম বাঁশিতে নাহি সুর করিলে মোরে অপমান।
আজি এই বসন্তের দিনে বার-বার তোমায় পড়ছে মনে,
আম্র গ্রহনে বসিয়া কত গল্প করিতুম তোমা সনে।
আই আগুনঝড়া ফাগুনের হৃদ গহীনে পড়ছে মনে,
বসন্তদূত আসে, আস না তুমি বাসন্তীর আগমনে।
অদ্যাপি অপেক্ষায় রহিনু এই বাসন্তীর দিনে,
আবারও মিলন হবে দু'জনার আম্র গহনে।
বাসন্তীর আগমনে আজি আম্র কাননে পাখিদের মেলা,
পাখিদের গানে-গানে বিরহে কাঁটে মম সারা বেলা।
তুমি পুষ্পিতা আস না তো এপাড়ে, কত বসন্ত আসে,
পঞ্চ বছর গেল, ভাবিও তুমি আসাদ আজও তোমায় ভালোবাসে।
==================================
#তারিখঃ ১৮-০২-২০২০ ইং
#সময়ঃ সকাল ১১ টায় (আম বাগানে বসে)
==================================আসাদুল্লাহ
=================================
অদ্যাপি স্মৃতি নাড়া দিয়ে যায় আসাদ স্মৃতির দর্পণে,
ভুলিতে নাহি পাড়ি পুষ্পিতাকে বাসন্তীর আগমনে।
আম্র কাননে এমনই বসন্তের দিনে তার সনে,
গল্প-হাসি-উল্লাস করিতুম মনে পড়ে আজি বাসন্তীর আগমনে।
বৃক্ষরাজি আজি সজ্জিত বাসন্তীর ফুলে-ফুলে,
আজি শূন্য আম্র গহন নাহি পুষ্পিতা গেল চলে।
মোরে দেখিয়া এলো অলক মেলিয়া আসিত পুষ্পিতা প্রেম গহনে,
আজি বার-বার পড়ছে মনে বাসন্তীর আগমনে।
কি ব্যাথা দিয়ে গেল হৃদয়পুরে জ্বলছে আগুন?
কত দিবস-রজনী যায় আস না তো তুমি আসে বার-বার ফাগুন।
ফাগুনের পাখি আসে গেয়ে যায় সুমধুর গান,
গানের সুরে নাচিয়া ভ্রমরে ভরে যায় সব বাগান।
আমারও মুখে এমনই বসন্তরাগে ধ্বনিত হত যে গান,
আজি মম বাঁশিতে নাহি সুর করিলে মোরে অপমান।
আজি এই বসন্তের দিনে বার-বার তোমায় পড়ছে মনে,
আম্র গ্রহনে বসিয়া কত গল্প করিতুম তোমা সনে।
আই আগুনঝড়া ফাগুনের হৃদ গহীনে পড়ছে মনে,
বসন্তদূত আসে, আস না তুমি বাসন্তীর আগমনে।
অদ্যাপি অপেক্ষায় রহিনু এই বাসন্তীর দিনে,
আবারও মিলন হবে দু'জনার আম্র গহনে।
বাসন্তীর আগমনে আজি আম্র কাননে পাখিদের মেলা,
পাখিদের গানে-গানে বিরহে কাঁটে মম সারা বেলা।
তুমি পুষ্পিতা আস না তো এপাড়ে, কত বসন্ত আসে,
পঞ্চ বছর গেল, ভাবিও তুমি আসাদ আজও তোমায় ভালোবাসে।
==================================
#তারিখঃ ১৮-০২-২০২০ ইং
#সময়ঃ সকাল ১১ টায় (আম বাগানে বসে)
কবিতাঃ অপরূপের চাঁদ
আসাদুল্লাহ
স্নিগ্ধ জ্যোস্নার যামিনীতে
কতটুকু জ্যোস্না ঝড়ে আর?
তুমি মম হৃদ অন্তরীক্ষের চন্দ্রমা
এই সুধাংশুকে খুজি বারে-বার।
ঐ ত্রিযামা অম্বরের হিমাংশুর হাসি
দেখে কতটুকু হর্ষ আর পাই?
মোর মনোমুগ্ধকর পল্লীর অপরূপ দিব্যাঙ্গনার ন্যায় মহীতে কেহ নাই শুন ওরে ভাই।
এ কি রূপ তাহার?এ রূপে দগ্ধ মোর আঁখি,
যেন রূপ কেহ না দেখে, পরশ চাদরে ডেকে রাখি।
মেহেদী রাঙ্গা পদের ঝুমুর-ঝুমুর নূপুর সুরে,
হর্ষের গান গাহি, পুলকের ঝড় হানা দেয় হৃদয়পুরে।
এলো অলক যবে দখিনা বাতায়নে উড়ে,
প্রভঞ্জন এলো চুলে খেলার লাগিয়া তাহার সনে সতত চড়ে।
এই ঝুম-ঝুম নূপুরের ধ্বনিতে ভরদুপুরে
বসন্তের বসন্তদূত সুর দেয় গানে,
আর কবি বসে কবিতা রচে বসে নিম বাগানে।
ওগো প্রিয়সী! জনম-জনম এই পথ দিয়ে
এলো অলক,নূপুর ধ্বনি বাজিয়ে যেন আস,
তোমা দেখে কবিতা রচিব,বাঁশের বুক ফাটিয়ে সুর দেব হয়ত ভালো বাস কি না বাস।
তবু তুমি সতত প্রহ্যত এই নীরব-নির্জন পথে আস।
যবে আঁখি সামনে পহেলা দেখি
তোমা এই অপরূপ রূপের ছবি,
এই রূপে দগ্ধ হয়ে হয়েছি ব্যকুল,
হয়ে গেছি অজান্তে তোমার কবি।
যদি কোনো এক ভরদুপুরে ক্লাস ফাঁকি দিয়ে
সবুজের লীলাভূমির নিভৃতে-নির্জনে,
তোমা নরম হস্ত ধরে আস্তে-আস্তে হেঁটে যাব
হৃদয়ের সব কথা বলে দিব তোমা ঐ মনে।
প্রকৃতির নির্জনে-নিভৃতে শুধু তোমা সনে,
তোমা ঐ বাক্য শুনে যেন পুলকে ঝড় ওঠে মোর প্রাণে।
ওগো প্রনয়িণী!মোর হৃদ গগনে যেন চিরকাল জ্বলে এই রূপের অপরূপ চন্দ্র,
প্রভু হে! মম পল্লীর নন্দিনী এই রূপ দেখি যেন সদা চিরকাল, করিও না কভু মোরে অন্ধ।
( সমাপ্ত)
তারিখঃ২১-০৬-২০১৯ ইং
সময়ঃ রাত ১টা ৩০ মিনিটে,জ্যোস্নার রাতে একলা ছাঁদে বসে
=================================
স্বপ্ন-সহচারী
আসাদুল্লাহ
এত দিনে এলে এ অবেলায় ওগো স্বপ্ন-সহচারী!
হৃদ মন্দিরের বন্দনা করিয়া আজি শূন্য পূজারী।
তোমা ক্ষন নব যৌবনাতে
অনন্তকালের চিরন্তন সঙ্গিনী,
এ অবেলায় আসিয়াছ তুমি?
নাহি ব্যকুল প্রেম শূন্য ভিখারিনী।
আশাহত জীবনাতে ক্লান্ত,বিদগ্ধ
এত দিন ছিনু অধীর অপেক্ষায় তোমা আশায়,
ওগো স্বপ্ন-সহচারী! সুদূরিকা, দূরে-দূরে থাক
জড়ালে না মোরে ইন্দ্রজালের ভালোবাসায়।
তোমা নাম নাহি জানা, ওগো স্বপ্ন-সহচারী
সতত করিয়াছি তোমা হৃদের বন্দনা,
ওগো মম প্রেম প্রেয়সি!ক্ষন যৌবনাতে
তুমি মোর হৃদ ভূবনের প্রজ্বলিত চন্দ্রনা।
তৃষাতুর হৃদে,শুষ্ক স্বপ্নময় আঁখিতে
তোমা লাগিয়াছে মোর বড় যেন ভালো,
চির অপেক্ষায় কাঁটিয়াছি সতত প্রহর
ভাবিয়াছি হৃদ মন্দিরে জ্বালিবে প্রেমের আলো।
প্রেম সত্য,সত্য মম বাণী,প্রেম সত্য চিরন্তন
প্রেম পাত্র চিরন্তন এ ধরিত্রিতে নয়,
তবু বাঁশির বুক ফাটিয়া তোমা ডাকি
যেন সুর হৃদে লাগে যেন তোমা সনে প্রেম হয়।
ওগো স্বপ্ন-সহচারী!আজি আসিলে এ অবেলায়?
সতত দিবস-শর্বরী তোমা ভেবে ছিনু সারা বেলায়,
প্রেম পূসুন শুকিয়ে গেছে,বকুল মাল্য ছিড়ে গেছে
সুর থেমে গেছে, আজি আমি আছি মরন-বেলায়।
কবি অধীর অপেক্ষায় ছিনু তোমা প্রতীক্ষায়,
হৃদ তৃষ্ণা মিটে যাবে তোমা সুখময় ভালোবাসায়।
অপেক্ষায় ছিনু হৃদ মন্দিরে হয়ে প্রেম পূজারী,
নাহি তোমা লভি যৌবনাতে ওগো স্বপ্ন-সহচারী।
যবে স্বপ্নে দেখিয়াছিনু তোমা, মনে পড়ে ত্রিযামা,
তোমা বন্দনা করি,তুমিই জীবনাতে মম প্রিয়তমা।
তুমি আজি এলে এ অবেলায়,ওগো স্বপ্ন-সহচারী,
কি তোমা দিব এ মরনবেলায়,আজি শূন্য পূজারী?
(সমাপ্ত)
কবিতাঃস্বপ্ন-সহচরী
তারিখ:০৩-০৬-২০১৯ ইং
সময়:সকাল ১১ টায়
=================================
কবিতাঃ তোমায় দেখব বলে
আসাদুল্লাহ
সতত অধীর অপেক্ষায় কাঁটায় প্রহর,
তোমা নিয়ে স্বপ্ন বুনি,হৃদে গড়েছি প্রেম শহর।
তোমা দেখব বলে অপেক্ষায় নিম কান্তরে,
যদি না তোমা দেখি লাগে ব্যথা মোর অন্তরে।
তুমি আসবে বলে ভোরের বিহঙ্গরা মোরে জেগে তুলে,
মোর এ দু' নয়ন নাহি চাহি ঘুমাতে তোমায় দেখবে বলে।
তুমি আসবে বলে, এই পথে নূপুর ধ্বনি বাজবে বলে,
কর্ন এই সুর শুনবে বলে,শুষ্ক কাতর নয়ন শান্ত হবে তোমা রূপ দেখবে বলে।
তুমি আসবে বলে দখিনা প্রভঞ্জনে তোমা সুভাস পাই,
তোমায় দেখে তোমা হৃদ দেশে বারে-বারে হারাই।
প্রভাতে তোমা দেখব বলে, অপেক্ষায় কাঁটায়
রজনী,
এ কোন রূপের জাদুতে পাগল করিলে ওগো নন্দিনী?
যবে তোমা এ রূপ দেখে মোর নয়ন পহেলা,
এ অবুজ তৃষ্ণার্ত হৃদয় তোমা ভেবে-ভেবে কাঁটায় সারা বেলা।
মোরে বন্দি করিলে এ কোন মায়ার ইন্দ্রজালে?
ভিখ চাহি, দিও প্রেম, ললাট ঠেকায় তবু তোমা চরনতলে।
হামেশা থাকি অপেক্ষায় শুধু তোমা দেখব বলে,
দিও প্রেম কাঁদিও না মোরে,ভাসিও না চোখের জলে।
এ তো নয় গো প্রিয়া দূর-বহুদূর,
বাজাই বাঁশি তোমার কর্নে লাগে এ সুর।
শুধু তোমায় দেখব বলে এই নিম কুঞ্জের ছায়া তলে,
আসিও সদা এ পথে শুধু তোমা দেখব বলে।
শুধু তোমায় দেখব বলে,এক পলক দেখব বলে।
( সমাপ্ত)
তারিখঃ২৫-০৬-২০১৯ ইং
সময়ঃ সন্ধা ৭:৩০ মিনিটে
ঢাকা থেকে আসার সময় তিতাস ট্রেনে দাঁড়িয়ে।
=================================
কবিতাঃ তুমি কাছে থেকেও দূরে
আসাদুল্লা
তুমি আজি কাছে থেকেও দূরে,
তোমা চরনের নূপুর বাজে হৃদয়পুরে।
জানল না কেহ ছিলে যে এই মনে,
উত্তরে ছুটে এসেছ দখিনা প্রভঞ্জনে।
প্রভাতে দেখব বলে এই নিম বনে,
তুমি আসলে চেনা সুভাব পাই পবনে।
সবুজের খোলা দখিনে সতত থাকি চেয়ে,
কেন ছিন্ন কর,তাকাও না কেন ওগো মেয়ে?
মোর বংশীর সুর বাজে তোমা কর্নে,
সুর হৃদে লাগে তবু কেন আস না এই অরন্যে?
তুমি কাছে থেকে আজ দূর-বহুদূর!
বাঁশির সুরে তোমা ডাকি আস না হৃদয়পুর।
ঐ চন্দ্রমাখা মুখ দেখব বলে,
পরাণে সুখ লাগবে বলে,
সতত বসে থাকি নিম কুঞ্জের ছায়াতলে,
করিও মোরে সঙ্গী, রাখিও নয়নের কাজলে।
কভু ফেলিও না নয়নের জল,
পড়ে যাব আমি, মুছে যাব তোমা কাজল।
এত কাছে থেকেও নাহি দেখি তোমা!
দূরে-দূরে কেন থাক ওগো মম প্রিয়তমা?
এত হেতু,দাও না কেন দেখা ওগো রূপবতী?
যদি বা নায় দিলে দেখা, ওগো লজ্জাবতী।
ওগো লজ্জাবতী!তোমা বিনে কাঁটে না বেলা,
নিয়তিতে আছে কি লিখন তোমা মাঝে লীলা
কেনই বা দিলে দেখা আজি এই অবেলায়?
আমি মরনবেলায়,দেখা যদি না হয় মিলনমেলায়।
কাছে আসিও,করিও মোর সনে আলাপন,
যদি নাই থাকে লিখন দুজনার জীবন-যাপন।
তবে কেন হে দূরে-দূরে থাক ওগো সুদূরিকা?
তুমি কেন এত চঞ্চল ওগো মেঘবালিকা?
এত কাছে থেকেও তুমি আজি বহু-দূরে,
জানলে না গো প্রিয়,তুমি মম হৃদয়জুড়ে।
মোর নয়ন কোনে থেকেও তুমি অপরিচিতা,
এ ব্যথায় রচিলাম বিরহের ব্যর্থ কাব্য সঞ্চিতা।
এত কাছে থেকেও তুমি রইলে মোর অজানা,
হৃদ পিঞ্জর ছিন্ন করিয়া গগনে মেললে ডানা।
তুমি যে মনে এ কথা জানলা কেহ,জানে মন,
তোমা অজান্তে তোমা লাগি কাঁদি প্রতিক্ষন।
এত কাছে থেকেও তুমি আজি বহু-দূর,
ডাকি তোমা লাগে না কি পরাণে সুর?
ওগো নন্দিনী,থাকিও না আর ছিন্ন করে বহু-দূর,
সব বাঁধন ছিন্ন করিয়া এসো মম হৃদয়পুর।
#তারিখঃ০৯-০৮-২০১৯ ইং
#সময়ঃরাত ৭ টায়
(কমলাপুরের আগের স্টেশন তেঁজগাও থেকে আমীরগঞ্জে রাতে তিতাস ট্রেনে আসার সময় দাড়িয়ে-দাড়িয়ে লিখলাম, আমার সিটটা দিয়েছিলাম এক দাদিকে)
#কবি_গুরুর_ব্যর্থ_কাব্যঃ
"মোর নয়ন কোনে থেকেও তুমি অপরিচিতা,
এ ব্যথায় রচিলাম বিরহের ব্যর্থ কাব্য সঞ্চিতা।
কবি গুরু, প্রেমিক কবি কাজী নজরুল ইসলামের ২য় প্রেমিকা ছিলেন ঢাকা বিশ্ব বিদ্যালয়ের গনিত বিভাগের মেধাবী ছাত্রী ফজিলাতুন্নেছা। কবি তাকে ভালোবাসতেন কিন্তু ফজিলাতুন্নেছা কবিকে পাত্তা দেননি। কবি গুরুর অন্যতম কাব্য " সঞ্চিতা" ফজিলাতুন্নেছাকে উৎসর্গ করতে চেয়েছিলেন কিন্তুু সে অনুমতি দেয় নি। ফলে কবি গুরু ব্যথিত হন।
আর এখানে আমি এই দুই চরনে বলতে চেয়েছি যে,
"মোর নয়ন কোনে থেকেও তুমি অপরিচিতা,
এ ব্যথায় রচিলাম বিরহের ব্যর্থ কাব্য সঞ্চিতা।
অর্থ্যাৎ,কবি গুরুর সেই কাব্য যেমন ব্যর্থ হয়েছিল ঠিক যেন আমিও ব্যর্থ কাব্য রচিলাম।
=================================
কবিতাঃ প্রথম প্রেম-প্রিয়া-পদ্য
আসাদুল্লাহ
প্রেম যাহাতে নাই বিষন্নতায় ভোগে সেই জন,
মায়ার বন্ধনে প্রেমিক দিতে পারে প্রাণ বিসর্জন।
আঠারর প্রাচীর ভাঙ্গিয়াছে সব যুবক-যুবতী প্রেমে
বিজয়-বিজয়িনী ধন্য এ আহবে,তবু যায়নি থেমে।
এ যে স্রষ্টারই দান,এই পিরিত করিয়াছে
বসুমতীর প্রথম মানব আদম-হাওয়া,
সেই রীতিতে সব মানবের এই মিনতি চাওয়া,
আদম-হাওয়ার সূত্র ধরে প্রেমিক-প্রমিকাকে পাওয়া।
আঠারোতে প্রদার্পণ করিয়াছি যেই জন,
হৃদয়ক্ষেত্রে সেই জন সৃজন করেছে প্রেম কানন।
ব্যকুল পরানের যৌবন তৃষ্ণা মিটিয়েছে প্রেমে,
আঠারোর এ তেজী চিত্র বাঁধিয়াছে হৃদ ফ্রেমে।
এই প্রথম প্রেমে, প্রথম প্রিয়াকে নিয়ে,কবিরা রচিয়েছে জীবনের প্রথম পরশ কাব্য কবিতা,
আঠারোর তৃষ্ণা মিটে পেয়ে রূপমুগ্ধ দুহিতা,
সব প্রেমিক চাহি করতে তাকে জীবনাতে বণিতা।
আহ!সব তনয় মায়া-প্রীতি দিয়ে হৃদ
মাঝে অঙ্কিত করে প্রথম তনয়ার ছবি,
কেহ পারে না মুচিতে সেই ছবি, কেহ হয়
আবেগী, কেহ শিল্পী, কেহ হয়ে যায় কবি।
লাইলী-মজনু কেহ কাইকে পাই নি! তাদের
মতো করে কোনদিন কেহ কাউকে কভু পাবে না,
প্রথম প্রেমের প্রথম প্রিয়াকে কেহ কভু পাই না, পরাজিত প্রিয়ার রণে স্মৃতি তবু রয়ে যায় প্রাণে।
প্রথম প্রেমের প্রথম প্রিয়া যে কবিতা দিয়ে যায়,
সেই কবিতা অন্তকাল প্রতিটি প্রমিককে কাঁদায়।
প্রথম প্রিয়া যে পদ্য দিয়ে নেয় চির বিদায়,
প্রথম প্রিয়ার পদ্য জানম-জনম প্রমিককে কাঁদায়।
#তারিখঃ ২২-০৬-২০১৯ ইং
#সময়ঃ রাত ৩ টায় ঘুমানোর পূর্বে বিছানায় শুয়ে।
#উৎসর্গ_করিলামঃ কৌশোরের সেই অপরূপ রূপসী মায়াবী নন্দিনীকে, চির বান্ধবীকে।
=================================
তুমি এমনই একজন
আসাদুল্লাহ
প্রভু বাঁধিয়েছে তোমাতে মম এই পূত মন,
রূপবতীর রূপমুগ্ধ তুমি এমনই একজন।
কোটি নন্দিনীর মাঝে তুমি এমনই একজন,
তৃষ্ণার্ত মন তোমায় দেখার লাগি করে ছন-ছন।
বাসন্তীর বসন্তদূত হয়ে পুলকিত করেছ প্রেম বন,
রাঙ্গা পদের নূপুর ধ্বনিতে জাগল মোর এই মন।
এই মায়াবী হাসিতে তোমাতে পাই স্বর্গের চির হর্ষ,
প্রভু হে!দিও জিন্দেগি দুজনাতে হাজার-কোটি বর্ষ।
তোমার হৃদ মন্দিরের প্রেম পূজা করে মম মন,
এই ধরনীর মাঝে তুমি এমনই প্রিয়সী একজন।
তুমি এমনই একজন রচি যত মোর কাব্য-কবিতা,
লিখন আছে কি ভাগ্যে তুমি মম চির বণিতা?
নজরুল, রবি ঠাকুর,কালিদাস,সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়ের মুখে ধ্বনিত হয়েছে তোমা কথা,
এই নন্দিনীর রূপ দেখে যত কবি রচিয়েছে কাব্য,
তবু বৃথা গেল কবিদে প্রেম!বৃথাও লিখন এ ভাগ্যে
তুমি এমনই একজন, তোমার লাগি ব্যকুল এ মন,
তৃষ্ণার্ত হৃদয় করে ছন-ছন, হয় শুধু তোমার স্মরণ।
তুমি এমনই একজন চির প্রেমময় কাব্যের দুহিতা,
এই কাব্য দেখে-দেখে রচিত করে কবিরা কবিতা।
কোনো কালে কোনো কবি নাহি পেল
এই প্রেম প্রয়সীর প্রেমের রণে চির জয়,
ব্যর্থ প্রেমের আহবে কত কবির হৃদয় হলো লয়?
তোমার হৃদয়ক্ষেত্রের হৃদ রনাঙ্গনে পরাজিত কবি,
তুমি ছলনাময়ী,হৃদয় ভঙ্গুরী,অভিনয়ী,তুমি সবি!
তুমি এমনই একজন,তোমার লাগিয়া কাঁদে মন,
ব্যর্থ প্রেমে আজি সৃজন করিয়াছি কাব্যের কানন।
ধরনীর মাঝে তুমি শুধু এমনই একজন,
তোমার এই প্রেমের লাগিয়া দিয়াছি সব বিসর্জন।
তুমি মোর নয়ন মাঝে এমনই একজন,
তোমার লাগিয়া কাঁদে মন জনম-জনম।।
(সমাপ্ত)
তারিখ: ০৯-০৪-২০১৯ ইং
সময়: বেলা ১২ টায়
নিম বাগানে বসে
=================================
সারাটি রাত্রি তারাটির সাথে
আসাদুল্লাহ
স্নিগ্ধ জ্যোস্নার যামিনীতে এই ত্রিযামার যাত্রী,
তারাটির দিকে চেয়ে-চেয়ে কাটাই সারাটি রাত্রি।
রজনীর অন্তরীক্ষে নবীন দখিনা তারাটি দেখি যবে,
তাহার এই রূপে নব-যৌবনার প্রেম হানা দেয় মোর হৃদ ভবে।
সারাটি রাত্রি জেগে থাকি এই রূপ দেখব বলে
বারে-বারে লুটিয়ে পড়ি তাহার চরন তলে।
সারাটি রাত্রি চেয়ে-চেয়ে কাঁটায় তার পানে,
হঠাৎ তারাটি উদিত হলো মোর সম্মুখে।
দখিনা তারাটি উদিত হলো এতদিন পরে,
তার অপেক্ষায় ছিনু আজি পড়িল সে নজরে।
কত দিবস-রজনী ছিনু এ তারার আশায়,
আজি মম তৃষ্ণা মিটে যাক তার ভালোবাসায়
ঐ তারাটি রূপের রূপবর্তী দুহিতা,
তাকে দেখে, তারে নিয়ে রচি কবিতা।
স্নিগ্ধ জ্যোস্নার যামিনীতে সারাটি রাত্রি,
তারাটির পিছনে ছুটি আমি আকাশের যাত্রী।
চোখে নাহি আসে ঘুম তার রূপের দীপ্তিতে,
বারে-বারে নয়ন তারে দেখিতে চাই তবু মিটে না পরাণের তৃপ্তি।
সারাটি রাত্রি ছাঁদে বসে তাকিয়ে-তাকিয়ে থাকি দখিনা তারাটির পানে,
তার হৃদদেশে হারিয়ে যেতে চাই
সে যেন ত্বরায় ছুটে আসে মোর গানে।
সারাটি রাত্রি তারাটির সাথে
জ্যোস্নার যামিনীতে জেগে-জেগে থাকি,
মোর হৃদ অন্তরীক্ষে তারে ভেবে-ভেবে
তার রূপের ছবি আঁকি।
তারাটির সাথে সারাটি রাত্রি গেয়ে যাই গান,
মোর হৃদয় আকাশে তারে আনার জন্য
কাঁদে মোর অবোজ প্রাণ।
সারাটি রাত্রি তারাটির সাথে থাকি জেগে,
কত কথা বলি তারে, বসে মোর নিম বাগে।
সারাটি রাত্রি তারাটির সাথে নির্জন নিভৃতে,
তারাটিকে দেখি চেয়ে-চেয়ে সারাটি রাত্রে। (সমাপ্ত)
তারিখঃ ২৪-০৭-২০১৯ ইং
সময়ঃরাত ১১:২০ মিনিটে।
উৎসর্গঃ নিকেতনের সামনে দখিনের নন্দিনীকে।
=================================
উৎসর্গঃসানজিদাকে
ভারতবর্ষের " ত্রিপুরার বাংলা সাহিত্য পরিষদে" ৮ম সাপ্তাহিক প্রতিযোগিতায় কবিতাটি প্রথম হয়েছিল!!
সারাটি রাত্রি তারাটির খুঁজে
আসাদুল্লাহ
সারাটি রাত্রি কাঁটাই চেয়ে তারাটির পানে,
ঐ অন্তঃরীক্ষের সীমাহীন দূরত্ব পেড়িয়ে
তারাটি ছুটে এসেছিল ভালবাসার টানে,
বহু বছর দুটি তারা মিট-মিট জ্বলেছে,
হেসেছে, নেচেছে শত ভালবাসার গানে।
মোর নিকেতনের উপরে ঐ তারাটির নাম আসাদ,
দখিনের তারাটিকে বহু কষ্টে এনেছি কাছে
ঐ তারাটির নাম সহযোগিনী, দু'জন করি আহ্লাদ।
দুটি তারা একসাথে জ্বলে-নিবে, নাচে-হাসে,
দুটি তারা ভালবাসার উল্লাস করে সারাটি রাতে,
আবারও এক সাথে নিভে যায় প্রভাতে।
কত স্মৃতি, হাসি-কান্না,কত না গল্প করে দুটি তারা
দুটি তারাকে বেশ মানিয়েছে বলে অন্যরা।
সহযোগিনী তারাটির দীপ্তিতে গগনটা তীপ্ত হয়,
তারাটি এতই সুন্দর কোটি-কোটি তারারা কয়।
কোটি-কোটি তারারা বলে সে তো তারাদের পরী,
ঐ সুধাংশুর চেয়ে হাজার গুনে তারাটি সুন্দরী।
যৌবনের প্রেমের তৃষ্ণার্তে বহু বছর খুঁজেছি
তারে কোটি-কোটি তারাদের মাঝে,
সীমাহীন আকাশের মধ্য থেকে
বহু কষ্টে এনেছি আজে।
সকল ঋতুতে দুটি তারা উদিত হয়,
দুটি তারার ইতিহাসে হয়েছে আকাশ জয়।
তারাটিকে গ্রহ-নক্ষএ,সকলে চিনে, চিনে ধূমকেতু,
অভিমানে তারাটি হারিয়ে গেল, কি ছিল হেতু?
সারাটি রাত্রি কোটি তারাদের সাথে
ঐ তারাটিরই রূপের কথা বলি,
ঐ তারাটি মোর যত প্রেমের গানের কলি।
সারাটি রাএি রাএি তারাটির সাথে চলি।
চলে গেছে দূর বহুদূর,সীমাহীন প্রান্তে,
এত ঘৃণা করিল, আজও জানা
হলো না কোন ভ্রান্তে?
তারাটি চলে গেছে সীমাহীন প্রান্তে,
তারাটি শেষ বিদায় নিল আসাদেরই অজান্তে।
এ মনে ব্যথা, সীমাহীন আকাশ তুল্য,
তারাটিকে এনেও বৃথা হলুম,
পেলাম না প্রেমের মূল্য।
সবই বৃথা, বৃথা সেই বকুল পুষ্পের মাল্য,
সেই পুষ্প-মাল্য,দুজনকে এক করল।
তারাটি চলে গেছে ঐ দখিনা প্রান্তে,
এখনও অপেক্ষায় কি ভুল ছিনু তা জানতে?
ঐ দখিনা দিগন্তে তারাটি প্রত্যহ উদিত হয়,
সারাটি রাত্রি চেয়ে-চেয়ে বৃথিত হয় মোর হৃদয়।
দেখি কোটি-কোটি তারা হতে চাই তার চির সঙ্গী,
তাকে বলিয়াছি; "ঐ তারটি মোর চির অর্ধাঙ্গী।
সবই বৃথা, জেগে-জেগে কাটাই সারাটি রাত্রি,
ভাবি কোনো এক কালেও হবে কি সে চির পাত্রী?
তারাটির খুঁজে হয়েছি আকাশের মুসাফির যাত্রী,
তারাটির খুঁজে জেগে-জেগে কাঁটাই সারাটি রাত্রি,
নিকেতনের উপরের তারাটি কাঁটায় রাত্রি ব্যথায়,
তারাটি বলে;" ঐ তারাটি হারিয়ে গেল কোথায়?
কোটি-কোটি বছর অপেক্ষায় তারাটির আশায়,
এ জীবন প্রজ্বলিত হোক তারাটির ভালোবাসায়।
সারাটি রাত্রি জেগে থাকি তারাটির খুঁজে,
কত স্মৃতি গড়েছি সহযোগিনী তারাটি বুজে?
ঐ তারাটির মায়ার বন্ধন মোর এ পূত প্রাণে,
তাই সারাটি রাত্রি জেগে থাকি তারাটির সন্ধানে।
তাং:২৪-০১-২০১৯ ইং
সময়:রাত ১২ টায়, ছাঁদে বসে।
=================================
"তমিস্রা ঘরে স্বপ্নে তুমি"
আসাদুল্লাহ
অদ্যাপি স্মরণ ক্ষনে-ক্ষনে এ ব্যকুল মনে,
গত রজনীতে এসেছ মম তমিস্রা নিকেতনে।
তুমি রূপের অপরূপা দিব্যাঙ্গনা দুহিতা,
নাহি ললাটে লিখন,হবে না মোর চির বণিতা।
সবই বৃথা, বৃথা সেই রক্তিম পুষ্প, বৃথা বকুল মালা
ছিন্ন হলুম,হৃদয় মন্দির খুলেও দিয়ে দিলে তালা।
সবই বৃথা,বৃথা যতসব অবুজ হৃদয়ের চাওয়া,
শত বছর পরেও তবু মিলন হলো আদম-হাওয়া।
হলো না আর তবু আমাতে তোমাকে পাওয়া,
আজি সবই ব্যর্থ,শুধু হচ্ছে বিরহের গান গাওয়া।
কত জ্যোৎস্নার রজনী চন্দ্রের সাথে জেগে-জেগে,
বলিছিনু ব্যর্থতার যত গল্প,আজও
মেঘনার জল চলছে চঞ্চল বেগে।
আজও আম্র কাননে ধ্বনিত হয় বসন্তদূতের গান
আজও দখিনা বায়ু বয়ছে,তবু কাঁদে মোর পরাণ।
সে যে হারিয়ে গেলে কোনো এক তমিস্রা যামিনী,
সবই মিথ্যে, হলে না আর চির অর্ধাঙ্গিনী।
কত দিন দেখিনা আমাতে তোমার সেই হাসি?
গত নিশিতে তমিস্রা ঘরে স্বপ্নে দেখেছি সেই হাসি,
হাসিতে স্বর্গের চির সুখ আসিল ছুটে রাশি-রাশি।
দেখিলাম,দুজনে এই চির সবুজের মেলায়,
ওঠে দেখি স্বপন, তুমিতো হারিয়ে গেলে
করে মোরে অবহেলায়।
বহু বছর পর দেখিলাম আমাতে তোমায়, সারাটি দিবস ভেবে অতীতের স্মৃতিগুলো জমায়।
গত রজনীতে দেখিয়াছি তোমা
মোর তমিস্রা নিকেতনে,
তাইতো স্বপ্নটি চিরতরে বন্দী করে রাখিলুম আসাদ স্মৃতির কাব্যে চির যতনে,
তুমি এসেছিলে গত রজনীতে।
তাং:১৬-০১-২০১৯ ইং
সময়: ৩:৪০ pm
[বালুয়াকান্দি কবরস্থানের পাশে বসে]
=================================
কবিতাঃ তোমাকে চিনি
কবিঃ আসাদুল্লাহ
আমি চিনি গো তোমা চিনি,
স্বপন ঘরে তোমা দেখেছি,ওগো প্রণয়ীনি!
আমি তোমা বহু পূর্ব থেকেই চিনি,
ঐ রূপ, মায়াবী নয়ন,হাসি দেখেছি ওগো নন্দিনী।
যবে হৃদ মাঝে লাগিল যৌবনের প্রেম বাতায়ন,
তোমা ঐ রূপ দেখেছিনু দিয়ে অন্তর নয়ন।
তোমা আমি জম্ম-জম্ম ধরে চিনি,
ঐ হৃদ মন্দিরের তুমি মোর পূজারিণী।
তোমা এই রূপের ছটা আমায় মুগ্ধ করিয়াছে,
এই রূপ বাহারে হস্ত তোমা ছন্দ বুনিয়াছে।
তোমা চিনি যুগ-যুগান্তর ধরে চিনি,
হৃদ মন্দিরের তুমি মোর প্রেম পূজারিণী।
হঠাৎ মিলন হবে কোনো এক সবুজের প্রান্তরে,
তখন তোমা সুখ বিলিয়ে দিব তৃষ্ণার্ত অন্তরে।
তোমা আমি দেখেছি মোর তমিস্রা ঘরে,
ঐ চেহার রূপ একেছি মোর এই হৃদয়ে।
তোমা আমি চিনি গো চিনি,তোমা মাঝে মোর লীলা,
সতত করি হৃদ মন্দিরে তোমা প্রেম পূজা দিয়ে পূসূন -মালা।
তুমি কভু দিও না গো হৃদ মন্দির তালা,
কভু মোরে করিও না ছিন্ন-অবহেলা।
তোমা আমি জম্ম-জম্ম ধরে চিনি,
আমি যে তোমা হৃদ মন্দিরের চির ভিখারিনী!
ওগো পূজারিণী! তুমি অপরূপা দিব্যাঙ্গনা নন্দিনী,
আমি জানি গো জানি, তোমা জম্ম-জম্ম ধরে চিনি।
ঐ ঢল-ঢল মায়াবী আঁখি,রাঙা পদের নূপুরের ঝুম-ঝুম ধ্বনি বাজে মোর কর্নে,
তোমা দেখব বলে সতত অপেক্ষায় নিকেতনের সামনের অরন্যে।
এই নিম কুঞ্জে অধীর অপেক্ষায় কাঁটায় তোমা দেখার আশায়,
তোমা এই রূপ দেখে পুলকেরা মোরে হর্ষের বাতায়নে ভাসায়।
এই পথে প্রেম পাথেয় নিয়ে বসে থাকি,
হৃদ মাঝে সতত তোমা রূপের ছবি আঁকি।
সে যে স্বপনে দেখিয়াছি তোমা রূপ-তোমা হাসি,
তোমা আজি বাস্তব দেখে আমি চিনি গো চিনি।
কত পথ হেঁটেছি, এই চোখ কত বার তোমা খোজেছে?
তুমি আসবে বলে নির্জনে-নিভৃতে বসে কত বার বাঁজিয়েছি প্রেম-বাঁশি,
এই অবুজে মন শুধু তোমা ভালোবাসি।
কতবার কবিতার খাতা মেলে তোমা ভেবে-ভেবে রচিয়েছি কবিতা,
ওগো!এই ধরাতে শুধু তুমিই মোর চির বণিতা।
তোমা আমি চিনি, বহু কাল ধরে তোমা চিনি,
তোমা হৃদ মন্দিরের আমি সতত প্রেম পূজারি।
তোমাকে চিনি, জম্ম-জম্ম ধরে চিনি,
আমি তোমার হৃদ মন্দিরের প্রেম ভিখারিনী।
যবে প্রথম প্রিয়া ছিন্ন করিয়া গেল বহু দূর,
বহু বছর একাকীত্ব কাঁটিয়েছি, বাজেনি বাশির সুর।
কভু ভাবেনি রে প্রিয়া, এই চোখ তোমা রূপের দিকে দিবে দৃষ্টি,
হৃদয় বলে আজি তোমা সনে হোক প্রেম সৃষ্টি।
জানল না যে মন লুকিয়ে আছ মোর পল্লীর মাঝে,
এই চোখ দেখেছে পল্লীর সবারে, শুধু দেখেনি তোমা তাই মরি আজি লাজে।
তুমি দখিনা বাতায়নে ছুটে এসেছ মোর নিম বাগে,
আহ!কেন হে তুমি আস নি বহু কাল আগে।
কত দিন একা একলা কাঁটিয়েছি তোমা বিনে?
অনন্তকাল যেন সুখের প্রীতি হয় তোমা সনে।
ওগো নন্দিনী! কভু যেও না গো মোরে ছেড়ে,
থাকিও সদা মোর হৃদয় সুখের নীড়ে।
এই পল্লীতে জানম-জনম যেন থাকি দুটি প্রাণে,
আর চিরভাবে যেন ঘুমাই এক সনে ঐ গোরস্থানে।
বারে-বারে ফিরে আসি তোমা কাছ থেকে,
হিম্মত নাহি মোর এ কথা যে কেমনে বলি?
আমি তোমা চিনি গো চিনি, বহু কাল থেকেই চিনি,
থাকিও সতত মোর সনে ওগো নন্দিনী!
তোমা চিনেও এত দিন চিনি নি তুমি যে হৃদ পিঞ্জরের বিহঙ্গী,
প্রভু হে!তারে তুমি করিও মোর চির সঙ্গী।
আমাতে সতত শুধু তোমা ভাবনা,
দু'চোখ শান্ত হয়ে দেখে তোমা ঐ রূপ।
এই মনোমুগ্ধকর পল্লীতে প্রভু পাঠিয়েছে তোমা,
আর কেহ নয়, এই মহীতে তুমিই শুধু মম চির প্রিয়তমা।
তোমা আমি চিনি গো চিনি, চিনি জম্ম-জম্ম ধরে,
কতবার তোমা দেখিয়াছি মোর তমিস্রা স্বপন ঘরে।
তোমা রূপের বাহারে কবি হয়াছি,
হয়াছি প্রেম পূজারী, তোমা চিনি গো চিনি।
একই অন্তরীক্ষের নিচে দুজনের বস-বাস,
একই পল্লীতে নিকতনের সামনে তোমা নিবাস।
তোমা চিনি গো চিনি, তুমি মোর চির প্রিয়া,
প্রভু যেন মম নিয়তিতে জীবন বাঁধে তোমা দিয়া।
তোমা চিনি তুমি মোর দিব্যাঙ্গনা চির ভামিনী,
তোমা ভেবে-ভেবে কাঁটিয়েছি কত জ্যোৎসা যামিনী?
তোমা চিনি যুগ-যুগান্তর ধরে, চিনি গো তোমা,
অন্তর নয়ন দিয়া দেখেছি তুমি মোর চির প্রিয়তমা।
এই পল্লীর তুমি অপরূপ রূপের নন্দিনী,
এই অবুজ মন তোমা ভালোবাসিয়াছে শুন ওগো পূণয়িনী।
তোমা আমি চিরভাবে বাঁধিয়া রাখিব মোর এই গাঁয়ে,
চির সহধর্মিনী হয়ে থাকিবে মম এই জীবনাতে।
তোমা আমি বাসিয়াছি জম্ম-জম্ম ধরে ভালো,
মম এই তমিস্রা নিকেতনে জ্বালো প্রেম আলো।
যবে আঁখি সামনে দেখিয়াছি তোমা ঐ রূপ,
মুগ্ধ, বিমোহিত,আমি আপ্লুত,সতত মগ্ন তোমা নিয়া,
নিম কাননে বসে চেয়ে থাকি তোমা পথে ওগো প্রেম প্রিয়া।
অধীর অপেক্ষায় থাকি কখন এই পথে নূপুরের ঝুম-ঝুম ধ্বনি বাঁজিয়ে আসিবে,
সমীরে ছড়াবে তোমা সুবাশ আর আমি জাগ্রত হবে,স্থির দৃষ্টিতে তোমা শুধু দেখিব।
তুমি কেন বুজ না গো, বুজ না কেন মোর ব্যথা?
কালি দাস কাটাইল বহু বছর তবু বলিল না কথা।
আমি নিঃচুপ,শান্ত, তবে খুব ভালো লাগে মম সামনে দিয়া যাও এই পথে,
জানম-জনম কেঁটে যাবে,চলে যাবে যৌবন তবু তোমা বলিব না মনের কথা,
আমায় খুব ভালো লাগে এই যে তোমা দেখি।
তোমা আমি জম্ম-জম্ম ধরে চিনি,
চিনিয়াছে মোরে মহীতে পাঠিয়েছন যিনি,
তোমা চিনি গো চিনি, চিরভাবে চিনি তোমা,
মোর জীবন মাঝে তুমি মোর প্রিয়তমা।।
তাংঃ ৩০-০৫-২০১৯ ইং,
সময়ঃ৮ pm
=================================
মেঘনা পাড়ের ছেলে
আসাদুল্লাহ
কি ব্যাথা দিয়ে গেলে কাঁটে প্রহর তিলে-তিলে?
হাতে-হাত রেখে হেঁটেছি মেঘনার পাড়ে পড়ন্ত বিকেলে।
সেই সব স্মৃতি-দিন আজি মনে পড়ছে বারে-বারে,
অদ্যাপি অপেক্ষায় আসবে কি মোর মেঘনা নদীর তীরে?
আজও প্রতি সাঁঝে বিহঙ্গরা ফিরে যায় নীড়ে,
এখনও স্তব্ধ যামিনীতে মেঘনার ঢেউ তালি দেয় পাড়ে।
সাঁঝের বেলায় পাল উড়িয়ে মেঘনার মাঝি গেয়ে যায় গান,
আম্র কুঞ্জে নাহি তুমি আজি স্তব্ধ এই প্রেম বাগান।
ব্যকুল পুষ্প গাঁথবে না তুমি, বলবে না তুমি গান,
তোমার জন্য আজও প্রিয়া ব্যকুল যে মোর পরাণ।
মোর হৃদয় নদীর ঢেউ লাগে না তোমার ঐ তীরে,
বুজলে না গো মম ব্যাথা আসলে না আর ফিরে।
তোমার ঢেউয়ে হলো যে মোর হৃদয় কূল ক্ষয়,
জানিলাম আজি তুমি প্রিয়া মোর আপন কেহ নয়।
মেঘনার ঢেউয়ে ভাঙ্গল যে মম বসত ভিটা-ঘর,
অসময়ে তুমি পর আজি আমি মেঘনার যাযাবর।
আজি অসহায়-নিঃস্ব সব গেল হারি মেঘনার জলে,
তুমি প্রিয়া ছিন্ন করিলে তবু দিলে না ঠাঁই চরন তলে।
আজি বারে-বারে মনে পড়ে,দুজনে হেঁটেছিলুম মেঘনার তীরে,
আজি চলে গেলে বহু-দূর কভু আর আসিবে না
মোর হৃদয় নীড়ে।
তারিখঃ২৬-১১-২০১৯ ইং
রাতঃ ৩ টায়( ঘুমে আসতে ছিল না)
=================================
মেঘনার তীরের তনয়া
আসাদুল্লাহ
মেঘনা তীরের তনয় আমি,তুমি তনয়া ঐ পাড়ে,
তীর হতে তরী নিয়া তনয়ার কাছে যেতে চাই বারে-বারে।
এ কি রূপ তাহার?সে যে মেঘনা তীরের রাণি,
মেঘনা তটিনীর মাঝি আমি,মন যে নিল ঐ তরণী।
আমার তীরে বাজে সদা,তোমার চরন নূপুর ধ্বনি,
ওগো রূপের রাণি!তোমায় দেখে উতাল হয় যে মেঘনা নদীর পানি!
মেঘনা মোর মাতৃদুগ্ধ সলিল,মম চির চেনার সখা,
মেঘনার তীরে বসত মোর তাইতো রাণি দেখা।
কল্লোলিনীর মাঝে বাজে সুখের ধ্বনি কল-কল,
প্রিয়ার রূপের দীপ্তীতে মেঘনা পানি করে ঝল-মল।
রূপের আভায় শুধু ভাবায়,বাঁজাই মোর বাঁশি,
তৃষ্ণার্ত মন ব্যকুল পরাণ সহযোগিনীকে ভালোবাসি।
কাঁদিয়ে গেলে,চলে গেলে,দিয়ে গেলে নেত্রজল,
সুখে আছ সখা তুমি,তোমার আঁখিতে সুখের কাজল।
মোর নয়নে দুঃখের জল করে সদা টল-মল,
সুখে আছ মম দুঃখে মুচবে না তো চোখের কাজল।
ওগো মোর চির মেঘনা!ঐ পাড়ের তনয়া করেছে ছলনা,
নাট্যময়ী ছলনায় তাহার দেখা যে আর কভু পেল না।
আজি হৃদকূল ভেঙ্গেছে আমার ধারে,তোমার তীরে নয়,
আমার ব্যথায় হলো না যে তোমার হৃদয় ক্ষয়। অভিনয়ী তনয়া তুমি,আজি তোমার হলো চির জয়,
হেরে গেলাম আমি তনয়,তোমার পিরিতে হলো যে মোর লয়।
ভাসাব না কভু মেঘনা তীরের তরী,
যাব না আর ঐ পাড়ের মেঘনা তরুনীর বাড়ি।
গেয়ে গেলাম,হেরে গেলাম,ডুবে গেলাম মেঘনার জলে,
স্মরণ করিও মোরে, রেখে তোমার নয়ন কাজলে।
তরিখঃ২৪-১১-২০১৯ ইং
সময়ঃ রাত ১১ টা ৪০ মিনিটে ঘুমানোর পূর্বে
=================================
মেঘনার তীরে তোমার অপেক্ষায়
আসাদুল্লাহ
এই হস্তে মিশে আছে তার পবিত্র কলেবরের ছোয়া,
তুমি বল প্রিয়া,এই হাত দিয়ে কি পাপ করিতে পারি কভুয়া?
তোমা নরম পূত হস্তের স্পর্শ মিশে আছে মম অঙ্গে,
তুমি বল সহযোগিনী!
কভু কি পিরিতের বাঁধন সৃজন করিতে পারি কারো সঙ্গে?
এই নয়ন দিয়ে স্থির দৃষ্টিতে দেখেছি তোমা চেয়ে-চেয়ে,
অন্য তনয়ার দিকে দৃষ্টিপাত করিতে পারি কভু,বল ওগো মেয়ে।
আজি পবিত্র বাঁধন চির ছিন্ন,গেলে বহু দূর,
বাজে মম ব্যর্থ বাঁশির সুর,কর্নে বাজে তোমা নূপুর।
প্রতিক্ষন দিবা-নিশি চোখে ভাসে তোমার কৈশোরের ছবি,
আজি ব্যর্থ প্রেমের আহবে হয়েছি ব্যর্থ প্রেমিক কিশোর কবি।
কেমন আছ,কোথায় আছ , ওগো মোর রাণী?
এত কাছে ছিলে আজও কি মনে পড়ে ওগো সহযোগিনী?
গেল চলে পঞ্চ বছর তবু নাহি দেখা মিলে,
সুখে আছ,হায় যায়-যায় জীবন মম তিলে-তিলে।
এস না তো এপাড়ে কত নবীন বর্ষ গেলো?
তুমি নাহি পাশে আজি মোর জীবন এলো-মেলো।
অগোছালো জীবনে নাহি সুখের দেখা মিলে,
কি জীবন দিয়ে গেলে,কাঁটে বিরহের তিলে-তিলে।
কত বসন্ত আসে আম্র কাননে মুকুল ঝড়ে,
বসন্তদূত গান গেয়ে যায়,আর তোমা মনে পড়ে।
ভুলে কি গেলে আম্র কুঞ্জের যত স্মৃতি?
সূচনা লগ্নেই মায়ার বাঁধনের করিলে ইতি।
ওগো মোর রাণী! দিবে নাহি মেঘনা আর কভু পাড়ি,
এসো না এপাড়ে দাও হে দেখা, শান্ত হোক মোর আহাজারি।
মায়ার বাঁধন ছিন্ন করিয়া কোথা গেলে ওগো চির চেনার সাথী?
দূরের প্রিয়া, ওগো ছিলে যে কাছের অতিথী।
কোন গগনে তুমি মেলেছ ডানা,কোথায় বাঁধিলে সুখের নীড়?
ওগো এসো না তুমি,আমি অপেক্ষায় মেঘনা নদীর তীর।
বলিবে না কথা, দেখা কি দিবে না ওগো প্রিয়া,
পঞ্চ বছর কাঁটিল মনে কি পড়ে না কভুয়া?
যদি কভু আস দেখিবে মোরে মেঘনার তীরে,
তোমায় নিয়ে বলছি কথা মেঘনা নদীর পাখিদের ভীড়ে।
তারিখঃ০৯-১১-২০১৯ ইং
সময়ঃরাত ১০ টায়
=================================
ওহে মেঘনা নদী,নেতাজি বাঁধ দিত যদি
আসাদুল্লাহ
জম্মভূমি আজি ডুবিল,ভাঙ্গল নদীর জলে, আমি মরি লাজে,
আমারই ঘরে নদীর ঢেউ কলকল বাজে,
চরমধুয়ার লোক নাহি পেল মিল নেতাজির
কথায় কাজে!
দুই যুগ গেল নাহি তবু বাঁধিল নদীর তীর,
ক্ষেপেছে নদী ভাঙ্গল মোর সুখের বসত নীড়।
ওহে নেতাজি!তোমার দীপ্ত কন্ঠের ভাষণে আমি আজি হাসি,
চরাঞ্চলের ভোটে তুমি নেতা, আর আমরা আজি মেঘনার জলে ভাসি!
ওরে নিঃষ্ঠুর,পাষাণ,ভুলে কি গিয়াছ নদী বাঁধের কাজ?
ভিটা বাটী আজি নদীর জলে,করছে মোদের মাঝে হাহাকার বিরাজ।
বাহ্যিকে সুহৃৎ সুলব, অভ্যন্তরে দুশমন বিদ্বেষী
মন,
রাজনৈতি নেতাজির কাথায়-কাজে নাহি মিল পাই জনগন।
আজি চঞ্চল মেঘনা তটিনী ভাঙ্গিল এ কূল,
তোমায় নেতা বানিয়াছি করেছি মহা ভুল।
বাহ্যিকে সুহৃৎ সুলব, অভ্যন্তরে দুশমন বিদ্বেষী
ইহাই চির নীতি,
মুখে হাসি-মধু, হৃদভবে দুশমনী, নাহি কথায় কাজে ইহাই রাজনৈতি।
আজি তুমি হাস মুখে মদ্য নিয়ে,আমরা ভাসি মেঘনা নদীর জলে,
ওরে হারামি,ওরে নিঃষ্ঠুর,তোমায় নেতা বানিয়াছি আমরা মরি আমাদের ভুলে।
মেঘনা নদী আজি ভাঙ্গিল মোর বসত ঘর,
আজি ছিন্ন,অসহায়, আজি মোরা মেঘনা নদীর যাযাবর।
মেঘনা নদী করিল গ্রাস শেষ সম্বল বসত বাড়ি,
আজি অসহায়-ছিন্ন চরমধুয়ার লোক করে রে আহাজারি।
আমি বলি,তার জন্য দোষী নয় মেঘনা নদী,
ভিটে বাড়ি, কৃষাণ জমি বাঁচিত নেতাজি বাঁধ দিত যদি।
দুই যুগ গেল,কত বার বানালাম তারে নেতা?
নদী বাঁধ তবু নাহি দিল,আজি বারে-বারে চোখের জলে ভিজে চোখের পাতা।
রাজনৈতি নেতাজির কথা বিশ্বাস করিবে যে জন,
শুন ওরে ভাই!কাথায়-কাজে কভু মিল পাবে না রে জনগন।
মিথ্যা বলি নি রে ভাই,শুন মোর সত্য বাণী,
আমৃত্যু নেতা তার নেতাগিরি নাহি করিতে চাই হাতছানি।
ভাঙ্গত না নদীর তীর,লেভী নেতাজি নদী বাঁধ দিত যদি,
নাহি সর্বগ্রাসী হতো ভিটা বাড়ি, কৃষাণ জমি, শুন ওহে মেঘনা নদী।।
( সমাপ্ত)
#তারিখঃ০৮-০৮-২০১৯ ইং
#সময়ঃ দুপুর ৩:৩০ মিনিট
#উৎসর্গঃ জম্মভূমি চরমধুয়ার মেঘনা নদীর তীরের বসত বাড়ির লোকগুলোকে
=================================
আমি যদি বাবা হতাম
আসাদুল্লাহ
আমি যদি বাবা হতাম তো বাবা হতো মম খোকা,
তুমি বণিতা হলে না,খোকা এলো না,হলো না খোকার বাবা ডাকা।
মোর খোকাকে ভাবিয়া আজি রংতুলিতে হলো খোকার ছবি আঁকা,
ওগো সহযোগিনী!হলে না মম ভার্যা ভবে এলো না আর মোর খোকা।
সূচনালগ্নে নাট্যময় প্রেমে দিলে মোরে ধোকা,
একাকীত্বে হয়েগেছি বোকা,বধূ হলে না এলো না মোর খোকা।
যদি বাবা হতাম তবে বাবা হতো মোর খোকা,
নাট্যময়ী নন্দিনী তুমি সূচনালগ্নেই দিলে প্রেমে ধোকা।
পুষ্পে-মাল্যে সজ্জিত হলো না দুজনার বাসর ঘর,
হৃদদেশের চির চেনা হয়েও হয়ে গেল অচেনা পর।
ওগো চির চেনার প্রিয়া,তুমি হলে না মম চির বণিতা,
হায়!সুখে আছ তুমি,শুধু দিয়ে গেলে বিরহের কাব্যের কবিতা।
কোন ভ্রান্তির ছলনায় বধূ হয়ে এলে না এপাড়ে?
হায়,মোর জীবন আজি যায়-যায় দেখা হবে পরপারে।
তোমা লাগিয়া সব ছিন্ন করিলুম, নাহি জীবনাতে আনন্দ-বিলাস,
ওগো অপরূপের রূপসী! এ পাষাণে আজি বাংলা চির দেবদাস!
তুমি যদি ভার্যা হতে হতাম আমি বাবা,আসিত ভবে খোকা,
হলে না মোর সহধর্মিনী, শুনা হলো না মম খোকার বাবা ডাকা।
আমি যদি বাবা হতাম তবে বাবা হতো মোর খোকা,
হলে না চির সঙ্গী! পূত প্রেমে সূচনালগ্নেই দিলে চির ধোকা!!
তারিখঃ২১-১১-২০১৯ ইং
সময়ঃ রাত ৯ টায়, যশোর টু ঢাকা বেনাপোল ট্রেনে যমুনা সেতু পার হওয়ার পূর্বে।
==================================
নিম গহনে
আসাদুল্লাহ
অধীর অপেক্ষায় তৃষ্ণার্ন্ত হৃদয় নিয়া,
নিম গহনে বসে থাকি দেখব বলে ওগো প্রিয়া।
কখন আসবে আম্র কাননে এলো অলক মেলে,
দখিনা স্নিগ্ধ সমীর আসিবে ত্বরায় তোমায় পেলে।
উড়বে বতায়নে এলো চুল ঝড়বে আম্র মুকুল,
দিব বলে হস্তে মাল্য বকুল, হয়েছে পরাণ ব্যকুল।
রাঙ্গা পদে বাজিবে ঝুমুর-ঝুমুর তোমারও নূপুর,
চির পুলকিত হবে মোর এ হৃদয়পুর।
এ নয় তো গো প্রিয়া বহু দূর,
বাজিবে প্রেম বাঁশি সাঝ-সকাল -ভর দুপুর।
মায়াবী মুখের সুখের হাসি দেখব বলে,
সতত, বসিয়া থাকি নিম কুঞ্জের ছায়া তলে।
উম্মুক্ত নীল অন্তরীক্ষের নিচ
"ভালবাসার সৃজন" কাব্য মেলে,
পড়তেছি স্মৃতির কবিতা ঝড়তেছে অশ্রু
ভিজতেছে কলেবর নয়ন জলে।
সেই যে কৈশোর কালের প্রেম-স্মৃতি
ভাবি দিবস-রাএি দুটি হৃদয়ের প্রেম-প্রীতি।
স্মৃতির আসাদ দর্পণে আছি চোখ মেলে,
ভাবি রে প্রিয়া,কোন অভিমানে গেলে চলে?
ক্ষণে-ক্ষণে স্মৃতিগুলো করে প্রহার,
ভালোবেসে দিলে এত বড় ব্যথার উপহার।
অদ্যাপি হস্তে বাশের বাঁশি, নাহি হাসি,
সুরে-সুরে কতবার বলব শুধু তোমায় ভালোবাসি।
একাকীত্ব হয়ে আছি, হয়ে আছি স্তব্ধ,
কাব্যে শুধু কবিতায় বিরহ -বেদনার শব্দ।
অনন্তকাল স্মৃতিরা থাকবে নিম আর আম্র কাননে
সেই যে কৈশোরে দুটি হৃদয় ছিল একই প্রাণে।
হয়ে গেল কবির বয়স আঁশি, তবু নাহি মুখে হাসি,
বাজেনা আর প্রেম বাঁশি,দিয়েছিনু ব্যথা রাশি-রাশি
অদ্যাপি অপেক্ষায় বসে আছি,
নিম অরন্যে তোমার জন্য,
তাকিয়ে আছি পলকহীন নয়নে
নিকেতনে তোমাদের সেই আম্র গহনে।
বসে থাকি সতত আর সারা বেলা,
এসো গো সহযোগিনী করিও না অবহেলা।
নিম গহনে, নীল গগনের নিচে আছি বসে,
মোর জীবন প্রজ্বলিত কর ভালোবেসে।
নিম গ্রহনে এখনো বসে থাকি তোমার আশায়,
স্মৃতিগুলো মোরে নয়ন জলে শুধু ভাসায়। (সমাপ্ত)
তাং:০১-০৫-২০১৮ ইং
সময়:১২ pm
কবিতা টাইপ:০২-০২-২০১৯ইং
সময়:৫ টা ৪০ মিনিট
কাব্য:ভালবাসার সৃজন
সহযোগিতায়:বন্ধু সোহরাব হোসেন, আমি টাইপ করেছে, সে বলেছে, নিম বাগানের মাচায় বসে।
#ছবি তুলেছেন আমার ছোট ভাই নবীন হাফেজ আব্দুল্লাহ
আজকে আবার নতুন করে বাড়ির পাশের গেইটের সামনের নিম বাগানের মাচা নতুন করে একাই তৈরি করেছি। খুবই মজবুত হয়েছে।আজ ওয়াজের ১ম দিন।যাহোক,কবিতাটা লেখার অর্থ হলো নতুন করে মাচা তৈরি করেছি তাই লিখলাম।এই মাচায় সকল ফজরের পড়ে বই নিয়ে বসি দুপুরের আজান দিলে বসা থেকে ওঠি, শুধু খাওয়া আর অন্যান্য কাজ বাদে।
শেষ উপহার
আসাদুল্লাহ
বাঁজে মোর বাঁশি বাঁশের বুক ফাটিয়া আসে সুর,
সবই ব্যর্থ, দেওয়া হলো না শেষ উপহার নূপুর।
ব্যর্থ সুরে ধ্বনিত হয় সুর,গিয়াছ চলে দূর-বহুদূর,
তুমি নাহি আজি কাঁদে মোর এই তৃষ্ণার্ত হৃদয়পুর।
একাকীত্ব নিম কুঞ্জে অপেক্ষায় থাকি ভরদুপুর,
দেখি না হাসি,পড়ে আছে হস্তে উপহার নূপুর।
তোমা রাঙ্গা পদে লাগিয়ে দেওয়া হলো না নূপুর,
অভিমানে প্রিয়া গিয়াছ ছিন্ন করে দূর-বহুদূর।
আজি বাঁশির বুক ফাটিয়া আসে বিরহের সুর,
শেষ উপহার তোমায় দেওয়া হলো না গো নূপুর।।
(সমাপ্ত)
তারিখ: ১০-০৬-২০১৯ ইং
সময়: রাত ১১ টায়,ছাঁদে বসে।
:=================================
তুমি বুজলে না মোর ভাষা
আসাদুল্লাহ
তুমি প্রিয়া বুজলে না গো, বুজলে না মোর ভাষা,
বুজলে না স্বপ্নময় নয়নের ভাষা,মিটল না তৃষাতুর হৃদয়ের আশা।
তুমি প্রিয়া বুজলে না গো, বুজলে না মোর ভাষা,
এত কাছে তুমি?তবুও ললাটে নাহি লিখন এই পাষাণের ভালোবাসা।
বারে-বারে ফিরে আসি,
নাহি বক্ষে হিম্মত এ কথা কেমনে বলি?
সতত যেমনি তোমা কায়ার ছায়া
ছুটে তোমা পিছু,এ পাষাণে তেমনি তোমা অজান্তে তোমা পিছু চলি!
তোমায় নিয়ে যত মম প্রেমের গানের কলি,
তবু নাহি বক্ষে হিম্মত এ কথা কেমনে বলি।
যে নন্দিনী নাহি বুজে আঁখির ভাষা,
তার সনে কি কভু হয় হৃদয়ের ভালোবাসা?
এই নন্দিনী হয় কি কভু জীবন সঙ্গিনী?
এ আশা মোর ভ্রান্তি,সে তো নয় চির অর্ধাঙ্গী।
যে প্রিয়া নাহি বুজে চোখের ভাষা,
তার সনে কি কভু পিরিত হয়?
যে নন্দিনী অন্তর নয়নে নাহি দেখিতে পাই
নন্দনের পূত হৃদয়।
ওগো প্রিয়া!এত কাছে ছিলাম,
যত কাছে তোমার কায়ার ছায়া,
ছায়া মতো নিয়েছি পিছু,কেন লাগে তোমা প্রতি এত মায়া,পাগল মোরে করিলে কি দিয়া
সবই ভ্রান্তি, ভ্রান্তি মম কেন দেখিলাম স্বপন তোমা নিয়া?
আজি বুজিলাম ব্যর্থ আমি, পরাজিত,
ব্যর্থ প্রেম,তবু বিজয়িনী এই প্রিয়া।
এ তো রে প্রেম নয়,বুজে না চোখের ভাষা যে প্রিয়া,
এ তো রে মহা ভ্রান্তি, স্বপন দেখা এমন প্রিয়াকে নিয়া!
তুমি বুজলে না গো, বুজলে না মোর ভাষা,
এই প্রেম ভিখারীর জীবনাতে এলো না ভালোবাসা।
তুমি বুজলে না গো, শুনলে না মোর পূত হৃদয়ের আশা,
ব্যর্থ আমি চির পরাজিত,তুমি তো বুজলে না মোর চোখের ভাষা।
আজি আমি ভাসি আমারই চোখের লোনা জলে,
দিলে না প্রেম, লুটিয়ে পড়ি তোমা চরন তলে।
আজি বুজেছি, বুজেছি বিজয়িনীর নিঃণ্ঠুর হাসি,
কভু আর এই পরাজিত পাষাণে বলিবে না তোমা যে এত ভালোবাসি।
তোমা কায়ার ছায়ার মতো এত কাছাকাছি!
ব্যর্থ প্রেম,পরাজিত কবি, তাই করি আহাজারি।
ব্যর্থ প্রেম,নিঃন্ঠুর নিয়তি, ব্যর্থ এই প্রেম পূজারী,
এত প্রেম বক্ষে ছিল,ব্যর্থ প্রেমে আজি পাগল প্রমিক চির ভিখারী।
যে প্রিয়া নাহি বুজে আকুতিময় নয়নের ভাষা,
তার সনে কি হয় কভু হৃদয়ের ভালোবাসা।
তুমি প্রিয়া বিজলে না গো, বুজলে না মোর ভাষা,
কভু আর হবে না গো এই পাষাণের জীবনাতে ভালোবাসা।
(সমাপ্ত)
তারিখঃ ০১-০৮-২০১৯ ইং
সময়ঃ রাত ১১:৪০ pm
উৎসর্গ করিলামঃ গ্রামের রূপের রূপসী নন্দিনী, ভালোলাগার, ভালোবাসার নিকেতনের সামনের তনয়াকে।
==================================
"তুমি বুজলে না মোর ব্যথা"
আসাদুল্লাহ
তুমি বজলে না গো, তুমি বুঝলে না,
বুঝলে না হৃদয়ের ব্যথা,করিলে ছলনা।
বৃথা গেল মোর প্রেম, গেল সবই হারি,
তুমি বুজলে না গো,দিলে মোরে তাড়ি।
হৃদ মন্দির দ্বার করিলে গো বন্ধ,
তুমি বুজলে না গো,মোর ভূবন আজি অন্ধ।
হৃদয়ের বন্ধন আজি ছিন্ন করিলে, তুমি বুজলে না
কি ভ্রান্তি মোর তা আজও হলো না গো জানা?
তুমি বুজলে না গো, তুমি মোরে জানলে না,
জানলে না গো তুমি, প্রেমের ব্যথা বুজলে না।
আজি প্রেম কুঞ্জ ভরপুর বাসন্তীর ফুলে-ফুলে,
তুমি বুজলে না গো,স্মৃতি গেছ সব ভুলে।
তোমাতে খেলছে,উড়ছে মোর পরাণ পাখি,
এ পরাণ শান্ত হয় দেখলে তোমার মায়াবী আঁখি।
তুমি বুজলে না গো, তুমি বুজলে না মোর ব্যথা,
তুমি বুজলে না গো, করিলে মোর পূত প্রেম বৃথা।
প্রভু দিয়াছে হৃদ মাঝে প্রণয়ীনীর প্রতি ভালোবাসা
তুমি বুজলে না গো, বুজলে না মোর মনের আশা।
তুমি বুজলে না গো,ভাঙ্গলে মোর প্রেমের বাসা,
তুমি কেন জড়ালে গো, বৃথা কেন করিলে আশা।
তোমাতে ছিনু মোর সুখের যত লীলা,
তোমার সনে হলো না মোর মিলন মেলা।
তুমি বুজলে না, বুজলে না মোর জ্বালা,
কেন তুমি হঠাৎ করে করিলে মোরে অবহেলা?
তুমি বুজলে না গো, দিলে হৃদ মন্দির তালা,
তুমি বুজলে না গো,নিলে না প্রেম পূজার মালা।
তুমি কোনো কালেই বুজলে না গো,
যত কবির পূত প্রেম-ভালোবাসা,
তুমি করিলে বৃথা সব প্রকৃত প্রেমিকের আশা,
তুমি দাও নি গো, দাও নি চির সুখের ভালোবাসা।
তুমি বুজলে না, ব্যকুল হৃদয়ের আকুল মিনতি,
সবই বৃথা,বৃথা গেল প্রেম,নিঃষ্ঠুর মোর এই নিয়তি।
তুমি বুজলে না গো,বুজলে না মোর ব্যথা,
তুমি তবু শুনলে না, শুনলে না মোর শেষ কথা।
(সমাপ্ত)
#তাং:০৬-০৪-২০১৯ ইং
#সময়: রাত ১১:২০ মিনিট
#উৎসর্গ: ভালোবাসার মানুষটিকে।
==================================
তুমি এমনই একজন
আসাদুল্লাহ
প্রভু বাঁধিয়েছে তোমাতে মম এই পূত মন,
রূপবতীর রূপমুগ্ধ তুমি এমনই একজন।
কোটি নন্দিনীর মাঝে তুমি এমনই একজন,
তৃষ্ণার্ত মন তোমায় দেখার লাগি করে ছন-ছন।
বাসন্তীর বসন্তদূত হয়ে পুলকিত করেছ প্রেম বন,
রাঙ্গা পদের নূপুর ধ্বনিতে জাগল মোর এই মন।
এই মায়াবী হাসিতে তোমাতে পাই স্বর্গের চির হর্ষ,
প্রভু হে!দিও জিন্দেগি দুজনাতে হাজার-কোটি বর্ষ।
তোমার হৃদ মন্দিরের প্রেম পূজা করে মম মন,
এই ধরনীর মাঝে তুমি এমনই প্রিয়সী একজন।
তুমি এমনই একজন রচি যত মোর কাব্য-কবিতা,
লিখন আছে কি ভাগ্যে তুমি মম চির বণিতা?
নজরুল, রবি ঠাকুর,কালিদাস,সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়ের মুখে ধ্বনিত হয়েছে তোমা কথা,
এই নন্দিনীর রূপ দেখে যত কবি রচিয়েছে কাব্য,
তবু বৃথা গেল কবিদে প্রেম!বৃথাও লিখন এ ভাগ্যে
তুমি এমনই একজন, তোমার লাগি ব্যকুল এ মন,
তৃষ্ণার্ত হৃদয় করে ছন-ছন, হয় শুধু তোমার স্মরণ।
তুমি এমনই একজন চির প্রেমময় কাব্যের দুহিতা,
এই কাব্য দেখে-দেখে রচিত করে কবিরা কবিতা।
কোনো কালে কোনো কবি নাহি পেল
এই প্রেম প্রয়সীর প্রেমের রণে চির জয়,
ব্যর্থ প্রেমের আহবে কত কবির হৃদয় হলো লয়?
তোমার হৃদয়ক্ষেত্রের হৃদ রনাঙ্গনে পরাজিত কবি,
তুমি ছলনাময়ী,হৃদয় ভঙ্গুরী,অভিনয়ী,তুমি সবি!
তুমি এমনই একজন,তোমার লাগিয়া কাঁদে মন,
ব্যর্থ প্রেমে আজি সৃজন করিয়াছি কাব্যের কানন।
ধরনীর মাঝে তুমি শুধু এমনই একজন,
তোমার এই প্রেমের লাগিয়া দিয়াছি সব বিসর্জন।
তুমি মোর নয়ন মাঝে এমনই একজন,
তোমার লাগিয়া কাঁদে মন জনম-জনম।।
(সমাপ্ত)
তারিখ: ০৯-০৪-২০১৯ ইং
সময়: বেলা ১২ টায়
নিম বাগানে বসে
==================================
তোমাকে চিনি গো চিনি
আসাদুল্লাহ
================================
তুমি মম প্রিয়তমা!তোমা ঐ রূপ দেখব বলে,
অপেক্ষায় সতত বসে থাকি নিম কুঞ্জের ছায়াতলে
ওগো, মোর স্বপন ঘরের স্বপ্ন-সহচারিণী,
জম্মে-জম্মে তোমা চিনি,মোর প্রেম পূজারিণী।
তোমা চিনি,চিনি ঐ কন্ঠ,নয়ন,ললাট,ঐ মুখ
চিবুক,ভুরু,তোমা চিনি ঐ রূপ।
তোমা চিনি সব চিনি, জম্মে-জম্মে চিনি,
জানম-জনম চরনে লুটিয়ে পড়ি প্রেম ভিখারিনী।
প্রশান্তিতে হৃদয় উত্তেলিত,পুলকের ঝড় মনে,
যবে তোমা দেখি পহেলা আঁখি সামনে।
কত দিবস-রজনী অপেক্ষায় ছিনু তোমা আশায়?
নব যৌবনের প্রেম পুলকে ধন্য যেন হয় তোমা ভালোবাসায়।
তোমা চিনি গো চিনি, চিনি যুগ-যুগ ধরে,
প্রেম ভিখারী তোমা চরনে লুটিয়ে পড়ি বারে-বারে
ওগো রূপের রাণী
যুগ-যুগ ধরে এ পাষণে তোমা বাসিয়াছে ভালো,
দিও না গো ফিরিয়া,জ্বালাও বুকে সুখের আলো।
তোমা চিনি গো চিনি, তুমি পল্লীর রূপের রাণী,
তুমি নব যৌবনা,মায়াবিনী,মম চির পূজারিণী।
তোমা পাবার বন্দনা করিয়াছি যুগ-যুগ ধরে,
পখে-ঘাটে,বন-প্রান্তরে খুজেছি তোমা বারে-বারে।
যবে হঠাৎ একদিন দখিনের প্রিয়া উত্তরের মম গৃহের পথে,
নয়ন জল শুকিয়ে গেছে,আজি যে দেখা স্বপ্ন-সহচারিণীর সাথে!
তোমা চিনি-চিনি, জম্মে-জম্মে চিনি,
এ পাষাণে তোমা বাসিয়াছে ভালো,ওগো নন্দিনী।
আঁখির সামনে তুমি,কাছা-কাছি দুজনার বাড়ি,
এত কাছে ছিলে তুমি, ওগো মোর স্বপ্ন-সহচারী?
তোমা চিনি গো চিনি , চিনি যুগ-যুগ ধরে,
যদি না দেখা হয় মিলন মেলায়,হয় যেন পরপারে।
তোমাে চিনি গো চিনি, যুগ-যুগান্তর ধরে চিনি,
তুমি যে মোর পূত হৃদয় মন্দিরের চির পূজারিণী।
তোমা চিনি গো চিনি,জানি,যুগান্তর ধরে চিনি,
তোমা জন্য লিখেছি সত্য প্রেমের অমর বাণী,
তোমা চিনি গো, তোমা জন্য রচিয়েছি কাব্যখানি।
তোমা আমি জম্মে-জম্মে চিনি, তুমি মোর পূজারীরিনী।
#তারিখঃ১৪-০৮-২০১৯
#সময়ঃরাত ৩ টা
=================================
" চরনতলে"
আসাদুল্লাহ
আমি এই ধরিএীর কবি নয়,
মানবের হৃদয়ের কবি যেন হয়।
আমি নজরুল, রবি ঠাকুর নয়,
আমি আমার হৃদয়ের কবি নিশ্চয়।
বন্ধু মোরে বলে;"ভাসালে চোখের জলে,পড়ে আছ; নজরুল, রবি ঠাকুর, মাইকেলের পদতলে"
আমি বিপুলা ধরার কবি নয়,
যেন হৃদয় মন্দিরের সৌন্দর্যের পূজারী হয়।
আমি মহীর কোনো সৌন্দর্যের পূজারিণী নয়,
এ কভু নয় মোর মিথ্যে কবির অভিনয়।
বন্ধু মোরে বলে;" হাঁসালে এ কথা বলে,
বসুন্ধরাতে হাজার কবি আছে দলে-দলে"।
আমি কোনো কবি নয়
আমি আমার হৃদয় ঘরের কবি,
দেখেনি কবিদের কভু ছবি,
ম নাহি কবি হওয়ার স্বপ্ন কভু ভাবি।
বন্ধু মোরে বলে; "কাঁদালে এ কথা বলে,
হাজার কবি পড়ে আছে এই অতলে।"
পড়েনি কবিদের অজস্র কাব্য,
তাহি নাহি কবি হওয়ার ভাগ্য,
আমি নয় তো কোনো বিজ্ঞ,
হয়ে আছি চির অজ্ঞ।
আমি কোনো সৌন্দর্যের পূজারিণী নয়,
তবে আমি আমার হৃদয় ঘরের কবি নিশ্চয়।
চির অজ্ঞ, পাই নি সেই বিদ্যার সত্য দীপ্ত শিখা,
তুমি প্রজ্জ্বলিত শিক্ষার দীপ্ত, ওরে মোর সখা!
জ্ঞান অর্নবের তুমি সেই জ্ঞানী তনয়,
দিও ভিখ মোরে! আলোকিত
যেন হয় মোর তমীস্রা হৃদয়।
তুমি চপল বেগে বহমান চির জ্ঞানের নদী,
এই অজ্ঞ জীবন বাঁচিবে তোমার জল পাই যদি।
তবে যেন শৈবাল ন্যায় বেঁচে থাকি তোমার জলে,
ভিখ চাহি,দাও জ্ঞান,লুটিয়ে পড়ি চরনতলে।
আজি হৃদয় গহনে ফুটিয়ে দাও সেই ফুল,
যেন জ্ঞান পূসুনের বাহারে হয়ে থাকি ভরপুর।
আহ!অদ্যাপি সেই পথের ভুখারি
জ্ঞানের তৃষ্ণায় আমি হয়ে আছি ফুকারি।
সবিতা দেয় কিরন,হিমাংশু ছড়িয়ে
দেয় স্নিগ্ধ আলো,
আজি এজ্ঞানের প্রদীপ এমন করে হৃদয়ে জ্বালো।
আমি কোনো কবি নয়,হৃদয় ঘরের কবি,
তবে এই ভবে, লোকেরা খুঁজিবের মোর ছবি।
বন্ধ মোরো বলে; " এ কথা বলে
অবাক করিলে, কাঁদালে চোখের জলে।"
আমি বলি; " কোনো এক কালে কবিরা আসিবে
দলে-দলে, লুটিয়ে পড়িবে আমার চরনতলে। "
উৎসর্গ করিলাম: বন্ধু মোস্তাকিম ও নাজিরকে।
তাং:২৫-০১-২০১৮ইং
সময়:১২:৪০ pm
==================================
বকুল পুষ্পের মালা
আসাদুল্লাহ
বকুল পুষ্পের মাল্য, নরম হস্তে দিয়ে দিলুম
এলো অলকে নাও বাঁধিয়া,
যদি না নাও বাঁধিয়া তবে মম জীবন যাবে
কাঁদিয়া-কাঁদিয়া।
প্রভাতের শিশিরে ভেজা ঝড়া বকুল পূসূনে
মিশে আছে মোর পবিত্র হস্তের ছোয়া,
কত স্বপ্ন-আশা দিয়া গাঁধিলাম মালা?
রাখিও সদা মাল্য শুন ওগো প্রিয়া,
কত স্মৃতি গাঁথিলাম ফুলে তোমায় নিয়া?
প্রতি ফুলে মিশে আছে মোর হস্তের ছোয়া,
ওগো প্রিয়া!ছিড়ে যেন না যায় মালা কভুয়া।
ভ্রমর যদি বসিয়া যাই দিও তারে তাড়িয়া,
দেখিও মালা পড়িবে মনে, যবে আমি ভবে থাকে যাব চিরতরে হারিয়া।
যবে মায়ার বাঁধন ছিন্ন করিয়া যাব চলে ঐ পারে,
তুমি দেখিও মালা মনে মোরে পড়িবে বারে-বারে।
স্মৃতিজন যবে যাবে চলে তবুও রাখিও মালা,
সব ভালোবাসা নিও করিও না কভু অবহেলা।
ওগো প্রিয়া,বক্ষে দিও না কভু মোরে জ্বালা,
সতত অভিরাম তোমা হৃদ সনে মোর প্রেম খেলা।
ওগো তুমি ক্ষমা কর মোর যত ভুল!
ভুলকে ফুল করিয়া আজি হস্তে নাও মাল্য বকুল।
তোমার রূপে খোলল আঁখি, ভাঙ্গল যে মোর হৃদয় কূল,
ওগো মায়াবিনী!তোমার জন্য যে চপল পরান শত ব্যকুল।
ফিরিও দিও না আজি নাও মাল্য বকুল,
মালা দিব বলে গহনে হয়ে আছি ব্যকুল।
বকুল পুষ্পের মাল্য তোমায় দিয়ে দিলুম
নাও গো এলো অলকে বাঁধিয়া,
যদি না জনম-জনম রাখ বাঁধিয়া তবে
জীবন যাবে মোর কাঁদিয়া-কাঁদিয়া।
তরিখঃ ১৮-১০-২০১৯ ইং
সময়ঃ দুপুর ৩ টায়
==================================
গোপন প্রিয়ার প্রেম
আসাদুল্লাহ
বহু বছর তোমা খুজেছি,করেছি সতত বন্দনা,
রচিয়েছি কাব্য,গেয়েছি গান, করেছি পাবার সাধনা।
নিভৃতে আড়ালে মম হৃদ পিঞ্জরে তারে রেখেছি গোপনে,
তারে শুনিয়েছি কাব্যের কবিতা হামেশা তমিস্রা ঘরে স্বপনে।
স্বপনে পাহিয়া তাহারে স্বপনে হারিয়েছি বারে-বার,
গোপন প্রিয়া যামিনীতে আসিত ঘরে, যবে চোখে আসিত আধার।
কত বার জ্যোস্নার রজনীতে ঐ হিমাংসুকে
বলেছি,গোপন প্রিয়া দেখিতে মন্দ না,
বলিয়াছি চন্দ্র-তারা, গ্রহ-নক্ষত্রকে,সদা করি গোপন প্রিয়ার বন্দনা।
শুন ওরে ভাই! গোপন প্রিয়া কিন্তুু অন্ধ না,
স্বর্গের রূপ তাতে, সে কিন্তুু দেখতে মন্দ না।
পাব নাহি তবু আমি,বাসলাম ভালো ওগো রাণী,
এত কাছে তুমি রাণী!হলো না আজও জানা-জানি।
আসলে নেমে তাহার প্রেমে!কাব্যে নিয়ে করছি তোমা কানা-কানি,
কাছের প্রিয়া,এত কাছে থেকেও তুমি হাতছানি!
মোর বংশীর সুরে হলো না তো তোমার হৃদয় ক্ষয়,
আমার বুকে সদা ভয়!কাছে থেকেও হলাম না পরিচয়।
একদিন তুমি বুজবে মোরে যখন হব পর,
চেনার বন্ধু,জানতে গিয়ে পেলাম না তো জানার অবসর।
গান ফোরালে যাব যবে,থাকবে বসে আসব কবে?
পাব না কো মোরে তুমি, আসব না আর ভবে।
আমায় ভেবে ডাকবে তুমি আমি তো সে নয়,
একদিন তুমি চিনবে আমায় জানবে পরিচয়।
যারে ভালোবাসি তারে ভালোবাসিয়াছে কেহ গোপনে,
গোপন প্রিয়াকে পাব নাহি, ভালো তারে বাসিয়াছি স্বপনে।
এ পাষাণ আজি চির শান্ত,শান্ত এই মন,
গোপন সে রহিল মনে হলো না আর আপন।
গোপনে তোমায় বাসিয়াছি ভালো, গোপনে তোমা ছাড়িলাম আজি,
গোপন প্রিয়া যে তরীতে ওঠিয়াছিল ছিলাম সেই মন তরীর মাঝি।
গান ফোরাল, বংশীর সুর শেষ হলো, কাব্য লেখা সমাপ্ত হলো যা গোপন প্রিয়ার প্রেমে,
আজি গোপন প্রেমিক আসিল নেমে আমি গেলাম থেমে।
তারিখঃ১৪-১০-২০১৯ ইং
সময়ঃ রাত ৮ টায়
উৎসর্গ করিলামঃ পল্লীর নিকেতনের সামনের অপরূপ রূপের রূপবতী নন্দিনীকে।
==================================
চির স্বাধীনতা
আসাদুল্লাহ
হঠাৎ তমিস্রা যামিনীতে
ওরা ভাঙ্গিল জননীর সুখের সুপ্তি,
ওরা এসেছে বলে;" ভয়ে
নিভে গেল হিমাংসুর দীপ্তি"।
করুন ব্যকুল আহাজারির
নিনাদে, জননীর আহ্বানে ,
আত্নজেরা ত্বরায় ছুটিল হস্তে খড়গ নিয়ে
শক্রর সম্মুখ-পানে,চির স্বাধীনতার টানে।
"শুধু প্রিয় মাতৃ জননীর আহ্বানে"।
ওরা কল্লোলিনীকে ও নিতে চাহি এই ঐশ্বর্য,
নীরব বসিয়া,কিভাবে দেখি চাহিয়া?
কিভাবে করি তা সহ্য?
ওরা নিতে চাই যে চির মাতৃকার ঐশ্বর্য!
এই স্নিগ্ধ মৃওিকাতে,সমীরে,সলিলে
যত স্মৃতি-বিস্মৃতি আছে মিশে,
ওরা নিতে চাহি মাকে,মাতৃভুমিকে
শক্ররা পশিল যে আমার এ দেশে।
যায় চলে যাক মোদের এ প্রাণ,
বৈরীদের বিরুদ্ধে হস্তে মোরা নিয়েছি কৃপাণ।
জননীর বক্ষে ফিরব মোরা কবে?
ফিরব তবে, মায়ের মুখে হাসি ফুটিবে যবে,
মাতৃভূমিতে 'মা' চিরভাবে রবে,
ওগো মা!ছেলেরা আছে স্বাধীনতার আহবে।
সহ্য করিয়াছি বায়ান্ন, ছিষট্টি,ঊনসওর ও সত্তর,
মাগো,তোমার চেতনায় বিজয় এনেছি অতি সত্বর।
তোমার তনয়েরা রণক্ষেত্রে হিম্মত
নিয়ে করিতেছে মরনজয়ী সমর,
মাগো! এই চির স্বাধীন বাংলায়
চিরকাল তারা হয়ে থাকবে অমর।
মাগো! আঁখি মেল,মেল চোখের দু'পাতা,
দেখ,তোমার জন্য এনেছি রক্তাক্ত স্বাধীনতা।
ওগো মা! এিশ লক্ষ আত্বজের হয়েছে লয়!
তোমার নাহি আর ভয়,এনেছি চির বিজয়।
আজি হাসিবে গগনের চঞ্চল সবিতা, ছেলেরা রচিত করিবে সহস্র স্বাধীনতার কবিতা।
আজি রজনীর ঐ স্নিগ্ধ সুধাংশু ছড়াবে কিরণ,
চির মাতৃ বাংলা চিরদিন শহিদদের করিবে স্মরন।
অনন্তকাল বাংলার মুক্ত পবনে
উড়িবে রক্তাক্ত রক্তিম সবুজ পতাকা,
এক রক্তের মহা অর্ণবে মোরা পেয়েছি
এই চির স্বাধীনতা, এই চির স্বাধীনতা।।
তাং:১৬-১২-২০১৮ ইং
সময়: রাত ১:৪৫ a
==================================বালুয়াকান্দি অনির্বাণ
আসাদুল্লাহ
==================================
আজি প্রভু যৌবন মাঝে
দিয়েছেন যৌবনের তেজী মহাশক্তি,
ছুটেছি বক্ষে হিম্মত,নিয়ে হস্তে অগ্নি ধ্বজা,
যৌবনের শক্তিতে খুঁজি চির মুক্তি।।
খড়গে ভাঙ্গিব জালিমের ঐ দ্বার,
যৌবনের দৃপ্তিতে দূর হবে যত আঁধার।
নাহি বক্ষে ভূতু এ মিথ্যের এাসে,
যৌবনের শক্তিতে সত্য সতত ছুটে আসে।
আজি হস্তে নিয়েছি সত্যের অগ্নি নিশান,
যায় যাক প্রাণ,সতত গাহিব যৌবনের গান।
হামেশা গাহিব যৌবনের সত্যের গান, যৌবনের শক্তিতে আজি মোরা বলবান।
যৌবনের দৃপ্তিতে ধরিএী প্রজ্জ্বলিত হবে,
হস্তে সত্যের খড়গ, চির জয় হবে সব আহবে।
বক্ষে হিম্মত, হস্তে খড়গ নিয়ে সত্যের পথে,
সতত গাহিব সত্যের গান,আজি মোরা সাংগাঠনিকভাবে আছি এক সাথে।
আছি বেঁচে যৌবনের অসীম হিম্মত নিয়া
সব বাঁধা ছিন্ন করিব যৌবনের শক্তি দিয়া।
হে প্রভু! দাও যৌবনের তেজী মহা শক্তি,
যেন সদা করিতে পারি যৌবনের শক্তিকে ভক্তি।
প্রভু,যৌবনের মাঝে দাও যৌবনের মহা শক্তি,
এই শক্তি দিয়ে দেশকে যেন করি চির মুক্তি।
যৌবনের ভিওি যেন থাকে মজবুজ থাকে শক্ত,
অন্যায়,দূর্নীতি,বাতিলের বিনাশ লিখলাম,
দিয়ে মোদের দেহের তাজা রক্ত,
প্রভু হে! যৌবনের হিম্মতে রাখিও শক্ত।
আজি সকল যুবককে করছি আহ্বান,
একই সুরে গাও যৌবনের ঐক্যের গান।
যৌবনের শক্তিতে অটল থাকিব,
যদি দিতে হয় প্রাণ,
তবে অনন্তকাল এই ধরাতে,
থাকিবে মোদের হাজার সম্মান।
আজি হিম্মত নিয়ে ছুটেছি আমরা তরুন দল,
অগ্নি,ঘূর্ণি,সাইক্লোন, টর্নেডো
কে আছে থামাবার বল?
এক পথে ঐক্যের বাঁধন বেঁধে ঐ পথে চল,
আজি চলছি হিম্মত নিয়া আমরা অনির্বাণ দল।
আজি সমাজ, দেশ মোদের জানাবে শত সম্মান,
তাইতে বালুয়াকান্দির মাটিতে গড়েছি অনিবার্ণ।
যত দুঃখ,দুর্দশা, দারিদ্র দূর করিব,এনে দিব শান্তি,
গাএে লাগিবে না ক্লান্তি, কর্মে কভু হবে না ভ্রান্তি।
আজি ঐক্যের সাথে চলছি মোরা তরুন দল,
মরেও বাঁচিব,স্মরণ করিবে মোদের এই অতল।
যদি দিতে হয় বিসর্জন, তবে দিতে পারি প্রাণ,
তবে অনন্তকাল বেঁচে থাকবে মোদের অনিবার্ণ।
তাং:০৬-০৪-২০১৮ইং
উৎসর্গ করিলাম : বালুয়াকান্দি অনির্বাণ সংগঠনের সকল সদস্য বৃন্দকে।
( আসাদুল্লাহ, সদস্য অনিবার্ণ)
==================================
জাগো কাশ্মীর
আসাদুল্লাহ
আজ জাগো, জাগো, জাগ্রত হও ওহে বীর,
চির আযাদ কর কাশ্মীর।
আর নয় সমীরে রক্তের গন্ধ,
মৃত্তিকাতে প্রবাহিত মুজাহিদ
শহিদের তাজা খুন,
পবিত্র অঙ্গে হায়নার ছোয়া,ধর্ষিত যুবতী
কাঁদে রে আমার কাশ্মীরি বোন।
আর নয় মৃত্তিকাতে মুজাহিদের তাজা খুন।
বসুমতীর স্বর্গ প্রভু সৃজন করেছে এই কাস্মীর,
বসুন্ধরার বসিত্ব গ্রাস করিতে মালাউন-মুশরিকরা কাশ্মীরে করেছে ভীড়।
কাশ্মির যে অমরাবতীর সুখের নীড়,
এই ইন্দ্রালয় গ্রাস করিতে হায়নারা করেছে ভীড়।
আর নয় মুজাহিদের রক্তের স্রোত ঝিলাম নদীর তীরে,
জেগেছে দাস্তান, আযাদীর জয়োধ্বনি বাজিবে কাস্মীরে।
আজ জাগো, জাগো, জাগ্রত হও ওহে বীর,
হায়নার হাত থেকে চির আযাদ কর কাশ্মীর।
হায়নার ছোয়া...... লেগেছে -
কাশ্মীরি..... মায়ের পবিত্র অঙ্গে,
আজ চলো,চলোওহে বীর কাশ্মীরি রনাঙ্গনে।
আজ জাগো, জাগো, জাগ্রত হও ওহে বীর,
হায়নার হাত থেকে চির আযাদ কর কাশ্মীর।
আজ যায় যাক প্রভুর রাহে তাজা প্রাণ,
তবু কাশ্মীরের বুকে উড়ুক কালেমার নিশান।
আজ জেগেছে জিহাদী দল,জেগেছে ঈমানদীপ্ত জিহাদী দাস্তান,
আযাদী লড়াইয়ে মুজাহিদ দিচ্ছে জান কুরবান।।
আর নয় পর্বত থেকে কাশ্মীরি বোনের
আর্তনাদের ধ্বনি,
আর নয় কাশ্মীর নিয়ে হায়নাদের টানা-টানি,
আজ কাশ্মীর চির আযাদ চাই বিশ্বে হোক জানা-জানি,
আর নয় মুজাহিদের রক্তে রক্তাক্ত ঝিলাম নদীর পানি।
ধরেছি বক্ষে হিম্মত, নাহি করিব জম্মভূমি হাতছানি,
এই আযাদী সমরের রনাঙ্গনে নেমেছি আমরা কাশ্মীরি মুজাহিদ বাহিনী।
আর নয় কাশ্মীর নিয়ে টানা-টানি।।
আজ জেগেছে তারেক- জিহাদ,খালেদ আইয়ূবী,কাসেম, আলী(রা),ওমর(রা), আর খালিদে( রা) সন্তানের বীর,
আযাদী লড়াইয়ে আযাদ হবে ভূ-স্বর্গ কাশ্মীর।
প্রভুর জমিনে কায়েম হবে প্রভুর সত্য দ্বীন,
আজি জিহাদ-জিহাদ,কাশ্মীর আজি হবে চির স্বাধীন।
পাপী-তাপী, মালাউন-মুশরিক,ওরে ভারতী মায়ের গো-পূজারী!
তোদের রক্ত দিয়ে গঙ্গায় স্নান করাব,
আমরা আযাদী-জিহাদী-কাশ্মীরি।
মালাউন-মুশরিক, ভূ-স্বর্গ কাশ্মির করিতে চাই গ্রাস,
ওহে জেগেছে মুজাহিদ!মুজাহিদের রক্ত দিয়ে লিখেছে ভারতী মায়ের সর্বনাশ।
লাখো জানবাজ ঈমানদীপ্ত মরনজয়ী
জিহাদী দাস্তানের রক্তে কাশ্মীর হতে যাচ্ছে আযাদ,
বিজয়ের জয়ধ্বনি হবে,কালেমার পতাকা উড়িবে, তারপর থামিবে কাশ্মীরি জিহাদ।
আজ জাগো, জাগো, জাগ্রত হও ওহে বীর,
আজি চির আযাদ কর তোমার কাশ্মীর।।
তারিখঃ22-08-2019
সময়ঃ12:00 am
উৎসর্গঃ সকল কাশ্মীরি মুজাহিদদেরকে
==================================
বাবরি মসজিদ
আসাদুল্লাহ
আজ জাগো, জাগ্রত হয়েছে যে ভারতী মায়ের সন্তান,
চালাও বুকে হাতুড়ি-শাবল গড় অযোধ্যায় শ্মশান,
আজ জাগো, জাগ্রত হও,ওহে হিন্দের মুসলমান,
শহিদ বাবরি কর জিন্দা রাখ সম্রাট বাবরের সম্মান।
ওরে তোরা জাগ,জেগেছে হিন্দুস্থান,
হস্তে লও তরবারি ওহে মিসলমান।
ত্রীশূল-তরবারি চালা-চালা বক্ষে চালা,
গড় বাবরি,ভাঙ্গ মন্দির,আজ তোরা দেখ মসলিমের খেলা।
ওহে জেগেছে আজ ভারতের মহা-প্রাণ,
মেরে-মেরে আজ ভূ-ভারত কর শ্মশান।
আজি জাগো-জাগো, জাগ্রত হও ওহে মুসলমান,
শহিদ বাবরি কর জিন্দা রাখ বাবরের সম্মান।
ভূ-ভারত আজ স্বাধীন কর, কর রণ-জয়,
বক্ষে চালাও তরবার কর গো-পূজারী লয়।
ওহে হিন্দের সৈনিক!মুক্ত কর বাবরি উপসানালয়,
আজি জাগো বীরের মতো দাও মুসলমানের পরিচয়।
ওহে মুজাহিদ! এসেছে দ্বারে গাযওয়াতুল হিন্দ কর তা জয়,
মেরে-মেরে বিনাশ কর দাও মহা বিজয়ের পরিচয়।
কত কাল তুই থাকবি ব্যাটি মাটির মূর্তীর আড়ালে?
ভূ-ভারতের গো-পূজারী বিনাব হবে
জাগবি না তুই,তোর সন্তান হারারে?
ওহে,আজি কর জিন্দা শহিদ বাবরি
রাখ বাবরের সম্মান,
তরবারিতে পরিচয় তোমার তুমি যে মুসলমান।
তারিখঃ১১-১১-২০১৯ ইং
সময়ঃ১২:৫০ pm
স্থানঃআম বাগানে বসে
উৎসর্গঃগাযওয়াতুল হিন্দের সৈনিকদেরকে
==================================
রাসূলের প্রতি প্রেম
আসাদুল্লাহ
তমিস্রা ধরিত্রীতে নিয়ে এলে তুমি প্রভা,
প্রভায় দূর হলো আঁধার ছড়ালে ভবে আভা।
যত প্রেম তোমার প্রতি যত ভালোবাসা হে রাসুল,
জপি সদা দূরূদ আকুল পরান তোমার প্রতি সতত ব্যকুল।
ফোটালে তুমি ভবের বাগিচায় ইসলামের ফুল,
তোমার প্রতি ঢালি যত ভালোবাসা প্রিয় হে রাসূল।
নাহি পেলুম তোমা দেখা, শুনিলাম যত তোমা বাণী,
সকলে পর হবে মহা দিবসে, আপন হবে তুমি তা জানি।
মরুর দেশে মদিনার পথে যদি কভু যেতে পারি,
প্রতি ধূলি-বালি কলেবরে মাখিব করিব আহাজারি।
যত প্রেম দিব তোমায়,করিব একরাম সাহাবাদের প্রতি
মরুর রণক্ষেত্রের শহিদ সাহাবার রক্ত গাত্রে মাখিব, কাঁদিব দেখে স্মৃতি।
যত প্রেম উজার করিয়া পাঠাই মদিনার রওজা পাকে,
যত আছে মোর ভালোবাসা সবটুকু দিলাম
হে রাসূল তোমাকে।
তারিখঃ ১০-১১-২০১৯ ইং
১২ই রবিউল আওয়াল
সময়ঃ রাত ৭ টা ৩০ মিনিটে
==================================
মুরজিয়া মোল্লা
আসাদুল্লাহ
মিডিয়াতে বসিয়া লুটাই যত মুরজিয়া মোল্লার দোষ-ত্রুটি,
খেপেছে মোল্লা,খামোস বেয়াদব!বলে মোরে,
মোরা ধর্মের খুঁটি।
সত্যে অটল রহিনু,নাহি ভীতূ মোল্লাদের হুংকারে,
পঞ্চ মোল্লা বলিল বড় মোল্লার যত গুন,
গুনে গুনান্নিত হইয়া বড় মোল্লা বলিল, ব্যাটা শুন।
মোল্লা আরো খেপেছে শুনে তার গুনের অহংকারে!
তবু রহিলুম অটল মম সত্যে,নাহি ভীতূ মোল্লাদের হুংকারে।
এবার শুনেছিস ব্যাটা মোর যত গুন-গান,
তসবি-কোরান-কেতাব পড়ি বসে থাকি তীর্যস্থান।
আজ শুনেছিস ব্যাটা মোর তেজী ভাষণ?
সেই ভাষণ তার নয় লজ্জা পেলুম ভীষণ!
কতজনে কতকুবুদ্ধি শেখায় তোমায় প্রতি রোজে?
ওরে মোল্লা!কেতাব তুমি গলধঃকরন করিয়াছ ভীড় জমিয়েছ মগজে।
তবু তার নাহি কিছু বাকি যত রহিল শূন্য,
শূণ্যের ঝুড়ি মূর্খের কাছ থেকে করিতেছ পূর্ণ।
প্রকাশ কেন করিলুম সত্য তাই মোল্লা খেঁপেছে খুব বেশ,
মহা অন্যায় কেন ধ্বণিত হলো মম মুখে সত্য?
কেন বলিলুম তুমি তো করিতেছ সব শেষ!
কিছু আর রাখিলে না বাকি, হয়ে গেল শূণ্যের রেশ!
নিজের ঢুলে তালি দেয় মোল্লা বাজাই নিজের ঢুল,
আমি কেন বলিলুম দোষ এটাই মহা ভুল?
হে প্রভু!এ নয় তো কভু ঝুট, বলি যত মুরজিয়া মোল্লার দোষ,
পঞ্চ মোল্লা ঝুট বলিয়াছে, প্রভুর দরবারে
মহা দিবসে নাহি পারিবে বলিতে সে যে নির্দোষ।
বলে যাব বলি সত্য তিতুমীরের বাঁশের কেল্লা,
আজি ইসলাম বিকিতেছে কিছু মুরজিয়া মোল্লা।
যত মোর কৌফিয়ত দিলাম শপে তোমার দরবারে ওগো আল্লা!
বিনাশ কর ভবে আছে যত মুরজিয়া মোল্লা।
তারিখঃ ১৮-১১-২০১৯ ইং
সময়ঃ দুপুর ১ টায়
(বাস্তব অভিজ্ঞা নিয়ে রচিত হলো কবিতাখানা)
==================================
পেটুক মোল্লা
আসাদুল্লাহ
আজি ধর্ম বিকিতেছে ভন্ড মোল্লারা দলে-দলে,
উদরে অন্ন ঝুটিবার জন্য মোল্লারা মিথ্যা বলে।
আজি জেগেছে তীর্যালয়ে যত পাপী-তাপীর দল,
মসজিদ-মাদ্রসায় ভীড়,ভন্ড মার না হয় ধর্ম বিফল।
ধর্মের নামে মোল্লারা অর্থ কুড়াচ্ছে বেশ,
অভ্যন্তরে স্বার্থে ভরপুর,বাহ্যিকে সাধু-দরবেশ।
সস্তায় কোরআন বিকিতেছে, বলিতেছে ঝুট,
ধর্মের নামে অর্থের সন্ধানে মোল্লার মুন্ডে ধর্মের মুকুট।
ভন্ড-ভন্ড কভু নাহি করে দ্বন্দ্ব,
ভন্ডরা যে এক তবে ধর্ম দ্বি-খন্ড।
ভন্ড মোল্লারা ভন্ডামি করে পেটের দায়ে,
ভন্ড লয় কর, ধর্ম জয় কর এসো ত্বরায় এগিয়ে।
এতিমের অন্ন ভন্ড মোল্লার উদরে যায়,
এতিম সে যে অনাহার! ধার্মিকের দান গেল বৃথায়।
জাগবি না জোয়ান তোরা?
ভন্ড তার ধর্মের ভন্ডামি করবে কত কাল আর?
এতিম তনয় আর কত কাল থাকবে অনাহার?
ধর্ম বাঁচাও ভন্ড মার,বক্ষে চালাও তরবার,
আজি ধার্মিকের দান এতিমকে দাও উপহার।
পেটুক মোল্লার স্বার্থে আজি বিকৃত ধর্ম,
স্বার্থপর মোল্লা কি কভু বুজে ইসলামের মর্ম?
আজি পেটুক ভন্ড মোল্লাদের জীবন করিব গ্রাস,
বিদ্রোহী কলমের কালিতে লিখিলাম তাদের সর্বনাশ।
তারিখঃ১৯-১১-২০১৯ ইং
সময়ঃ রাত ১০:৩০ মিনিট
==================================
শহিদ আবরার ফাহাদ মুজাহিদের প্রতি
আসাদুল্লাহ
পরোপকারী পূসুন ফুটিয়া, কালো হস্তগুলোর
স্পর্শ লাগিয়া গেল চিরতরে ঝড়ে,
রাজপথে মিছিলের মেলা, সেই পুষ্পকে আজি বারে-বারে মনে পড়ে।
প্রতিবাদী চির বিদ্রোহীর বিবেকের জাগ্রতে
চির গ্রাস করিল বিদ্রোহীর প্রাণ,
যার দীপ্ত কন্ঠের স্বরে,কলমের সমরে
কম্পিত ভারতী মায়ের সন্তান।
সে যে বলেছিল রাসূল; "মুজাহিদের খুনের
চেয়ে আরো দামি বিদ্রোহীর কলমের কালি",
তার যত গুন আজি কবিতায় ঢালি,
শহিদী বিদ্রোহীর স্বরে আজি বাজছে লোকের হাতে বিদ্রোহীর করতালি।
ধরিত্রীর সব বিদ্রোহীর কলেবরে লেগেছে
ঐ কালো হাতগুলোর আঘাতে চিহ্ন,
গিয়াছে বিদ্রোহীর প্রাণ, তবু বিদ্রোহী মরে নি অমর হয়ে আছে প্রতি হৃদে বিদ্রোহীর জন্য।
শুন ওরে ভাই! ভারত বিরুদ্ধী আন্দোলনে মরে নি কিন্তুু আবরার ফাহাদ,
অমর হয়ে আছে মুজাহিদ,করিয়াছে কিন্তুু গাযরাতুল হিন্দ জিহাদ!
ওরে ফাহাদ!প্রাণ বায়ু যবে যাচ্ছিল চলে কতই না পেয়েছ মৃত্যুর আহ্লাদ?
যা তুমি করিয়াছ তা যে গাযরাতুল হিন্দ জিহাদ।
আজি বঙ্গের সকলে বেদনাকাতর তার প্রতি,
কিছুতে তবু ভুলিতে নাহি পারে তার স্মৃতি।
যত প্রতিবাদ-বিদ্রোহী, যত গুন ছিল তার মাঝে,
ওরে ভাই! তার মতো করে যেন মোদের মুখেও এই প্রতিবাদ-বিদ্রোহীর সুর বাজে,
যদি না সুর বাজে তবে মহাদিবসে প্রভুর কাছে মরিব বারে-বার লাজে।
প্রভু হে!তুমি দাও তারে স্বর্গের উত্তম প্রতিদান,
দাও গো প্রভু তারে চির শহিদের সম্মান।
চির শহিদের সম্মান....শহিদের সম্মান।
উৎসর্গ করিলামঃ ভারত বিরুদ্ধী আন্দোলন ও কাশ্মিরীরে প্রতি ভালোবাসার শহিদ আবরার ফাহাদ মুজাহিদ ভাইকে।
Facebook Profil Name: Abrar Fahad ( মুজাহিদ)
তারিখঃ১০-১০-২০১৯ ইং
সময়ঃরাত ১২ টায়
==================================
আমার লেখা চারটি গান
১)চলে-গেলে ২) স্বার্থপর প্রিয়া
৩)যদি প্রিয়া না আসে ৪) তুমি কি মোর বন্ধু হবে, নাকি হবো প্রিয়া
lyricist and composer: Asadullah
গানঃ চলে গেলে
আসাদুল্লাহ
সুখেরই চাদরে....রেখেছি আদরে
তবু তুমি দিয়ে গেলে....বুক ভরা কষ্ট,
বুজনি প্রেম তুমি...খুজনি আমাকে...
ব্যাথারই অনলে পোড়িয়ে করেছ নষ্ট।।
:::
:::
যত আশা ভালোবাসা.....করেছ ছিন্না,
বিশ্ব দেখে নিঃস্ব আমি....তোমারই জন্য।
আসলে না তো ফিরে আর..বাসলে আর ভালো,
হৃদয় আকাশ মেঘে ডাকা..পড়ে না তো আলো।।
:::
:::
যে দিন চলে যায়.......আসে নাতো আর ফিরে,
তুমিও চলে গেলে.....আসলে না হৃদয় তীরে।
থাকি শুধু সারা প্রহর......... বেদনাদের ভীড়ে,
বেদনারা ছুটে আসে.....আমারই হৃদয় নীড়ে।।
:::
:::
গেলে তুমি বহু দূরে.... রেখেছিলাম আদরে,
এত রূপ তোমার...ডেকেছিলাম পরশের চাদরে।
তোমার জন্য কাঁদে শুধু........ অবুজ পরাণ,
লিখে যায় গেয়ে যায়......... কবিতা আর গান।।
তারিখঃ০৬-১২-১০১৯ ইং
সময়ঃ সন্ধ্যা ৬:৩০ pm
==================================
গানঃ স্বার্থপর প্রিয়া
আসাদুল্লাহ
চলে গেল প্রিয় জন............
আমাকে নেই আর প্রয়োজন।।
স্বার্থপরের কাছে, নেই ভালোবাসার মূল্য,
জমিন আর আকাশের হয় কি তুল্য.....।।
::
::
আমাকে নেই আর......তোমার প্রয়োজন,
স্বার্থপর তুমি..করে গেছ স্বার্থের...আয়োজন।
চলে গেল প্রিয়জন....ভেঙ্গে-চূড়ে এই মন,
স্বার্থপরের কাছে..নেই ভালোবাসা প্রয়োজন।।
::
::
যে পাখি চলে যায়..ভেঙ্গে-চূড়ে বসত বাসা,
স্বার্থপর পাখির...হয় না আর ফিরে আসা।
জমিন আর আকাশের.......কতটা ব্যবধান,
হবে না ফিরে আসা,দিয়ে গেলে প্রেমের প্রতিদান
::
::
চলে গেল প্রিয়জন...ভেঙ্গে-চূড়ে এই মন,
আমাকে নেই আর প্রয়োজন...কাঁদি সারাক্ষন।
যে জন চলে যায়.........আসে না আর ফিরে,
স্বার্থপর যে প্রিয়া, পড়ে থাকে সে স্বার্থের ভীড়ে।।
তারিখঃ ০৭-১২-২০১৯ ইং
সময়ঃ সকাল ৯ টায়
==================================
গানঃ যদি প্রিয়া না আসে
গীতিকার ও সুরকারঃ আসাদুল্লাহ
যদি প্রিয়া না আসে____ আমারও কাছে,
বাঁজিবে না বাঁশি_______আসিবে না সুর,
এই সুর যেন পরানে লাগে,আসিও হৃদয়পুর।
আসিও প্রিয়া তুমি...যেও না গো বহু-দূর।।
তুমি আসিবে বলে.....বাজাই বাঁশি.....,
কান্তরে বসে থাকি দেখব বলে হাসি।
যদি প্রিয়া না আসে....বাজবে বেদনার সুর,
এই সুর যেন লাগে তোমারও...... হৃদয়পুর।।
তুমি আসিবে বলে.... বাজাই বাঁশি..
শুনিও মোর এই গান,
আসিও গো প্রিয়া তুমি...কাঁদে যেন পরাণ।।
বাজিও চরনের নূপুর____দেখি যেন হাসি,
তুমি আসবে বলে বাজাই ওগো.....বাঁশি।।
যদি প্রিয়া না আসে......আমারও কাছে,
বাঁশির সুর শুনে যদি না আসে....
যদি না ভালোবাসে ____
কাঁদবে বাঁশি,বলব, ওগো বাঁশি তুমি কেঁদনা...
আসিও প্রিয়া তুমি_____দিও না গো বেদনা।।
তারিখঃ২৫-০৬-২০১৯ ইং
সময়ঃ বিকেল ৬:২০
==================================
গানঃতুমি কি মোর বন্ধু হবে, নাকি হবে প্রিয়া
তুমি কি গো মোর...বন্ধু হবে... নাকি হবে...
প্রিয়া....
এক জীবনে আসবে কি গো... বাঁধব জীবন
তোমায় নিয়া......
তুমি কি গো মোর..বন্ধু হবে,নাকি হবে প্রিয়া।।
প্রিয়া হয়ে আসিও....যেও না গো ছেড়ে......
দিও সুখ, থাকিও জানম-জনম হৃদয় নীড়ে।।
তুমি কি মোর বন্ধু হবে..... নাকি হবে সঙ্গী----
হয়ও মোর প্রিয়া, আসিও ফিরে,
যেমনে উড়ে আসে বিহঙ্গী।।
তুমি কি মোর বন্ধু হবে-- নাকি হবে প্রিয়া..
প্রিয়া হয়ে আসিও, দিও সুখ রাশি-রাশি,
থাকিও জনমভর, থাকিও মোর পাশা-পাশি।
তুমি কি গো বন্ধু হবে,, নাকি হবে প্রিয়া....
প্রিয়া হয়ে আসিও, লিখব গান তোমায় নিয়া।।
ছায়ার মতো থাকিও,লাগাইও পরাণে মায়া,
তুমি কি গো মোর বন্ধু হবে, নাকি হবে প্রিয়া।।
মন আকাশে চন্দ্র হয়ে থাকিও,
জীবন তরীতে বধূ হয়ে উঠিও,
জ্বালিও সুখের প্রদীপ অন্ধ ঘরে,
জীবন তরী নিয়ে যেও প্রবীন পাড়ে।।
তুমি কি গো বন্ধু হবে, নাকি হবে প্রিয়া,
এ জীবনে আসবে কি গো?
বাঁধব বাসা তোমায় নিয়া,
তুমি কি গো বন্ধু হবে, নাকি হবে প্রিয়া।।
(সমাপ্ত)
#তারিখঃ০১-০৭-২০১৯ ইং
#সময়ঃবিকেল ৪ টায়
==================================
"মাতৃভাষার চেতনা ও একুশে ফেব্রুয়ারি "
আসাদুল্লাহ
খোকা মায়ের শান্তিময় নীড়ে
সতত জননীর দোলনায় দোলে,
হামেশা থাকে জননীর কোমন
সিক্ত পরশমাখা স্বর্গময়ী কোলো।
সদা পড়ে থাকে নরম হস্তের মাঝে,
জননীর মুখের বর্ণমালার শব্দাবলি কর্নে বাজে।
মায়ের বক্ষের দোলনায় খোকা ঘুমায় সারা বেলা,
খোকা শুনেছে জননীর মুখের যত বর্ণমালা।
শৈশব কাঁটাচ্ছে,শিখব বলে মাতৃভাষা এ আশায়,
বৈরী ভুলিয়ে দিতে চাহি,আঘাতহানে মাতৃভাষায়।
তেজী প্রতিবাদী অগ্নিতে, ছেলেরা হয়েছে ক্ষুব্ধ,
বৈরিবেদ বিনাশ করিব,বাঁচিবে বাংলার যত শব্দ।
চির মাতৃকায় চির কাল বাঁচিবে মাতৃভাষা,
রুখে দাঁড়াব,ভাঙ্গিব কালো হাত,মিটবে যত আশা।
কবি, সাহিত্যিক মগ্ন থাকে,করে বর্ণমালার খেলা,
রচিব কবিতা,গল্প,উপন্যাস,ইতিহাস নিয় বর্ণমালা।
এই বর্ণের নাম সালাম,বরকত,রফিক জব্বার
যত ভাষা শহিদ অমর ছেলে,
শক্রর সম্মুখে বক্ষ মেলে, বাহু উঁচু করে,
রাজপথে দিয়েছে তাজা খুন ঢেলে।
মাতৃভাষার কর অর্পিত করিয়াছি
তাজা রক্ত ঢেলেছি স্নিগ্ধ মাতৃ ভূমে,
সব ছেলে ঝড়ো হয়েছে জননীর প্রেমে,
চিরতরে মায়ের বুকে রয়েছে চির ঘুমে।
মাতৃভাষার প্রেমিক লাখো শহিদ ছেলে,
শক্রর সম্মুখে বক্ষ মেলে প্রতিবাদ করেছে
তাজা খুন মৃত্তিকাতে দিয়েছে ঢেলে,
ছেলেদের হাতের বর্ণমালার নিশান মেলে।
এই ফাগুনের রক্তাক্ত আগুনের মেলায়,
শহিদদের সালাম জানাই অমর একুশের বেলায়।
এই বাসন্তীর বসন্তদূত গাইছে তাদেরই গান,
এই হাজার পক্ষীকূলের গানে কাঁদে এ প্রাণ।
আজি বিশ্ববাসী দিয়েছে তাদের মূল্য-মান,
মোরা অনন্তকাল যেন করি তাদেরকে সম্মান।
এই বাংলার মাটিতে আস্তে-আস্তে পা ফেলিও,
স্নিগ্ধ মৃত্তিকাতে লাখো শহিদ ছেলে ঘুমিয়ে আছে
হে নবীন ছেলেরা ইতিহাস মেলে তা জানিও,
অমর একুশের রক্তাক্ত ইতিহাস তোমরা পড়িও।
এ মাটিতে আঘাত করিও না, আস্তে কথা বলিও,
ভাষার প্রতিবাদ, বিদ্রোহ করে তারা ক্লান্ত, জয়ী হয়ে ঘুমিয়েছে,যেন ঘুম নাভাঙ্গে আস্তেকথা বলিও
তুমি এ মাটিতে সর্বদা আস্তে-আস্তে পা ফেলিও।
তুমি আস্তে-আস্তে চলিও, ফেলিও পদ আস্তে
রক্তাক্ত স্নিগ্ধ এই বাংলা মায়ের চির ভূমে,
ভাষা শহিদ,মুক্তিযুদ্ধরা বিশ্রামে,মাটিতে চির ঘুমে।
এই বাসন্তীর হাজার বৃক্ষের হাজার পুষ্পের
গন্ধগুলোতে তাদের রক্তের ঘ্রাণ,
ভোরের রক্তিম রবিতে, শহিদদের রক্ত মিশেছে,
প্রতিবাদী, বিদ্রোহী সুর ধ্বনিত হচ্ছে
বসন্তের হাজার পাখিদের এই গানে।
পখে-ঘাটে, মাঠে ফুটছে হাজার কৃষ্ণচূড়া
হাজার বাহারের পুষ্প আর শিমুল ফুল,
এই রক্তাক্ত অমর একুশের স্মৃতিতে নবীন
ছেলেরা, বেদনাকাতর আর শত ব্যকুল।
অধীর অপেক্ষায়, এসেছে রক্তাক্ত একুশ
আমরা কি পাড়ি দিতে তারে তাড়ি,
তোমরা বল কভু কি পারি ভুলিতে
স্মৃতিময় অমর একুশে ফেব্রুয়ারি?
হাজার পুষ্প-মাল্যে সজ্জিত শহিদ মিনার বাড়ি,
স্মৃতিতে দ্বগ্ধ, জানাই সালাম, শ্রদ্ধানঞ্জলি
হে মোদের রক্তাক্ত অমর একুশে ফেব্রুয়ারি।
এই মধ্য রাতে, এই ভোরে প্রতিটা বিদ্যার কিনারে,
স্মৃতিকাতর হয়ে জমেছি প্রতিটি মিনারে।
প্রভাতে লগ্ন পায়ে, মিছিলের প্রভাত ফেরিতে,
মাতৃভাষার স্মৃতি মিশেআছে একুশে ফেব্রুয়ারিতে
মাগো, ওগো মা! ছেলেরা তোমাতে ঘুমিয়ে আছে
চির জয় হলো তোমার এই মাতৃভাষা,
আজি মিটবে মনের যত আশা,
তাজা রক্ত দিয়ে কিনেছি এই মাতৃভাষা।
ওগো জননী! অনন্তকাল যেন থাকে ভালোবাসা,
ধরিত্রির ইতিহাসে রচিত হয়েছে এই মাতৃভাষা।
রক্ত দিয়েছি, লভিয়াছি মাতৃভাষা,
বিসর্জন হয়েছে লাখো ছেলের প্রাণ,
এই মাতৃভাষার ইতিহাসে পৃথিবী মোদের
এই মাতৃভাষাকে দিয়েছে শ্রেষ্ঠ সম্মান।।
মাগে, কভু কি মোরা ভুলিতে পাড়ি?
দিতে কি পারি কভু তারে তাড়ি?
প্রতিটি হৃদয়ে গড়েছি শহিদ মিনারের বাড়ি,
কভু ভুলিব না রক্তাক্ত একুশে ফেব্রুয়ারি।।
(সমাপ্ত)
তাং:২১-০২-২০১৯ ইং
সময়: রাত ২ টায়।
উৎসর্গ করিলাম সকল ভাষা শহিদদেরকে।
==================================
নববর্ষ ১৫০০ সাল
আসাদুল্লাহ
আজি হতে শত বর্ষ পরে,
মহীতে থাকিব না,চলে যাব ঐ পরপারে।
মায়ার বন্ধন ছিন্ন করিয়া, রেখে যাব যত স্মৃতি,
থাকিব না ধরায়,যা প্রকৃতির চির রীতি-নীতি।
রেখে যাব সোশ্যাল মিডিয়াতে যত মোর স্মৃতি,
কবিভক্ত বেদনাকাতর,ছিল মম সনে প্রেম-প্রীতি।
আজি হতে শতবর্ষ আগে,
সোশ্যাল মিডিয়া মোরো স্মরণ করিত শত অনুরাগে।
কে কবি?হাজার-লাখো কবিদের ভীরে,
পাঠিয়েছি কাব্য সোশ্যাল মিডিয়ার নীড়ে।
কত না স্মৃতি জাঁগিবে?নবীন মানব যদি পড়ে,
তবে ধন্য মোর কবিতা,থাকিব ঐ পরপারে।
আজি হতে শতবর্ষ আগে,
সহযোগিনীর সনে প্রেম হয়েছিল আম্র বাগে।
প্রণয়িনী মোরে স্মরণ করিত শত অনুরাগে,
আজি হতে শতবর্ষ আগে।
বিরহিনীর বেদনার সুর বাঁজিত মোর বাঁশিতে,
কত না স্বর্গের সুখ আসিত দেখে প্রিয়ার হাঁসিতে?
কিশোর কবি লিখিত, গাহিত শুধু নন্দিনীর গান,
আজি হতে শতবর্ষ আগে,ব্যকুল ছিনু অনুরাগে।
আজি হতে শতবর্ষ আগে,
কতনা বৈশাখ পালিত করেছি প্রিয়ার সনে?
স্মৃতিগুলো পড়ে থাকবে রমনার বটে,
হঁটেছি প্রিয়ার নরম হাত ধরে মেঘনা ঘাটে।
আজি হতে শতবর্ষ আগে,
নবীন সাজে সজ্জিত হতাম পহেলা নববর্ষে,
কাঁটিয়েছি নন্দিনীর সনে হাজার হর্ষে-হর্ষে,
আজি হতে শতবর্ষ আগে,১৪০০ নববর্ষে।
আজি হতে শতবর্ষের আগে,
হয়ত ১৫০০ সালের বৈশাখ পাব না জীবন মাঝে,
তবে যেন নবীন মানবের মুখে এই কবিতা বাজে।
আজি হতে শতবর্ষ আগে,
সোশ্যাল মিডিয়া মোরে স্মরণ করিত শতঅনুরাগে
১৫০০ সালের নববর্ষে,
রমনার বটমূলে যেন ধ্বনিত হয় মোর এই কবিতা,
তোমরা দেখিও১৫০০ সালের প্রভাতের রবি,
মোরে দেখেছে ঐ সবিতা।
যেন রমনার বটমূলে ধ্বনিত হয় এই কবিতা।
আজি হতে শতবর্ষ আগে,
সুখি-সখা মিলে গিয়াছি মেলা,
হর্ষ করিয়াছি ১৪০০ সালের প্রতি নববর্ষ পহেলা।
আজি হতে শতবর্ষ পরে,
থাকিব না ভবে, চলে যাব ঐ পরপারে।
আজি হতে শতবর্ষ আগে,
সোশ্যাল মিডিয়া স্মরণ করিত শতঅনুরাগে।
১৫০০ সালের নববর্ষ পাব না গো জানি,
ধন্য হব, যদি নবীন মানব পড়ে এই কবিতাখানি।
(সামাপ্ত)
#তাং:১৪-০৪-২০১৯ ইং
#সময়:বিকেল ৪ টায়।
আমার জম্ম ২০০১ সালে অর্থাৎ বাংলা ১৪০৭ সালে। কবিতায় এটাই ব্যক্ত করেছি যে ১৪০০ সালের নববর্ষ পেয়েছি কিন্তুু ১৫০০ সালের নববর্ষ হয়ত পাব না। তখন আমি হয়ত থাকিব না কিন্তু সোশ্যাল মিডিয়াতে ও আমার youtube channel " Asadullah TV.BD" তে এই কবিতাখানি থাকিবে ইনশাআল্লাহ।
==================================
বালুয়াকান্দির কবরস্থানে
আসাদুল্লাহ
"জম্মিলে মরিতে হয়" জানি চির বাক্যখানি,
কে কবে বাঁচে ভবে?তবে বাঁচিবে কবিতাখানি।
প্রিয়ার স্মৃতিগুলো বাঁচবে মহীতে আবহমান,
স্মৃতিজন একদিন ধরিত্রিকে জানাবে মহাপ্রস্থান।
কত না স্মৃতি গড়েছি?অবুজ ব্যকুল তৃষ্ণার্ত প্রাণে,
জীবন ঘড়ি থেমে যাবে পরে চির ঘুমে কবরস্থানে।
এই পূত কলেবর মৃত্তিকা কভু করিবে না গ্রাস,
প্রভুর রাহে মুজাহিদ লাশ চির অক্ষত কর বিশ্বাস।
জিহাদের রণক্ষেত্র থেকে আসিবে
ফিরে রক্তাক্ত রঞ্জিত মোর দেহ!
মোরে ভাবিয়া অশ্রুপাত যেন না করে
না যেন করে আক্ষেপ কেহ।
ওগো প্রিয়া!তুমিও তখন ফেলিও না নয়ন জল,
তাহলে মুচে যাবে কাজলমাখা আখির কাজল।
জানি তখন মনে পড়ে যাবে কত না স্মৃতি?
বলবে, প্রভু কেন করিলে সমাপ্ত পূত প্রেম-প্রীতি?
তোমাতে মোর মায়ার বন্ধন বাঁধিয়াছ তোমা প্রাণে,
ভাবিও তুমি চিরতরে ঘুমাব তোমা হৃদ কবরস্থানে
হঠাৎ একদিন তোমাদের জানাব মহাপ্রস্থান,
আসিব না ভবে,মোরে পেয়ে ধন্য হবে বালুয়াকান্দির গোরস্থান।
মুজাহিদ আজি শহিদ,আজি চির শান্ত,
এ পথে চির সংবরণ ইহা নয় কভু ভ্রান্ত।
ওগো প্রনয়িনী! তোমা অপেক্ষায় ছোট ঘুম ভূমে,
আসিও ত্বরায় কাঁটাব প্রহর তোমার পরশ প্রেমে।
দুটি মায়ার বন্ধন সৃজন এই পূত দুটি প্রাণে,
হঠাৎ একদিন মিলন হবে বালুয়াকান্দি কবরস্থানে
মোর কবরের সনে দিও তার কবর শুন ওরে ভাই,
প্রিয়ার রূপ দেখিব,গল্প করিব যেন পাশে পাই।
তোমরা দিও একসনে দুজনার কবর,
যেন মোরা নিতে পারি দুজনার খবর।
হঠাৎ একদিন চিরতরে ঘুমাব বালুয়াকান্দির কবরস্থানে,
তখনও যেন প্রভু দুজনের মিলন হয় একই প্রাণে।
তারিখঃ২১-০৬-২০১৯ ইং,
সময়ঃ বেলা ১১ টায়
==================================
বালুয়াকান্দির কবরস্থান
আসাদুল্লাহ
পাব নাহি তোমা আমি,বাসসি ভালো ওগো রাণী,
পল্লীর মধ্যে তুমি রাণী,তোমা নিয়ে করছে যুবা টানা-টানি।
এত কাছে তুমি,বাসলাম ভালো হলো না জানা-জানি,
কাব্যে নিয়ে খেলছি তোমায়,করছি কানা-কানি।
উত্তর প্রান্তে মম বাটী,দখিন প্রান্তে তুমি রাণী,
দিব্যাঙ্গনার রূপের ছটা,তোমায় নিয়া করছে টানা-টানি।
আমার বুকে কত আশা?তোমার বুকে ভয়,
এত কাছে তুমি রাণী?হয় নি আজও পরিচয়।
কাঁদছি আমি,কাঁদে এ মন, মম চোখে জল,
কেঁদ না গো রাণী তুমি,মুছে যাবে তোমা কাজল।
নাহি দিলে দেখা তুমি, নাই বা দিলে মন,
আসব ছুটে তবু রাণী,বিপদ মাঝে করিও স্মরণ।
বুজলে না গো রাণী তুমি----------------
কূল ভেঙ্গেছে আমার ধারে, তোমার ধারে নয়,
আমার বাঁশির সুরে, হলো না গো তোমার হৃদয় ক্ষয়।
লিখে গেলাম,চেয়ে গেলাম,গেয়ে গেলাম তোমার গান,
তবু রাণী পাইনি কভু তোমার মনে স্থান।
গান ফুরালে যাব যবে,বাঁশির সুর বাজবে ভবে,
বিদায় বেলা পড়বে মনে,মহা দিবসে দেখা হবে।
ওগো রাণী!তোমায় জানি গো জানি,
তোমায় নিয়া করে লোকে টানা-টানি।
বিদায় বেলায় যদি গো পাই, তোমার দেখার দান,
এই তো রাণী পেয়ে যাব তোমার হৃদয়ে মোর
কবরের স্থান।
ওগো মোর পল্লীর রাণী!
পেলাম না গো তোমার দেখা,
দুঃখের কাব্য হলো লেখা।
দিলে না গো দেখা তুমি, বললে না গো কথা,
জানলে না গো রাণী তুমি, আমার মনের ব্যথা।
তোমায় নিয়ে লিখে গেলাম, গেয়ে গেলাম গান,
তোমায় আমি বাসসি ভালো, কাঁদল যে মোর প্রাণ।
নাই বা পেলাম প্রিয়া তোমায়, চেয়ে গেলাম,গেয়ে গেলাম গান,
একদিন তোমায় পেয়ে যাব, লোকে তোমায় নিয়ে যাবে বালুয়াকান্দির কবরস্থান।
জীবন ফোরালে লোকে তোমায় করবে তাতে দান,
তোমার-আমার জন্য রাণী বালুয়াকান্দির কবরস্থান
তারিখঃ১৩-০৮-২০১৯ ইং
সময়ঃসকল ৭ টা ৪৫
==================================
সমাপ্ত

সেরা
ReplyDeleteAro Onek dur agiye jan,,doya roilo
ReplyDelete