Skip to main content

কাব্যঃ অপরিচিতা||কবিঃ আসাদুল্লাহ||একুশে বই মেলা ২০২৫ ইং||নরসিংদী,বাজার হাসনাবাদ,রায়পুরা,নরসিংদী||

কাব্যঃ অপরিচিতা
কবিঃ আসাদুল্লহ


            

                  কাব্যঃ অপরিচিতা

                  কবিঃ আসাদুল্লাহ

প্রথম প্রকাশঃ একুশে বইমেলা ২০২৫ ইং

কবি পরিচিতিঃ আসাদুল্লাহ এর জম্ম ১৫ ই মার্চ ২০০১ সালে ঐতিহ্যবাহী নরসিংদী জেলার বৃহত্তম রায়পুরার উপজেলার পূর্ব রায়পুরার চরাঞ্চলের চর মধুয়া ইউনিয়নের চর মধুয়া গ্রামের সিকদার বাড়িতে।আসাদুল্লাহ এর বাবার নাম হাজ্বী আঃ খালেক এবং মাতা মরহুম শিরিনা আক্তার।৬ ভাইয়ের মধ্যে আসাদুল্লাহ ৫ম,কোনো বোন নাই।বাড়ির সাথে ঐতিহ্যবাহী বালুয়াকান্দি ইসলামী কমপ্লেক্সের আল জামিয়াতু শামসুল উলুম বালুয়াকান্দি মাদ্রাসার(স্থাপিতঃ ১৯২১ সালে) উস্তাজুল উলামা সদর হুজুর(দা.বা) নানাজ্বীর একমাত্র  প্রিয় খাদেম ছিলেন,সদর হুজুর ১০৬ বছর বয়সে ৩১-১-২০২১ ইং ইন্তেকাল করেন।

শিক্ষা জীবনঃ আসাদুল্লাহ ২০০৬ সালে চরসুবুদ্ধি ইউনিয়নের বড়ই তলা গ্রামের নানাীর বাড়ি থেকে প্লে-তে ভর্তি হন "চরসুবুদ্ধি ফুলকুড়ি কিন্ডারগার্টেনে" ২০০৭ সালে নার্সারী পড়া শেষ করে জম্মভূমি চর মধুয়া গ্রামে  সিকদার বাড়িতে ফিরে আসেন মায়ের কাছে।তারপর মেঘনা নদীর তীর বাড়ির সামনে চর মধুয়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে ২য় শ্রেণিতে মা ভর্তি করিয়ে দেন।২য়,৩য়,৪র্থ শ্রেণি পড়ার পর ৫ম শ্রেণিতে যখন ওঠলো তখন জম্মভূমি ত্যাগ করে চলে আসেন তাদের নতুন চিরস্থায়ী বাড়িতে পশ্চিম রায়পুরার নরনিংদী সদরের সাথে বৃহত্তম আমীরগঞ্জ ইউনিয়নের ঐতিহ্যবাহী বালুয়াকান্দি গ্রামে।
২০১১ সালে বাড়ির পাশে বালুয়াকান্দি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে ভর্তি হন।তারপর ৬ষ্ঠ শ্রৈনি থেকে ১০ম শ্রেণি বাড়ির পাশেই ঐতিহ্যবাহী বালুয়াকান্দি উচ্চ বিদ্যালয়ে(স্থাপিতঃ ১৯০৬) সাল পড়াশুনা করেন।আসাদুল্লাহ এর ৩য় শ্রৈনি থেকে ১০ম শ্রৈনি পর্যন্ত রোল নং ১ ছিল।

কলেজে একাদশ শ্রেণিতে নরসিংদী মডেল কলেজে ভর্তি হন তারপর TC নিয়ে শহিদ সরকারি কলেজ,শিবপুর নরসিংদীতে এবং দ্বাদশ শ্রেণিতে "নরসিংদী অক্সফোর্ড কলেজে " থেকে HSC সম্পন্ন করেন।

২০১১ সালে PSC (gpa:4.68),
২০১৪ সালে JSC(gpa:5:00)
২০১৭ সালে SSC(gpa:4.86)
২০১৯ সালে HSC(gpa:5:00)

বর্তমানঃ মেডিকেলে এমবিবিএস ৪র্থ বর্ষে অধ্যায়নরত
সেশনঃ ২০২০-২০২১ ইং

উৎসর্গ করিলামঃ
গত ৫-১২-২০২৩ ইং Stomach Adeno Carcinoma ক্যান্তারে আক্রান্ত হয়ে ইন্তেকাল করা আমার পরহেজগার,দ্বীনি ও আদর্শ মরহুম মাকে এবং আমার বাবাকে।যদি জীবনে কখনো বিয়ে করি তাহলে অপরিচিত অজানা জীবন সঙ্গিনী সহধর্মীনীকে উৎসর্গ করিলাম।

সেই সাথে বিশ্বের সকল প্রকৃত প্রেমিক,প্রেমিকাকে ও  মুজাহিদদের,ফিলিস্তিনকে, কাশ্মীরকে ও ইমাম মাহদির দলকে,জম্মভূমি চর মধুয়া গ্রামকে এবং আমার চিরস্থায়ী বসবাসের মনোমুগ্ধকর অপরূপ সৌন্দর্যের লীলাভূমি আমার প্রাণের প্রিয় ঐতিহ্যবাহী বালুয়াকান্দির গ্রামবাসীকে এবং আমার মেডিকেলের অপরূপ মধুপুর গ্রামকে।

Asadullah(MBBS 4th year Dhaka)
আমার সাথে যোগাযোগ করার মাধ্যম, যেকোনো তথ্য জানতে বা সহায়তার জন্য ও মেডিকেল এডমিশনের ভর্তি বিষয়ে,লেখা-পড়ার বিষয়ে পরামর্শে & প্রাইভেট মেডিকেলে কমে ও কিস্তিতে ভর্তি হতে বা বিদেশে mbbs পড়তে  কল করতে পারো বা What's app এ নক বা কল দিতে পারো

what's app:01568318976

Call:01608090856

Youtube Chennel: Asadullah TV.BD
https://www.youtube.com/@AsadullahTVBD

Follow & Like My Facebook Page:
Asadullah TV.BD
https://www.facebook.com/bloggerasadullah

Visit My Website: Asadullah News & Library
https://asadullahnl.blogspot.com/?m=1

Gamil: mdasadullah3535@gmail.com



১)অপরিচিতা

২) রক্তাক্ত জুলাই-আগষ্ট বিপ্লব

৩)রক্তাক্ত ফিলিস্তিন

৪)মহামানব-মহা নবি

৫)পবিত্র নন্দিনী

৬)মিনার থেকে

৭)স্বপ্ন-সহচারী

৮)পদ্মা নদীর নন্দিনী

৯)বসন্তের বৃষ্টি

১০)১৪০০ সাল

১১)অপরাধ

১২)আমি তোমার কবি  

১৩)অসমাপ্ত প্রেমের কাব্য

১৪) করুনাময়ের করোনার বিশ্ব

১৫)জীবন পথের যৌবন মোড়ে

১৬)চির বিজয়িনী

১৭)যেদিন বিজয়ী ছিলে

১৮)জীবন যুদ্ধে অপরাজেয়

১৯) সাফল্য

২০)জীবনের চির সাফল্য

২১)চির অপরাজেয়-নির্ভয়

২২)জিহাদ জিন্দাবাদ

২৩)ভূ-ভারত আজ শ্মশান

২৪)জাগো কাশ্মীর

২৫) বাবরি মসজিদ

২৬)রাসূলের প্রতি প্রেম

২৭)মুরজিয়া মোল্লা

২৮)পেটুক মোল্লা

২৯)শহিদ আবরার ফাহাদ মুজাহিদের প্রতি

৩০)আজও হয় নি বলা

৩১)পুষ্পিতার মুখখানি

৩২)আজি আসো হৃদয়পুরে

৩৩)মাতৃভাষার চেতনা ও একুশে ফেব্রুয়ারি

৩৪) চির স্বাধীনতা

৩৫)নববর্ষ ১৫০০ সাল

৩৬)বালুয়াকান্দির কবরস্থানে

৩৭)বালুয়াকান্দির গোরস্থান

৩৮)পল্লীর রূপের রাণী

৩৯) কত বসন্ত আসে,আসো না তো তুমি

৪০)অপরূপের চাঁদ 

৪১)স্বপ্ন-সহচারী,শূন্য পূজারী

৪২)তুমি কাছে থেকেও দূরে

৪৩)প্রথম প্রেম-প্রিয়া-পদ্য

৪৪) তুমি এমনই একজন

৪৫)তুমি বুজলে না মোর ভাষা

৪৬)তুমি বুজলে না মোর ব্যথা

৪৭)সারাটি রাত্রি তারাটির সাথে

৪৮)সারাটি রাত্রি তারাটির খুঁজে

৪৯)তমিস্রা ঘরে স্বপ্নে তুমি

৫০)তোমাকে চিনি

৫১)মেঘনা পাড়ের ছেলে

৫২)মেঘনার তীরের তনয়া

৫৩)মেঘনার তীরে তোমার অপেক্ষায়

৫৪)ওহে মেঘনা নদী,নেতাজ্বী বাঁধ দিত যদি

৫৫)আমি যদি বাবা হতাম
   
৫৬)নিম গহনে

৫৭)চরনতলে

৫৮)বকুল পুষ্পের মালা

৫৯)গোপন প্রিয়ার প্রেম

৬০)বালুয়াকান্দি অনির্বাণ

৬১)চলে গেলে

৬২)স্বার্থপর প্রিয়া

৬৩)তুমি এত দিনে এলে ফিরে

৬৪) তুমি কি মোর বন্ধু হবে, নাকি হবে প্রিয়া

৬৫)তোমায় দেখব বলে

৬৬)কবি রাণীর কাব্য

৬৭)ভালোবাসা এলো না

৬৮)মধুপুর গ্রাম

৬৯)তুমি এলে না ফিরে

৭০) মায়ের ক্যান্সার ও মৃত্যু



                    অপরিচিতা

জানতে গিয়ে হয় নি জানা,আমার বুকে ভয়,
কল্প আঁখিতে হৃদয়ে আঁকি অপরিচিতার পরিচয়।
সে অজানা প্রান্তরে,ভেসে আসে ভ্রাম্যমানে,
ছুটে আসে অদৃশ্য মায়ার বাঁধনে হৃদের টানে। 
মনে হয় খুব কাছে এইতো বুজি পাশে এসেছে প্রিয়ে,
বারে-বারে অদৃশ্যে স্পর্শ করি ত্বরায় ভ্রাম্যমানে গিয়ে।
বুজবে না গো ওগো প্রিয়া.........
কূল ভেঙ্গেছে আমার পাড়ে তোমার ধারে নয়,
তোমার তরীর তরঙ্গ করিল মম হৃদয় তীর ক্ষয়।
জানি আসবে নাহি ভগ্ন নদীর ক্লান্ত মেঘনার তীরে,
অতিথি বিহঙ্গ কি কভু ফিরে আসে নীড়ে?
দেখেও হয় না দেখা,ভাবার্থ ব্যক্ত হয় যে লেখা,
ভাবতে গিয়েও অবাক লাগে তুমি যে মোর অপরিচিতা সখা।
বিরহের বাঁশিতে তুলেছি বেদনার সুর বসে এই নির্জন কান্তরে,
কোন অজানা প্রান্তর থেকে তুমি আজি হঠাৎ এলে মম অন্তরে?
কল্পলোকে কর্নে শুনেছি তোমা সুমিষ্ট ভামাস্বর,
তোমা আগমনে শান্ত শীতল তপ্ত হৃদয় বালুচর।
"কবি!আমায় তুমি ভুল ভাবছ আমি অজানা অপরিচিতা,
বলো কবি,কভু কি সত্য হয় মরুভূমির মরিচিকা?"
এমন করে বলিও না ওগো চঞ্চল মেঘবালিকা,
তুমি বৃষ্টি হয়ে ঝড়িও আমার হৃদয় মরুভূমে ওগো দূরের অপরিচিতা।
মোর এই তৃষাতুর তপ্ত মরুভূমে ফেলিও তোমা চরন,
জানি শান্ত হবে মরু,জেগে ওঠবে সবুজেরা তবেই যেন হয় মরন।
ওগো অজানা অপরিচিতা হৃদয় পথের যাত্রী,
পাশে থাকিও নাহি হবে ভয় কেঁটে যাবে তমিস্রা রাত্রি।
ললাট মাঝে হয় যেনো লিখন তুমি মম চির পাত্রী,
দিও পরশ প্রেম থাকিও পাশে সদা হইয় পরপারের যাত্রী।
ভবের মাঝে জীবন ভর হয় যেনো সদা দু'জনার প্রেম-প্রীতি,
থাকিব না যবে ভবে, তবে থাকিবে দু'জনের যত প্রেম স্মৃতি।
এই তো বুজি কর্নে শুনি রাঙ্গা পদের নূপুর ধ্বনি,
সমীরে ভেসে আসে এলো অলকের সুভাশ
ওগো রূপের রাণী।
কল্পলোকে দেখি সেই হাস্যজ্জ্বল মুখখানি,
তোমায় ভেবে রচি মোর অমর কাব্য ওগো কবি রাণী।
কবি কভু কোনো কালে নাহি পেল কবি রাণীর কাছে জয়,
রূপবর্তী রূপমুগ্ধ কবি রাণীর কাছে যত কবির কলম হয়েছে পরাজয়।
আমায় তুমি রাখিও তোমার চোখে কাজল মেখে,
বক্ষ পিঞ্জরে বন্দী করে রাখিও,রচিব কাব্য তোমায় দেখে-দেখে।
ওগো দূরের অজানা অপরিচিতা রাণী,
দেখতে গিয়েও হলো না দেখা ঐ চন্দ্রমাখা মুখখানি।
জানতে গিয়ে আজও তারে হলো না যে জানা,
অদ্যাপি থেকে গেল সে চির অপরিচিতা অজানা।
আমার বুকে কত আশা,বক্ষ ভরা যে কত ভয়?
জানি,কোনো কালেও নাহি হবে জানা অপরিচিতার হৃদয়ের পরিচয়।
দূরে থেকেও অপরিচিতা কাছে মনে যে হয়,
আজও অপেক্ষায় জানতে অপরিচিতার পরিচয়।

তারিখঃ ১৪-০১-২০২১ ইং
সময়ঃ রাত ১২ টায়, ১৩ তারিখ রাত ১১ টা থেকে লেখা শুরু  ও রাত ১২ টায় শেষ হলো 

       

             রক্তাক্ত জুলাই-আগষ্ট বিপ্লব

স্বাধীন বাংলা ষোল বছর স্বৈরাচারিনী করেছে স্বৈরাচার,
জুলুম-অত্যাচার-নির্যাতন বারে-বার হয় নি কোনো বিচার।
ক্ষেপেছে বুড়ি, রক্ত ডাইনি শোষণ বাংলার যত রক্ত,
আর কতকাল চোষবি ওগো রক্তপিশাস সারা বাংলা বিরক্ত।
কি শিখালী তোর সন্ত্রাসীলীগকে এটাই কি মন্ত্র-তন্ত্র-গনতন্ত্র শেখা?
মানুষ মারে,ধর্ষিত যুবতী,অর্থ গ্রাস,যত অত্যাচার,ইহাই কি তোর বিধানে লেখা?
মুশরিক তোরা,তোরা ইসলাম বিদ্বেষী,মুজিব প্রভুর মুজিব ধর্মী,
বাংলার মাটি,বাংলার মানুষ মারতে,জাগলি তোরা যত মুজিব কর্মী।
গড়েছিস তোরা পাপের রাজ্য,লিখলি যতো মনের মতো নীতি,
মানুষ মেরে প্রবাহিত রক্ত সাগর  আওয়ামী স্বৈরাচার রাজনীতি।
আমার অর্থে কেনা অস্ত্রে গুলি চালাস আমার বুকে,
জমেছে কত দেনা-লেনা,স্বৈরাচার তুই বিনাশ হবি আজি আমার বন্দুকে।
নিজের ইচ্চায়,নিজের ভাবনায় চালাস মোদের স্বাধীন দেশ,
সময় এসেছে স্বৈরাচারিনীর জীবন ঘন্টা বাজিবে আজি অবশেষ।
দেশের যতো অর্থ,যত সুখ-বিলাস নিলি তোরা বারে-বার,
সাতাশ লক্ষ শিক্ষিত বেকার,রিজিক মারলি সবার।
অসহায় মারিস,মারিস বিদ্রোহী,আরো মারিস হুজুর-মোল্লা,
আর কতকাল সহ্য করিবো গড়েছি যে মোরা তিতুমীরের বাঁশের কেল্লা।
আমরা ছাত্র দল,আমরা দেশের বল,আজি রাজ পথে চলরে চল,
স্বৈরাচারীর পাপের রাজ্য ধ্বংস করলে,করে দে চির অচল।
আমরা দেশের বল,আমরা তেজী মুক্তির বিদ্রোহী ছাত্র দল,
চলছি রাজপথে মৃত্যুকে হস্তে নিয়ে থামবো না আসুক ঘূর্নি-ঝড়-বাদল।
মোরা অনির্বাণ,অগ্নিশিখা,জেগেছি আমরা ছাত্র দল,
স্বৈরাচারী বিনাশ যাবে আজি শান্ত হবে এই অতল।
রাজ পথে মিছিলে বক্ষ পেতে দিয়েছে সহস্র ছাত্র প্রাণ,
তবুও শান্তি-সাম্য আসুক দিবো যত জীবন বলিদান।
আমরা আজি আনিব ছিনে জয়,জীবন হোক তবু লয়,
বিজয় ঘন্টা বাজছে আজি স্বৈরাচারীর হবেই চির পরাজয়।
সন্তান হারা কত লাখো-কোটি বাংলা মায়ের চোখে জল,
দোয়া করিস মাগো,তোর তনয়েরা রাজপথে আমরা ছাত্র দল।
জেগেছি আজি বাংলার মহা প্রাণ আমরা তরুন ছাত্র দল,
কত মায়ের ছেলের বুকের তাজা রক্তে রাজপথ হলো পিছল।
শেষ বিদায় দাও গো মা,শরীর মুছে দাও,দিয়ে তোমা আঁচল,
রনাঙ্গে যাচ্ছি গো মা,ফিরবো না আর আমরা কত ছাত্রদল।
আমাদের হস্তে মহা বিজয়,আসবে বাংলার সফল,
বিজয় নিয়ে আজি ফিরবো মাগো আমরা তোমার ছাত্র দল।
বিজয় লাগি ছুটেছে আজি সারা বাংলার তরুন প্রাণ-চঞ্চল,
আজি স্বৈরাচারকে চিরতরে বিনাশ করিব আমরা বাংলার ছাত্রদল।
রক্তপিপাসু ডাইনি বুড়ি স্বাধীর বাংলা করলো যে গ্রাস,
ছাত্রদল তাজা রক্ত দিয়ে লিখল রাজপথে স্বৈরাচারিনীর চির সর্বনাশ।
বৈষম্য বিরোধী ছাত্র আন্দোলন আমরাই দেশের মুক্তির প্রাণ,
দেশের তরে দিয়েছি নিঃস্বার্থে সহস্র জান কোরবান।
রক্তাক্ত জুলাই-আগষ্ট বিপ্লব যায়নি রে বৃথা,হয় নি বিফল,
স্বাধীন বাংলায়,মহা স্বাধীনতা আনিয়াছি আমরা তরুন ছাত্রদল।

তারিখঃ ১-১১-২০২৪ ইং
সময়ঃ রাত ৩ টায়।

উৎসর্গঃ জুলাই আগষ্ট বিপ্লবের বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের সকল শহিদ ভাই-বোনদের এবং স্বৈরাচার ফ্যাসিস্ট খুনি হাসিনা ও তার সন্ত্রাসী ছাত্রলীগ ও পুলিশ লীগের বিরুদ্ধে সকল আন্দোলনকারীদের।
এখানে ছাত্রদল বলতে বিএনপির ছাত্রদলকে বুজানো হয় নি,বাংলাদেশের বৈষম্য বিরোধী ছাত্র আন্দোলনের ছাত্র দলকে বুজানো হয়েছে।

বলে রাখা ভালো আমি কোনো রাজনৈতি করি না ও বাংলাদেশের কোনো রাজনৈতিকে সাপোর্ট করি না।এমন কি কুফরি জীবন ব্যবস্থা  ইসলামে বিরোধী আব্রাহাম লিংকনের এই গনতন্ত্রকে আমি জীবন গেলেও সাপোর্ট করবো না।একমাত্র ইসলামী শাসন খেলাফতকে সাপোর্ট করি যা আফগানিস্তানের শাসন ব্যবস্থা।ওসমানী খেলাফত আবারও কায়েম হবে ইনশাআল্লাহ ও তা ইমাম মাহদির কালো পতাকাবাহী দলের হাত ধরে আর সেই দলকেই সাপোর্ট করি।


                রক্তাক্ত ফিলিস্তিন

সত্য ইসলাম,তাগুদ মিথ্যে,বসুন্ধরার সত্য দ্বীন,
বায়তুল মোকাদ্দাস মোদের পহেলা কিবলা ওগো ফিলিস্তিন।
যত পাপী-তাপী পশ্চিমা বিশ্ব,পাপিষ্ঠ ইসরাইল,
ফিলিস্তিনীর বুকে ধ্বংসাত্মক যজ্ঞ চালায় ছুড়ে মিসাইল।
এই ভূমি গ্রাস করিতে মেতেছে যে ইহুদির সব দল,
ইসরাইলের অত্যাচারে অতিষ্ঠ যে আজি এই অতল।
কামান-ট্যাংক,বোমা-মিছাইলে ধ্বংস স্তূপ ফিলিস্তিনের ভূমি,
ইসরাইল আজি জেগেছে গ্রাস করিতে ফিলিস্তিনের জমি।
হাজার-লাখো-কোটি জননীর দুগ্ধ শিশু দগ্ধ ইহুদিদের হস্তে,
আযাদী লড়াইয়ে ফিলিস্তিনকে আযাদ করতে জেগেছে হামাস আল্লার রাস্তে।
স্বাধীনতার লাগি লাখো-কোটি মুজাহিদ দিলো প্রাণ,
শতাব্দী ধরে জিহাদী লড়াইয়ে, দিয়ে যাবো যত বলিদান।
লাখো-কোটি প্রাণে বয়সে যে আজি রক্তের প্রবাহিনী নদী,
আর কতকাল ধ্বংসাত্মক চালাবি ওরে পাপিষ্ঠ ইহুদি?
দিনে-দিনে কত প্রাণ গেলো হারি,কত প্রাণ আরো যাবে কত দিন?
অতি ত্বরায় আযাদ হবে ধৈয্য ধরো ওগো মম ফিলিস্তিন।
কালেমার নিশান উড়িবে,ধ্বনিত হবে প্রভুর কালেমার ধ্বনি,
বিশ্বের মহা বিজয় ফিলিস্তিনের হাতে হবে বিশ্বে জানাজানি।
মুজাহিদ!কত অভিরাম কষ্ট সহ্য নীরবে,কত না বলা কথা,
সবই হারি গেলো শূন্য বক্ষ,জমে আছে বুকে কত ব্যাথা।
অনাহারে গেলো কত শিশুর প্রাণ,কত মায়ের বক্ষ শূণ্য,
ধৈয্য ধরো মাগো,দোয়া করো ওগো,জিহাদে তোমার জন্য।
ফিলিস্তিনে আজি জেগেছে হামাসের মহা তাজা প্রাণ,
ধ্বংস করবো যত ইহুদি এই ভূমে দিবো তাদের বলিদান।
আযদীর লড়াইয়ে শতাব্দী ধরে দিয়েছে কত আত্মদান,
ধৈয্য ধরো ওগো পহেলা কিবলা, রাখবো তোমার সম্মান।
অসহায় চাহনি,রক্তাক্ত দেহ,শূন্য উদর,করুন আহাজারি,
আসিতেছি মোরা করিবো ইহুদি তাড়ি,দিচ্ছি পথ পাড়ি।
পবিত্র ভূমে লাগলো অপবিত্র হস্তের ছোয়া ফিলিস্তিনের অঙ্গে,
মারিয়া শূন্য করিবো ভূবনের যত ইহুদি আজি আছি রনাঙ্গনে।
ইসরাইলের দিনে-দিনে কত পাপ বেড়েছে,কত হিসাব-নিকাশ-ঋন?
ইহুদি মারিয়া ধ্বংস করিয়া মুক্ত আযাদ করিবো আমার প্রাণের ফিলিস্তিন।

তারিখঃ ২-১১-২০২৪ ইং
সময়ঃ দুপুর ১২:৩০ মিনিটে

উৎসর্গঃ ফিলিস্তিনকে ও সকল শহিদদেরকে ও হামাস,হিজবুল্লা,ইরানকে এবং কিছু দিন পূর্বে শহিদ হওয়া আমার প্রাণের প্রিয় হামাস নেতা,মুজাহিদ কমান্ডার শহিদ ইয়াহিয়া সিনওয়ার নেতাজ্বীকে।

মহামানব-মহা নবি
   
তিনি সৃষ্টিকূলের শ্রেষ্ঠ,স্রষ্টার চির প্রিয় নবি,
তাকে সৃষ্টি না করিলে নাহি সৃষ্টি হতো অবনী।
যবে পাপ-পূর্ণে তমিস্রান্নে পূর্ণ ছিনু এই ক্ষিতি,
নূরের দৃপ্তিতে গুনে দীপ্তিমান করিল বসুমতি।
মানবের কলুষিতে যবে বসুন্ধরা হচ্ছিল ক্ষতি,
প্রেমের আভায় মানব মনে পেল উত্তম খ্যাতি।
চন্দ্রমাখা হাস্যজ্জ্বল মুখে করিত আকৃষ্ট মন,
তার নিকট এসে তারই দুশমন হতো আপন।
সুসময়ের দূত প্রচার করিত সত্য প্রভুর বাণী,
ধরিত্রীতে হলো মহাম্মদের পরিচয় জানাজানি।
যত দিন রবে এই ভূবন থাকিবে ধর্মের ধার্মিক,
নবি অবাদ্ধাচরনে যুদ্ধ-বিদ্রোহ করিবে প্রেমিক।
নবির সম্মানার্থে রণক্ষেত্রে উম্মত দেয় প্রাণ,
বসুন্ধরায় চিরদিন রবে মহা মানবের শ্রেষ্ঠ সম্মান।
বিনাশ করে শূণ্য করিব ভবের যত পাপী-তাপীর দল,
আজি জাগিয়াছে নবির প্রেমিক বিশ্বের রণাঙ্গনে চল।
তিনি সৃষ্টিকূলের মহা শ্রেষ্ঠ ভূবনজয়ী নবি,
মরনজয়ী উম্মত জেগেছি দেখে ব্যঙ্গ-ছবি।
ভূবন-স্বর্গের তিনি মহামানব দয়ালু মহান নবি,
আজি নবি অবমাননায় জেগেছে সারা বিশ্ব-অবনী।

তারিখঃ ৩০-১০-২০২০ ইং
সময়ঃ১২ ই রবিউল আউয়াল,১৪৪১ হিজরী
জু্ম্মা মোবারক,ফজর বাদ, প্রাণের প্রিয় ঐতিহ্যবাহী আমাদের বালুয়াকান্দি ইসলামী কমপ্লেক্স জামে মসজিদ বসে লিখা।তখন ফ্রান্স নবি অবমাননা ও ব্যঙ্গ চিত্র তৈরি করেছিলো!

                পবিত্র নন্দিনী

ওগো অপরিচিতা!এত দিনে এলে এ অবেলায়,
খুঁজেছি পল্লী-নগরে ধবল মেঘের ভেলায়।
ওগো স্বপ্ন-সহচরী!সুদূরিকা থাকো দূরে-দূরে,
এলে না তো এপাড়ে,খুঁজেছি হৃদয় নীড়ে।
ওগো হৃদ রাজ্যের অপরূপের রূপসী রাণী,
কত নিশি-দিন জেগেছি ভেবে রাত্রি জাগরণী?
হঠাৎ দখিনা বাতায়নে ভেসে আসবে জানি,
দেখে রচিত হবে তোমা রূপের এ কাব্যখানি।
বহু বছর ছিনু একাকীত্বে তোমার জন্য শুধু,
ওগো রূপবর্তী!জানি গো রূপে করিবে জাদু।
যে গুন লভি জানি মম গুনে গুনান্নিত তুমি,
পরিশ্রমী চাষী যে,সোনালী শস্য দেয় যে জমি।
শুধু তোমা জন্য অধীর অপেক্ষায় ব্যকুল মনে
আকুল হয়ে থেকেছি মিলন হবে তোমা সনে।
তৃষার্তা হৃদয়,চঞ্চল মন,অতৃপ্ত কাতর আঁখি,
ব্যথ্যা বক্ষে,অম্বু চক্ষে,হৃদ পিঞ্জরে নাই পাখি।
একলা মোর জীবন সখাবিহীন নাহি সঙ্গী,
কত পথ পাড়ি দিয়ে এসেছ ওগো মম বিহঙ্গী!
আজি সব ব্যথা মুছে যাবে,চলে যাবে যত দুখ,
মায়াবী নয়নে দৃষ্টিতে আজি এসেছে যত সুখ।
ওগো হে মোর পরম পবিত্র চির প্রিয়তমা,
যত ভ্রান্তি দয়ালু গুনে কর এ পাপিষ্ঠকে ক্ষমা
তোমার যত পবিত্র গুন দাও হে মোর মাঝে,
কুলষিত অন্তর নূরের দৃপ্তিতে দৃপ্ত কর আজে।
ওগো প্রিয়সী!অন্তর নয়নে দেখিতুম বারে-বার,
সেই হাস্যজ্জ্বল,এলো চুল,রাঙ্গা পদ তোমার।
ওগো কল্যাণী! মনিব কভু ভিখারী দেয় তাড়ি?
দিও না ফিরিয়া এসেছি যে তোমার মন বাড়ি।
বসুন্ধরাতে প্রথম প্রেম করেছে আদম-হাওয়া,
সেই প্রেমের সূত্রে আজি তোমায় কাছে পাওয়া।
ছিন্ন কর হে পবিত্র পরম চির প্রিয়তমা মোরে,
সুখী, মার যদি মোরে অগ্নিতে পোড়ে-পোড়ে।
এত পবিত্র গুনে-গুনান্নিত ওগো মোর প্রিয়া!
হস্ত ধর মোরেও তোমা সনে স্বর্গে নাও নিয়া।
এ তমিস্রা পথে যেও না গো মোরে ফেলিয়া,
ওগো স্বর্গের হুর দাও তোমার ডানা মেলিয়া।
নাও মোরে আপন করে চির সুখের নীড়ে,
কত বছর পর আজি পেয়েছি তোমা ফিরে।
আজি এসো মোর পবিত্র হৃদে ওগো মম রাণী
ওগো পথ চলার চির প্রিয়তমা পবিত্র নন্দিনী।

তারিখঃ১১-০৮-২০২০ ইং সময়ঃ রাত ১২ টায়

                  মিনার থেকে

বন্ধ হয়ে যাবে একদিন মোর ভবের যতো স্বাদ,
যেদিন মিনার থেকে ভেসে আসবে মোর মৃত্যুর সংবাদ।
ক্ষমা করে দিও ভাবের বাসীর মোর যত অপরাধ,
যেদিন তোমরা শুনিবে আসাদের মৃত্যুর সংবাদ।
এই ময়দান থেকে জানাযায় পাঠিও দূরুদ-সালাম,
স্মরন করিও যত মম পূর্ণ কর্ম-কীর্তি ভবে যা রেখে আসলাম।
সেদিন ফেলিও না তোমরা মোরে ভেবে নয়ন পানি,
স্মরন করিও যত মোর বাণী,ধরাত্রীতে হয় যেনো জানাজানি।
যেদিন চলে যাবে দেহে থেকে আমার এ প্রাণ বায়ু,
ক্ষণ ভুবনের এই জীবনে বাঁচেই  বা কতদিন লোকের আয়ু?
হে ভূলোক!যেদিন মায়ার বন্ধন ছাড়িয়া যাবো পরলোকে,
মহীতে মম পূর্ণ কর্মে যেনো প্রাপ্তি হয় ঐ সুখের দুল্যোকে।
অবনীতে জীবনে চলার পথে দেখা কত জনের সনে,
তবে মোর ভালোবাসায় বাঁচি যেনো ভবে মানবের মনে।
যেদিন মিনার থেকে মোয়াজ্জিনের ধ্বনিতে হবে মৃত্যুর খবর,
দিও মোর জননীর সনে চির ঘুমিয়ে স্বর্গের বাগিচায় কবর।
ওগো ধরিত্রীবাসী!যেদিন মিটে যাবে মোর পৃথিবীর স্বাদ,
যবে শুনিবে মম মরন সংবাদ,ক্ষমা করে দিও যত অপরাধ।
সেদিন মনে পড়িবে মসজিদের তালিম-তাবলীগ,ইতেকাফের স্মৃতি,
কত রজনী জেগে-জেগে ইবাদতে মগ্ন
দোয়া-জিকির-তিলাওয়াতে মনে পড়িবে ওগো ক্ষিতি।
বন্ধুগন তলেবুল ইলমের সাথে এই মসজিদ-মাঠের স্মৃতি,
সব ছাঁড়িয়া যাবো পরকালে মহীর যা সত্য চির রীতি-নীতি। তবে অনন্তকাল থাকে যেনো মোর প্রতি প্রেম-প্রীতি,
সব ভালোবাসা দিলাম  মানব মনে,স্মরন করিও হে প্রকৃতি।
ধরার লোকের মাঝে থাকে যেনো সদা মোর প্রতি সম্মান,
কভু আসিবো না আর ভবে যেদিন চলে যাবো কবরস্থান।
একদিন বন্ধ হয়ে যাবে পৃথিবীর যতো স্বাদ,যত মম আহ্লাদ,
যেদিন মিনার থেকে ভেসে আসিবে মোর মৃত্যুর সংবাদ।

তারিখঃ ২২-১০-২০২৪ ইং
সময়ঃ বিকেল ৪:৪০ মিনিটে
উৎসর্গ_করিলামঃ আমাদের ঐতিহ্যবাহী বালুয়াকান্দি ইসলামী কমপ্লেকের জামিয়া, মিনার,মসজিদ,ঈদগাহ ও কবরস্থানকে এবং মোয়াজ্জিন চাচাকে।

             স্বপ্ন-সহচারী
 
আজি এসেছে প্রিয়া খোলেছি হৃদয় দ্বার,
পূত হৃদ মন্দিরে নিয়া করি তাহারে নমস্কার।
করি প্রিয়ার বন্দনা প্রিয়ার প্রেমের পূজারী,
এত দিন ছিনু আশায় আজ এসেছে স্বপ্নচারী।
নির্জন কাননে ডেকেছি কতবার বংশীর সুরে,
তবু নাহি এল,আজি এসেছ হঠাৎ হৃদয়পুরে।
তবু বেজেছে কর্নে ঝুমুর-ঝুমুর নূপূরের সুর,
আমাতে দেখেছি,যদিও প্রিয়া অজানা বহুদূর
স্বপন ঘরে বারে-বারে আসিত চির স্বপ্ন-সহচরী,
এত রূপ প্রিয়ার,এ রূপের দৃপ্তিতে দ্ধগ্ধে মরি-মরি!
স্বর্গ থেকে এসেছে আজি মম কাব্যের হুর,
শত পুলকিত!প্রিয়সী আজি মোর হৃদয়পুর।
শুন ওরে ভাই!মোর প্রিয়া দেখিতে মন্দ না,
একি অপরূপ রূপের বাহার যেন ঐ চন্দ্রনা।
প্রিয়ার প্রেম পূজারী,করি সতত তার বন্দনা,
এসেছে আজি প্রিয়া,হৃদ মন্দির কিন্তুু অন্ধ না
ওগো প্রিয়সী!হৃদ মন্দির কভু করিও না বন্ধ,
তোমায় দেখি রচি কাব্য,তুমি কবিতার ছন্দ।
হঠাৎ করে স্বর্গ থেকে কাব্যে আসলে নেমে,
বাঁচবে তুমি অনন্তকাল মোর কাব্যে ও প্রেমে।
তোমাতে বিভোর থাকি তাইতো আমি কবি,
আমার এ প্রেমের কাব্য তোমারই প্রতিচ্ছবি।
কেঁটে গেছে সঙ্গিবিহীন একাকীত্বের হাহাকার,
আজি হঠাৎ এসেছে স্বপ্নচারী_____________
অপরিচিতার কাব্য করেছি আবিষ্কার।
এতদিন ছিলে অজানা প্রান্তরে বহু দূরত্ব,
তবু হৃদয় মাঝে ছিনু তোমার প্রতি শত গুরুত্ব।
আজি পুলকের উল্লাসে উদ্ভাসিত মোর প্রাণ,
প্রিয়া এসেছে কেঁটে গেছে সব বাঁধা-ব্যবধান।
মোর মুখে ধ্বনিত প্রেমের লেখা গান,
অপরিচিতার কাব্যে দিয়েছি প্রেমের সম্মান।
আজি এসেছে স্বপন ঘরের মোর স্বপ্নচারী,
অপরিচিতা বধূ সেজে আসিবে মোর বাড়ি।
প্রণয়িণীকে নিয়ে দিব অজানা বহু পথ পাড়ি,
আজি হৃদয়ের সব ভালোবাসা নিবে স্বপ্নচারী।
বহু বছর পর আজি হঠাৎ এলো স্বপ্ন-সহচারী,
মোর হৃদে আজি উল্লাসেরা করছে ছড়া-ছড়ি।
বধূ আজি এসছে,সুখের তরঙ্গে দুলছে হৃদয় তরী,
আজি হঠাৎ এসেছে মোর চির অপরূপা মোর স্বপ্ন-সহচরী।

তারিখঃ২৫-০১-২০২১ ইং
সময়ঃ ১০:২০ pm

                পদ্মা নদীর নন্দিনী
      
বসে আছি তোমার অপেক্ষায় তিন নদীরই মোহনায়,
বধূ সেজে আনব তোমার হাজার রূপের গহনায়।
ললাট মাঝে হয় যেন গো তোমার সনে মম মিলন মেলা,
কাঁটবে জীবন দু'জনেরই সুখের সারা বেলা।
মেঘনা তীরের তনয় আমি তুমি তনয়া পদ্মার ঐ পাড়,
এ কি রূপ তাহার মম আঁখি দেখিতে চাহি বারে-বার।
এ যেন পদ্মা তটিনীর রূপের রূপালী রাণী,
তাহার রূপে টল-মল করে পদ্মা নদীর পানি।
মেঘনা নদীর ছেলে আজি পদ্মা নদীর মাঝি,
যত সুখ যত প্রেম দিলাম প্রণয়িনীকে আজি।
মোর হৃদয় তীরে বেজেছে তোমার চরন ধ্বণি,
তোমায় আমি ভালোবাসি তুমি মম আঁখির মনি।
কতকাল দু'জনাতে হয়েছে চুপি-চুপি কল্পনাতে কানা-কানি,
আমার বুকে কত আশা বক্ষ ভরা ভয় তাইতো হয় নি জানা-জানি।
আমার সব ভালোবাসা আজি দিলাম তোমার চরন তলে,
ওগো প্রিয়া!নাও প্রেম ডুবিও না পদ্মা নদীর জলে।
আমায় তুমি যতন করে রাখো তোমার নয়নের কাজলে,
ছিন্ন করিও না কভু বেঁধে রাখো চিরতরে তোমার আচলে।
তোমার হৃদ দেশে মোরে দিও একটু খানি স্থান,
তবেই যেন বেঁচে যাবে মোর তৃষ্ণার্ত চপল প্রাণ।
শান্ত করো মোরে, হে পরম প্রেম প্রিয়সখী,
মোর সব ব্যাথা মোছে যায় দেখে তোমা আঁখি।
আমায় তুমি জনম-জনম বেঁধে রাখিও তোমার হৃদ পিঞ্জর মাঝে,
যেন সদা শুনিতে পাই তোমার হৃদ স্পন্দন যেন সতত কর্নে বাজে।
আমি তোমায় জনম-জনম ধরে চিনি গো চিনি,
তোমাতে মন বাঁধিয়েছে প্রভু ওগো মোর পদ্মা নদীর নন্দিনী।
তোমার ভালোবাসার ঋন কভু নাহি হবে সুদ থাকিব চির ঋনী,
তোমার দ্বারের আমি প্রেম ভিখারী ওগো পদ্মা নদীর নন্দিনী

তারিখঃ ১৯-১০-২০২১ ইং
সময়ঃ সন্ধ্যা ৭ টায়
কবিতাটি লঞ্চে বসে লিখলাম জীবনের প্রথম যেদিন মেডিকেলে যাচ্ছিলাম সদর ঘাট দিয়ে লঞ্চ দিয়ে, ৫ ঘন্টা লঞ্চ পাড়ি দিলো ৪ টি নদীর  বুড়িগঙ্গা,ধলেশ্বরী,মেঘনা ও পদ্মা

               বসন্তের বৃষ্টি
  
শুষ্কতার জরাজীর্ণে তৃষ্ণার্ত পিপাসু বৃক্ষরাজি,
অন্তরীক্ষ কাঁদিয়া ভবে ফেলিবে অম্বু আজি।
মৃত্তিকা শুষে নিবে,বৃক্ষরা গোসল করিবে,
সবুজেরা জেগে উঠিবে,গগন আজ হাসিবে।
এই বসন্তে আজি বসন্তদূত ছুটে আসিবে,
বৃক্ষের নব পু্ষ্প-মুকুলদের গান শুনাবে।
আজি এসেছে বহু প্রতীক্ষিত ফাগুনের বৃষ্টি,
নব সাজে সজ্জিত ধরা,কি হে অপরূপ সৃষ্টি!
গাছে-গাছে শত বাহারের ফুলে-ফলে পরিপূর্ণ,
এত দিবস আসেনি বৃষ্টি ছিনু বৃক্ষরা জরাজীর্ণ
আজি হঠাৎ এসেছে দূরন্ত থেকে চপল বৃষ্টি,
বৃক্ষরাজি ফুলে-ফলে সেজেছে তৃপ্ত এ দৃষ্টি।
আপন মনে চপল বেগে ছুটেছে ধূলো-বালি,
আজি ঘুমাবে,বৃষ্টি হয়ে নেমেছে যে মেঘপালি।
সকল ঋতুর রাজা বাসান্তীর যে কত শতগুন?
বৃষ্টি এসে ফাগুনকে করেছে সবুজের আগুন।
হঠাৎ যেমনি ছুটে এসেছে ফাগুনের এই বৃষ্টি,
প্রিয়াও হঠাৎ এলো হৃদয়পুরে হলো প্রেম সৃষ্টি
হৃদয়ে বয়ছে যে নব যৌবনের প্রেমের হাওয়া,
প্রিয়াকে দূর গগনের বৃষ্টি মতো হলো পাওয়া।
সকাল-সাঁঝে প্রণয়ণিকে ললাটে পড়ায় টিপ,
মোর হৃদ মন্দিরে সে জ্বেলেছে প্রেমের প্রদ্বীপ
বৃষ্টির মতো আজি এসেছে হঠাৎ মোর প্রিয়া,
মোর যৌবন প্রেম তৃষ্ণা পিপাসু দিছে মিটিয়া।
মোর হৃদ কুঞ্জে সকাল-সন্ধ্যা ফুটে প্রেম ফুল,
আজ এসেছে প্রিয়া ছিনু কতকাল শত ব্যকুল
হঠাৎ করে যেমনি আজি এলো ফাগুনের বৃষ্টি,
প্রিয়াও দূর প্রান্তর থেকে এলো,হলো প্রেম সৃষ্টি
বৃষ্টি এসে প্রকৃতিকে নব সাজে করেছে সৃষ্টি,
মোর প্রিয়া অপরূপা,তাকিয়ে রয় মোর দৃষ্টি।

তারিখঃ ০৭-০৩-২০২১ ইং
সময়ঃ রাত ২ টায়


                   ১৪০০ সাল
       
পুষ্পিতার সনে ছিনু প্রেম আজি হতে শতবর্ষ আগে,
ভালো বাসিয়াছি গোপনে-আড়ালে শত অনুরাগে।
কিশোর কবি ব্যকুল ছিনু আজি হতে শতবর্ষ আগে,
তৃষ্ণাতুর হৃদয় চলে যেত নিকেতনের আম্র বাগে।
আজি হতে শতবর্ষ আগে,নিকেতনের আম্র বাগে,
কবি রাণীকে দেখব বলে,ভালোবাসিয়াছি অনুরাগে।
অপরূপ রূপবর্তী যেন সে স্বর্গের দিব্যাঙ্গনার রাণী,
কাছে থেকেও দু'জনার ভাবার্থ হয় নি জানা-জানি।
সেই মায়াবী দৃষ্টি,হাস্যজ্জ্বল,রক্তিম ওষ্ঠ,এলো চুল,
তার রূপের কায়ার হাওয়ায় ঝড়িত বৃক্ষরাজির ফুল।
তাকে দেখে শ্রাবণের মেঘবালিকা ঝড়িত হয়ে বৃষ্টি,
আমি কবি দেখে তার সনে করেছি পূত প্রেম সৃষ্টি।
কৈশোরের সমাপনে যৌবনের সূচনে প্রেম তার সনে,
হৃদয়ের বাঁধন দুটি মনে ,মিলন মেলায় আম্র বনে।
প্রেম সত্য,প্রেম পাত্র সত্য নহে তবু অমর হব ভবে,
রচিয়েছি পূত প্রেমের অমর কাব্য ভবে বেঁচে রবে।
প্রেমিকা এক,প্রেমিক বহু!তারে ভালোবাসে বহুজন,
যত-সব প্রেমিক ঝুট!একজনে যে দিয়েছে বিসর্জন।
এ নন্দিনীর রূপের আভায় শুধু ভাবায় রূপের রাণী,
দেখে যে জন পথে-ঘাটে তারে নিয়ে করে টানা-টানি।
ওগো রাণী!নীরব-নীভৃতে আড়ালে যে জানা-জানি,
ভালোতোমা বাসিয়াছি কভু হলো না যে কানা-কানি।
জানতে গিয়ে নাহি জানা আমার বুকে করে ভয়,
ওগো রাণী!তাইতো তোমার সনে হয় নি মম পরিচয়।
আমার বুকে কত আশা?মোর প্রতি প্রেম তো নয়,
গোপনের একলা ভালোবাসিয়াছি তাইতো পরাজয়।
মনে কি পড়ে হৃদ গহীনে হৃদয়ভরে সেইসব স্মৃতি?
সূচনালগ্নে টানিলে ইতি,হলো না যে মম প্রেম-প্রীতি
ওগো অভিমানী প্রিয়া!নাই বা দিলে মোরে তোমা মন,
তবে সবার চেয়ে বেশি ভালোবাসিয়াছি সারাক্ষন।
যে পূত প্রেম ভেঙ্গে চূড়ে অভিমানে গেলে বহু দূরে,
ভাবিও তুমি আসাদ সারা জনম রেখেছে হৃদয় জুড়ে।
প্রেমের প্রিয়া এক,তবে তারে খুজেছে বহু জনে,
পূত প্রকৃত প্রেম ছিনু পুষ্পিতার সনে মম আম্র বনে।
আমি সত্য,সত্য প্রেম,হৃদ গগনে উড়ে হয়ে মেঘ,
প্রেম সত্য,মিথ্যে যতসব আবেগী তনয়দের আবেগ।
পাই নি বলে বাসলাম ভালো জীবনভর পাগল বেশে,
পূত প্রেমের মূল্য তবে নাহি দিলে মোরে অবশেষে।
যে জন বেশি ভালো বাসিয়াছে তবে নাহি পেল মন,
দিলে নহে মূল্য তারে যে দিয়াছে যতসব বিসর্জন।
ওগো রাণী!রচিয়েছি তোমার জন্য অমর কাব্যখানি,
যেন তোমার রূপের কথা বিশ্বে হয় সদা জানা-জানি।
শুন ওরে ভাই,প্রেম ছিল আজি হতে শতবর্ষ আগে
পুষ্পিতাকে শুধু ভালোবাসিয়াছি শত অনুরাগে।
নাহি তারে পেলুম জীবনাতে,নাহি হলো চির বণিতা,
তবে কবিভক্ত পড়িও কাব্য তবেই ধন্য মম কবিতা।
শুন ওরে !দেখিতে মন্দ নহে কিন্তুু কাব্যের পুষ্পিতা,
১৪০০ সালে দেখেছে তারে ঐ গগনের চন্দ্র-সবিতা।
আজি হতে শতবর্ষ আগে ১৪০০ সালে ছিলুম ভবে,
১৫০০ সালে থাকিব না বাঁচে যেন মোর কাব্য তবে।

তারিখঃ ১২-০৩-২০২০ ইং
সময়ঃ রাত ৩:৩০ মিনিটে স্নিগ্ধ জ্যোস্নার রজনীতে ছাঁদে বসে।

এখন বাংলা ১৪২৭ সন কিন্তুু  ১০০ বছর পর ১৫০০ সনে হয়ত পৃথিবীতে থাকব না তবে বেঁচে রবে আমার কবিতা ইনশাআল্লাহ ওয়েবসাইটে,চ্যানেলে,পেইজে!!
আর সেই শতবর্ষ পরের পৃথিবীর মানুষগুলোকে লক্ষ করেই লিখা।

                  অপরাধ
   
ক্ষমা কর হে মম চির প্রিয়সী জাগিয়াছিনু মনে যে স্বাদ,
ভ্রান্তির ছলনায় গোপনে তোমায়
ভালোবেসেছি করেছি যে অপরাধ।
অবুজ হৃদে তবে কেনো জেগেছিল
এই তৃষ্ণা কাতর পূত প্রেমের স্বাদ,
মোর সব ভুল ক্ষমা করো আজি
তবে থাক প্রিয় তুমি সতত আহ্লাদ।
ভুল করে হৃদ কুঞ্জে ফুটিয়াছি যে
নব প্রেম পুষ্পের পবিত্র ফুল,
তুমি আসিলে না ভ্রমর হয়ে নাঁচিলে না
পূসূনে বসে,আজি অবুজ পরাণ ব্যকুল।
দখিন বাতায়নে ভেসে এলে না এ প্রান্তে,
কোন অভিমানে গেলে মন চাহি জানতে?
কোথায় হারালে তমিম্রা যামিনীর ঝড়ে?
ভুলিতে নাহি পারি ওগো তোমায় মনে পড়ে।
আমি মেঘনা পাড়ের ছেলে তুমি যমুনার জলে,
কাঁদিয়ে হারিয়ে গেলে কোন ভ্রান্তির ছলে?
কোথায় আছো ওগো প্রিয়া
কোন গগনে মেলিলে ডানা?
কাঁদিয়ে গেলে হারিয়ে আজও অপরিচিতার পরিচয় হলো না জানা।
যারে ভালোবাসি তারে
ভালোবাসে বহু জন,
অবুজ পরাণ কাঁদে তার জন্য
মোরে নাহি তাহার প্রয়োজন।
গোপনে বহু দূর থেকে ভালো
বাসিয়াছি কভু যায় নি হৃদয় প্রান্তে,
তবে বিরহের যত ব্যাথা,যত দুখের
মেঘমালা দিয়েছো মোর সীমান্তে।
ওরে ছন্নছাড়া অবুজ মন তবে
কেনো জেগেছিল ভালোবাসিবার স্বাদ?
ওগো তুমি ক্ষমা কর মোর যত ভ্রান্তি,
ক্ষমা করো মোর ভালোবাসিবার অপরাধ।

তারিখঃ ১৬-১০-২০২১ ইং
সময়ঃ সকাল ১১ টায়

                 আমি তোমার কবি  
   
মোর কায়ার নাহি ছায়া বিদীর্ণ দর্পণে দেখি দ্ধগ্ধ স্মৃতির ছবি,
ওগো মায়া!কোথায় হারালে?লিখি কাব্য-কবিতা আমি তোমার কবি।
অপরিচিতার পরিচয় জানতে গিয়ে আজি জেনেছি সে যে অ-নামিকা,
হেঁটেছি বহু প্রান্তর খুজেছি মরিচিকা,
আজি বুজেছি সে যে স্বার্থপর উড়ন্ত মেঘবালিকা।
স্বপ্ন দেখিয়ে এলে না আর তুমি এই প্রান্তরে,
খুজে ছিনু প্রতি গ্রহে এসো নি তবু মম অন্তরে।
এ যে স্বর্গের দিব্যাঙ্গনা সৌন্দর্যের রূপমুগ্ধ রাণী,
যেদিন দেখিছি প্রিয়ার ঐ হাসি ঐ চন্দ্রমাখা মুখখানি।
প্রতি গ্রহ-নক্ষত্র তারে নিয়ে করে টানা-টানি,
আমি কবি করি কলম বিগ্রহ লিখি প্রিয়ার কাব্যখানি।
তবু নাহি পেলুম পুষ্পিতার মনে একটু খানি ঠাঁই,
কত পূত প্রেম পূজা করি যদি প্রিয়া দেখিত হৃদ মন্দিরে গিয়ে ওরে ভাই?
পাইনি বলে আজও তারে পাগল বেশে বেসেছি যে খুব বেশি ভালো,
তবু তার বন্দনা করি মোর হৃদ মন্দিরে তারে ভেবে নিশি-দিন জ্বালি প্রেমের আলো।
ওরে ভাই!চন্দ্রনা কিন্তুু কোনো কালেও অন্ধ না,
মোর কাব্যের রাণী কিন্তুু দেখিতে মন্দ না।
পাগল প্রেমিক কবি করি সতত তাহার বন্দনা,
শুনো ওগো!কোনো কালেও তোমা জন্য মোর দ্বার বন্ধ না। ওগো,এভাবে আর তুমি থাকিও না অজানা আড়ালে,
বলো তুমি প্রিয়া তবে বাঁচি কেমনে সঙ্গীবিহীন তোমাকে হারালে?
আজি একাকীত্ব সঙ্গিবিহীন নাহি মোর কায়ার ছায়া
বির্দীর্ণ দর্পণে দেখি স্মৃতির ছবি,
ওগো প্রিয়া!অদ্যাপি লিখে যায় অসমাপ্ত
প্রেমের কাব্য আমি তোমার কবি।

তারিখঃ ২৮-১১-২০২০ ইং
সময়ঃ রাত ৭:৩০ মিনিট

         অসমাপ্ত প্রেমের কাব্য
    
ওগো অপরিচিতা!পড়ন্ত বেলায় বিষন্ন মনে
বসিয়া থাকো এলো অলক ফেলিয়া,
জানি,হৃদয় ভরে স্মরন কর স্মৃতি-বিস্মৃতি
মোর অসমাপ্ত প্রেমের কাব্য মেলিয়া।
হয়ত খুব বেশি ব্যাথাকাতর,
স্মৃতি দোল দিয়ে যায় মনে,
ভাবো কিশোরকালে কিশোর কবির সনে,
হাসি-হর্ষ-উল্লাস করিয়াছি আম্র গহনে।
ওগো প্রণয়িনী,কাছে থেকেও তুমি অপরিচিতা,
বুজিনি কভু তুমি যে ছলনাময়ী পুষ্পিতা।
ভাবিয়াছিনু তোমাতে হবে মোর চির লীলা,
আজি মোরে কর কত ঘৃণা,কত অবহেলা?
বুজিনি তুমি যে নাট্যময়ী-ছলনাময়ী মেঘবালিকা,
বৃষ্টি হয়ে আসো নি জীবনাতে ওগো অ-নামিকা।
দু'চোখ মোর ভ্রান্তি হেঁটেছি তোমার হৃদয়
মরুভূমিতে দেখে মরিচিকা,
বৃষ্টি হয়ে আসো নি মোর তৃষাতুর জীবনাতে
ওগো অপরিচিতা,ওগো দূরের মেঘবালিকা।
বলো তুমি,যে নদীর ঢেউ চলে যায় তীরে,
সেই ঢেউ কভু কি আর আসে নদীতে ফিরে?
রজনীতে দূর্বাঘাসে বসে স্বার্থপর শিশির বিন্দু,
রবির ডাকে চলে যায় তুমিও এমন ওগো বন্ধু।
ব্যাথা দিয়ে ভাঙ্গিলে হৃদ দর্পণ জোড়া লাগিবে কি কভু? যেতে চাও তো চলে যাও,নাহি বাধাঁ দিব তবু।
অতিথি বিহঙ্গ কি কভু আর ফিরে আসে নীড়ে?
জানি গো প্রিয়া,তুমিও আসিবে না আর মোর জীবন নদীর তীরে।
পড়ন্ত বেলায় বিষন্নতায় মোর কাব্য মেলে
নীড়ালা-নিভৃতে একাকীত্বে পুকুর পাড়ে,
আর সারা বেলা তুমি ভাবো
কভু কি আর ফিরে যাওয়া হবে আসাদের হৃদয় নীড়ে? আমি কি ভ্রান্তি ছলনা নাট্য করিলাম হায়,
আজি কবিকে পেয়েও বারে-বার যে হারায়।
অশ্রুসিক্ত বেদনাকাতর পড়ছি
যে কবির লেখা মোর প্রতি অসমাপ্ত প্রেম কাব্য-কবিতা, ভ্রান্তির ছলে মোর লাগি হতে পারিলাম না পবিত্র মনের কবির চির বণিতা।
ওগো অবুজ বালিকা,কেঁদো না গো তুমি পুষ্পিতা,
যতদিন বাঁচি ভবে লিখে যাবো
তোমার প্রতি মোর অসমাপ্ত প্রেমের কাব্য-কবিতা।

তারিখঃ০৯-১১-২০২০ ইং
সময়ঃ রাত ১১ টায়

                প্রিয়ার চরনতলে   
 
চেয়েছিনু থাকিতে তোমা আঁখির পরশ কাজলে,
রাখ নি তাতে পোড়ালে মোরে অগ্নি-গিরির অনলে। তোমার লাগি খোলেছিনু মোর পবিত্র হৃদয় দ্বার,
আসনি হৃদ মন্দিরে করনি পূজা ছিনু অপেক্ষায় বারে-বার। নব যৌবনে যবে প্রেম বতায়ন এসেছিল মনে,
রূপমুগ্ধ রূপসী পুষ্পিতাকে দেখেছিনু আম্র গহনে।
চঞ্চল আবেগী মন যেত বার-বার কুঞ্জ বনে, হাসি-হর্ষ-উল্লাস সতত হতো পুষ্পিতার সনে।
হঠাৎ তাহার ছলনাময়ে ব্যাথা পেলুম হায়, তা
রে আর নাহি দেখি মম কায়ার ছায়ায়।
ওগো অবুজ উড়ন্ত বেখেয়ালী মেঘবালিকা,
বৃষ্টির ভাব দেখিয়ে দূরে চলে যাও ওগো সুদূরিকা।
তবে কেনো তুমি এসেছিলে মোর এই প্রান্তরে?
আশা দেখিয়ে তবে কেনো তুমি জড়ালে অন্তরে?
যে অসমাপ্ত অপ্রাপ্তি প্রেম দিয়ে গেলে মোর মাঝে,
ভুলিতে নাহি পারি তারে,আজও নূপুর ধ্বনি কর্নে বাজে। ত্বরায় ছুটে যায় এই তো বুজি কাননে এসেছে প্রিয়ে,
শূন্য গহন নাহি প্রিয়া,শুধু পড়ে আছে স্মৃতি দেখি গিয়ে। ভবে যে জন করিয়াছে পূত প্রেম পাই নি প্রিয়াকে কভু হায়, ইহাই প্রেম ইহাই সফল যে প্রেম অন্তরে দুঃখ বাড়ায়।
আসে নি প্রিয়া আর কভু এই প্রেম কাননের ছায়তলে, রাখেনি মোরে আদর করে তাহার চোখের কাজলে। তোমায় ভেবে একলা ঘরে কাঁদি নিশি-দিন চোখের পাতা ভিজে,
আমি তোমায় কতটুকু ভালোবাসি জানে না কেহ জানি শুধু নিজে।
বহু বছর গত হলো এলো না যে প্রিয়া গেল যে চলে এত ঘৃণা এত অবহেলা তবু স্থান নাহি দিল প্রিয়ার চরনতলে।

তারিখঃ ২৪-১১-২০২০ ইং
সময়ঃ সকাল ১০:৪০ মিনিট

       করুনাময়ের করোনার বিশ্ব
     
শুরু করি লয়ে নাম প্রভুর যার হাতে এ বিশ্ব,
আরশে বসিয়া চালায় বসুমতী দেখছেন এ দৃশ্য।
রোগ-ব্যাধি,পঙ্গপাল,প্লাবনে করি তাদের ক্লিষ্ট,
বসুন্ধরা করেছে সৃষ্টি সকল ক্ষমতার তিনি শ্রেষ্ঠ।
তার প্রতি নম্র-নতি স্বীকার নাহি করে যে জন,
বিনয়ে ফিরে আসে যেন দেখে মহামারির নিদর্শন।
করুনাময়ের বিশ্বে আজি করোনার মৃত্যুর খেলা,
যদি বহু প্রভু রয় বন্ধ হয় না কেন করোনার লীলা?
যে বস্তু নাহি নয়নে দেখে,বিশ্ববাসীর এত ভয়!
সে বস্তুর এত ক্ষমতা হয় বিশ্ববাসীর চির লয়!
পাপপূর্ণ বসুন্ধরা আজি করোনারা করেছে জয়,
করুনাময় যদি করে করুনা করোনাদের পরাজয়।
প্রভু হে!তোমা চরনতলে নতশির পাপিষ্ঠ বিশ্ববাসী,
ক্ষমা কর হে! আমরা তোমার পাপিষ্ঠ দাস-দাসী।
যদি নাহি করুনা কর এই করোনার মৃত্যুপুরী থেকে,
তবে বিশ্ববাসী অসহায়-নিঃস্ব মরে ধোকে-ধোকে।
বিপদে পড়ে স্মরণ করি  আল্লাহ ছাড়া কেহ নাই,
পাপপূর্ণ বিশ্বে করোনার শাস্তি পবিত্র হও ওরে ভাই।
করুনাময়ের বিশ্বে আজি করোনাদের মৃত্যু রাজত্ব,
স্মরণ করি প্রভু!তুমি এক ও অদ্বিতীয় চির সত্য।

তারিখঃ২৪-০৩-২০২০ ইং
সময়ঃ বিকেল ৪ টায়
উৎসর্গঃ করোনা ভাইরাসে আক্রান্ত হয়ে মৃত্যুবরনকারী বিশ্বের সকলকে

            জীবন পথের যৌবন মোড়ে
        
জীবন পথে চলতে গিয়ে হঠাৎ জীবনের যৌবন মোড়ে,
জীবন মরুভূমি,ক্লান্ত,আশাহত,দ্ধগ্ধ অগ্নি গিড়িতে পুড়ে।
আমাতে দেখিলুম জীবন পথের নব যৌবন মোড়ে,
দুঃখ-কষ্ট-যাতনা হামেশা আঘাত হানে হৃদয় জুড়ে।
তৃষ্ণার্ত হৃদয়,স্বপ্নতুর আঁখিতে,লুটিয়াছি ললাট চরনতলে,
দাও হে সে শক্তি ওগো মহাজ্ঞানী,ডুবেছি সদা নয়নজলে।
অসময়ে আসিয়াছে মম হৃদয় অন্তরীক্ষে তমিস্রা মেঘপালি,
ভয়-ভীতি,আর্তনাদ আমাতে,সখাতে হাস্যজ্বল দিচ্ছে তালি।
স্বপ্ন দেখি মেঘরাশিরা সুখের বৃষ্টি হয়ে ঝড়িবে জীবন ভূমে,
চলে যাবে ঐদিন বক্ষে আজি রয়ে গেল যত যাতনা জমে।
শ্রবন নাহি করিল কেহ চিৎকার,গুরুজন সদা করে ধিক্কার।
বারে-বারে পরাজিত স্বপ্ন দেখি নবীন রূপে করিব আবিষ্কার।
বারে-বারে ডুবিয়াছি তবু ছাড়ি নি মম জীবন তরীর হাল,
থেমে যাবে আজি অসময়ে জীবন নীলাম্বরের এই উত্তাল।
মরিয়া আবার বাঁচিয়া একাই প্রবাহিণী দিতে হবে পাড়,
করিস নে রে ভয় কেঁটে যাবে জীবন যৌবনের এই আধার।
আজি যে কার্য করিতে গিয়া সূচনা নাহি তবে যত ভয়-ভীতি,
প্রভু একদিন করিবে দান আমাতে লভিব দেহত্ব জ্ঞান খ্যাতি।
যতনা ভয় কতনা আশা,মানবতা সেবায় ভরপুর মম দু'দৃষ্টি,
জ্ঞানের পূর্ণতায় ভিখ দাও ওগো মহাজ্ঞানী,ওগো দয়া-সৃষ্টি।
দিও যত মহা শক্তি,দিও জ্ঞানের শারীরতত্ব এ যৌবন বেলায়,
বিদ্যার এ অধ্যায়ে দিও দম নাহি যেন কাঁটে কভু অবেলায়।
জীবন তীর হতে তটিনীতে আশা নিয়ে ভাসিয়াছি মম তরী,
দেহত্বের জ্ঞানে কর ভরপুর ওগো আলিম,আমি ভিখারী।
তোমা দ্বারে দূর্বল ফুকারী ভিখ চাহি জ্ঞানে কর মোরে তৃপ্তি,
সদা মোর অলক তোমা চরনে ঠেকায় এ স্বপ্ন যেন হয় প্রাপ্তি।
চার যুগ গত হল জননী জ্বলছে উনুনে আমি অভাগা হায়,
দুই যুগ দূদুল্যমান জীবনাতে নাহি সাফল্য যৌবন বেলায়।
আরব মরুর ক্লান্তহীন বৃদ্ধ পিতার শক্ত হস্তদ্বয় মরি লাজে,
মম সাফল্যের স্বপ্নরা আসে নি হায় ব্যস্ত কর্মে পিতা আজে।
জীবন যৌবন রণের একা যোদ্ধা আজি আমি যৌবন মোড়ে,
আশাহত,ক্লান্ত,ভীতু  এ বাস্তবতায় সদা দুঃখ-কষ্ট হৃদয়পুরে।
আজি নাহি শঙ্কা,নাহি আহাজারি,জীবনটাতে নাহি আর ভয়,
মোর নাহি তুল্য আমি স্রষ্টার মহা মূল্য সৃষ্টি চির অপরাজয়।
জীবন পথের এ মধ্য যৌবন মোড়ে দিতে হবে বহু পথ পাড়ি,
যদি কভু ভয়-ভীতি,শঙ্কা আসে দিব তারে বারে বারে তাড়ি।
মাগো,দেহত্বের খ্যাতিতে তোমা তনয় একদিন ফিরবে বাড়ি
জীবন নদীতে আছি ঠিকই একদিন ফিরবে তীরে মম তরী।
আজি দূর হোক দূর হোক মোর বক্ষের  শঙ্কা-ভীতি,এই মহা ভয়,
দাও দেহত্বের জ্ঞান শক্তি ওগো আলিম,ওগো চির দয়াময়।
আমি আজি লড়ছি দিবা-রাত্রি জীবন পথের  যৌবন মোড়ে,
ওগো প্রভু,দেহত্বের প্রদ্বীপ প্রজ্বলিত করো মোর হৃদয়পুরে।

তারিখঃ ২৮-০৫-২০২২ ইং সন্ধ্যা ৭ টায়
উৎসর্গঃ প্রাণের প্রিয় মা ও বাবকে
মেডিকেলে ভর্তি হবার পর mbbs 1st year এ মারাত্মক ডিপ্রেশনে ছিলাম বহু মাস!জীবন থেকে তখন কবিতাটিতে দুঃখ-কষ্ট তুলে ধরেছি।

      চির বিজয়িনী

জীবন পথে চলতে গিয়ে.........
হঠাৎ ব্যার্থতায় তুমি যাবে থেমে,
ওগো বিজয়িনী!তবু তুমি অশ্রু জড়িও না,
দেখিবে আসমান ছেঁদিয়া ঐশ্বরিক শক্তি
আসিবে তোমাতে ত্বরায় নেমে।
ব্যার্থতা তোমায় বলে দিয়ে যায়
আগামীর সাফল্যের জয়গান,
এই ব্যার্থতা তোমার সাফল্যের
পথের পাথেয় কর তাকে সম্মান।
এ পথ বড়ই দূর্গম,এপথে একলা চলিতে হয়, চলিতে-চলিতে ক্লান্ত হবে,
মনে আসিবে কত না অজানা ভয়?
ব্যার্থতার ঘ্লাণিতে তোমার মনের যেন না হয় কভু লয়, বল,আবারও লড়ে যাবো, জিতে যাবো,হয়ে যাবো চির জয়।
এ পথে চলিতে গিয়ে-------
ওরা তোমাকে বারে-বারে দিবে ধিক্কার,
সেদিন দেখিবে তুমি,তোমার সাফল্য
দেখে ওরাই তোমাকে জানাবে নমস্কার।
ওগো,জীবন পথের পথিক!
করিও না আর ব্যার্থতার হাহাকার,
আজি সময় এসেছে সফল হয়ে
নিজেকে করো আবার আবিষ্কার।
জীবন তরীতে ওঠো,
আজি তীর হতে তটিনীতে ভাসাও জীবন তরী,
ওগো জীবন তরীর মাঝি!
সাত-সমুদ্র পেড়িয়ে সাফল্য এনে বল আজও আমি পাড়ি। নদীতে আসুক ঝড়-ঘূর্ণি-সাইক্লোন-স্রোত
তবু ছাড়িও না কভু তুমি হাল,
আসিয়াছে অসময়ের কান্না
তবে শান্ত হবে একদিন
নিশ্চয় এই উত্তাল।
ওগো বিজয়িনী!তুমি কভু পরাজয় নাহি ছিলে,
তুমি অনিবার্ণ,তুমি বিজয়ী রাণী,
তোমার হস্তে উড়িবে বিজয় নিশান,কন্ঠে ধ্বনিত হবে জয়োধ্বনি,তুমি চির বিজয়িনী।
আমি তোমায় জনম-জনম চিনি গো চিনি।
তুমি চির বিজয়িনী,সবে ছিলে জয়ী, ওগো মহা-বিজয়িনী!তোমার দ্বারে আসিবে মহা-বিজয়,শুনো ওগো মোর মায়া-মমতাময়ী

তারিখঃ ১০-০৫-২০২১ ইং ২৭ রমজান,ইফতারের পূর্বে সময়ঃ ৬:১০ মিনিট

       যেদিন বিজয়ী ছিলে
 
যেদিন তুমি বিজয়ী ছিলে আপন ছিল সবে,
আজকে তুমি পরাজিত নাহি মূল্য তোমা ভবে
ওরা নাহি দেখে পরাজিত,
শুনিতে চাহি সাফল্যের গল্প,
ভবে যে জন সফল হয়েছিনু
তবে ছিনু ব্যার্থতা না হয় অল্প।
তবে কেহ দেখিতে চাহিবে নহে
তোমার নীরবধী আড়ালের কান্না,
ওরা দেখেও কভু দেখিবে না
তোমার দ্বগ্ধ হৃদয়ের ব্যাথার বন্যা।
ওগো সুদূরিকা দূরের বন্ধু!দেখিবে
তোমাতে ঝড়ছে ঐদিন সুখের ঝর্ণা,
তবে আজি কেনো তুমি বারে-বারে
ভুলিয়া যাও ছিলে যে বিজয়িনী কন্যা?
যিনি স্রষ্টা তোমাতে লুকায়িত তিনি,
স্রষ্টাই তোমার চির বিজয়দানকারী,
ওগো বিজয়িরাণী!আজি মুছে ফেল
নেত্রজল দূর হোক ব্যার্থতার আহাজারী।
ত্বরায় কেঁটে যাবে তোমার এই তমিস্রা
একাকীত্বের কান্নার যত রাত্রি,
অভিরাম চলিতে থাকো, তুমি যে
মহা বিজয় পথের সেই যাত্রী।
জানি,ব্যার্থতায় তুমি স্তব্ধ,বারে-বারে
কাঁদে তোমার এই অবুজ প্রাণ,
ওগো বিজয়ী রাণী!তুমি দেখিবে ত্বরায়
ধ্বনিত হবে তোমা মুখে বিজয়ের গান।
বারে-বারে তুমি বিজয়িনী ছিলে,আজি
ব্যার্থতা না হয় এলো তোমার পানে,
বল,ব্যার্থতা আমি চিনি না তোমায়!তবে
বিজয় আসিবে মোর পরিশ্রমের টানে।
যেদিন বিজয়ী ছিলে সেদিন আপন ছিল সবে,
আজকে তুমি পরাজিত দূরে কেন সবাই তবে?
আজি তুমি ক্ষণিকের পরাজিত তাইতো
প্রতি ক্ষণে-ক্ষণে ভিজো নয়ন লোনার জলে,
তবে কেহ নাহি দেখে তোমা অশ্রুজল
ভাবিও তুমি,নিশ্চয় একদিন বিজয়ী ছিলে।
আজি মোর রক্ত দিয়ে লিখে দিলাম
তোমার আগামীর চির মহা বিজয়ের কথা,
ওগো বিজয়িনী!তবে আজি তুমি হৃদয়
থেকে মুছে ফেল সব দুঃখ-বিরহ-ব্যাথা।

তারিখ ১১-০৫-২০২১ ইং
২৮ রমজান,সন্ধ্যা ৭:৩০

       জীবন যুদ্ধে অপরাজেয়
      
জীবন পথে চলতে গিয়ে হঠাৎ দেখবে তুমি,
জীবন পথের পাথেয় শূণ্য জীবন মরুভূমি।
চলতে হবে,যেতে হবে,দিতে হবে জীবন সিন্ধু পাড়ি,
স্তব্ধতার নীরবতা,বৃষন্নতা,একাকীত্বের আহাজারি।
মন্দ বেলায় বন্ধ ঘরে কাঁদবে তুমি একলা বসে,
সখা-সুখী থাকবে না গো যাবে তারা সদা হেসে।
বুজবে না গো বুকের ব্যথা,শুনবে না যে কেহ কথা,
সুসময়ে পাবে দুঃসময়ে যাবে জীবন যুদ্ধে যে বৃথা।
আসবে নাহি পাশে কভু,দিবে তারা দুঃখের মালা,
দেখবে সেদিন বুজবে তুমি,সঙ্গীবিহীন অঙ্গজ্বালা।
বন্ধু!অসময়ে দেখবে তুমি ক'জনই বা পাশে রয়?
দেখবে তুমি আসবে ছুটে হবে যবে তোমার জয়।
তমিম্রা রাত্রি কেঁটে যাবে থাকবে না আঁধার-কালো,
দেখবে তুমি সূর্যের হাসি,দেখবে তাতে আলো।
হৃদ অন্তরীক্ষে আজি উড়ছে কালো মেঘের ভেলা,
সুখের বৃষ্টি হয়ে ঝড়বে,ঐদিন চলে যাবে অবেলা।
তুমি স্রষ্টার শ্রেষ্ঠ সৃষ্টি তুমি অপরাজেয় মহা মূল্য,
অক্লান্ত পরিশ্রমী!আসমান ছেদিয়া আসে সাফল্য।
তুমি নিশি-দিন জেগে থাকা পাখি,নাহি তোমা তুল্য,
মম রক্ত দিয়ে লিখে দিলাম তোমার চির সাফল্য।
আজি জীবন মাঝে শূণ্যতায় ভরপুর পর সবে,
সাফল্যের পূণ্যতা হবে একদিন,সেদিন আসবে যবে।
তুমি হয়ত কতর কন্ঠে বল আসবে সেদিন কবে?
প্রভু কি কভু বহুদিন কাউকে রেখেছে কষ্টে ভবে?
নিন্দুক কাঁদা ছোড়ে ঘৃনার বাঁধা দিবে!
ওহে!জীবন সমরের অক্লান্ত সেনা,
তুমি সাফল্য ছিনিয়ে ওদের চক্ষে দাও
বলো বক্ষে হিম্মত অপরাজেয়কে চির চেনা।
ব্যর্থ হয়েও জীবন সমরে কভু নাহি করি ভয়,
বল,লড়ে যায় একলা জীবন যুদ্ধে চির অপরাজয়।

তারিখ ২৮-০৬-২০২০ ইং
সময়ঃ সকাল ৯ টায়

                      সাফল্য

ব্যর্থতার ঘ্লানি মোরে যবে আকড়ে ধরে,
জীবন যুদ্ধের রণে সাফল্য খুঁজি বারে-বারে।
ভুল-ভ্রান্তি খুঁজে খুব রেগে উঠি আবার জেগে,
নীরবে সয়ে যায় চলি নদীর স্রোতের বেগে।
জানি,ব্যর্থতা মম চির সখা,জেগে ওঠার সাথী,
তোমার দ্বারে ব্যর্থতা এলে দিওনা গো লাথি।
নমঃ নমঃ তবুও নমঃ ব্যর্থতার যে কত মূল্য?
ব্যর্থতা মোরে বারে-বারে দিয়ে যায় মহা সাফল্য।
ব্যর্থতা মোরে বলে দিয়ে যায় পর যে জন,
অসময়ে আজি সে পর ভাবিতাম যে আপন।
মোর ক্রোধ বেড়ে যায় ব্যর্থতা আসে যবে,
এই রাগে যত না পারার জয় করি সবে।
শুন ওরে ভাই!ব্যর্থতা এলে দিও না তাড়ি,
এই ব্যর্থতার ফলেই দিবে মহা সমুদ্র পাড়ি।
বসুন্ধরার যত সফলজন ব্যর্থতা করেছে লভি
এসো ব্যর্থতাকে নিয়ে মোরা জয় করি সবি।
আজি এসো সফলতা খুঁজি পিপীলিকাতে,
এসো খুজি মেঘের আড়ালে সূর্যের কাছে।
এসো খুঁজি সফলতাকে নদীর স্রোতে,
এসো সফলতাকে জয়ী করি সময় দিয়ে।
এসো এসো সফলতাকে খুজি ভুলের মধ্যে,
সফলতাকে খুজে পাব তীব্র রাগের মাঝে।
এসো অপমান-রাগকে খুজি নিন্দুকের কাছে,
এসো সফলতাকে জয় করি দারিদ্রতার মাঝে।
সফলতাকে খুজে পাবে একাকীত্বের কাছে।
বন্ধু্,তুমি সফলতাকে পাবে নিয়মাবলীতে।
তুমি তোমার সাফল্যকে খুজে পাবে ব্যর্থতাতে,
সফলতাকে তুমি খুজে পাবে রাত জাগাতে।
তুমি সফলতাকে খুজে পাবে তোমার অভিরাম দমে,
তুমি একদিন সফলতা পাবে কঠোর পরিশ্রমে।
তুমি সফলতাকে খুজে পাবে তোমার এই গায়ে,
একদিন সফাল্য পাবে বার-বার ব্যর্থ হয়ে।

তারিখঃ ০৩-০৮-২০২০ ইং
সময়ঃ বিকেল ৪ টা ৩০ মিনিট

            জীবনের চির সাফল্য

জীবন পথে চলতে গিয়ে.........
সফলতায় যদি আসে কভু ঝড়,
তবু যেও না তুমি কভু থেমে
একদিন আসিবে মহা সফল্য হবে অমর।
দুঃখ-কষ্টগুলো দিয়ে নিজেকে
তুমি বানিও জ্বলন্ত অগ্নি ধাতু,
দেখিবে নিজেকে পারিবে দিতে
যেকোন রূপ তুমি জলন্ত যেহেতু।
ওগো,তুমি কভু যেও না গো ব্যার্থতার থেমে,
ব্যাথাগুলো হৃদে রাখিও,বাঁচিও সাফল্যের প্রেমে।
ওগো,দেখনি তুমি?ভবে যে জন সফল
ওরাই বারে-বারে গেছে বিফল,
ওঠো,আবারও পূর্ণ দমে জেগে,
মুছে ফেল যত ব্যাথা,অঝড় নেত্রজল।
জীবন যোদ্ধে লড়ে যাবো একা একলা,জানি
আসিবে বিজয় তবে আসুক ব্যার্থতা বার-বার,
আসুক বার-বার ব্যার্থ,বলো ব্যার্থতা তুমি কে?
আমি দেখিব তোমায় আবার।
ব্যার্থতা আমি তোমায় চিনিয়াছি
করি না আর কভু ভয়,
আমি আমাকে দিয়ে ব্যার্থতাকে পরাজয় করিয়া সাফল্যেকে করিব জয়।
আজি কেহ আপন নয়,আপন শুধু সময়,
এই সময় মূল্য দিয়ে জীবন যোদ্ধে থাকিব অপরাজয়।
বলো,বক্ষে আজি নাহি ভয়,
যারা বার-বার ব্যার্থ হয়,
তারাই প্রকৃত সফল,ব্যার্থজন
জীবন রনাঙ্গনে থাকে অপরাজেয়-নির্ভয়।
আমার সাফল্যের এই পথ বড়ই দূর্গম,
তবে আসুক শত-সহস্র বাঁধা-বিপত্তি
আমি চলেছি,অভিরাম চলব
সাফল্যের পথের একলা যাত্রী।
বন্ধু,চলতে হবে,যেতে হবে,
দিতে হবে আরো বহু পথ পাড়ি,
তবে অদ্যাপি কেনো তুমি
তোমাতে কেনো ব্যার্থতার আহাজারি?
তোমার ভুল-ভ্রান্তি খুঁজে ওঠো আবার জেগে,
ব্যর্থতার রেগে এবার চলো স্রোতের বেগে।
বন্ধু,তোমাতে তুমি খুঁজ ব্যার্থতার
যত তোমার ভুল-ভ্রান্তি,
মহা উদ্যমে,মহা হিম্মতে চল,যেন তোমাকে নাহি স্পর্শ করে কোনো ভয় কোনো ক্লান্তি।
বন্ধু,ঐ আকাশ-বাতাশ সাক্ষী রাখিয়া বল.....
আজি মোর পরিশ্রমে নাহি কোনো ক্লান্ত,
আমি আজি ঘূর্ণিঝড়, আমি সফলতার
ঐ দিন হব চির শান্ত।
কেহ আমার নয়,আজি আমি আমার,
চির বন্ধু চির আপন মোর সময়,
আজি ব্যার্থতার ঘ্লাণিতে,সফলতার
পিপাসুতে উষ্ণ মোর অশান্ত হৃদয়।
আজি আমি জাগিয়াছি,
ব্যার্থতায় হয়েছি রাগী,
আজি হবেই চির জয়,আসুক
হাজার-লাখো-কোটি প্রতিযোগী।
এই বিশ্ববাসী আজি গাহিবে মোর গুন-গান,
জানিবে আমার যত মূল্য,
আজি আমি আমার ব্যার্থতা দিয়ে
লভিলাম আমার চির সাফল্য।
বসুন্ধরাতে ধ্বনিত হবে
আমার নাহি কোনো তুল্য,
আমার ব্যার্থতার উষ্ণ রক্ত দিয়ে
লিখেছি ললাটে জীবনের চির সাফল্য।

তারিখঃ ০৮-০৫-২০২১ ইং
২৫ রমজান,বাদ জোহর
সময়ঃ ৩ টায়

                     ফিলিস্তিন

সত্য ইসলাম,তাগুদ মিথ্যে,বসুন্ধরার সত্য দ্বীন,
বায়তুল মোকাদ্দাস মোদের পহেলা কিবলা ওগো ফিলিস্তিন।
যত পাপী-তাপী পশ্চিমা বিশ্ব,পাপিষ্ঠ ইসরাইল,
ফিলিস্তিনীর বুকে ধ্বংসাত্মক যজ্ঞ চালায় ছুড়ে মিসাইল।
এই ভূমি গ্রাস করিতে মেতেছে যে ইহুদির সব দল,
ইসরাইলের অত্যাচারে অতিষ্ঠ যে আজি এই অতল।
কামান-ট্যাংক,বোমা-মিছাইলে ধ্বংস স্তূপ ফিলিস্তিনের ভূমি,
ইসরাইল আজি জেগেছে গ্রাস করিতে ফিলিস্তিনের জমি।
হাজার-লাখো-কোটি জননীর দুগ্ধ শিশু দগ্ধ ইহুদিদের হস্তে,
আযাদী লড়াইয়ে ফিলিস্তিনকে আযাদ করতে জেগেছে হামাস আল্লার রাস্তে।
স্বাধীনতার লাগি লাখো-কোটি মুজাহিদ দিলো প্রাণ,
শতাব্দী ধরে জিহাদী লড়াইয়ে, দিয়ে যাবো যত বলিদান।
লাখো-কোটি প্রাণে বয়সে যে আজি রক্তের প্রবাহিনী নদী,
আর কতকাল ধ্বংসাত্মক চালাবি ওরে পাপিষ্ঠ ইহুদি?
দিনে-দিনে কত প্রাণ গেলো হারি,কত প্রাণ আরো যাবে কত দিন?
অতি ত্বরায় আযাদ হবে ধৈয্য ধরো ওগো মম ফিলিস্তিন।
কালেমার নিশান উড়িবে,ধ্বনিত হবে প্রভুর কালেমার ধ্বনি,
বিশ্বের মহা বিজয় ফিলিস্তিনের হাতে হবে বিশ্বে জানাজানি।
মুজাহিদ!কত অভিরাম কষ্ট সহ্য নীরবে,কত না বলা কথা,
সবই হারি গেলো শূন্য বক্ষ,জমে আছে বুকে কত ব্যাথা।
অনাহারে গেলো কত শিশুর প্রাণ,কত মায়ের বক্ষ শূণ্য,
ধৈয্য ধরো মাগো,দোয়া করো ওগো,জিহাদে তোমার জন্য।
ফিলিস্তিনে আজি জেগেছে হামাসের মহা তাজা প্রাণ,
ধ্বংস করবো যত ইহুদি এই ভূমে দিবো তাদের বলিদান।
আযদীর লড়াইয়ে শতাব্দী ধরে দিয়েছে কত আত্মদান,
ধৈয্য ধরো ওগো পহেলা কিবলা, রাখবো তোমার সম্মান।
অসহায় চাহনি,রক্তাক্ত দেহ,শূন্য উদর,করুন আহাজারি,
আসিতেছি মোরা করিবো ইহুদি তাড়ি,দিচ্ছি পথ পাড়ি।
পবিত্র ভূমে লাগলো অপবিত্র হস্তের ছোয়া ফিলিস্তিনের অঙ্গে,
মারিয়া শূন্য করিবো ভূবনের যত ইহুদি আজি আছি রনাঙ্গনে।
ইসরাইলের দিনে-দিনে কত পাপ বেড়েছে,কত হিসাব-নিকাশ-ঋন?
ইহুদি মারিয়া ধ্বংস করিয়া মুক্ত আযাদ করিবো আমার প্রাণের ফিলিস্তিন।

তারিখঃ ২-১১-২০২৪ ইং
সময়ঃ দুপুর ১২:৩০ মিনিটে

উৎসর্গঃ ফিলিস্তিনকে ও সকল শহিদদেরকে ও হামাস,হিজবুল্লা,ইরানকে এবং কিছু দিন পূর্বে শহিদ হওয়া আমার প্রাণের প্রিয় হামাস নেতা,মুজাহিদ কমান্ডার শহিদ ইয়াহিয়া সিনওয়ার নেতাজ্বীকে।


              চির অপরাজেয়-নির্ভয়
      
ভবে আসিয়াছি,জাগিয়াছি,হয়েছি চির ধন্য,
গাযওয়ার সৈনিক,এসেছি মহা সমরের জন্য।
মানি না ধরিত্রীর তন্ত্র-মন্ত্র,এঁকে দিব পদ চিহ্ন,
চির অপরাজেয়-নির্ভর জেগেছি ধর্মের জন্য।
মোর উষ্ণ খুন অভিরাম প্রবাহিত চলছে বেগে,
আজি ইসলাম অপদস্থ তেজী প্রাণ ওঠেছে জেগে।
তোদের বক্ষে তোদের ক্রোসেড করিব বিদ্ধ,
আজি তোদের সনে মোদের ক্রোসেড যুদ্ধ।
বিশ্বে জাগিয়াছে তাগুত শক্তি একই সনে,
আজি এসো-এসো নব জোয়ান জিহাদ রণে।
ওহে আল্লার সেনা!হস্তে নাও রাঙা তলোয়ার,
আজ ধ্বংস কর ভবের যত তাগুত-জানোয়ার।
এক আল্লা মোদের পক্ষে ইসলাম যত্নে বক্ষে,
তলোয়ারে তাগুতের নরক দেখাও তার চক্ষে।
করি না হিংসা-বিদ্বেষ তোমা ধর্মের পরনিন্দা,
তোমরা করো!মারিয়া ভবে থাকিব মোরা জিন্দা।
মোদের আল্লা বলে;"যদি তারা মানে অন্য প্রভু,
ওহে মুসলিম!তবে তাদের দিও না বাঁধা কভু।
যদি কভু মোর বাণী ও বন্ধুকে করে অপমান,
নিশ্চয় তবে আসমানী আযাব দিব প্রতিদান।"
তারা সদা করে ইসলামকে অপদস্ত-ব্যঙ্গ হায়,
বিশ্বের পাপী-তাপী মেতেছে নবী অপমাননায়।
মোদের আল্লাহু আকবর ধ্বনিতে কম্পিত ধরা,
মোদের ভয়ে ভীত তবে জাগিস কেনো ওরে ছন্নছাড়া?
মোরা চির অপরাজেয়-নির্ভয় আল্লার সেনা,
যুদ্ধ বাঁধিলে ভয়ে সদা ভীত তোদের চির চেনা।
আজি তাগুত বিনাশ করিয়া শূন্য করিব সবে,
সাম্য-শান্তি-ইনসাফ বিরাজ হবে পবিত্র ভবে।
বসুন্ধরায় এক আল্লা বিশ্বাসী ইনসান শুধু রবে,
তাগুত শূণ্য ভূবন শুধু আল্লার আরাধনা হবে।
ভূবন থেকে দূর হোক দূর হোক পাপিষ্ঠ যতদল,
তবে এসো-এসো দৃপ্তিমান পথে ইসলামের ছায়াতল।
যিনি স্রষ্টা যাকে সৃজন করিয়াছেন চির শ্রেষ্ঠ,
শ্রেষ্ঠ মানবকে অপমান-ব্যঙ্গ করিস ওরে পাপিষ্ঠ?
আজি এসো ওহে জোয়ান রণাঙ্গনে দলে-দলে,
নবির সম্মান রাখো থাকিবো আরশের ছায়াতলে।
আমরা মুসলিম এক আল্লা ছাড়া করি না কভু ভয়,
যদি ইসলামকে করে অপমান রক্তক্ষরণ হয়।
মোরা সদা শহিদী তৃষ্ণাকাতর তবে যে মরন নয়,
এক আল্লা ইসলাম জিন্দাবাদ,মোরা চির অপরাজেয়-নির্ভয়।

তারিখঃ ২৬-১০-২০২০ ইং
সময়ঃ রাত ২ টা ৩০ মিনিট
উৎসর্গঃ গাযওয়া হিন্দের সকল মুজাহিদদের ও ইমাম মাহদির মুজাহিদদের।

                 জিহাদ জিন্দাবাদ
     
তারা প্রচার করুক হিংসা-বিদ্বেষ আর নিন্দাবাদ,
আমরা বলিব,জিহাদে শান্তি ইসলাম জিন্দাবাদ।
আজি বিশ্ব উম্মা ওদের থেকে চাই চির আযাদ,
খেপেছে কালো নিশানওয়ালা আজি বিশ্বে জিহাদ।
ওরা কাদা ছোঁড়ে বাধা দিবে ওহে আল্লার সেনা,
ওরা হিংসুক-নিন্দুক,ফাসেক-বিদ্বেষ ওদের চেনা।
          তন্ত্র-মন্ত্রের ইন্দ্রজালে বন্দি
         ওরা শয়তানের চির নরক চাই,
     ওরা জিহাদ বিদ্বেষী,তাগুতের-গোলাম
         শুন ওরে মোর মুজাহিদ ভাই।
তুমি আল্লার সৈনিক ওরা বলবে সন্ত্রাসবাদ!
তরবারিতে ইসলাম জিন্দা মিডিয়া জানাই নিন্দাবাদ।
ওরা ভবের সুখ খুজে,আমরা শহিদী দরজা চাই,
প্রভুর রাহে নিত্য মৃত্যু খুজি,মৃত্যুকে খুজে বেড়াই।
ওরা মৃত্যু ভৃতু মরিতে নাহি চাই ভৃত সদা মনে,
যুদ্ধ বাঁধিলে মৃত্যু আসিলে ওরা থাকে না রনাঙ্গনে।
আমরা বিশ্ব প্রভুর সৈনিক,তাগুতের গোলাম নয়,
ধ্বসাংত্মক ধরনীরপূর্বে আমাদেরই মহা চির বিজয়।
আমরা অমৃত সুধাপান করি তবে তা মরন যে নয়,
স্বর্গে থাকিয়া প্রভুর কাছে চাহি এ পথে বার-বার লয়।
নৃত্য যৌবন যার এসো ত্বরায় এপথে হে নব-জোয়ান,
মরিয়া-জীবিত লভি হুর যবে এপথে দিবে আত্মদান।
কলেবরের খুন সঞ্চয় নয় সিঞ্চিত জিহাদের রনে,
শহিদ তৃষ্ণা পিপাসু মিটে যবে শহিদ হয় রনাঙ্গনে।
রক্ষা কর! ভ্রান্ত তাগুতের পথে যেন না যায় কভু,
নিত্য-সদা পরম করুনাময় এক আল্লা মোদের প্রভু।
পশ্চিমা বিশ্ব চাহে এক রাক্ষুসে মনগড়া তাগুত মহী,
মোরা চাই ইনসাফ,দ্বন্দ্ব-বিহীন,খেলাফত গান গাহি।
দূর হোক দূর হোক ভূবন থেকে আছে যত মন্দ,
খেলাফত-ইনসাফ আসুক,তন্ত্র-মন্ত্র হোক চির বন্ধ।
ওরা চাই পাপের রাজ্য বন্দি সদা শয়তানের জালে,
ওরা নিশিদিন ডুবে পাপের রাজ্যে রমণীর ইন্দ্রজালে।
বসুন্ধরাতে যত মন্দ আছে ভালো হোক সব ভালো,
আল্লার সৈনিক জ্বালো খেলাফতের সুখের আলো।
মুজাহিদ!তোমা দীপ্ত কন্ঠের ধ্বনিতে কম্পিত ধরা,
অসি-অস্ত্রতে তাগুতের লয়,কভু কি পেরেছে তারা?
যারা এ সাহায্যপ্রাপ্ত রণাঙ্গনের পথে হেঁটেছে সদা,
শত্রু-মিত্র যতসব কাঁদা ছোঁড়ে দিয়েছে ঘৃণার বাঁধা।
তুমি ব্যথাগুলো নীরব নিভৃতে রেখেছ হৃদের কোণে,
কসম আল্লার!স্বর্গের যত সম্মান পাবে জিহাদ গুনে।
ওরা বলবে সন্ত্রাসবাদ দিবে আরো কত অপবাদ!
ওদের বক্ষে খরগ-অস্ত্র ছুড়ে বল জিহাদ জিন্দাবাদ

তারিখঃ ১৩-০৬-২০২০ ইং,
৩০ শে জ্যৈষ্ঠ,১৪২৭ সন
২০ শাওয়াল ১৪৪১হিজরি,
সময়ঃ রাত ১১ টা ৫০ মিনিট
উৎসর্গঃ যারা আল্লাহর রাস্তায় জিহাদ করে, করেছে, করবে সেইসব শহিদ ও গাজী মুজাহিদ ভাইদেরকে।

            ভূ-ভারত আজ শ্মশান
     
মাটির মূর্তির হাতে আর কতকাল মার খাবি বল?
খরগ-ধ্বজা হাতে নিয়ে ভূ-ভারতে চল..রে...চল।
জেগেছে আজি ভূ-ভারতে গো-পূজারীর মহা প্রাণ,
মেরে-মেরে আজি ভূ-ভারত কররে চির শ্মশান।
মাটির দেবী ওরে বেটী, থাকিস না আর আড়ালে,
জাগবি না তুই,ভূ-ভারতের গো-পূজারী হারালে?
শক্তি-চাড়াল,রক্তপিসু জেগেছে যে ওরে সর্বগ্রাসী,
ভূ-ভারত আজ রক্ত গঙ্গা,আসবি কখন সর্বনাশী?
কি শেখালি তোর ছেলেদের,এটাই কি মন্ত্র শেখা?
মসজিদ ভাঙ্গে,ভাঙ্গে তীর্থ  আরো যে কত দেখা?
তোদের পাপের গাত্রে ভিজসে আজি গঙ্গা-সিন্ধু,
ওরে চাড়াল হিন্দু!চোষে খাচ্ছিস আজি রক্তবিন্দু।
ঠাকুর-দেবী,দেখে যা দেরি কেন,আসতে কি মানা?
পূজারীরা মুসলিম মেরে ভারত করে কসাইখানা।
জাগো মসলিম খরগ হাতে কর পূজারী চির লয়,
ভাঙ্গ মন্দির-চূড়া,উড়া বিজয় ধ্বজা,কর পরাজয়।
ওহে বীর! জেগেছে যে ভারতী মায়ের মহা প্রাণ,
গাযওয়াতুল হিন্দ সমরে চির জয় কর হিন্দুস্থান।
বিজয় বেশে জয়ধ্বনি কর আজি বিজয়ের পালা,
তলোয়ার চালা,বিনাশ কর ভারতের যত শালা।
জেগেছে বীর, পূজারী মেরে মুক্ত কর হিন্দুস্থান,
মাটির দেবী হে বেটী,দেখ তোর ভূ-ভারত আজ শ্মশান!

তারিখঃ ২৯-০২-২০২০ ইং
সময়ঃ সন্ধ্যা ৭ টায়

            জাগো কাশ্মীর
 
আজ জাগো,জাগো, জাগ্রত হও ওহে বীর,
চির আযাদ কর ভূ-স্বর্গ কাশ্মীর।
আর নয় সমীরে  রক্তের গন্ধ,
মৃত্তিকাতে প্রবাহিত মুজাহিদ শহিদের তাজা খুন,
পবিত্র অঙ্গে হায়নার ছোয়া,ধর্ষিত যুবতী
কাঁদে রে আমার কাশ্মীরি  বোন।
আর নয় মৃত্তিকাতে মুজাহিদের তাজা খুন।
বসুমতীর স্বর্গ প্রভু সৃজন করেছে এই কাস্মীর,
বসুন্ধরার বসিত্ব গ্রাস করিতে মালাউন-মুশরিকরা কাশ্মীরে করেছে ভীড়।
কাশ্মির যে অমরাবতীর সুখের নীড়,
এই ইন্দ্রালয় গ্রাস করিতে হায়নারা করেছে ভীড়।

আর নয় মুজাহিদের রক্তের স্রোত ঝিলাম নদীর তীরে,
জেগেছে দাস্তান, আযাদীর জয়োধ্বনি বাজিবে কাশ্মীরে।
আজ জাগো, জাগো, জাগ্রত হও ওহে বীর,
হায়নার হাত থেকে চির আযাদ কর কাশ্মীর।

হায়নার ছোয়া...... লেগেছে
কাশ্মীরি..... মায়ের পবিত্র অঙ্গে,
আজ চলো,চলো ওহে বীর কাশ্মীরি রনাঙ্গনে।
আজ জাগো, জাগো, জাগ্রত হও ওহে বীর,
হায়নার হাত থেকে চির আযাদ কর কাশ্মীর।
আজ যায় যাক প্রভুর রাহে তাজা প্রাণ,
তবু কাশ্মীরের বুকে উড়ুক কালেমার নিশান।
আজ জেগেছে জিহাদী দল,জেগেছে ঈমানদীপ্ত জিহাদী দাস্তান,
আযাদী লড়াইয়ে মুজাহিদ দিচ্ছে জান কুরবান।

আর নয় পর্বত থেকে কাশ্মীরি বোনের
আর্তনাদের ধ্বনি,
আর নয় কাশ্মীর নিয়ে হায়নাদের টানা-টানি,
আজ কাশ্মীর চির আযাদ চাই বিশ্বে হোক জানা-জানি,
আর নয় মুজাহিদের রক্তে রক্তাক্ত ঝিলাম নদীর পানি।
ধরেছি বক্ষে হিম্মত, নাহি করিব জম্মভূমি হাতছানি,
এই আযাদী সমরের রনাঙ্গনে নেমেছি আমরা কাশ্মীরি মুজাহিদ বাহিনী।
আর নয় কাশ্মীর নিয়ে  মালাউনদের টানা-টানি।।

আজ জেগেছে তারেক- জিহাদ,খালেদ আইয়ূবী,কাসেম, আলী,ওমর, আর খালিদের সন্তানের বীর,
আযাদী লড়াইয়ে আযাদ হবে ভূ-স্বর্গ কাশ্মীর।
প্রভুর জমিনে কায়েম হবে প্রভুর সত্য দ্বীন,
আজি জিহাদ-জিহাদ,কাশ্মীর আজি হবে চির স্বাধীন।

পাপী-তাপী, মালাউন-মুশরিক,ওরে ভারতী মায়ের গো-পূজারী!
তোদের রক্ত দিয়ে গঙ্গায় স্নান করাবো,
আমরা আযাদী-জিহাদী-কাশ্মীরি।
মালাউন-মুশরিক, ভূ-স্বর্গ কাশ্মির করিতে চাই গ্রাস,
ওহে জেগেছে মুজাহিদ!মুজাহিদের রক্ত দিয়ে লিখেছে ভারতী মায়ের সর্বনাশ।

লাখো জানবাজ ঈমানদীপ্ত মরনজয়ী
জিহাদী দাস্তানের রক্তে কাশ্মীর হতে যাচ্ছে আযাদ,
বিজয়ের জয়ধ্বনি হবে,কালেমার পতাকা উড়িবে, থামিবে কাশ্মীরি জিহাদ।
আজ জাগো, জাগো, জাগ্রত হও ওহে বীর,
আজি চির আযাদ কর তোমার  ভূ-স্বর্গ কাশ্মীর।

তারিখঃ২২-০৮-২০১৯ ইং
সময়ঃ রাত ১২ টাৃয
উৎসর্গঃ সকল কাশ্মীরি মুজাহিদদেরকে,যারা শহিদ হয়েছে সকল মুজাহিদেরকে।শজিদ কমান্ডার সেখ ওসামাকে ভাইব,শহিদ নূরজাহান আপুকে,শহিদ আঃ রহিম ভাইকে ও বাংলাদেশের বউ কাশ্মীরি বোন, সমর ইসলামের স্ত্রী সুমাইয়া আপুকে এবং কাশ্মারী কান্না,কাশ্মিরী বীরঙ্গনা,কাশ্মিরী রনাঙ্গনের বইয়ের সবাইকে।

             বাবরি মসজিদ
   
আজ জাগো, জাগ্রত হয়েছে যে ভারতী মায়ের সন্তান,
চালাও বুকে হাতুড়ি-শাবল গড় অযোধ্যায় শ্মশান,
আজ জাগো, জাগ্রত হও,ওহে হিন্দের মুসলমান,
শহিদ বাবরি কর জিন্দা রাখ সম্রাট বাবরের সম্মান।
ওরে তোরা জাগ,জেগেছে হিন্দুস্থান,
হস্তে লও তরবারি ওহে গাযওয়ার মুসলমান।
ত্রীশূল-তরবারি চালা-চালা বক্ষে চালা,
গড় বাবরি,ভাঙ্গ রাম মন্দির,আজ তোরা দেখ মসলিমের খেলা।
ওহে জেগেছে আজ ভারতের মহা-প্রাণ,
মেরে-মেরে আজ ভূ-ভারত কর শ্মশান।
আজি জাগো-জাগো, জাগ্রত হও ওহে মুসলমান,
শহিদ বাবরি কর জিন্দা রাখো বাবরের সম্মান।
ভূ-ভারত আজ স্বাধীন কর, কর রণ-জয়,
বক্ষে চালাও তরবার কর গো-পূজারী লয়।
ওহে হিন্দের সৈনিক!মুক্ত কর বাবরি উপসানালয়,
আজি জাগো বীরের মতো দাও মুসলমানের পরিচয়।
ওহে মুজাহিদ!এসেছে দ্বারে গাযওয়াতুল হিন্দ কর তা জয়,
মেরে-মেরে বিনাশ করে দাও মহা বিজয়ের পরিচয়।
কত কাল তুই থাকবি ব্যাটি মাটির মূর্তীর আড়ালে?
ভূ-ভারতের গো-পূজারী বিনাব হবে
জাগবি না তুই,তোর সন্তান হারারে?
ওহে,আজি কর জিন্দা শহিদ বাবরি রাখো বাবরের সম্মান,
তরবারিতে পরিচয় তোমার তুমি যে মুসলমান।

তারিখঃ১১-১১-২০১৯ ইং
সময়ঃ১২:৫০ pm
উৎসর্গঃগাযওয়াতুল হিন্দের সৈনিকদেরকে

     রাসূলের প্রতি প্রেম
       
তমিস্রা ধরিত্রীতে নিয়ে এলে তুমি প্রভা,
প্রভায় দূর হলো আঁধার ছড়ালে ভবে আভা।
যত প্রেম তোমার প্রতি যত ভালোবাসা হে রাসুল,
জপি সদা দূরূদ আকুল পরান তোমার প্রতি সতত ব্যকুল।
ফোটালে তুমি ভবের বাগিচায় ইসলামের ফুল,
তোমার প্রতি ঢালি যত ভালোবাসা প্রিয় হে রাসূল।
নাহি পেলুম তোমা দেখা,শুনিলাম যত তোমা বাণী,
সকলে পর হবে মহা দিবসে,আপন হবে তুমি তা জানি।
মরুর দেশে মদিনার পথে যদি কভু যেতে পারি,
প্রতি ধূলি-বালি কলেবরে মাখিব করিব আহাজারি।
যত প্রেম দিব তোমায়,করিব একরাম সাহাবাদের প্রতি,
মরুর রণক্ষেত্রের শহিদ সাহাবার রক্ত গাত্রে মাখিব,কাঁদিব দেখে স্মৃতি।
যত প্রেম উজার করিয়া পাঠাই মদিনার রওজা পাকে,
যত আছে মোর ভালোবাসা সবটুকু দিলাম
হে রাসূল তোমাকে।

তারিখঃ ১০-১১-২০১৯ ইং
১২ই রবিউল আওয়াল
সময়ঃ রাত ৭ টা ৩০ মিনিটে

            মুরজিয়া মোল্লা
         
মিডিয়াতে বসিয়া লুটাই যত মুরজিয়া মোল্লার দোষ-ত্রুটি,
খেপেছে মোল্লা,খামোস বেয়াদব!বলে মোরে,
মোরা ধর্মের খুঁটি।
সত্যে অটল রহিনু,নাহি ভীতূ মোল্লাদের হুংকারে,
পঞ্চ মোল্লা বলিল বড় মোল্লার যত গুন,
গুনে গুনান্নিত হইয়া বড় মোল্লা বলিল, ব্যাটা শুন।
মোল্লা আরো খেপেছে শুনে তার গুনের অহংকারে,
তবু রহিলুম অটল মম সত্যে,নাহি ভীতূ মোল্লাদের হুংকারে।
এবার শুনেছিস ব্যাটা মোর যত গুন-গান,
তসবি-কোরান-কেতাব পড়ি বসে থাকি তীর্যস্থান।
আজ শুনেছিস ব্যাটা মোর তেজী ভাষণ?
সেই ভাষণ তার নয় লজ্জা পেলুম ভীষণ!
কতজনে কতকুবুদ্ধি শেখায় তোমায় প্রতি রোজে?
ওরে মোল্লা!কেতাব তুমি গলধঃকরন করিয়াছ ভীড় জমিয়েছ মগজে।
তবু তার নাহি কিছু বাকি যত রহিল শূন্য,
শূণ্যের ঝুড়ি মূর্খের কাছ থেকে করিয়াছে পূর্ণ।
প্রকাশ কেন করিলুম সত্য তাই মোল্লা খেঁপেছে খুব বেশ,
মহা অন্যায় কেন ধ্বণিত হলো মম মুখে সত্য?
কেন বলিলুম তুমি তো করিতেছ সব শেষ!
কিছু আর রাখিলে না বাকি, হয়ে গেল শূণ্যের রেশ!
নিজের ঢুলে তালি দেয় মোল্লা বাজাই নিজের ঢুল,
আমি কেন বলিলুম দোষ এটাই মহা ভুল?
হে প্রভু!এ নয় তো কভু ঝুট, বলি যত মুরজিয়া মোল্লার দোষ,
পঞ্চ মোল্লা ঝুট বলিয়াছে, প্রভুর দরবারে
মহা দিবসে নাহি পারিবে বলিতে সে যে নির্দোষ।
বলে যাব বলি সত্য তিতুমীরের বাঁশের কেল্লা,
আজি ইসলাম বিকিতেছে কিছু মুরজিয়া মোল্লা।
যত মোর কৌফিয়ত দিলাম শপে তোমার দরবারে ওগো আল্লা!
বিনাশ কর ভবে আছে যত মুরজিয়া মোল্লা।

তারিখঃ ১৮-১১-২০১৯ ইং
সময়ঃ দুপুর ১ টায়

              পেটুক মোল্লা
       
আজি ধর্ম বিকিতেছে ভন্ড মোল্লারা দলে-দলে,
উদরে অন্ন ঝুটিবার জন্য মোল্লারা মিথ্যা বলে।
আজি জেগেছে তীর্যালয়ে যত পাপী-তাপীর দল,
মসজিদ-মাদ্রসায় ভীড়,ভন্ড মার না হয় ধর্ম বিফল।
ধর্মের নামে মোল্লারা অর্থ কুড়াচ্ছে বেশ,
অভ্যন্তরে স্বার্থে ভরপুর,বাহ্যিকে সাধু-দরবেশ।
সস্তায় কোরআন বিকিতেছে, বলিতেছে ঝুট,
ধর্মের নামে অর্থের সন্ধানে মোল্লার মুন্ডে ধর্মের মুকুট।
ভন্ড-ভন্ড কভু নাহি করে দ্বন্দ্ব,
ভন্ডরা যে এক তবে ধর্ম দ্বি-খন্ড।
ভন্ড মোল্লারা ভন্ডামি করে পেটের দায়ে,
ভন্ড লয় কর, ধর্ম জয় কর এসো ত্বরায় এগিয়ে।
এতিমের অন্ন ভন্ড মোল্লার উদরে যায়,
এতিম সে যে অনাহার! ধার্মিকের দান গেল বৃথায়।
জাগবি না জোয়ান তোরা?
ভন্ড তার ধর্মের ভন্ডামি করবে কত কাল আর?
এতিম তনয় আর কত কাল থাকবে অনাহার?
ধর্ম বাঁচাও ভন্ড মার,বক্ষে চালাও তরবার,
আজি ধার্মিকের দান এতিমকে দাও উপহার।
পেটুক মোল্লার স্বার্থে আজি বিকৃত ধর্ম,
স্বার্থপর মোল্লা কি কভু বুজে ইসলামের মর্ম?
আজি পেটুক ভন্ড মোল্লাদের জীবন করিব গ্রাস,
বিদ্রোহী কলমের কালিতে লিখিলাম তাদের সর্বনাশ।

তারিখঃ১৯-১১-২০১৯ ইং
সময়ঃ রাত ১০:৩০ মিনিট

শহিদ আবরার ফাহাদ মুজাহিদের প্রতি
                 
পরোপকারী পূসুন ফুটিয়া, কালো হস্তগুলোর
স্পর্শ লাগিয়া গেল চিরতরে ঝড়ে,
রাজপথে মিছিলের মেলা, সেই পুষ্পকে আজি বারে-বারে মনে পড়ে।
প্রতিবাদী চির বিদ্রোহীর বিবেকের জাগ্রতে
চির গ্রাস করিল বিদ্রোহীর প্রাণ,
যার দীপ্ত কন্ঠের স্বরে,কলমের সমরে
কম্পিত ভারতী মায়ের সন্তান।
সে যে বলেছিল রাসূল; "মুজাহিদের খুনের
চেয়ে আরো দামি বিদ্রোহীর কলমের কালি",
তার যত গুন আজি কবিতায় ঢালি,
শহিদী বিদ্রোহীর স্বরে আজি বাজছে লোকের হাতে বিদ্রোহীর করতালি।
ধরিত্রীর সব বিদ্রোহীর কলেবরে লেগেছে
ঐ কালো হাতগুলোর আঘাতে  চিহ্ন,
গিয়াছে বিদ্রোহীর প্রাণ, তবু বিদ্রোহী মরে নি অমর হয়ে আছে প্রতি হৃদে বিদ্রোহীর জন্য।
শুন ওরে ভাই! ভারত বিরুদ্ধী আন্দোলনে মরে নি কিন্তুু আবরার ফাহাদ,
অমর হয়ে আছে মুজাহিদ,করিয়াছে কিন্তুু গাযরাতুল হিন্দ জিহাদ!
ওরে ফাহাদ!প্রাণ বায়ু যবে যাচ্ছিল চলে কতই না পেয়েছ মৃত্যুর আহ্লাদ?
যা তুমি করিয়াছ তা যে গাযরাতুল হিন্দ জিহাদ।
আজি বঙ্গের সকলে বেদনাকাতর তার প্রতি,
কিছুতে তবু ভুলিতে নাহি পারে তার স্মৃতি।
যত প্রতিবাদ-বিদ্রোহী, যত গুন ছিল তার মাঝে,
ওরে ভাই! তার মতো করে যেন মোদের মুখেও এই প্রতিবাদ-বিদ্রোহীর সুর বাজে,
যদি না সুর বাজে তবে মহাদিবসে প্রভুর কাছে মরিব বারে-বার লাজে।
প্রভু হে!তুমি দাও তারে স্বর্গের উত্তম প্রতিদান,
দাও গো প্রভু তারে চির শহিদের সম্মান।
চির শহিদের সম্মান....শহিদের সম্মান।

তারিখঃ১০-১০-২০১৯ ইং
সময়ঃরাত ১২ টায়

উৎসর্গ করিলামঃ ভারত বিরুদ্ধী আন্দোলন শহিদ ও কাশ্মিরীরে প্রতি ভালোবাসার বুয়ের মেধাবী ছাত্র সন্ত্রাসী ছাত্রলীগের হাতে শহিদ আবরার ফাহাদ মুজাহিদ ভাইকে।

           আজও হয় নি বলা
         
বলতে গিয়ে আজও তোমায় হয় নি কথা বলা,
চলতে গিয়ে চলার পথে হয়নি আজও চলা।
বলব বলে তোমার সনে হয় নি আজও বলা,
একাকীত্ব সঙ্গীবিহীন কাঁটে মোর বিরহে অবেলা।
দিতে গিয়ে পূসুন হয়নি দেওয়া বক্ষে মম জ্বালা,
ওগো প্রিয়া,বারে-বার দাও কেন হৃদ মন্দির তালা?
ভাবতে গিয়ে ভাবিয়াছি,তোমা মাঝে মম লীলা,
ভাবতে গিয়েও অবাক লাগে কর মোরে অবহেলা।
তোমা দেখব বলে কাঁটায় আমার সারা বেলা,
বলতে গিয়ে আজও তোমায়,হয় নি কথা বলা।
খেলতে গিয়ে তোমার সনে, হয় নি আজও খেলা,
চলার পথে চলতে গিয়ে, হয় নি দুজনার চলা।
আমার কাব্য পড়তে গিয়ে হয় নি তোমার খোলা,
ভুলতে গিয়ে হঠাৎ করে আমায় হলো ভুলা।
দিতে গিয়ে হয়নি দেওয়া বকুল ফুলের মালা,
ওগো অভিমানী প্রিয়া তবে তুমি থাক  ভালা।
বুজবে কেমনে প্রিয়া তুমি আমার বুকের জ্বালা?
আজি তোমার পালা,বিরহের অনলে হবে জ্বলা।
বলব বলে তোমার সনে আজও হলো না যে বলা,
চলতে গিয়ে তোমার সনে হলো না যে পথ চলা।

তারিখঃ২৬-০২-২০২০ ইং
সময়ঃ রাত ২ টায়

              পুষ্পিতার মুখখানি
       
প্রিয়া মম ভামিনী হবে,মোর কাব্যের রাণী,
মোর স্বর্গের দিব্যাঙ্গনা,চন্দ্রমার ন্যায় মুখখানি।
পাব নাহি না ভেবে টল-মলে মম ঈক্ষণে পানি,
মম পল্লীতে তুমি আগে কেন হয় নি জানা-জানি?
এত রূপে-গুনে গুনান্নিত,তুমি পল্লীর রূপের রাণী,
তোমায় নিয়ে রচিত হলো মোর অমর কাব্যখানি।
হৃদয় অন্তরীক্ষে দীপ্তমান হিমাংশু ওগো মম রাণী,
তোমা বধূ করিয়া,হৃদে জড়িয়া নিব করি টানাটানি।
হৃদ মন্দিরে সদা করি পূজা সৌন্দর্যের পূজারিণী,
ওগো রাণী!কভু ছিন্ন করিও না,তুমি মম ভামিনী।
ভাবিয়া স্বপনও দেখিয়া জাগিয়া সারা যামিনী,
ইন্দ্রজালের প্রেমবন্ধনে বাঁধিয়াছ ওগো নন্দিনী।
ওগো পুষ্পিতা!তোমা দেখিয়া রচিয়াছি কাব্যখানি,
সৌন্দর্যময়ে কাব্য সৃজনে বিশ্বে হলো জানা-জানি।
তোমার রূপে নয়ন মম দ্বগ্ধ হয় দেখে মুখখানি,
পল্লীর রূপের রাণী কভু করিতে পারি হাতছানি।
গেয়ে যায়,চেয়ে যায়, লিখে যায় যত তার বাণী,
কভু কি যাবে ভুলা? সে যে কাব্যের রূপের রাণী।
পুষ্পিতাকে ভালোবাসি সে যে মোর কাব্যের রাণী,
স্বর্গের সুখে ভাসি যবে দেখি পুষ্পিতার মুখখানি।।

তারিখঃ ২৩-০২-২০২০ ইং
সময়ঃ বিকেল ৫ টায়,(কৃষানের মাঠে)

          আজি আসো হৃদয়পুরে
         
বাসন্তীর আগমনে তুমিও আজি আম্র বাগে,
হৃদয়ের বন্ধন ছিল মনে কি পড়ে বহু বছর আগে?
ওগো সুদূরিকা!দূরে-দূরে থাকো আস না তো এ পাড়ে,
সে-যে গেলে অদ্যাপি শূণ্যতা বিরাজ মম হৃদয় নীড়ে।
নাহি দেখা মিলে তোমা হাস্যজ্জ্বল,কন্ঠ,এলো চুল,
ওগো অভিমানী! আজি ক্ষমা কর মোর যত ভুল।
চন্দ্র কি কভু অভিমান করে গগনের সনে করে রাগ?
অন্তরীক্ষের বুকে ফিরে,না হয় হবে কলঙ্কের দাগ।
মেঘ বালিকা কি অভিমান করে ঝড়ে পড়ে না ভূমে?
তবে তুমি কেন অভিমান করিয়াছ মম পূত প্রেমে?
ওগো বন্ধু!দূর্বার সনে অভিমান করে না শিশির বিন্দু
নদীর সনে কভু অভিমান করে থাকে না মহা সিন্ধু।
ওগো প্রয়সী!আমি তোমার রূপের কায়ার ছায়া,
বল ওগো,ছায়াকে কি কভু দেওয়া যায় তাড়িয়া?
পরিচিত হয়েও তুমি আজ অপরিচিতা নন্দিনী,
আজও নয়নে স্বপ্ন দেখি হবে কি চির সহধর্মিনী?
যে প্রিয়া প্রেম ভেঙ্গে-চূড়ে চলে যায় বহু দূরে,
সে প্রিয়াকে হৃদয়ভরে স্মরণ করি হৃদয় নীড়ে।
ওগো অভিমানী!আজও খোলা মম এ হৃদয় দ্বার,
ঝড়াব অন্তরে আসবে কি ফিরে মোর নীড়ে আবার?
ওগো অভিমানী!ভ্রান্তির ছলে থাকিও না দূরে-দূরে,
অভিমান ভুলিয়া ক্ষমা কর,আজি আসো হৃদয়পুরে।

তারিখঃ০৯-০৩-২০২০ ইং
সময়ঃ দুপুর ১২ টায় বাড়ির সামনের বাগানে বসে


মাতৃভাষার চেতনা ও একুশে ফেব্রুয়ারি
             
খোকা মায়ের শান্তিময় নীড়ে
সতত জননীর দোলনায় দোলে,
হামেশা থাকে জননীর কোমন
সিক্ত পরশমাখা স্বর্গময়ী কোলো।
সদা পড়ে থাকে নরম হস্তের মাঝে,
জননীর মুখের বর্ণমালার শব্দাবলি কর্নে বাজে।
মায়ের বক্ষের দোলনায় খোকা ঘুমায় সারা বেলা,
খোকা শুনেছে জননীর মুখের যত বর্ণমালা।
শৈশব কাঁটাচ্ছে,শিখব বলে মাতৃভাষা এ আশায়,
বৈরী  ভুলিয়ে দিতে চাহি,আঘাতহানে মাতৃভাষায়।
তেজী প্রতিবাদী অগ্নিতে, ছেলেরা হয়েছে ক্ষুব্ধ,
বৈরিবেদ বিনাশ করিব,বাঁচিবে বাংলার যত শব্দ।
চির মাতৃকায় চির কাল বাঁচিবে মাতৃভাষা,
রুখে দাঁড়াব,ভাঙ্গিব কালো হাত,মিটবে যত আশা।
কবি, সাহিত্যিক মগ্ন থাকে,করে বর্ণমালার খেলা,
রচিব কাব্য-কবিতা,গল্প,উপন্যাস,ইতিহাস নিয় বর্ণমালা।
এই বর্ণের নাম সালাম,বরকত,রফিক জব্বার
যত ভাষা শহিদ অমর ছেলে,
শক্রর সম্মুখে বক্ষ মেলে, বাহু উঁচু করে,
রাজপথে দিয়েছে তাজা খুন ঢেলে।
মাতৃভাষার কর অর্পিত করিয়াছি
তাজা রক্ত ঢেলেছি স্নিগ্ধ মাতৃ ভূমে,
সব ছেলে ঝড়ো হয়েছে জননীর প্রেমে,
চিরতরে মায়ের বুকে রয়েছে চির ঘুমে।
মাতৃভাষার প্রেমিক লাখো শহিদ ছেলে,
শক্রর সম্মুখে বক্ষ মেলে প্রতিবাদ করেছে
তাজা খুন মৃত্তিকাতে দিয়েছে ঢেলে,
ছেলেদের হাতের বর্ণমালার নিশান মেলে।
এই ফাগুনের রক্তাক্ত আগুনের মেলায়,
শহিদদের সালাম জানাই অমর একুশের বেলায়।
এই বাসন্তীর বসন্তদূত গাইছে তাদেরই গান,
এই হাজার পক্ষীকূলের গানে কাঁদে এ প্রাণ।
আজি বিশ্ববাসী দিয়েছে তাদের মূল্য-মান,
মোরা অনন্তকাল যেন করি তাদেরকে সম্মান।
এই বাংলার মাটিতে আস্তে-আস্তে পা ফেলিও,
স্নিগ্ধ মৃত্তিকাতে লাখো শহিদ ছেলে ঘুমিয়ে আছে
হে নবীন ছেলেরা ইতিহাস মেলে তা জানিও,
অমর একুশের রক্তাক্ত ইতিহাস তোমরা পড়িও।
এ মাটিতে আঘাত করিও না, আস্তে কথা বলিও,
ভাষার প্রতিবাদ, বিদ্রোহ করে তারা ক্লান্ত, জয়ী হয়ে ঘুমিয়েছে,যেন ঘুম নাভাঙ্গে আস্তেকথা বলিও
তুমি এ মাটিতে সর্বদা আস্তে-আস্তে পা ফেলিও।
তুমি আস্তে-আস্তে চলিও, ফেলিও চরন আস্তে
রক্তাক্ত স্নিগ্ধ এই বাংলা মায়ের চির ভূমে,
ভাষা শহিদ,মুক্তিযুদ্ধরা বিশ্রামে,মাটিতে চির ঘুমে।
এই বাসন্তীর হাজার বৃক্ষের হাজার পুষ্পের
গন্ধগুলোতে তাদের রক্তের ঘ্রাণ,
ভোরের রক্তিম রবিতে, শহিদদের রক্ত মিশেছে,
প্রতিবাদী, বিদ্রোহী সুর ধ্বনিত হচ্ছে
বসন্তের হাজার পাখিদের এই গানে।
পথে-ঘাটে, মাঠে ফুটছে হাজার কৃষ্ণচূড়া
হাজার বাহারের পুষ্প আর শিমুল ফুল,
এই রক্তাক্ত অমর একুশের স্মৃতিতে নবীন
ছেলেরা, বেদনাকাতর আর শত ব্যকুল।
অধীর অপেক্ষায়, এসেছে রক্তাক্ত একুশ
আমরা কি পাড়ি দিতে তারে তাড়ি,
তোমরা বল কভু কি পারি ভুলিতে
স্মৃতিময় অমর একুশে ফেব্রুয়ারি?
হাজার পুষ্প-মাল্যে সজ্জিত শহিদ মিনার বাড়ি,
স্মৃতিতে দ্বগ্ধ, জানাই সালাম, শ্রদ্ধানঞ্জলি
হে মোদের রক্তাক্ত অমর একুশে ফেব্রুয়ারি।
এই মধ্য রাতে, এই ভোরে প্রতিটা বিদ্যার কিনারে,
স্মৃতিকাতর হয়ে জমেছি প্রতিটি মিনারে।
প্রভাতে লগ্ন পায়ে, মিছিলের প্রভাত ফেরিতে,
মাতৃভাষার স্মৃতি মিশে আছে একুশে ফেব্রুয়ারিতে।
মাগো, ওগো মা! ছেলেরা তোমাতে ঘুমিয়ে আছে
চির জয় হলো তোমার এই মাতৃভাষা,
আজি মিটবে মনের যত আশা,
তাজা রক্ত দিয়ে কিনেছি এই মাতৃভাষা।
ওগো জননী! অনন্তকাল যেন থাকে ভালোবাসা,
ধরিত্রির ইতিহাসে রচিত হয়েছে এই মাতৃভাষা।
রক্ত দিয়েছি, লভিয়াছি মাতৃভাষা,
বিসর্জন হয়েছে লাখো ছেলের প্রাণ,
এই মাতৃভাষার ইতিহাসে পৃথিবী মোদের
এই মাতৃভাষাকে দিয়েছে শ্রেষ্ঠ সম্মান।।
মাগে, কভু কি মোরা ভুলিতে পাড়ি?
দিতে কি পারি কভু তারে তাড়ি?
প্রতিটি হৃদয়ে গড়েছি শহিদ মিনারের বাড়ি,
কভু ভুলিব না রক্তাক্ত একুশে ফেব্রুয়ারি।।
                 
তাং:২১-০২-২০১৯ ইং
সময়: রাত ২ টায়।
উৎসর্গ করিলাম সকল ভাষা শহিদদেরকে

                চির স্বাধীনতা
                
            হঠাৎ তমিস্রা যামিনীতে
           ওরা ভাঙ্গিল জননীর সুখের সুপ্তি,
               ওরা এসেছে বলে;" ভয়ে
               নিভে গেল হিমাংসুর দীপ্তি"।
              করুন ব্যকুল আহাজারির
               নিনাদে, জননীর আহ্বানে ,
    আত্নজেরা ত্বরায় ছুটিল হস্তে খড়গ নিয়ে
     শক্রর সম্মুখ-পানে,চির স্বাধীনতার টানে। 
          "শুধু প্রিয় মাতৃ জননীর আহ্বানে"।
ওরা কল্লোলিনীকে ও নিতে চাহি এই ঐশ্বর্য,
          নীরব বসিয়া,কিভাবে দেখি চাহিয়া?
                  কিভাবে করি তা সহ্য?
    ওরা নিতে চাই যে চির মাতৃকার ঐশ্বর্য!
        এই স্নিগ্ধ মৃওিকাতে,সমীরে,সলিলে
           যত স্মৃতি-বিস্মৃতি আছে মিশে,
           ওরা নিতে চাহি মাকে,মাতৃভূমিকে
         শক্ররা পশিল যে আমার এ দেশে।
            যায় চলে যাক মোদের এ প্রাণ,
  বৈরীদের বিরুদ্ধে হস্তে মোরা নিয়েছি কৃপাণ।
           জননীর বক্ষে ফিরব মোরা কবে?
   ফিরবো তবে, মায়ের মুখে হাসি ফুটিবে যবে,
            মাতৃভূমিতে 'মা' চিরভাবে রবে,
ওগো মা!ছেলেরা আছে স্বাধীনতার আহবে।
সহ্য করিয়াছি বায়ান্ন,ছিষট্টি,ঊনসওর ও সত্তর,
মাগো,তোমার চেতনায় বিজয় এনেছি অতি সত্বর।
         তোমার তনয়েরা রণক্ষেত্রে হিম্মত
           নিয়ে করিতেছে মরনজয়ী সমর,
           মাগো! এই চির স্বাধীন বাংলায়
         চিরকাল তারা হয়ে থাকবে অমর।
        মাগো! আঁখি মেলো,মেলো চোখের দু'পাতা,
     দেখো,তোমার জন্য এনেছি রক্তাক্ত চির স্বাধীনতা।
  ওগো মা! ত্রিশ লক্ষ আত্বজের হয়েছে লয়!
    তোমার নাহি আর ভয়,এনেছি চির বিজয়। 
 আজি হাসিবে গগনের চঞ্চল সবিতা,
ছেলেরা রচিত করিবে সহস্র স্বাধীনতার কবিতা।
আজি রজনীর ঐ স্নিগ্ধ সুধাংশু ছড়াবে কিরণ,
চির মাতৃ বাংলা চিরদিন শহিদদের করিবে স্মরন।
            অনন্তকাল বাংলার মুক্ত পবনে
       উড়িবে রক্তাক্ত রক্তিম সবুজ পতাকা,
       এক রক্তের মহা অর্ণবে মোরা পেয়েছি
 এই চির স্বাধীনতা,আমারদের এই চির স্বাধীনতা।

তারিখ:১৬-১২-২০১৮ ইং
সময়: রাত ১:৪৫ মিনিটে
উৎসর্গঃ সকল মুক্তিযোদ্ধাদের।

    নববর্ষ ১৫০০ সাল
     
আজি হতে শত বর্ষ পরে,
মহীতে থাকিব না,চলে যাব ঐ পরপারে।
মায়ার বন্ধন ছিন্ন করিয়া,রেখে যাব যত স্মৃতি,
থাকিব না ধরায়,যা প্রকৃতির চির রীতি-নীতি।
রেখে যাব সোশ্যাল মিডিয়াতে যত মোর স্মৃতি,
কবিভক্ত বেদনাকাতর,ছিল মম সনে প্রেম-প্রীতি।
আজি হতে শতবর্ষ আগে,
সোশ্যাল মিডিয়া মোরো স্মরণ করিত শত অনুরাগে।
কে কবি?হাজার-লাখো কবিদের ভীরে,
পাঠিয়েছি কাব্য সোশ্যাল মিডিয়ার নীড়ে।
কত না স্মৃতি জাঁগিবে?নবীন মানব যদি পড়ে,
তবে ধন্য মোর কবিতা,থাকিব ঐ পরপারে।
আজি হতে শতবর্ষ আগে,
পুষ্পিতার সনে প্রেম হয়েছিল আম্র বাগে।
প্রণয়িনী মোরে স্মরণ করিত শত অনুরাগে,
আজি হতে শতবর্ষ আগে।
বিরহিনীর বেদনার সুর বাঁজিত মোর বাঁশিতে,
কত না স্বর্গের সুখ আসিত দেখে প্রিয়ার হাঁসিতে?
কিশোর কবি লিখিত, গাহিত শুধু নন্দিনীর গান,
আজি হতে শতবর্ষ আগে,ব্যকুল ছিনু অনুরাগে।
আজি হতে শতবর্ষ আগে,
কতনা বৈশাখ পালিত করেছি প্রিয়ার সনে?
স্মৃতিগুলো পড়ে থাকবে রমনার বটে,
হঁটেছি প্রিয়ার নরম হস্ত ধরে মেঘনার ঘাটে।
আজি হতে শতবর্ষ আগে,
নবীন সাজে সজ্জিত হতাম পহেলা নববর্ষে,
কাঁটিয়েছি নন্দিনীর সনে হাজার হর্ষে-হর্ষে,
আজি হতে শতবর্ষ আগে,১৪০০ নববর্ষে।
আজি হতে শতবর্ষের আগে,
হয়তো ১৫০০ সালের বৈশাখ পাব না জীবন মাঝে,
তবে যেন নবীন মানবের মুখে এই কবিতা বাজে।
আজি হতে শতবর্ষ আগে,
সোশ্যাল মিডিয়া মোরে স্মরণ করিত শতঅনুরাগে
১৫০০ সালের নববর্ষে,
রমনার বটমূলে যেন ধ্বনিত হয় মোর এই কবিতা,
তোমরা দেখিও১ ৫০০ সালের প্রভাতের রবি,
মোরে দেখেছে ঐ সবিতা।
যেন রমনার বটমূলে ধ্বনিত হয় এই কবিতা।
আজি হতে শতবর্ষ আগে,
সুখি-সখা মিলে গিয়াছি মেলা,
হর্ষ করিয়াছি ১৪০০ সালের প্রতি নববর্ষ পহেলা।
আজি হতে শতবর্ষ পরে,
থাকিব না ভবে, চলে যাব ঐ পরপারে।
আজি হতে শতবর্ষ আগে,
সোশ্যাল মিডিয়া স্মরণ করিত শত অনুরাগে।
১৫০০ সালের নববর্ষ পাব না গো জানি,
ধন্য হবো, যদি নবীন মানব পড়ে এই কবিতাখানি।
          
তারিখ :১৪-০৪-২০১৯ ইং
সময়:বিকেল ৪ টায়।
আমার জম্ম ২০০১ সালে অর্থাৎ বাংলা ১৪০৭ সালে। কবিতায় এটাই ব্যক্ত করেছি যে ১৪০০ সালের নববর্ষ পেয়েছি কিন্তুু ১৫০০ সালের নববর্ষ হয়ত পাব না। তখন আমি হয়ত থাকিব না কিন্তু সোশ্যাল মিডিয়াতে ও আমার চ্যানেল,পেইজ,ওয়েবসাইট ও কাব্য থাকিবে ইনশাআল্লাহ।

        বালুয়াকান্দির কবরস্থানে
    
"জম্মিলে মরিতে হয়" জানি  চির বাক্যখানি,
কে কবে বাঁচে ভবে?তবে বাঁচিবে কবিতাখানি।
প্রিয়ার স্মৃতিগুলো বাঁচবে মহীতে আবহমান,
স্মৃতিজন একদিন ধরিত্রিকে জানাবে মহাপ্রস্থান।
কত না স্মৃতি গড়েছি?অবুজ ব্যকুল তৃষ্ণার্ত প্রাণে,
জীবন ঘড়ি থেমে যাবে পরে চির ঘুমে কবরস্থানে।
এই পূত কলেবর মৃত্তিকা কভু করিবে না গ্রাস,
প্রভুর রাহে মুজাহিদ লাশ চির অক্ষত কর বিশ্বাস।
         জিহাদের রণক্ষেত্র থেকে আসিবে
          ফিরে রক্তাক্ত রঞ্জিত মোর দেহ!
          মোরে ভাবিয়া অশ্রুপাত যেন না করে
           না যেন করে আক্ষেপ কেহ।
ওগো প্রিয়া!তুমিও তখন ফেলিও না নয়ন জল,
তাহলে মুচে যাবে কাজলমাখা আখির কাজল।
জানি তখন মনে পড়ে যাবে কত না স্মৃতি?
বলবে, প্রভু কেন করিলে সমাপ্ত পূত প্রেম-প্রীতি?
তোমাতে মোর মায়ার বন্ধন বাঁধিয়াছ তোমা প্রাণে,
ভাবিও তুমি চিরতরে ঘুমাব তোমা হৃদ কবরস্থানে।
 হঠাৎ একদিন তোমাদের জানাব মহাপ্রস্থান,
আসিব না ভবে,মোরে পেয়ে ধন্য হবে বালুয়াকান্দির গোরস্থান।
মুজাহিদ আজি শহিদ,আজি চির শান্ত,
এ পথে চির সংবরণ ইহা নয় কভু ভ্রান্ত।
ওগো প্রনয়িনী! তোমা অপেক্ষায় ছোট ঘুম ভূমে,
আসিও ত্বরায় কাঁটাব প্রহর তোমার পরশ প্রেমে।
দুটি মায়ার বন্ধন সৃজন এই পূত দুটি প্রাণে,
হঠাৎ একদিন মিলন হবে বালুয়াকান্দি কবরস্থানে।
মোর কবরের সনে দিও তার কবর শুন ওরে ভাই,
প্রিয়ার রূপ দেখিব,গল্প করিব যেন পাশে পাই।
তোমরা দিও একসনে দুজনার কবর,
যেন মোরা নিতে পারি দু'জনার খবর।
হঠাৎ একদিন  চিরতরে ঘুমাব বালুয়াকান্দির কবরস্থানে,
তখনও যেন প্রভু দু'জনের মিলন হয় একই প্রাণে।

তারিখঃ২১-০৬-২০১৯ ইং,
সময়ঃ বেলা ১১ টায়

বাংলাদেশের ২য় বৃহত্তম কবরস্থান আমাদের ঐতিহ্যবাহী বালুয়াকান্দি ইসলামী কমপ্লেকের বালুয়াকান্দি গোরস্থান।
গত ৫-১২-২০২৩ ইং আমার মা Stomach Adenoma Carcimona ক্যান্সার আক্রান্ত হয়ে ইন্তেকাল করেছে!কবরস্থানের ৫ নং ব্লকের ৩৫ নং কবরটি মায়ের আর ৩৫ নং কবরটি আমার বাবার জন্য নির্ধারন করে ক্রয় করা হয়েছে।৩৬ ও ৩৭ নং কবরটি আমার ও আমার সহধর্মিনী যদি বিয়ে করি তাহলে এই দুটো কবরের জায়টা আমার নিজের উপার্জিত টাকায় ক্রয় করে রেখেছি ইনশাআল্লাহ।আর এই নির্ধারিত কবরের পশ্চিম পাশের ২০০ মেহগনি গাছ ২০১৯ সালে আমি নিজ হাতে রোপন করেছি।আমার লাগানো গাছের ছায়াতলে আমার মা ও হাজার-লাখে মাইয়্যত ঘুমিয়ে জান্নাতের এই বাগিচায়! একদিন আমিও ঘুমিয়ে থাকবো কিন্তুু গাছগুলো বেঁচে থাকবে ইনশাআল্লাহ।আল্লাহ কবুল করুক,আমিন।


         বালুয়াকান্দির গোরস্থান
           
পাব নাহি তোমা আমি,বাসসি ভালো ওগো রাণী,
পল্লীর মধ্যে তুমি রাণী,তোমা নিয়ে করছে যুবা টানা-টানি।
এত কাছে তুমি,বাসলাম ভালো হলো না জানা-জানি,
কাব্যে নিয়ে খেলছি তোমায়,করছি কানা-কানি।
উত্তর প্রান্তে মম নিকেতন,দখিনা প্রান্তে তুমি রাণী,
দিব্যাঙ্গনার রূপের ছটা,তোমায় নিয়া করছে টানা-টানি।
আমার বুকে কত আশা?তোমার বুকে ভয়,
এত কাছে তুমি রাণী?হয় নি আজও পরিচয়।
কাঁদছি আমি,কাঁদে এ মন, মম চোখে জল,
কেঁদ না গো রাণী তুমি,মুছে যাবে তোমা কাজল।
নাহি দিলে দেখা তুমি, নাই বা দিলে মন,
আসব ছুটে তবু রাণী,বিপদ মাঝে করিও স্মরণ।
বুজলে না গো রাণী তুমি----------------
কূল ভেঙ্গেছে আমার ধারে, তোমার পাড়ে নয়,
আমার বাঁশির সুরে,হলো না গো তোমার হৃদয় ক্ষয়।
লিখে গেলাম,চেয়ে গেলাম,গেয়ে গেলাম তোমার গান,
তবু রাণী পাইনি কভু তোমার মনে কভু স্থান।
গান ফুরালে যাব যবে,বাঁশির সুর বাজবে ভবে,
বিদায় বেলা পড়বে মনে,মহা দিবসে দেখা হবে।
ওগো রাণী!তোমায় জানি গো জানি,
তোমায় নিয়া করে লোকে টানা-টানি।
বিদায় বেলায় যদি গো পাই, তোমার দেখার দান,
এই তো রাণী পেয়ে যাব তোমার হৃদয়ে মোর
কবরের স্থান।
ওগো মোর পল্লীর রাণী!
পেলাম না গো তোমার দেখা,
দুঃখের কাব্য হলো লেখা।
দিলে না গো দেখা তুমি, বললে না গো কথা,
জানলে না গো রাণী তুমি, আমার মনের ব্যথা।
তোমায় নিয়ে লিখে গেলাম, গেয়ে গেলাম গান,
তোমায় আমি বাসসি ভালো, কাঁদল যে মোর প্রাণ।
নাই বা পেলাম প্রিয়া তোমায়, চেয়ে গেলাম,গেয়ে গেলাম গান,
একদিন তোমায় পেয়ে যাব,লোকে তোমায় নিয়ে যাবে বালুয়াকান্দির কবরস্থান।
জীবন ফোরালে লোকে তোমায় করবে তাতে দান,
তোমার-আমার জন্য রাণী  চিরকাল বালুয়াকান্দির গোরস্থান।

তারিখঃ১৩-০৮-২০১৯ ইং
সময়ঃসকল ৭ টা ৪৫

        পল্লীর রূপের রাণী
       
খুজেছি বহু পথে-পল্লীতে জড়াব বলে অন্তরে,
আজি পেয়েছি তারে মম পল্লীর দখিন প্রান্তরে।
এ যে দীব্যাঙ্গনা!যেন মুখখানি পূর্ণিমাতিথির চাঁদ,
সেদিন কুঞ্জে পহেলা দর্শনে হৃদে জম্মিল তার প্রতি অনুরাগ।
উড়ছে লম্বা এলো অলক,পড়ে নাহি মম পলক,
কি হে তাহার রূপের ঝলক?পড়িয়াছে যে নোলক।
রাঙ্গা চরনের নূপরের ঝুমুরে হৃদে লাগিয়াছে দোল,
তাহার কায়ার হাওয়ায় ভাঙ্গল যে মোর হৃদয় কূল।
একাকীত্বে বহু বছর ছিনু কবে পাব তাহার দেখা,
অপেক্ষায় যবে দেখিব হবে তাহার রূপের কাব্য লেখা।
সেদিন নির্জন কাননে তাহার
দৃষ্টির উপর ফেলিয়া মম দৃষ্টি,
ঈক্ষণের ভাষায় বুজিয়াছিনু চৈতন্য,
যেন তাহার সনে হৃদের বন্ধন হয় সৃষ্টি।
তুমি আসবে বলে অপেক্ষায় ছিনু হৃদয় নীড়ে,
তোমার মাঝে মিশেছিনু আজি এসেছি হৃদ গভীরে।
তোমার মাঝে লুকায়িত মম যত কবিতার ছন্দ,
ওগো প্রয়সী!তোমা হৃদয় দ্বার কভু করিও না বন্ধ।
শুন ওরে ভাই! পুষ্পিতা দেখিতে কিন্তু মন্দ না,
এ পাষাণে পাবার জন্য যুগ-যুগ ধরে করিয়াছি বন্দ না।
চন্দ্রনা কোনো কালেও কিন্তুু অন্ধ না,
মোর কাব্যের নন্দিনী কিন্তুু দেখিতে মন্দ না।
এত রূপ তাহার, এ রূপে দ্ধগ্ধ হয় মোর আঁখি,
যেন রূপ কেহ না দেখে, মম হৃদ পরশের চাঁদরে ডাকিয়া রাখি।
সে যে মোর পল্লীর রূপের রূপসী রাণী,
কাব্যে নিয়ে খেলি তারে করি টানা-টানি।
এত কাছে ছিলে তুমি ওগো মোর রাণী?
কাছে থেকেও দুজনার হয় নি কভু জানা-জানি।
আমার চোখে বয়ে চলে তোমা রূপের কায়া,
হঠাৎ করে মম হৃদয় মরুতে ফেলিলে তোমা ছায়া।
যদি কভু ভ্রান্তি করি যেওনা দূরে করিও না রাগ,
সুখের আচলে বাঁধিয়া রাখিও দিও না ব্যাথার দাগ।
মোর বাঁশির সুরে আসিও কুঞ্জে,বসিও হস্ত ধরে,
একদিন তোমায় চিরতরে বধূ করে নিব মম ঘরে।
তুমি যে গো মোর পল্লীর অপরূপের রূপসী রাণী,
তোমার সনে প্রেম বাধিয়াছে বাঁধন প্রভু, তা জানি গো জানি।
তোমায় দেখিয়া বারে-বার মিটে নহে আঁখির তৃপ্তি,
অনন্তকাল থাকিও পাশে দিও মোরে ভালোবাসার যত দীপ্তি।

তারিখঃ ১৬-১২-২০১৯ ইং
সময়ঃ রাত ১১ টা ৩০ মিনিট



        হঠাৎ পুষ্পিতার জন্য

এই কলেবরে মিশে আছে
পুষ্পিতার পবিত্র হস্তের ছোয়া,
তুমি বল পুষ্পিতা মম এই হাত
দিয়ে কি পাপ করিতে পারি কভুয়া?
এই হস্ত ছোয়ে দিয়ে যেত
পুষ্পিতার লম্বা কালো এলো চুল,
মোর এই মরু তৃষ্ণার্ত হৃদয় ছিল
পুষ্পিতার পরশ প্রেম পাবার জন্য ব্যকুল।
পুষ্পিতার মায়াবী দৃষ্টিতে,সুখের হাসিতে,
পুষ্পিতাকে ইন্দ্রজালে বন্দী করেছি মম বাঁশিতে।
যবে নাহি ছিলুম ভবে পুষ্পিতা চিনত মোরে,
পুষ্পিতাকে দূরে থেকে ডাকিতুম মম বংশীর সুরে।
হঠাৎ পুষ্পিতার হৃদে লাগিল মম বংশীর সুর,
সুরে ব্যকুল হয়ে পুষ্পিতা আসিল হৃদয়পুর।
হঠাৎ অভিমান করিয়া পুষ্পার সুভাশ করিল বন্ধ,
পুষ্পিতা আর ফুটিল না,হয়ে গেল মম ভূবন অন্ধ।
পড়ন্ত বেলায় বিষন্ন হয়ে এলো অলক মেলিয়া,
হয়ত পুষ্পিতা ভাবে যেদিনগুলো এসেছে ফেলিয়া।
আমায় ভেবে পুষ্পিতা চেয়ে থাকে
আমি কখন আসব এই খোলা প্রান্তরে,
পুষ্পিতার যত দুখ সব দূর করিয়া দিব
অপেক্ষায় থাকে, পুষ্পিতা জড়াবে অন্তরে।
মায়ার বাঁধন  কভু কি গো  যায় ছেড়া?
জানি গো পুষ্পিতা,কষ্টের অম্বরে মোরে ছাড়া।
ওগো পুষ্পিতা! রজনীতে দেখি তুমি ঐ
অন্তরীক্ষের দখিনের প্রজ্বলিত তারা,
কথা হয়, অপেক্ষায় থাকি কখন উদিত হবে
জানি গো পুষ্পিতা, সঙ্গীবিহীন তুমিও দিশেহারা।
আমায় ভেবে তাকিয়া দেখে হয়ত
আমি সেই রক্তিম বিকেলের সবিতা,
পুষ্পিতা এখনও কথা বলে মোর সনে
আর আমি রচি পুষ্পিতার রূপের কবিতা।
দিয়ে গেলে বক্ষে  ব্যাথা,
ভিজে আছে দু'চোখের পাতা,
দিবস-শর্বরী গেল,পঞ্চ বছর গত হলো,
এলো না যে মোর ভালোবাসার পুষ্পিতা।
মন আকাশে লোকো-চুরি করে বেদনার মেঘ,
বেদনারা সঙ্গী আজি,হায় মোর ভালোবাসার আবেগ।
ত্বরায় ছুটে এলুম দেখে তোমা এলো কেশে,
ভালোবেসে মন আকাশে ব্যাথার মেঘ
দিলে অবশেষে।
আজি চির পরাজিত কিশোর কবি, কবি রাণীর কাছে,
ছলনাময়ী-নাট্যময়ী তনয়ার প্রেমে
অবশেষে ব্যাথা ছাড়া কি মম আছে?
সাহিত্যাঙ্গনে তুমি বিনে চির শূন্য,
আও মেরে পুষ্পিতা! অপেক্ষায় রহিনু তোমা জন্য।
"পুষ্পিতা বাগ মে,বাহার কি আগ মে,
ভরা দীল দাগ মে, কাহা মেরে পিয়ারা,
আও-আও পিয়ারা, ও মেরে পিয়ারা। "
পুষ্পিতা বিনে মেরে জিন্দেগী বাহুত দিশেহারা,
মোজে মাফ কারো,আজি আও-আও পিয়ারা,ও মেরে পিয়ারা।

তারিখঃ ১৪-০১-২০২০ ইং
সময়ঃ বিকেল ৫ টায়


       কত বসন্ত আসে,আস না তো তুমি
  
অদ্যাপি স্মৃতি নাড়া দিয়ে যায় আসাদ স্মৃতির দর্পণে,
ভুলিতে নাহি পাড়ি পুষ্পিতাকে বাসন্তীর আগমনে।
আম্র কাননে এমনই বসন্তের দিনে তার সনে,
গল্প-হাসি-উল্লাস করিতুম মনে পড়ে আজি বাসন্তীর আগমনে।
বৃক্ষরাজি আজি সজ্জিত বাসন্তীর ফুলে-ফুলে,
আজি শূন্য আম্র গহন নাহি পুষ্পিতা গেল চলে।
মোরে দেখিয়া এলো অলক মেলিয়া আসিত পুষ্পিতা প্রেম গহনে,
আজি বার-বার পড়ছে মনে বাসন্তীর আগমনে।
কি ব্যাথা দিয়ে গেল হৃদয়পুরে জ্বলছে আগুন?
কত দিবস-রজনী যায় আস না তো তুমি আসে বার-বার ফাগুন।
ফাগুনের পাখি আসে গেয়ে যায় সুমধুর গান,
গানের সুরে নাচিয়া ভ্রমরে ভরে যায় সব বাগান।
আমারও মুখে এমনই বসন্তরাগে ধ্বনিত হত যে গান,
আজি মম বাঁশিতে নাহি সুর করিলে মোরে অপমান।
আজি এই বসন্তের দিনে বার-বার তোমায় পড়ছে মনে,
আম্র গ্রহনে বসিয়া কত গল্প করিতুম তোমা সনে।
এই আগুনঝড়া ফাগুনে হৃদ গহীনে পড়ছে মনে,
বসন্তদূত আসে, আস না তুমি বাসন্তীর আগমনে।
অদ্যাপি অপেক্ষায় রহিনু এই বাসন্তীর দিনে,
আবারও কি মিলন হবে দু'জনার আম্র গহনে?
বাসন্তীর আগমনে আজি আম্র কাননে পাখিদের মেলা,
পাখিদের গানে-গানে বিরহে কাঁটে মম সারা বেলা।
তুমি পুষ্পিতা আস না তো এপাড়ে, কত বসন্ত আসে,
পঞ্চ বছর গেল, ভাবিও তুমি আসাদ আজও তোমায় ভালোবাসে।

তারিখঃ ১৮-০২-২০২০ ইং
সময়ঃ সকাল ১১ টায় (আম বাগানে বসে)


       অপরূপের চাঁদ 
           
স্নিগ্ধ জ্যোস্নার যামিনীতে
কতটুকু জ্যোস্না ঝড়ে আর?
তুমি মম হৃদ অন্তরীক্ষের চন্দ্রমা
এই সুধাংশুকে খুজি বারে-বার।
ঐ ত্রিযামা অম্বরের হিমাংশুর হাসি
দেখে কতটুকু হর্ষ আর পাই?
মোর মনোমুগ্ধকর পল্লীর অপরূপ দিব্যাঙ্গনার ন্যায় মহীতে কেহ নাই শুন ওরে ভাই।
এ কি রূপ তাহার?এ রূপে দগ্ধ মোর আঁখি,
যেন রূপ কেহ না দেখে, পরশ চাদরে ডেকে রাখি।
মেহেদী রাঙ্গা পদের ঝুমুর-ঝুমুর নূপুর সুরে,
হর্ষের গান গাহি, পুলকের ঝড় হানা দেয় হৃদয়পুরে।
এলো অলক যবে দখিনা বাতায়নে উড়ে,
প্রভঞ্জন এলো চুলে খেলার লাগিয়া তাহার সনে সতত চড়ে।
এই ঝুম-ঝুম নূপুরের ধ্বনিতে ভরদুপুরে
বসন্তের বসন্তদূত সুর দেয় গানে,
আর কবি বসে কবিতা রচে বসে আম ও নিম বাগানে।
ওগো প্রিয়সী! জনম-জনম এই পথ দিয়ে
এলো অলক,নূপুর ধ্বনি বাজিয়ে যেন আস,
তোমা দেখে কবিতা রচিব,বাঁশের বুক ফাটিয়ে সুর দেব হয়ত ভালো বাস কি না বাস।
তবু তুমি সতত প্রহ্যত এই নীরব-নির্জন পথে আস।
যবে আঁখি সামনে পহেলা দেখি
তোমা এই অপরূপ রূপের ছবি,
এই রূপে দগ্ধ হয়ে হয়েছি ব্যকুল,
হয়ে গেছি অজান্তে তোমার কবি।
যদি কোনো এক ভরদুপুরে ক্লাস ফাঁকি দিয়ে
সবুজের লীলাভূমির নিভৃতে-নির্জনে,
তোমা নরম হস্ত ধরে আস্তে-আস্তে হেঁটে যাব
হৃদয়ের সব কথা বলে দিব তোমা ঐ মনে।
প্রকৃতির নির্জনে-নিভৃতে শুধু তোমা সনে,
তোমা ঐ বাক্য শুনে যেন পুলকে  ঝড় ওঠে মোর প্রাণে।
ওগো প্রনয়িণী!মোর হৃদ গগনে যেন চিরকাল জ্বলে এই রূপের অপরূপ চন্দ্র,
প্রভু হে! মম পল্লীর নন্দিনী এই রূপ দেখি যেন সদা চিরকাল, করিও না কভু মোরে অন্ধ।
                     
তারিখঃ২১-০৬-২০১৯ ইং
সময়ঃ  রাত  ১টা ৩০ মিনিটে,জ্যোস্নার রাতে ছাঁদে বসে


              স্বপ্ন-সহচারী,শূন্য পূজারী
          
এত দিনে এলে এ অবেলায় ওগো স্বপ্ন-সহচারী!
হৃদ মন্দিরের বন্দনা করিয়া আজি শূন্য পূজারী।
তোমা ক্ষন নব যৌবনাতে
অনন্তকালের চিরন্তন সঙ্গিনী,
এ অবেলায় আসিয়াছ তুমি?
নাহি ব্যকুল প্রেম শূন্য ভিখারিনী।
আশাহত জীবনাতে ক্লান্ত,বিদগ্ধ
এত দিন ছিনু অধীর অপেক্ষায় তোমা আশায়,
ওগো স্বপ্ন-সহচারী! সুদূরিকা, দূরে-দূরে থাক
জড়ালে না মোরে ইন্দ্রজালের ভালোবাসায়।
তোমা নাম নাহি জানা, ওগো স্বপ্ন-সহচারী
সতত করিয়াছি তোমা হৃদের বন্দনা,
ওগো মম প্রেম প্রেয়সি!ক্ষন যৌবনাতে
তুমি মোর হৃদ ভূবনের প্রজ্বলিত চন্দ্রনা।
তৃষাতুর হৃদে,শুষ্ক স্বপ্নময় আঁখিতে
তোমা লাগিয়াছে মোর বড় যেন ভালো,
চির অপেক্ষায় কাঁটিয়াছি সতত প্রহর
ভাবিয়াছি হৃদ মন্দিরে জ্বালিবে প্রেমের আলো।
প্রেম সত্য,সত্য মম বাণী,প্রেম সত্য চিরন্তন
প্রেম পাত্র চিরন্তন এ ধরিত্রিতে নয়,
তবু বাঁশির বুক ফাটিয়া তোমা ডাকি
যেন সুর হৃদে লাগে যেন তোমা সনে প্রেম হয়।
ওগো স্বপ্ন-সহচারী!আজি আসিলে এ অবেলায়?
সতত দিবস-শর্বরী তোমা ভেবে ছিনু সারা বেলায়,
প্রেম পূসুন শুকিয়ে গেছে,বকুল মাল্য ছিড়ে গেছে
সুর থেমে গেছে, আজি আমি আছি মরন-বেলায়।
কবি অধীর অপেক্ষায় ছিনু তোমা প্রতীক্ষায়,
হৃদ তৃষ্ণা মিটে যাবে তোমা সুখময় ভালোবাসায়।
অপেক্ষায় ছিনু হৃদ মন্দিরে হয়ে প্রেম পূজারী,
নাহি তোমা লভি যৌবনাতে ওগো স্বপ্ন-সহচারী।
যবে স্বপ্নে দেখিয়াছিনু তোমা, মনে পড়ে ত্রিযামা,
তোমা বন্দনা করি,তুমিই জীবনাতে মম প্রিয়তমা।
তুমি আজি এলে এ অবেলায়,ওগো স্বপ্ন-সহচারী,
কি তোমা দিব এ মরনবেলায়,আজি শূন্য পূজারী?
                         
তারিখ:০৩-০৬-২০১৯ ইং
সময়:সকাল ১১ টায়

        তুমি কাছে থেকেও দূরে
 
তুমি আজি কাছে থেকেও দূরে,
তোমা চরনের নূপুর বাজে হৃদয়পুরে।
জানল না কেহ ছিলে যে এই মনে,
উত্তরে ছুটে এসেছ দখিনা প্রভঞ্জনে।
প্রভাতে দেখব বলে এই নিম বনে,
তুমি আসলে চেনা সুভাস পাই পবনে।
সবুজের খোলা দখিনে সতত থাকি চেয়ে,
কেন ছিন্ন কর,তাকাও না কেন ওগো মেয়ে?
মোর বংশীর সুর বাজে তোমা কর্নে,
সুর হৃদে লাগে তবু কেন আস না এই অরন্যে?
তুমি কাছে থেকে আজ দূর-বহুদূর!
বাঁশির সুরে তোমা ডাকি আস না হৃদয়পুর।
 ঐ চন্দ্রমাখা মুখ দেখব বলে,
  পরাণে সুখ লাগবে বলে,
সতত বসে থাকি নিম কুঞ্জের ছায়াতলে,
করিও মোরে সঙ্গী, রাখিও নয়নের কাজলে।
কভু ফেলিও না নয়নের জল,
পড়ে যাব আমি, মুছে যাবে তোমা কাজল।
এত কাছে থেকেও নাহি দেখি তোমা!
দূরে-দূরে কেন থাক ওগো মম প্রিয়তমা?
এত হেতু,দাও না কেন দেখা ওগো রূপবতী?
যদি বা নায় দিলে দেখা, ওগো লজ্জাবতী।
ওগো লজ্জাবতী!তোমা বিনে কাঁটে না বেলা,
নিয়তিতে আছে কি লিখন তোমা মাঝে লীলা?
কেনই বা দিলে দেখা আজি এই অবেলায়?
আমি মরনবেলায়,দেখা যদি না হয় মিলনমেলায়।
 কাছে আসিও,করিও মোর সনে আলাপন,
যদি  নাই থাকে লিখন দু'জনার জীবন-যাপন।
তবে কেন হে দূরে-দূরে থাক ওগো সুদূরিকা?
তুমি কেন এত চঞ্চল ওগো মেঘবালিকা?
এত কাছে থেকেও তুমি আজি বহু-দূরে,
জানলে না গো প্রিয়,তুমি মম হৃদয়জুড়ে।
মোর নয়ন কোনে থেকেও তুমি পুষ্পিতা,
এ ব্যথায় রচিলাম বিরহের ব্যর্থ কাব্য অপরিচিতা।
এত কাছে থেকেও তুমি রইলে মোর অজানা,
হৃদ পিঞ্জর ছিন্ন করিয়া গগনে মেললে ডানা।
তুমি যে মনে এ কথা জানলা কেহ,জানে মন,
তোমা অজান্তে তোমা লাগি কাঁদি প্রতিক্ষন।
এত কাছে থেকেও তুমি আজি বহু-দূর,
ডাকি তোমা লাগে না কি পরাণে  সুর?
ওগো নন্দিনী,থাকিও না আর ছিন্ন করে বহু-দূর,
সব বাঁধন ছিন্ন করিয়া এসো মম হৃদয়পুর।

তারিখঃ০৯-০৮-২০১৯ ইং
সময়ঃরাত ৭ টায়
(ফার্মগেইট থেকে রেটিনা মেডিকেল  এডমিশন কোচিং করে  তেঁজগাও রেল স্টেশন থেকে আমাদের ইউনিয়নের  আমীরগঞ্জ স্টেশনে রাতে তিতাস ট্রেনে আসার সময় দাড়িয়ে-দাড়িয়ে লিখলাম, আমার সিটটা দিয়েছিলাম এক দাদিকে)

কবি গুরু, প্রেমিক কবি কাজী নজরুল ইসলামের ২য় প্রেমিকা ছিলেন ঢাকা বিশ্ব বিদ্যালয়ের গনিত বিভাগের মেধাবী ছাত্রী ফজিলাতুন্নেছা। কবি তাকে ভালোবাসতেন কিন্তু ফজিলাতুন্নেছা কবিকে পাত্তা দেননি। কবি গুরুর অন্যতম কাব্য " সঞ্চিতা" ফজিলাতুন্নেছাকে উৎসর্গ করতে চেয়েছিলেন কিন্তুু সে অনুমতি দেয় নি। ফলে কবি গুরু ব্যথিত হন।
আর এখানে আমি এই দুই চরনে বলতে চেয়েছি যে,

"মোর নয়ন কোনে থেকেও তুমি পুষ্পিতা,
এ ব্যথায় রচিলাম বিরহের ব্যর্থ কাব্য অপরিচিতা।

অর্থ্যাৎ,কবি গুরুর সেই কাব্য যেমন ব্যর্থ হয়েছিল ঠিক যেন আমিও ব্যর্থ কাব্য রচিলাম।

বলে রাখা ভালো, কবি নজরুল ইসলামের ১ম প্রেমিক ও বউ  কুমিল্লার নার্গিসকে যেদিন বিয়ে করছে সেদিন রাতেই কবি চলে এসেছে!দীর্ঘ ১৬ বছর নার্গিস অপেক্ষার ছিলো কিন্তুু কবি আর ফিরে আসে নি!পরে নার্গিসকে বিয়ে করে আমাদের নরসিংদীর,রায়পুরার আমাদের এলাকার নজরুল ধারার কবি আজিজুল হাকিম।

             প্রথম প্রেম-প্রিয়া-পদ্য
              
প্রেম যাহাতে নাই বিষন্নতায় ভোগে সেই জন,
মায়ার বন্ধনে প্রেমিক দিতে পারে প্রাণ বিসর্জন।
আঠারোর প্রাচীর ভাঙ্গিয়াছে সব যুবক-যুবতী প্রেমে
বিজয়-বিজয়িনী ধন্য এ আহবে,তবু যায়নি থেমে।
এ যে স্রষ্টারই দান,এই পিরিত করিয়াছে
বসুমতীর প্রথম মানব আদম-হাওয়া,
সেই রীতিতে সব মানবের এই মিনতি চাওয়া,
আদম-হাওয়ার সূত্র ধরে প্রেমিক-প্রেমিকাকে পাওয়া।
আঠারোতে প্রদার্পণ করিয়াছি যেই জন,
হৃদয়ক্ষেত্রে সেই জন সৃজন করেছে প্রেম কানন।
ব্যকুল পরানের যৌবন তৃষ্ণা মিটিয়েছে প্রেমে,
আঠারোর এ তেজী চিত্র  বাঁধিয়াছে হৃদ ফ্রেমে।
এই প্রথম প্রেমে, প্রথম প্রিয়াকে নিয়ে,কবিরা রচিয়েছে জীবনের প্রথম পরশ কাব্য কবিতা,
আঠারোর তৃষ্ণা মিটে পেয়ে রূপমুগ্ধ দুহিতা,
সব প্রেমিক চাহি করতে তাকে জীবনাতে বণিতা।
আহ!সব তনয় মায়া-প্রীতি দিয়ে হৃদ
 মাঝে অঙ্কিত  করে প্রথম তনয়ার ছবি,
কেহ পারে না মুচিতে সেই ছবি, কেহ হয়
আবেগী, কেহ শিল্পী, কেহ হয়ে যায় কবি।
লাইলী-মজনু কেহ কাইকে পাই নি! তাদের
মতো করে কোনদিন কেহ কাউকে কভু পাবে না,
প্রথম প্রেমের প্রথম প্রিয়াকে কেহ কভু পাই না,পরাজিত প্রিয়ার রণে স্মৃতি তবু রয়ে যায় প্রাণে।
প্রথম প্রেমের প্রথম প্রিয়া যে কবিতা দিয়ে যায়,
সেই কবিতা  অন্তকাল প্রতিটি প্রমিককে কাঁদায়।
প্রথম প্রিয়া যে পদ্য দিয়ে নেয় চির বিদায়,
প্রথম প্রিয়ার পদ্য জানম-জনম প্রেমিককে কাঁদায়।

তারিখঃ ২২-০৬-২০১৯ ইং
সময়ঃ রাত ৩ টায়

        তুমি এমনই একজন
     
প্রভু বাঁধিয়েছে তোমাতে মম এই পূত মন,
রূপবতীর রূপমুগ্ধ তুমি এমনই একজন।
কোটি নন্দিনীর মাঝে তুমি এমনই একজন,
তৃষ্ণার্ত মন তোমায় দেখার লাগি করে ছন-ছন।
বাসন্তীর বসন্তদূত হয়ে পুলকিত করেছ প্রেম বন,
রাঙ্গা পদের নূপুর ধ্বনিতে জাগল মোর এই মন।
এই মায়াবী হাসিতে তোমাতে পাই স্বর্গের চির হর্ষ,
প্রভু হে!দিও জিন্দেগি দু'জনাতে হাজার-কোটি বর্ষ।
তোমার হৃদ মন্দিরের প্রেম পূজা করে মম মন,
এই ধরনীর মাঝে তুমি এমনই প্রিয়সী একজন।
তুমি এমনই একজন রচি যত মোর কাব্য-কবিতা,
লিখন আছে কি ভাগ্যে তুমি মম চির বণিতা?
নজরুল, রবি ঠাকুর,কালিদাস,সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়ের মুখে ধ্বনিত হয়েছে তোমা কথা,
এই নন্দিনীর রূপ দেখে যত কবি রচিয়েছে কাব্য,
তবু বৃথা গেল কবিদে প্রেম!বৃথাও লিখন মোর ভাগ্য।
তুমি এমনই একজন, তোমার লাগি ব্যকুল এ মন,
তৃষ্ণার্ত হৃদয় করে ছন-ছন, হয় শুধু তোমার স্মরণ।
তুমি এমনই একজন চির প্রেমময় কাব্যের দুহিতা,
এই কাব্য দেখে-দেখে রচিত করে কবিরা কবিতা।
কোনো কালে কোনো কবি নাহি পেল
এই প্রেম প্রয়সীর প্রেমের রণে চির জয়,
ব্যর্থ প্রেমের আহবে কত কবির হৃদয় হলো লয়?
তোমার হৃদয় ক্ষেত্রের হৃদ রনাঙ্গনে পরাজিত কবি,
তুমি ছলনাময়ী,হৃদয় ভঙ্গুরী,অভিনয়ী,তুমি সবি!
তুমি এমনই একজন,তোমার লাগিয়া কাঁদে মন,
ব্যর্থ প্রেমে আজি সৃজন করিয়াছি কাব্যের কানন।
ধরনীর মাঝে তুমি শুধু এমনই  একজন,
তোমার এই প্রেমের লাগিয়া দিয়াছি সব বিসর্জন।
তুমি মোর নয়ন মাঝে এমনই একজন,
তোমার লাগিয়া কাঁদে মন জনম-জনম।।
                     
তারিখ: ০৯-০৪-২০১৯ ইং
সময়: বেলা ১২ টায় নিম বাগানে বসে

            তুমি বুজলে না মোর ভাষা
         
তুমি প্রিয়া বুজলে না গো,বুজলে না মোর ভাষা,
বুজলে না স্বপ্নময় নয়নের ভাষা,মিটল না তৃষাতুর হৃদয়ের আশা।
তুমি প্রিয়া বুজলে না গো,বুজলে না মোর ভাষা,
এত কাছে তুমি?তবুও ললাটে নাহি লিখন এই পাষাণের ভালোবাসা।
বারে-বারে ফিরে আসি,
নাহি বক্ষে হিম্মত এ কথা কেমনে বলি?
সতত যেমনি তোমা কায়ার ছায়া ছুটে তোমা পিছু,
এ পাষাণে তেমনি তোমা অজান্তে তোমা পিছু চলি!
তোমায় নিয়ে যত মম প্রেমের গানের কলি,
তবু নাহি বক্ষে হিম্মত এ কথা কেমনে বলি?
যে নন্দিনী নাহি বুজে আঁখির ভাষা,
তার সনে কি কভু হয় হৃদয়ের ভালোবাসা?
এই নন্দিনী হয় কি কভু জীবন সঙ্গিনী?
এ আশা মোর ভ্রান্তি,সে তো নয় চির অর্ধাঙ্গী।
যে প্রিয়া নাহি বুজে চোখের ভাষা,
তার সনে কি কভু পিরিত হয়?
যে নন্দিনী অন্তর নয়নে নাহি দেখিতে পাই
নন্দনের পূত হৃদয়।
ওগো প্রিয়া!এত কাছে ছিলাম,
 যত কাছে তোমার কায়ার ছায়া,
ছায়া মতো নিয়েছি পিছু,কেন লাগে তোমা প্রতি এত মায়া,পাগল মোরে করিলে কি দিয়া?
সবই ভ্রান্তি, ভ্রান্তি মম কেন দেখিলাম স্বপন তোমা নিয়া?
আজি বুজিলাম ব্যর্থ আমি, পরাজিত,
ব্যর্থ প্রেম,তবু বিজয়িনী এই প্রিয়া।
এ তো রে প্রেম নয়,বুজে না চোখের ভাষা যে প্রিয়া,
 এ তো রে মহা ভ্রান্তি, স্বপন দেখা এমন প্রিয়াকে নিয়া!
তুমি বুজলে না গো, বুজলে না মোর ভাষা,
এই প্রেম ভিখারীর জীবনাতে এলো না ভালোবাসা।
তুমি বুজলে না গো, শুনলে না মোর পূত হৃদয়ের আশা,
ব্যর্থ আমি চির পরাজিত,তুমি তো বুজলে না মোর চোখের ভাষা।
আজি আমি ভাসি আমারই চোখের লোনা জলে,
দিলে না প্রেম, লুটিয়ে পড়ি তোমা চরন তলে।
আজি বুজেছি, বুজেছি বিজয়িনীর নিঃণ্ঠুর হাসি,
কভু আর এই পরাজিত পাষাণে বলিবে না তোমা যে এত ভালোবাসি।
তোমা কায়ার ছায়ার মতো এত কাছাকাছি!
ব্যর্থ প্রেম,পরাজিত কবি, তাই করি আহাজারি।
ব্যর্থ প্রেম,নিঃন্ঠুর নিয়তি, ব্যর্থ এই প্রেম পূজারী,
এত প্রেম বক্ষে ছিল,ব্যর্থ প্রেমে আজি পাগল প্রেমিক চির ভিখারী।
যে প্রিয়া নাহি বুজে আকুতিময় নয়নের ভাষা,
তার সনে কি হয় কভু হৃদয়ের ভালোবাসা।
তুমি প্রিয়া বুজলে না গো, বুজলে না মোর ভাষা,
কভু আর হবে না গো এই পাষাণের জীবনাতে ভালোবাসা।

তারিখঃ ০১-০৮-২০১৯ ইং
সময়ঃ রাত ১১:৪০ pm

      তুমি বুজলে না মোর ব্যথা
           
তুমি বজলে না গো, তুমি বুঝলে না,
বুঝলে না হৃদয়ের ব্যথা,করিলে ছলনা।
বৃথা গেল মোর প্রেম, গেল সবই হারি,
তুমি বুজলে না গো,দিলে মোরে তাড়ি।
হৃদ মন্দির দ্বার করিলে গো বন্ধ,
তুমি বুজলে না গো,মোর ভূবন আজি অন্ধ।
হৃদয়ের বন্ধন আজি ছিন্ন করিলে, তুমি বুজলে না
কি ভ্রান্তি মোর তা আজও হলো না গো জানা?
তুমি বুজলে না গো, তুমি মোরে জানলে না,
জানলে না গো তুমি, প্রেমের ব্যথা বুজলে না।
আজি প্রেম কুঞ্জ ভরপুর বাসন্তীর ফুলে-ফুলে,
তুমি বুজলে না গো,স্মৃতি গেছ সব ভুলে।
তোমাতে খেলছে,উড়ছে মোর পরাণ পাখি,
এ পরাণ শান্ত হয় দেখলে তোমার মায়াবী আঁখি।
তুমি বুজলে না গো, তুমি বুজলে না মোর ব্যথা,
তুমি বুজলে না গো, করিলে মোর পূত প্রেম বৃথা।
প্রভু দিয়াছে হৃদ মাঝে প্রণয়ীনীর প্রতি ভালোবাসা,
তুমি বুজলে না গো, বুজলে না মোর মনের আশা।
তুমি বুজলে না গো,ভাঙ্গলে মোর প্রেমের বাসা,
তুমি কেন জড়ালে গো, বৃথা কেন করিলে আশা?
তোমাতে ছিনু মোর সুখের যত লীলা,
তোমার সনে হলো না মোর মিলন মেলা।
তুমি বুজলে না, বুজলে না মোর জ্বালা,
কেন তুমি হঠাৎ করে করিলে মোরে অবহেলা?
তুমি বুজলে না গো, দিলে হৃদ মন্দির তালা,
তুমি বুজলে না গো,নিলে না প্রেম পূজার মালা।
তুমি কোনো কালেই বুজলে না গো,
যত কবির পূত প্রেম-ভালোবাসা,
তুমি করিলে বৃথা সব প্রকৃত প্রেমিকের আশা,
তুমি দাও নি গো, দাও নি চির সুখের ভালোবাসা।
তুমি বুজলে না, ব্যকুল হৃদয়ের আকুল মিনতি,
সবই বৃথা,বৃথা গেল প্রেম,নিঃষ্ঠুর মোর এই নিয়তি।
তুমি বুজলে না গো,বুজলে না মোর ব্যথা,
তুমি তবু শুনলে না, শুনলে না মোর শেষ কথা।
                   
তারিখ:০৬-০৪-২০১৯ ইং
সময়: রাত ১১:২০ মিনিট

         সারাটি রাত্রি তারাটির সাথে
           
স্নিগ্ধ জ্যোস্নার যামিনীতে এই ত্রিযামার যাত্রী,
তারাটির দিকে চেয়ে-চেয়ে কাটাই সারাটি রাত্রি।
রজনীর অন্তরীক্ষে নবীন দখিনা তারাটি দেখি যবে,
তাহার এই রূপে নব-যৌবনার প্রেম হানা দেয় মোর হৃদ ভবে।
সারাটি রাত্রি জেগে থাকি এই রূপ দেখব বলে,
বারে-বারে লুটিয়ে পড়ি তাহার চরন তলে।
সারাটি রাত্রি চেয়ে-চেয়ে কাঁটায় তার পানে,
হঠাৎ তারাটি উদিত হলো মোর সম্মুখে।
দখিনা তারাটি উদিত হলো এতদিন পরে,
তার অপেক্ষায় ছিনু আজি পড়িল সে নজরে।
কত দিবস-রজনী ছিনু এ তারার আশায়,
আজি মম তৃষ্ণা মিটে যাক তার ভালোবাসায়।
ঐ তারাটি  রূপের রূপবর্তী দুহিতা,
তাকে দেখে,তারে নিয়ে রচি কবিতা।
স্নিগ্ধ জ্যোস্নার যামিনীতে সারাটি রাত্রি,
তারাটির পিছনে ছুটি আমি আকাশের যাত্রী।
চোখে নাহি আসে ঘুম তার  রূপের দীপ্তিতে,
বারে-বারে নয়ন তারে দেখিতে চাই তবু মিটে না পরাণের তৃপ্তি।
সারাটি রাত্রি ছাঁদে বসে তাকিয়ে-তাকিয়ে থাকি দখিনা তারাটির পানে,
তার হৃদদেশে হারিয়ে যেতে চাই
সে যেন ত্বরায় ছুটে আসে মোর গানে।
সারাটি রাত্রি তারাটির সাথে
জ্যোস্নার যামিনীতে জেগে-জেগে থাকি,
মোর হৃদ অন্তরীক্ষে তারে ভেবে-ভেবে
তার  রূপের ছবি আঁকি।
তারাটির সাথে সারাটি রাত্রি গেয়ে যাই গান,
মোর হৃদয় আকাশে তারে আনার জন্য
কাঁদে মোর অবুজ প্রাণ।
সারাটি রাত্রি তারাটির সাথে থাকি জেগে,
কত কথা বলি তারে,বসে মোর নিম বাগে।
সারাটি রাত্রি তারাটির সাথে  নির্জন নিভৃতে,
তারাটিকে দেখি চেয়ে-চেয়ে সারাটি রাত্রে।

তারিখঃ ২৪-০৭-২০১৯ ইং
সময়ঃরাত ১১:২০ মিনিটে।
ভারতবর্ষের " ত্রিপুরার বাংলা সাহিত্য পরিষদে"  ৮ম সাপ্তাহিক প্রতিযোগিতায় কবিতাটি প্রথম হয়েছিল!!

        সারাটি রাত্রি তারাটির খুঁজে
             
সারাটি রাত্রি কাঁটাই চেয়ে তারাটির পানে,
ঐ অন্তঃরীক্ষের সীমাহীন দূরত্ব পেড়িয়ে
তারাটি ছুটে এসেছিল ভালবাসার টানে,
বহু বছর দুটি তারা মিট-মিট জ্বলেছে,
 হেসেছে, নেচেছে শত ভালবাসার গানে।
মোর নিকেতনের উপরে ঐ তারাটির নাম আসাদ,
দখিনের তারাটিকে বহু কষ্টে এনেছি কাছে
ঐ তারাটির নাম পুষ্পিতা, দু'জন করি আহ্লাদ।
দুটি তারা একসাথে জ্বলে-নিবে, নাচে-হাসে,
দুটি তারা ভালবাসার উল্লাস করে সারাটি রাতে,
আবারও এক সাথে নিভে যায় প্রভাতে।
কত স্মৃতি, হাসি-কান্না,কত না গল্প করে দুটি তারা,
দুটি তারাকে বেশ মানিয়েছে বলে অন্যরা।
পুষ্পিতা তারাটির দীপ্তিতে গগনটা তীপ্ত হয়,
 তারাটি এতই সুন্দর কোটি-কোটি তারারা কয়।
কোটি-কোটি তারারা বলে সে তো তারাদের পরী,
ঐ সুধাংশুর চেয়ে হাজার গুনে তারাটি সুন্দরী।
যৌবনের প্রেমের তৃষ্ণার্তে বহু বছর খুঁজেছি
          তারে কোটি-কোটি তারাদের মাঝে,
           সীমাহীন আকাশের মধ্য থেকে
                   বহু কষ্টে এনেছি আজে।
        সকল ঋতুতে দুটি তারা উদিত হয়,
দুটি তারার ইতিহাসে হয়েছে আকাশ জয়।
তারাটিকে গ্রহ-নক্ষত্র,সকলে চিনে, চিনে ধূমকেতু,
অভিমানে তারাটি হারিয়ে গেল, কি ছিল হেতু?
সারাটি রাত্রি কোটি তারাদের সাথে
         ঐ তারাটিরই রূপের কথা বলি,
 ঐ তারাটি মোর যত প্রেমের গানের কলি।
  সারাটি রাত্রি তারাটির সাথে চলি।
  চলে গেছে দূর বহুদূর,সীমাহীন প্রান্তে,
এত ঘৃণা করিল, আজও জানা
                                হলো না কোন ভ্রান্তে?
তারাটি চলে গেছে সীমাহীন প্রান্তে,
তারাটি শেষ বিদায় নিল আসাদেরই অজান্তে।
       এ মনে ব্যথা, সীমাহীন আকাশ তুল্য,
তারাটিকে এনেও বৃথা হলুম,
                           পেলাম না প্রেমের মূল্য।
সবই বৃথা, বৃথা সেই বকুল পুষ্পের মাল্য,
সেই পুষ্প-মাল্য,দুজনকে এক করল।
       তারাটি চলে গেছে ঐ দখিনা প্রান্তে,
এখনও অপেক্ষায় কি ভুল ছিনু তা জানতে?
ঐ দখিনা দিগন্তে তারাটি প্রত্যহ উদিত হয়,
সারাটি রাত্রি চেয়ে-চেয়ে বৃথিত হয় মোর হৃদয়।
দেখি কোটি-কোটি তারা হতে চাই তার চির সঙ্গী,
তাকে বলিয়াছি; "ঐ তারাটি মোর চির অর্ধাঙ্গী।
সবই বৃথা, জেগে-জেগে কাটাই সারাটি রাত্রি,
ভাবি কোনো এক কালেও হবে কি সে চির পাত্রী?
তারাটির খুঁজে হয়েছি আকাশের মুসাফির যাত্রী,
তারাটির খুঁজে জেগে-জেগে কাঁটাই সারাটি রাত্রি।
নিকেতনের উপরের তারাটি কাঁটায় রাত্রি ব্যথায়,
তারাটি বলে;" ঐ তারাটি হারিয়ে গেল কোথায়?
কোটি-কোটি বছর অপেক্ষায় তারাটির আশায়,
এ জীবন প্রজ্বলিত হোক তারাটির ভালোবাসায়।
 সারাটি রাত্রি জেগে থাকি তারাটির খুঁজে,
কত স্মৃতি গড়েছি পুষ্পিতা তারাটি বুজে?
ঐ তারাটির মায়ার বন্ধন মোর এ পূত প্রাণে,
তাই সারাটি রাত্রি জেগে থাকি তারাটির সন্ধানে।

তারিখ:২৪-০১-২০১৯ ইং
সময়:রাত ১২ টায়, ছাঁদে বসে।

          তমিস্রা ঘরে স্বপ্নে তুমি
               
অদ্যাপি স্মরণ ক্ষনে-ক্ষনে এ ব্যকুল মনে, 
গত রজনীতে এসেছো মম তমিস্রা নিকেতনে।
 তুমি রূপের অপরূপা দিব্যাঙ্গনা দুহিতা,
 নাহি ললাটে লিখন,হবে না মোর চির বণিতা।
সবই বৃথা, বৃথা সেই রক্তিম পুষ্প, বৃথা বকুল মালা
ছিন্ন হলুম,হৃদয় মন্দির খুলেও দিয়ে দিলে তালা।
  সবই বৃথা,বৃথা যতসব অবুজ হৃদয়ের চাওয়া, 
শত বছর পরেও তবু মিলন হলো আদম-হাওয়া।
   হলো না আর তবু আমাতে তোমাকে পাওয়া,
 আজি সবই ব্যর্থ,শুধু হচ্ছে বিরহের গান গাওয়া।
কত জ্যোৎস্নার রজনী চন্দ্রের সাথে জেগে-জেগে,
       বলিছিনু ব্যর্থতার যত গল্প,আজও
        মেঘনার জল চলছে চঞ্চল বেগে।
আজও আম্র কাননে ধ্বনিত হয় বসন্তদূতের গান
 আজও দখিনা বায়ু বয়ছে,তবু কাঁদে মোর পরাণ।
সে যে হারিয়ে গেলে কোনো এক তমিস্রা যামিনী,
       সবই মিথ্যে, হলে না আর চির অর্ধাঙ্গিনী।
   কত দিন দেখিনা আমাতে তোমার সেই হাসি?
গত নিশিতে তমিস্রা ঘরে স্বপ্নে দেখেছি সেই হাসি,
হাসিতে স্বর্গের চির সুখ আসিল ছুটে রাশি-রাশি।
    দেখিলাম,দুজনে এই চির সবুজের মেলায়,
      ওঠে দেখি স্বপন, তুমিতো হারিয়ে গেলে
                       করে মোরে অবহেলায়।
বহু বছর পর দেখিলাম আমাতে তোমায়,
সারাটি দিবস ভেবে অতীতের স্মৃতিগুলো জমায়।
গত রজনীতে দেখিয়াছি তোমা
    মোর তমিস্রা নিকেতনে,
তাইতো স্বপ্নটি চিরতরে বন্দী করে রাখিলুম 
আসাদ স্মৃতির কাব্যে চির যতনে,
 তুমি এসেছিলে গত রজনীতে।

তারিখ:১৬-০১-২০১৯ ইং
সময়: বিকেল ৩:৪০ মিনিটে

               তোমাকে চিনি

আমি চিনি গো তোমা চিনি,
স্বপন ঘরে তোমা দেখেছি,ওগো প্রণয়ীনি!
আমি তোমা বহু পূর্ব থেকেই চিনি,
ঐ রূপ, মায়াবী নয়ন,হাসি দেখেছি ওগো নন্দিনী।
যবে হৃদ মাঝে লাগিল যৌবনের প্রেম বাতায়ন,
তোমা ঐ রূপ দেখেছিনু দিয়ে অন্তর নয়ন।
তোমা আমি জম্ম-জম্ম ধরে চিনি,
ঐ হৃদ মন্দিরের তুমি মোর পূজারিণী।
তোমা এই রূপের ছটা আমায় মুগ্ধ করিয়াছে,
এই রূপ বাহারে হস্ত তোমা ছন্দ বুনিয়াছে।
তোমা চিনি যুগ-যুগান্তর ধরে চিনি,
হৃদ মন্দিরের তুমি মোর প্রেম পূজারিণী।
হঠাৎ মিলন হবে  কোনো এক সবুজের প্রান্তরে,
তখন তোমা সুখ বিলিয়ে দিব তৃষ্ণার্ত অন্তরে।
তোমা আমি দেখেছি মোর তমিস্রা ঘরে,
ঐ চেহার রূপ একেছি মোর এই হৃদয়ে।
তোমা আমি চিনি গো চিনি,তোমা মাঝে মোর লীলা,
সতত করি হৃদ মন্দিরে তোমা প্রেম পূজা দিয়ে পূসূন -মালা।
তুমি কভু দিও না গো হৃদ মন্দির তালা,
কভু মোরে করিও না ছিন্ন-অবহেলা।
তোমা আমি জম্ম-জম্ম ধরে চিনি,
আমি যে তোমা হৃদ মন্দিরের চির ভিখারিনী!
ওগো পূজারিণী! তুমি অপরূপা দিব্যাঙ্গনা নন্দিনী,
আমি জানি গো জানি, তোমা জম্ম-জম্ম ধরে চিনি।
ঐ ঢল-ঢল মায়াবী আঁখি,রাঙা পদের নূপুরের ঝুম-ঝুম ধ্বনি বাজে মোর কর্নে,
তোমা দেখব বলে সতত অপেক্ষায় নিকেতনের সামনের অরন্যে।
এই নিম কুঞ্জে অধীর অপেক্ষায় কাঁটায় তোমা দেখার আশায়,
তোমা এই রূপ দেখে পুলকেরা মোরে হর্ষের বাতায়নে ভাসায়।
এই পথে প্রেম পাথেয় নিয়ে বসে থাকি,
হৃদ মাঝে সতত তোমা রূপের ছবি আঁকি।
সে যে স্বপনে দেখিয়াছি তোমা রূপ-তোমা হাসি,
তোমা আজি বাস্তব দেখে আমি চিনি গো চিনি।
কত পথ হেঁটেছি, এই চোখ কত বার তোমা খোজেছে?
তুমি আসবে বলে নির্জনে-নিভৃতে বসে কত বার বাঁজিয়েছি প্রেম-বাঁশি,
এই অবুজ মন শুধু তোমা ভালোবাসি।
কতবার কবিতার খাতা মেলে তোমা ভেবে-ভেবে রচিয়েছি কবিতা,
ওগো!এই ধরাতে শুধু তুমিই মোর চির বণিতা।
তোমা আমি চিনি, বহু কাল ধরে তোমা চিনি,
তোমা হৃদ মন্দিরের আমি সতত প্রেম পূজারি।
তোমাকে চিনি, জম্ম-জম্ম ধরে চিনি,
আমি তোমার হৃদ মন্দিরের প্রেম ভিখারিনী।
যবে প্রথম প্রিয়া ছিন্ন করিয়া গেল বহু দূর,
বহু বছর একাকীত্ব কাঁটিয়েছি, বাজেনি বাশির সুর।
কভু ভাবেনি রে প্রিয়া, এই চোখ তোমা রূপের দিকে দিবে দৃষ্টি,
হৃদয় বলে আজি তোমা সনে হোক প্রেম সৃষ্টি।
 জানল না যে মন লুকিয়ে আছ মোর পল্লীর মাঝে,
এই চোখ দেখেছে পল্লীর সবারে, শুধু দেখেনি তোমা তাই মরি আজি লাজে।
তুমি দখিনা বাতায়নে ছুটে এসেছ মোর নিম বাগে,
আহ!কেন হে তুমি আস নি বহু কাল আগে।
কত দিন একা একলা কাঁটিয়েছি তোমা বিনে?
অনন্তকাল যেন সুখের প্রীতি হয় তোমা সনে।
ওগো নন্দিনী! কভু যেও না গো মোরে ছেড়ে,
থাকিও সদা মোর হৃদয় সুখের নীড়ে।
এই পল্লীতে জানম-জনম যেন থাকি দুটি প্রাণে,
আর চিরভাবে যেন ঘুমাই এক সনে ঐ গোরস্থানে।
বারে-বারে ফিরে আসি তোমা কাছ থেকে,
হিম্মত নাহি মোর এ কথা যে কেমনে বলি?
আমি তোমা চিনি গো চিনি, বহু কাল থেকেই চিনি,
থাকিও সতত মোর সনে ওগো নন্দিনী!
তোমা চিনেও এত দিন চিনি নি তুমি যে হৃদ পিঞ্জরের বিহঙ্গী,
প্রভু হে!তারে তুমি করিও মোর চির সঙ্গী।
আমাতে সতত শুধু তোমা ভাবনা,
দু'চোখ শান্ত হয়ে দেখে তোমা ঐ রূপ।
এই মনোমুগ্ধকর পল্লীতে প্রভু পাঠিয়েছে তোমা,
আর কেহ নয়, এই মহীতে তুমিই শুধু মম চির প্রিয়তমা।
তোমা আমি চিনি গো চিনি, চিনি জম্ম-জম্ম ধরে,
কতবার তোমা দেখিয়াছি মোর তমিস্রা স্বপন ঘরে।
তোমা রূপের বাহারে কবি হয়েছি,
হয়াছি প্রেম পূজারী, তোমা চিনি গো চিনি।
একই অন্তরীক্ষের নিচে দুজনের বস-বাস,
একই পল্লীতে নিকতনের সামনে তোমা নিবাস।
তোমা চিনি গো চিনি, তুমি মোর চির প্রিয়া,
প্রভু যেন মম নিয়তিতে জীবন বাঁধে তোমা দিয়া।
তোমা চিনি তুমি মোর দিব্যাঙ্গনা চির ভামিনী,
তোমা ভেবে-ভেবে কাঁটিয়েছি কত জ্যোৎসা যামিনী?
তোমা চিনি যুগ-যুগান্তর ধরে, চিনি গো তোমা,
অন্তর নয়ন দিয়া দেখেছি তুমি মোর চির প্রিয়তমা।
এই পল্লীর তুমি অপরূপ রূপের নন্দিনী,
এই অবুজ মন তোমা ভালোবাসিয়াছে শুন ওগো পূণয়িনী।
তোমা আমি চিরভাবে বাঁধিয়া রাখিব মোর এই গাঁয়ে,
চির সহধর্মিনী হয়ে থাকিবে মম এই জীবনাতে।
তোমা আমি বাসিয়াছি জম্ম-জম্ম ধরে ভালো,
মম এই তমিস্রা নিকেতনে জ্বালো প্রেম আলো।
যবে আঁখি সামনে দেখিয়াছি তোমা ঐ রূপ,
প্রভু হে!এতো সুন্দর তোমা সৃষ্টি,কত অপরূপ!
মুগ্ধ, বিমোহিত,আমি আপ্লুত,সতত মগ্ন তোমা নিয়া,
নিম কাননে বসে চেয়ে থাকি তোমা পথে ওগো প্রেম প্রিয়া।
অধীর অপেক্ষায় থাকি কখন এই পথে নূপুরের ঝুম-ঝুম ধ্বনি বাঁজিয়ে আসিবে,
সমীরে ছড়াবে তোমা সুবাশ আর আমি জাগ্রত হবে,স্থির দৃষ্টিতে তোমা শুধু দেখিব।
তুমি কেন বুজ না গো, বুজ না কেন মোর ব্যথা?
কালি দাস পনেরো বছর তবু বলিল না কথা।
তোমা আমি জম্ম-জম্ম ধরে চিনি,
চিনিয়াছে মোরে মহীতে পাঠিয়েছন যিনি।
তোমা চিনি গো চিনি, চিরভাবে চিনি তোমা,
মোর জীবন মাঝে তুমি মোর প্রিয়তমা।

তারিখঃ ৩০-০৫-২০১৯ ইং
সময়ঃ রাত ৮ টায়

              মেঘনা পাড়ের ছেলে

কি ব্যাথা দিয়ে গেলে কাঁটে প্রহর তিলে-তিলে?
হাতে-হাত রেখে হেঁটেছি মেঘনার পাড়ে পড়ন্ত বিকেলে।
সেই সব স্মৃতি-দিন আজি মনে পড়ছে বারে-বারে,
অদ্যাপি অপেক্ষায় আসবে কি মোর মেঘনা নদীর তীরে?
আজও প্রতি সাঁঝে বিহঙ্গরা ফিরে যায় নীড়ে,
এখনও স্তব্ধ যামিনীতে মেঘনার ঢেউ তালি দেয় পাড়ে।
সাঁঝের বেলায় পাল উড়িয়ে মেঘনার মাঝি গেয়ে যায় গান,
আম্র কুঞ্জে নাহি তুমি আজি স্তব্ধ এই প্রেম বাগান।
ব্যকুল পুষ্প গাঁথবে না তুমি, বলবে না তুমি গান,
তোমার জন্য আজও প্রিয়া ব্যকুল যে মোর পরাণ।
মোর হৃদয় নদীর ঢেউ লাগে না তোমার ঐ তীরে,
বুজলে না গো মম ব্যাথা আসলে না আর ফিরে।
তোমার ঢেউয়ে হলো যে মোর হৃদয় কূল ক্ষয়,
জানিলাম আজি তুমি প্রিয়া মোর আপন কেহ নয়।
মেঘনার ঢেউয়ে ভাঙ্গল যে মম বসত ভিটা-ঘর,
অসময়ে তুমি পর আজি আমি মেঘনার যাযাবর।
আজি অসহায়-নিঃস্ব সব গেল হারি মেঘনার জলে,
তুমি প্রিয়া ছিন্ন করিলে তবু দিলে না ঠাঁই চরন তলে।
আজি বারে-বারে মনে পড়ে,দু'জনে হেঁটেছিলুম মেঘনার তীরে,
আজি চলে গেলে বহু-দূর কভু আর আসিবে না
মোর হৃদয় নীড়ে।

তারিখঃ২৬-১১-২০১৯ ইং
রাতঃ ৩ টায়( ঘুমে আসতে ছিল না)

আমার জম্মভূমি মেঘনা নদীর তীরে নরসিংদী জেলর বৃহত্তম রায়পুরার ২৪ টি ইউনিয়নের মধ্যে চরমধুয়া ইউনিয়নের চরমধুয়া গ্রামের সিকদার বাড়িতে মেঘনা নদীর তীরে।২০১১ সালে জম্মভূমি থেকে চলে এসেছি,চিরস্থায়ী বসবাস রায়পুরা উপজেলার আমীরগঞ্জ ইউনিয়নের ঐতিহ্যবাহী বালুয়াকান্দি গ্রামে।
কিন্তুু দুঃখ জনক হলো ২০১৮ সালে মেঘনার ভাঙ্গনে সব বিলীন!যে মাটিতে ও বাড়িতে আমার জম্ম সেই মাতৃভূমি নদীতে চলে গেছে!আমার মাও দুনিয়াতে নাই।গত কয়েক বছরে মাসে মা ও মাতূভূমিকে অজস্রবার স্বপ্নে দেখেছি!


               মেঘনার তীরের তনয়া
       
মেঘনা তীরের তনয় আমি,তুমি তনয়া ঐ পাড়ে,
তীর হতে তরী নিয়া তনয়ার কাছে যেতে চাই বারে-বারে।
এ কি রূপ তাহার?সে যে মেঘনা তীরের রাণি,
মেঘনা তটিনীর মাঝি আমি,মন যে নিল ঐ তরণী।
আমার তীরে বাজে সদা,তোমার চরন নূপুর ধ্বনি,
ওগো রূপের রাণি!তোমায় দেখে উতাল হয় যে মেঘনা নদীর পানি!
মেঘনা মোর মাতৃদুগ্ধ সলিল,মম চির চেনার সখা,
মেঘনার তীরে বসত মোর তাইতো রাণী দেখা।
কল্লোলিনীর মাঝে বাজে সুখের ধ্বনি কল-কল,
প্রিয়ার রূপের দীপ্তীতে মেঘনার পানি করে ঝল-মল।
রূপের আভায় শুধু ভাবায়,বাঁজাই মোর বাঁশি,
তৃষ্ণার্ত মন ব্যকুল পরাণ  পুষ্পিতাকা ভালোবাসি।
কাঁদিয়ে গেলে,চলে গেলে,দিয়ে গেলে নেত্রজল,
সুখে আছ সখা তুমি,তোমার আঁখিতে সুখের কাজল।
মোর নয়নে দুঃখের জল করে সদা টল-মল,
সুখে আছ মম দুঃখে মুচবে না তো চোখের কাজল।
ওগো মোর চির মেঘনা!ঐ পাড়ের তনয়া করেছে ছলনা,
নাট্যময়ী ছলনায় তাহার দেখা যে আর কভু পেল না।
আজি হৃদকূল ভেঙ্গেছে আমার ধারে,তোমার তীরে নয়,
আমার ব্যথায় হলো না যে তোমার হৃদয় ক্ষয়।
অভিনয়ী তনয়া তুমি,আজি তোমার হলো চির জয়,
হেরে গেলাম আমি তনয়,তোমার পিরিতে হলো মোর লয়।
ভাসাবো না কভু মেঘনা তীরের তরী,
যাব না আর ঐ পাড়ের মেঘনা তরুনীর বাড়ি।
গেয়ে গেলাম,হেরে গেলাম,ডুবে গেলাম মেঘনার জলে,
স্মরণ করিও মোরে, রেখে তোমার নয়ন কাজলে।

তরিখঃ২৪-১১-২০১৯ ইং
সময়ঃ রাত ১১ টা ৪০ মিনিটে ঘুমানোর পূর্বে

    মেঘনার তীরে তোমার অপেক্ষায়
         
এই হস্তে মিশে আছে তার পবিত্র কলেবরের ছোয়া,
তুমি বল প্রিয়া,এই হাত দিয়ে কি পাপ করিতে পারি কভুয়া?
তোমা নরম পূত হস্তের স্পর্শ মিশে আছে মম অঙ্গে,
কভু কি পিরিতের বাঁধন সৃজন করিতে পারি কারো সঙ্গে?
এই নয়ন দিয়ে স্থির দৃষ্টিতে দেখেছি তোমা চেয়ে-চেয়ে,
অন্য তনয়ার দিকে দৃষ্টিপাত করিতে পারি কভু,বল ওগো মেয়ে।
আজি পবিত্র বাঁধন চির ছিন্ন,গেলে বহু দূর,
বাজে মম ব্যর্থ বাঁশির সুর,কর্নে বাজে তোমা নূপুর।
প্রতিক্ষন দিবা-নিশি চোখে ভাসে তোমার কৈশোরের ছবি,
আজি ব্যর্থ প্রেমের আহবে হয়েছি ব্যর্থ প্রেমিক কিশোর কবি।
কেমন আছ,কোথায় আছ , ওগো মোর রাণী?
এত কাছে ছিলে আজও কি মনে পড়ে ওগো সহযোগিনী?
গেলে চলে পঞ্চ বছর তবু নাহি দেখা মিলে,
সুখে আছো,হায় যায়-যায় জীবন মম তিলে-তিলে।
এসো না তো এপাড়ে কত নবীন বর্ষ গেলো?
তুমি নাহি পাশে আজি মোর জীবন এলো-মেলো।
অগোছালো জীবনে নাহি সুখের দেখা মিলে,
কি জীবন দিয়ে গেলে,কাঁটে বিরহের তিলে-তিলে।
কত বসন্ত আসে আম্র কাননে মুকুল ঝড়ে,
বসন্তদূত গান গেয়ে যায়,আর তোমা মনে পড়ে।
ভুলে কি গেলে আম্র কুঞ্জের যত স্মৃতি?
সূচনা লগ্নেই মায়ার বাঁধনের করিলে ইতি।
ওগো মোর রাণী! দিবে নাহি মেঘনা আর কভু পাড়ি,
এসো না এপাড়ে দাও হে দেখা,শান্ত হোক মোর আহাজারি।
মায়ার বাঁধন ছিন্ন করিয়া কোথা গেলে ওগো চির চেনার সাথী?
দূরের প্রিয়া, ওগো ছিলে যে কাছের অতিথী।
কোন গগনে তুমি মেলেছ ডানা,কোথায় বাঁধিলে সুখের নীড়?
ওগো এসো না তুমি,আমি অপেক্ষায় মেঘনা নদীর তীর।
বলিবে না কথা, দেখা কি দিবে না ওগো প্রিয়া,
পঞ্চ বছর কাঁটিল মনে কি পড়ে না কভুয়া?
যদি কভু আসো দেখিবে মোরে মেঘনার তীরে,
তোমায় নিয়ে বলছি কথা মেঘনা নদীর পাখিদের ভীড়ে।

তারিখঃ০৯-১১-২০১৯ ইং
সময়ঃরাত ১০ টায়



      ওহে মেঘনা নদী,নেতাজ্বী বাঁধ দিত যদি
         
জম্মভূমি আজি ডুবিল,ভাঙ্গল নদীর জলে, আমি মরি লাজে,
আমারই ঘরে নদীর ঢেউ কলকল বাজে,
চরমধুয়ার লোক নাহি পেল মিল নেতাজ্বীর
কথায় কাজে!
দুই যুগ গেল নাহি তবু বাঁধিল নদীর তীর,
ক্ষেপেছে নদী ভাঙ্গল মোর সুখের বসত নীড়।
ওহে নেতাজ্বী!তোমার দীপ্ত কন্ঠের ভাষণে আমি আজি হাসি,
চরাঞ্চলের ভোটে তুমি নেতা, আর আমরা আজি মেঘনার জলে ভাসি!
ওরে নিঃষ্ঠুর,পাষাণ,ভুলে কি গিয়াছ নদী বাঁধের কাজ?
ভিটা বাটী আজি নদীর জলে,করছে মোদের মাঝে হাহাকার বিরাজ।
বাহ্যিকে সুহৃৎ সুলব, অভ্যন্তরে দুশমন বিদ্বেষী
মন,
রাজনৈতি নেতাজ্বীর কাথায়-কাজে নাহি মিল পাই জনগন।
আজি চঞ্চল মেঘনা তটিনী ভাঙ্গিল এ কূল,
তোমায় নেতা বানিয়াছি করেছি মহা ভুল।
বাহ্যিকে সুহৃৎ সুলব, অভ্যন্তরে দুশমন বিদ্বেষী
ইহাই চির নীতি,
মুখে হাসি-মধু, হৃদভবে দুশমনী, নাহি কথায় কাজে ইহাই রাজনৈতি।
আজি তুমি হাস মুখে মদ্য নিয়ে,আমরা ভাসি মেঘনা নদীর জলে,
ওরে হারামি,ওরে নিঃষ্ঠুর,তোমায় নেতা বানিয়াছি আমরা মরি আমাদের ভুলে।
মেঘনা নদী আজি ভাঙ্গিল মোর বসত ঘর,
আজি ছিন্ন,অসহায়, আজি মোরা মেঘনা নদীর যাযাবর।
মেঘনা নদী করিল গ্রাস শেষ সম্বল বসত বাড়ি,
আজি অসহায়-ছিন্ন চরমধুয়ার লোক করে রে আহাজারি।
আমি বলি,তার জন্য দোষী নয় মেঘনা নদী,
ভিটে বাড়ি, কৃষাণ জমি বাঁচতো নেতাজ্বী বাঁধ দিত যদি।
দুই যুগ গেল,কত বার বানালাম তারে নেতা?
নদী বাঁধ তবু নাহি দিল,আজি বারে-বারে চোখের জলে ভিজে চোখের পাতা।
রাজনৈতি নেতাজ্বীর কথা বিশ্বাস করিবে যে জন,
শুন ওরে ভাই!কাথায়-কাজে কভু মিল পাবে না রে জনগন।
মিথ্যা বলি নি রে ভাই,শুন মোর সত্য বাণী,
আমৃত্যু নেতা তার নেতাগিরি নাহি করিতে চাই হাতছানি।
ভাঙ্গত না নদীর তীর,লোভী নেতা নদী বাঁধ দিত যদি,
নাহি সর্বগ্রাসী হতো ভিটা বাড়ি, কৃষাণ জমি, শুন ওহে মেঘনা নদী।
     
তারিখঃ০৮-০৮-২০১৯ ইং
সময়ঃ দুপুর ৩:৩০ মিনিট

উৎসর্গঃ জম্মভূমি চরমধুয়ার মেঘনা নদী ও গ্রামবাসীকে।
আমার জম্মভূমি মেঘনা নদীর তীরে নরসিংদী জেলার বৃহত্তম রায়পুরার ২৪ টি ইউনিয়নের মধ্যে চরমধুয়া ইউনিয়নের চরমধুয়া গ্রামের সিকদার বাড়িতে মেঘনা নদীর তীরে।২০১১ সালে জম্মভূমি থেকে চলে এসেছি,চিরস্থায়ী বসবাস রায়পুরা উপজেলার আমীরগঞ্জ ইউনিয়নের ঐতিহ্যবাহী বালুয়াকান্দি গ্রামে।
কিন্তুু দুঃখ জনক হলো ২০১৮ সালে মেঘনার ভাঙ্গনে সব বিলীন!যে মাটিতে ও বাড়িতে আমার জম্ম সেই মাতৃভূমি নদীতে চলে গেছে!আমার মাও দুনিয়াতে নাই।গত কয়েক বছরে মাসে মা ও মাতূভূমিকে অজস্রবার স্বপ্নে দেখেছি!


             আমি যদি বাবা হতাম
   
আমি যদি বাবা হতাম তো বাবা হতো মম খোকা,
তুমি বণিতা হলে না,খোকা এলো না,হলো না খোকার বাবা ডাকা।
মোর খোকাকে ভাবিয়া আজি রংতুলিতে হলো খোকার ছবি আঁকা,
ওগো পুষ্পিতা!হলে না মম ভার্যা ভবে এলো না আর মোর খোকা।
সূচনালগ্নে নাট্যময় প্রেমে দিলে মোরে ধোকা,
একাকীত্বে হয়ে গেছি বোকা,বধূ হলে না এলো না মোর খোকা।
যদি বাবা হতাম তবে বাবা হতো মোর খোকা,
নাট্যময়ী নন্দিনী তুমি সূচনালগ্নেই দিলে প্রেমে ধোকা।
পুষ্পে-মাল্যে সজ্জিত হলো না দু'জনার বাসর ঘর,
হৃদদেশের চির চেনা হয়েও হয়ে গেল অচেনা পর।
ওগো চির চেনার প্রিয়া,তুমি হলে না মম চির বণিতা,
হায়!সুখে আছো তুমি,শুধু দিয়ে গেলে বিরহের কাব্যের কবিতা।
কোন ভ্রান্তির ছলনায় বধূ হয়ে এলে না এপাড়ে?
হায়,মোর জীবন আজি যায়-যায় দেখা হবে পরপারে।
তোমা লাগিয়া সব ছিন্ন করিলুম, নাহি জীবনাতে আনন্দ-বিলাস,
ওগো অপরূপের রূপসী! এ পাষাণে আজি বাংলা  চির দেবদাস!
তুমি যদি ভার্যা হতে হতাম আমি বাবা,আসিত ভবে খোকা,
হলে না মোর সহধর্মিনী, শুনা হলো না মম খোকার বাবা ডাকা।
আমি যদি বাবা হতাম তবে বাবা হতো মোর খোকা,
হলে না চির সঙ্গী! পূত প্রেমে সূচনালগ্নেই দিলে চির ধোকা।

তারিখঃ২১-১১-২০১৯ ইং
সময়ঃ রাত ৯ টায়, যশোর টু ঢাকা বেনাপোল ট্রেনে যমুনা সেতু পার হওয়ার পূর্বে।

                   নিম গহনে

অধীর অপেক্ষায় তৃষ্ণার্ন্ত হৃদয় নিয়া,
নিম গহনে বসে থাকি দেখব বলে ওগো প্রিয়া।
কখন আসবে আম্র কাননে এলো অলক মেলে,
দখিনা স্নিগ্ধ সমীর আসিবে ত্বরায় তোমায় পেলে।
উড়বে বতায়নে এলো চুল ঝড়বে আম্র মুকুল,
দিব বলে হস্তে মাল্য বকুল, হয়েছে পরাণ ব্যকুল।
রাঙ্গা পদে বাজিবে ঝুমুর-ঝুমুর তোমারও নূপুর,
চির পুলকিত হবে মোর এ হৃদয়পুর।
এ নয় তো গো প্রিয়া বহু দূর,
বাজিবে প্রেম বাঁশি সাঝ-সকাল -ভর দুপুর।
মায়াবী মুখের সুখের হাসি দেখব বলে,
সতত, বসিয়া থাকি নিম কুঞ্জের ছায়া তলে।
উম্মুক্ত নীল অন্তরীক্ষের নিচে
মোর বিরহের "অপরিচিতা" কাব্য মেলে,
পড়তেছি স্মৃতির কবিতা ঝড়তেছে অশ্রু
ভিজতেছে কলেবর নয়ন জলে।
সেই যে কৈশোর কালের প্রেম-স্মৃতি,
ভাবি দিবস-রাত্রি দুটি হৃদয়ের প্রেম-প্রীতি।
স্মৃতির আসাদ দর্পণে আছি চোখ মেলে,
ভাবি রে প্রিয়া,কোন অভিমানে গেলে চলে?
জমেছে ব্যাথার পাহাড়,ক্ষণে-ক্ষণে স্মৃতিগুলো করে প্রহার,
ভালোবেসে দিলে এত বড় ব্যথার উপহার।
অদ্যাপি হস্তে বাশের বাঁশি, নাহি হাসি,
সুরে-সুরে কতবার বলব শুধু তোমায় ভালোবাসি।
একাকীত্ব হয়ে আছি, হয়ে আছি স্তব্ধ,
কাব্যে শুধু কবিতায় বিরহ -বেদনার শব্দ।
অনন্তকাল স্মৃতিরা থাকবে নিম আর আম্র কাননে,
সেই যে কৈশোরে দুটি হৃদয় ছিল একই প্রাণে।
হয়ে গেল কবির বয়স আঁশি, তবু নাহি মুখে হাসি,
বাজেনা আর প্রেম বাঁশি,দিয়েছিনু ব্যথা রাশি-রাশি।
অদ্যাপি অপেক্ষায় বসে আছি,
নিম অরন্যে তোমার জন্য,
তাকিয়ে আছি পলকহীন নয়নে
নিকেতনে তোমাদের সেই আম্র গহনে।
বসে থাকি সতত আর সারা বেলা,
এসো গো পুষ্পিতা করিও না আর অবহেলা।
নিম গহনে, নীল গগনের নিচে আছি বসে,
মোর জীবন প্রজ্বলিত কর ভালোবেসে।
নিম গ্রহনে এখনো বসে থাকি তোমার আশায়,
স্মৃতিগুলো মোরে নয়ন জলে শুধু ভাসায়।
বাঁজে মোর বাঁশি বাঁশের বুক ফাটিয়া আসে সুর,
সবই ব্যর্থ, দেওয়া হলো না শেষ উপহার নূপুর।
ব্যর্থ সুরে ধ্বনিত হয় সুর,গিয়াছ চলে দূর-বহুদূর,
তুমি নাহি আজি কাঁদে মোর এই তৃষ্ণার্ত হৃদয়পুর।
একাকীত্ব নিম কুঞ্জে অপেক্ষায় থাকি ভরদুপুর,
দেখি না হাসি,পড়ে আছে হস্তে উপহার নূপুর।
তোমা রাঙ্গা পদে লাগিয়ে দেওয়া হলো না নূপুর,
অভিমানে প্রিয়া গিয়াছ ছিন্ন করে দূর-বহুদূর।
আজি বাঁশির বুক ফাটিয়া আসে বিরহের সুর,
শেষ উপহার তোমায় দেওয়া হলো না গো নূপুর।

তারিখ:০১-০৫-২০১৮ ইং
সময়:রাত ১২ টায় এবং
তারিখ: ১০-০৬-২০১৯ ইং
সময়: রাত ১১ টায়,ছাঁদে বসে।



                   চরনতলে
                 
          আমি এই ধরিত্রীর কবি নয়,
          মানবের হৃদয়ের কবি যেন হয়।
           আমি নজরুল, রবি ঠাকুর নয়,
          আমি আমার হৃদয়ের কবি নিশ্চয়। 
বন্ধু মোরে বলে;"ভাসালে চোখের জলে,পড়ে আছো; নজরুল, রবি ঠাকুর, মাইকেলের পদতলে"
                আমি বিপুলা ধরার কবি নয়,
      যেন হৃদয় মন্দিরের  সৌন্দর্যের পূজারী হয়।
আমি মহীর কোনো সৌন্দর্যের পূজারিণী নয়,
         এ কভু নয় মোর মিথ্যে কবির অভিনয়।
বন্ধু মোরে বলে;" হাঁসালে এ কথা বলে,
  বসুন্ধরাতে হাজার-লাখো-কোটি কবি আছে দলে-দলে"।
                  আমি কোনো কবি নয়
        আমি আমার হৃদয় ঘরের কবি,
             দেখেনি কবিদের কভু ছবি,
         নাহি কবি হওয়ার স্বপ্ন কভু ভাবি।
      বন্ধু মোরে বলে; "কাঁদালে এ কথা বলে,
          হাজার-লাখো-কোটি কবি পড়ে আছে এই অতলে।"
            পড়েনি কবিদের অজস্র কাব্য,
             তাহি নাহি কবি হওয়ার ভাগ্য,
               আমি নয় তো কোনো বিজ্ঞ,
                    হয়ে আছি চির অজ্ঞ।
আমি কোনো সৌন্দর্যের পূজারিণী নয়,
তবে আমি আমার হৃদয় ঘরের কবি নিশ্চয়।
চির অজ্ঞ, পাই নি সেই বিদ্যার সত্য দীপ্ত শিখা,
তুমি প্রজ্জ্বলিত শিক্ষার দীপ্ত, ওরে মোর সখা!
           জ্ঞান অর্নবের তুমি সেই জ্ঞানী তনয়,
          দিও ভিখ মোরে! আলোকিত
             যেন হয় মোর তমীস্রা হৃদয়।
তুমি  চপল বেগে বহমান চির জ্ঞানের নদী,
এই অজ্ঞ জীবন বাঁচিবে তোমার জল পাই যদি।
তবে যেন শৈবাল ন্যায় বেঁচে থাকি তোমার জলে,
ভিখ চাহি,দাও জ্ঞান,লুটিয়ে পড়ি চরনতলে।
 আজি হৃদয় গহনে ফুটিয়ে দাও সেই ফুল,
যেন জ্ঞান পূসুনের বাহারে হয়ে থাকি ভরপুর।
               আহ!অদ্যাপি সেই পথের ভুখারি
        জ্ঞানের তৃষ্ণায় আমি হয়ে আছি ফুকারি।
      সবিতা দেয় কিরন,হিমাংশু ছড়িয়ে
                           দেয় স্নিগ্ধ আলো,
আজি জ্ঞানের প্রদীপ এমন করে হৃদয়ে জ্বালো।
         আমি কোনো কবি নয়,হৃদয় ঘরের কবি,
তবে এই ভবে, লোকেরা খুঁজিবে একদিন মোর ছবি।
বন্ধু মোরো বলে; " এ কথা বলে
অবাক করিলে, কাঁদালে চোখের জলে।"
আমি বলি; " কোনো এক কালে কবিরা আসিবে
দলে-দলে, লুটিয়ে পড়িবে আমার চরনতলে। "

উৎসর্গ করিলাম: বন্ধু মোস্তাকিম(রুয়েট) ও নাজিরকে(জগন্নাথ বিশ্ব বিদ্যালয়)
তাং:২৫-০১-২০১৮ইং
সময়:দুপুর ১২:৪০

          বকুল পুষ্পের মালা
       
বকুল পুষ্পের মাল্য, নরম হস্তে দিয়ে দিলুম
এলো অলকে নাও বাঁধিয়া,
যদি না নাও বাঁধিয়া তবে মম জীবন যাবে
কাঁদিয়া-কাঁদিয়া।
প্রভাতের শিশিরে ভেজা ঝড়া বকুল পূসূনে
মিশে আছে মোর পবিত্র হস্তের ছোয়া,
কত স্বপ্ন-আশা দিয়া গাঁথিলাম মালা?
রাখিও সদা মাল্য  শুন ওগো প্রিয়া,
কত স্মৃতি গাঁথিলাম ফুলে-ফুলে তোমায় নিয়া?
প্রতি ফুলে মিশে আছে মোর হস্তের ছোয়া,
ওগো প্রিয়া!ছিড়ে যেন না যায় মালা কভুয়া।
ভ্রমর যদি বসিয়া যাই দিও তারে তাড়িয়া,
দেখিও মালা পড়িবে মনে, যবে আমি ভবে থাকে যাব চিরতরে হারিয়া।
যবে মায়ার বাঁধন ছিন্ন করিয়া যাব চলে ঐ পারে,
তুমি দেখিও মালা মনে মোরে পড়িবে বারে-বারে।
স্মৃতিজন যবে যাবে চলে তবুও রাখিও মালা,
সব ভালোবাসা নিও করিও না কভু অবহেলা।
ওগো প্রিয়া,বক্ষে দিও না কভু মোরে জ্বালা,
সতত অভিরাম তোমা হৃদ সনে মোর প্রেম খেলা।
ওগো তুমি ক্ষমা কর মোর যত ভুল!
ভুলকে ফুল করিয়া আজি হস্তে নাও মাল্য বকুল।
তোমার রূপে খোলল আঁখি, ভাঙ্গল যে মোর হৃদয় কূল,
ওগো মায়াবিনী!তোমার জন্য যে চপল পরান শত ব্যকুল।
ফিরিয়ে দিও না আজি নাও মাল্য বকুল,
মালা দিব বলে গহনে হয়ে আছি ব্যকুল।
বকুল পুষ্পের মাল্য তোমায় দিয়ে দিলুম
নাও গো এলো অলকে বাঁধিয়া,
যদি না জনম-জনম রাখ বাঁধিয়া তবে
জীবন যাবে মোর কাঁদিয়া-কাঁদিয়া।

তরিখঃ ১৮-১০-২০১৯ ইং
সময়ঃ দুপুর ৩ টায়
আমাদের ঐতিহ্যবাহী বালুয়াকান্দি ইসলামী কমপ্লেকের গেইটের দু'পাশে দুটো বড় বকুল ফুলের গাছ আছে। ফজরের নামাজ পড়ে অনেকগুলো বকুল ফুল কুড়িয়ে বড় একটা বকুল মালা বানিয়ে তারপর কবিতাটি লিখেছি!মাল বানানোর কাজে সুই-সুতা দিয়ে সহযোগিতা করেছে ঘরের পাশের আমার দু'বোন হাফসা আপু ও আরিফা আপু।

         গোপন প্রিয়ার প্রেম
     
বহু বছর তোমা খুজেছি,করেছি সতত বন্দনা,
রচিয়েছি কাব্য,গেয়েছি গান, করেছি পাবার সাধনা।
নিভৃতে আড়ালে মম হৃদ পিঞ্জরে তারে রেখেছি গোপনে,
তারে শুনিয়েছি কাব্যের কবিতা হামেশা তমিস্রা ঘরে স্বপনে।
স্বপনে পাহিয়া তাহারে স্বপনে হারিয়েছি বারে-বার,
গোপন প্রিয়া যামিনীতে আসিত ঘরে, যবে চোখে আসিত আধার।
কত বার জ্যোস্নার রজনীতে ঐ হিমাংসুকে
বলেছি,গোপন প্রিয়া দেখিতে মন্দ না,
বলিয়াছি চন্দ্র-তারা, গ্রহ-নক্ষত্রকে,সদা করি গোপন প্রিয়ার বন্দনা।
শুন ওরে ভাই! গোপন প্রিয়া কিন্তুু অন্ধ না,
স্বর্গের রূপ তাতে, সে কিন্তুু দেখতে মন্দ না।
পাব নাহি তবু আমি,বাসলাম ভালো ওগো রাণী,
এত কাছে তুমি রাণী!হলো না আজও জানা-জানি।
আসলে নেমে আমার প্রেমে!কাব্যে নিয়ে করছি তোমা কানা-কানি,
কাছের প্রিয়া,এত কাছে থেকেও তুমি হাতছানি!
মোর বংশীর সুরে হলো না তো তোমার হৃদয় ক্ষয়,
আমার বুকে সদা ভয়!কাছে থেকেও হলাম না পরিচয়।
একদিন তুমি বুজবে মোরে যখন হব পর,
চেনার বন্ধু,জানতে গিয়ে পেলাম না তো জানার অবসর।
গান ফোরালে যাব যবে,থাকবে বসে আসব কবে?
পাব না কো মোরে তুমি, আসব না আর ভবে।
আমায় ভেবে ডাকবে তুমি আমি তো সে নয়,
একদিন তুমি চিনবে আমায় জানবে পরিচয়।
যারে ভালোবাসি তারে ভালোবাসিয়াছে কেহ গোপনে,
গোপন প্রিয়াকে পাব নাহি, ভালো তারে বাসিয়াছি স্বপনে।
এ পাষাণ আজি চির শান্ত,শান্ত এই মন,
গোপন সে রহিল মনে হলো না আর আপন।
গোপনে তোমায় বাসিয়াছি ভালো, গোপনে তোমা ছাড়িলাম আজি,
গোপন প্রিয়া যে তরীতে ওঠিয়াছিল ছিলাম সেই মন তরীর মাঝি।
গান ফোরাল, বংশীর সুর শেষ হলো, কাব্য লেখা সমাপ্ত হলো যা গোপন প্রিয়ার প্রেমে,
আজি গোপন প্রেমিক আসিল নেমে আমি গেলাম থেমে।

তারিখঃ১৪-১০-২০১৯ ইং
সময়ঃ রাত ৮ টায়

       বালুয়াকান্দি অনির্বাণ
     
       আজি প্রভু যৌবন মাঝে
      দিয়েছেন যৌবনের তেজী মহাশক্তি,
ছুটেছি বক্ষে হিম্মত নিয়ে, হস্তে অগ্নি ধ্বজা,
    যৌবনের শক্তিতে খুঁজি চির মুক্তি।।
          খড়গে ভাঙ্গিব জালিমের ঐ দ্বার,
      যৌবনের দৃপ্তিতে দূর হবে যত আঁধার।
         নাহি বক্ষে ভূতু এ মিথ্যের ত্রাসে,,
  যৌবনের শক্তিতে সত্য সতত ছুটে আসে।
    আজি হস্তে নিয়েছি সত্যের অগ্নি নিশান,
যায় যাক প্রাণ,সতত গাহিব যৌবনের গান।
    হামেশা গাহিব যৌবনের সত্যের গান,                                   যৌবনের শক্তিতে আজি মোরা বলবান।
যৌবনের দৃপ্তিতে ধরিত্রী প্রজ্জ্বলিত হবে,
হস্তে সত্যের খড়গ, চির জয় হবে সব আহবে।
     বক্ষে হিম্মত, হস্তে খড়গ নিয়ে সত্যের পথে,
       সতত গাহিব সত্যের গান,আজি মোরা                                     সাংগাঠনিকভাবে আছি এক সাথে।
   আছি বেঁচে যৌবনের অসীম হিম্মত নিয়া,
     সব বাঁধা ছিন্ন করিব যৌবনের শক্তি দিয়া।
হে প্রভু! দাও যৌবনের তেজী মহা শক্তি,
যেন সদা করিতে পারি যৌবনের শক্তিকে ভক্তি।
প্রভু,যৌবনের মাঝে দাও যৌবনের মহা শক্তি,
এই শক্তি দিয়ে দেশকে যেন করি চির মুক্তি।
     যৌবনের ভিওি যেন থাকে মজবুজ থাকে শক্ত,
অন্যায়,দূর্নীতি,বাতিলের বিনাশ লিখলাম,
         দিয়ে মোদের দেহের তাজা রক্ত,
   প্রভু হে! যৌবনের হিম্মতে রাখিও শক্ত।
      আজি সকল যুবককে করছি আহ্বান,
     একই সুরে গাও যৌবনের ঐক্যের গান।
      যৌবনের শক্তিতে অটল থাকিব,
                            যদি দিতে হয় প্রাণ,
       তবে অনন্তকাল এই ধরাতে,
       থাকিবে মোদের হাজার সম্মান।
আজি হিম্মত নিয়ে ছুটেছি আমরা তরুন দল,
      অগ্নি,ঘূর্ণি,সাইক্লোন, টর্নেডো
       কে আছে থামাবার বল?
এক পথে ঐক্যের বাঁধন বেঁধে এ পথে চল,
আজি চলছি হিম্মত নিয়া আমরা অনির্বাণ দল।
আজি সমাজ, দেশ মোদের জানাবে শত সম্মান,
তাইতে বালুয়াকান্দির মাটিতে গড়েছি অনিবার্ণ।
যত দুঃখ,দুর্দশা, দারিদ্র দূর করিব,এনে দিব শান্তি,
কলেবরে লাগিবে না ক্লান্তি, কর্মে কভু হবে না ভ্রান্তি।
আজি ঐক্যের সাথে চলছি মোরা তরুন দল,
মরেও বাঁচিব,স্মরণ করিবে মোদের এই অতল।
যদি দিতে হয় বিসর্জন, তবে দিতে পারি প্রাণ,
তবে অনন্তকাল বেঁচে থাকবে মোদের বালুয়াকান্দির অনিবার্ণ।

তারিখ:০৬-০৪-২০১৮ইং
উৎসর্গ করিলাম : বালুয়াকান্দি অনির্বাণ সংগঠনের সকল সদস্য বৃন্দকে।
( আসাদুল্লাহ, সদস্য অনিবার্ণ)

          চলে গেলে
 
সুখেরই চাদরে....রেখেছি আদরে
তবু তুমি দিয়ে গেলে....বুক ভরা কষ্ট,
বুজনি প্রেম তুমি...খুজনি আমাকে...
ব্যাথারই অনলে পোড়িয়ে করেছ নষ্ট।

যত আশা... অতৃপ্ত ভালোবাসা.....করেছ ছিন্না,
বিশ্ব দেখে নিঃস্ব আমি....তোমারই জন্য।
আসলে না তো ফিরে আর..বাসলে না আর ভালো,
হৃদয় আকাশ মেঘে ডাকা..পড়ে না তো আলো।

যে দিন চলে যায়.......আসে নাতো ফিরে,
তুমিও চলে গেলে.....আসলে না হৃদয়ে।
থাকি শুধু সারা প্রহর......... বেদনাদের ভীড়ে,
বেদনারা ছুটে আসে.....আমারই হৃদয় নীড়ে।

গেলে তুমি বহু দূরে.... রেখেছিলাম আদরে,
এত রূপ তোমার...ডেকেছিলাম পরশের চাদরে।
তোমার জন্য কাঁদে শুধু........ অবুজ পরাণ,
লিখে যায় গেয়ে যায়......... কবিতা আর গান।

তারিখঃ০৬-১২-১০১৯ ইং
সময়ঃ সন্ধ্যা ৬:৩০ pm

      স্বার্থপর প্রিয়া
       
চলে গেল প্রিয় জন............
আমাকে নেই আর প্রয়োজন।
স্বার্থপরের কাছে, নেই ভালোবাসার মূল্য,
জমিন আর আকাশের হয় কি তুল্য।

আমাকে নেই আর......তোমার প্রয়োজন,
স্বার্থপর তুমি..করে গেছ স্বার্থের...আয়োজন।
চলে গেল প্রিয়জন....ভেঙ্গে-চূড়ে এই মন,
স্বার্থপরের কাছে..নেই ভালোবাসা প্রয়োজন।।

যে পাখি চলে যায়..ভেঙ্গে-চূড়ে বসত বাসা,
স্বার্থপর পাখির...হয় না আর ফিরে আসা।
জমিন আর আকাশের.......কতটা ব্যবধান,
হবে না ফিরে আসা,দিয়ে গেলে প্রেমের প্রতিদান

চলে গেল প্রিয়জন...ভেঙ্গে-চূড়ে এই মন,
আমাকে নেই আর প্রয়োজন...কাঁদি সারাক্ষন।
যে জন চলে যায়.........আসে না আর ফিরে,
স্বার্থপর যে প্রিয়া, পড়ে থাকে সে স্বার্থের ভীড়ে।

তারিখঃ ০৭-১২-২০১৯ ইং
সময়ঃ সকাল ৯ টায়

    
তুমি এত দিনে এলে ফিরে

তুমি এত দিনে এলে ফিরে,
আমার এ হৃদয়............নীড়ে।
আগে কেন আস নি--- ও... প্রাণ সজনী,
তুমি বিহীন কেঁটেছে বিরহের কত যামিনী।।

আমার গানে,আমার সুরে-----তুমি বিহনে, এসো....এসো...আজি এসো-হৃদয়ের গহিনে।             বলব আজি মনের কথা,            
আমার যত দুঃখ-ব্যাথা।           
 বলব কথা আমার গানে,             
এসো তুমি মন বাগানে।
তোমায় আমি ভালোবাসি,তুমি আমার প্রিয়া,
জীবনে আছ তুমি গড়ব জীবন তোমায় নিয়া।

তুমি...এত দিনে এলে ফিরে...হৃদয়ের তীরে,
বাসব আজি ভালো তোমায়__হৃদয়.....জুড়ে।
রাত জাগা পাখির মতো,
নিভু-নিভু তারার মতো.......
দু'জনও থাকব জেগে-জেগে,
স্বপ্ন রাজ্যে মেঘের বেলায় ভাসব আবেগে।

তুমি আগে কেন আসনি,ভালো কেন বাসনি,
আজি হৃদয় জুড়ে ভালোবাস..ও প্রাণ সজনী।
তুমি এত দিনে এলে ফিরে,আমার হৃদয়পুরে,
প্রাণ উজার করে ভালোবাসব হৃদয় জুড়ে।

যদি প্রিয়া না আসে____ আমারও কাছে,
বাঁজিবে না বাঁশি_______আসিবে না সুর,
এই সুর যেন পরানে লাগে,আসিও হৃদয়পুর।
 আসিও প্রিয়া তুমি...যেও না গো বহু-দূর।

তুমি আসিবে বলে.....বাজাই বাঁশি.....,
কান্তরে বসে থাকি দেখব বলে হাসি।
যদি প্রিয়া না আসে....বাজবে বেদনার সুর,
এই সুর যেন লাগে তোমারও...... হৃদয়পুর।

তুমি আসিবে বলে.... বাজাই বাঁশি..
শুনিও মোর এই গান,
আসিও গো প্রিয়া তুমি...কাঁদে যেন পরাণ।
বাজিও চরনের নূপুর____দেখি যেন হাসি,
তুমি আসবে বলে বাজাই ওগো.....বাঁশি।

যদি প্রিয়া না আসে......আমারও কাছে,
বাঁশির সুর শুনে যদি না আসে....
 যদি না ভালোবাসে ____
কাঁদবে বাঁশি,বলব, ওগো বাঁশি তুমি কেঁদনা...
আসিও প্রিয়া তুমি_____দিও না গো বেদনা।

তারিখঃ ১৪-০২-২০২১ ইং
সময়ঃ সকাল ১০ টায়
তারিখঃ২৫-০৬-২০১৯ ইং
সময়ঃ বিকেল ৬:২০ মিনিটে


  তুমি কি মোর বন্ধু হবে, নাকি হবে প্রিয়া

তুমি কি গো মোর...বন্ধু হবে... নাকি হবে...
                             প্রিয়া....
এক জীবনে আসবে কি গো... বাঁধব জীবন
              তোমায় নিয়া......
তুমি কি গো মোর..বন্ধু হবে,নাকি হবে প্রিয়া।

প্রিয়া হয়ে আসিও....যেও না গো ছেড়ে......
দিও সুখ, থাকিও জানম-জনম হৃদয় নীড়ে।
তুমি কি মোর বন্ধু হবে..... নাকি হবে সঙ্গী----
হয়ও মোর প্রিয়া, আসিও ফিরে,
            যেমনে উড়ে আসে  বিহঙ্গী।।

তুমি কি মোর বন্ধু হবে-- নাকি হবে প্রিয়া..
প্রিয়া হয়ে আসিও, দিও সুখ রাশি-রাশি,
থাকিও জনমভর, থাকিও মোর পাশা-পাশি।

তুমি কি গো বন্ধু হবে,, নাকি হবে প্রিয়া....
প্রিয়া হয়ে আসিও, লিখব গান তোমায় নিয়া।
ছায়ার মতো থাকিও,লাগাইও পরাণে  মায়া,
তুমি কি গো মোর বন্ধু হবে, নাকি হবে প্রিয়া।

      মন আকাশে চন্দ্র হয়ে থাকিও,
      জীবন তরীতে বধূ হয়ে উঠিও,
      জ্বালিও সুখের প্রদীপ অন্ধ ঘরে,
     জীবন তরী নিয়ে যেও প্রবীন পাড়ে।

    তুমি কি গো বন্ধু হবে, নাকি হবে প্রিয়া,
    এ জীবনে আসবে কি গো?
     বাঁধব বাসা তোমায় নিয়া,
তুমি কি গো বন্ধু হবে, নাকি হবে প্রিয়া।।
               
তারিখঃ০১-০৭-২০১৯ ইং
সময়ঃবিকেল ৪ টায়

           তোমায় দেখব বলে
     
সতত অধীর অপেক্ষায় কাঁটায় প্রহর,
তোমা নিয়ে স্বপ্ন বুনি,হৃদে গড়েছি প্রেম শহর।
তোমা দেখব বলে  অপেক্ষায় নিম কান্তরে,
যদি না তোমা দেখি লাগে ব্যথা মোর অন্তরে।
তুমি আসবে বলে ভোরের বিহঙ্গরা মোরে জেগে তুলে,
মোর এ দু' নয়ন নাহি চাহি ঘুমাতে তোমায় দেখবে বলে।
তুমি আসবে বলে, এই পথে নূপুর ধ্বনি বাজবে বলে,
কর্ন এই সুর শুনবে বলে,শুষ্ক কাতর নয়ন শান্ত হবে তোমা রূপ দেখবে বলে।
তুমি আসবে বলে দখিনা প্রভঞ্জনে তোমা সুভাস পাই,
তোমায় দেখে তোমা হৃদ দেশে বারে-বারে হারাই।
প্রভাতে তোমা দেখব বলে, অপেক্ষায় কাঁটায়
রজনী,
এ কোন রূপের জাদুতে পাগল করিলে ওগো নন্দিনী?
যবে তোমা এ রূপ দেখে মোর নয়ন পহেলা,
এ অবুজ তৃষ্ণার্ত হৃদয় তোমা ভেবে-ভেবে কাঁটায় সারা বেলা।
মোরে বন্দি করিলে এ কোন মায়ার ইন্দ্রজালে?
ভিখ চাহি, দিও প্রেম, ললাট ঠেকায় তবু তোমা চরনতলে।
হামেশা থাকি অপেক্ষায় শুধু তোমা দেখব বলে,
দিও প্রেম কাঁদিও না মোরে,ভাসিও না চোখের জলে।
এ তো নয় গো প্রিয়া দূর-বহুদূর,
বাজাই বাঁশি তোমার কর্নে লাগে এ সুর।
শুধু তোমায় দেখব বলে এই নিম কুঞ্জের ছায়া তলে,
আসিও সদা  এ পথে শুধু তোমা দেখব বলে।
শুধু তোমায় দেখব বলে,এক পলক দেখব বলে।

তারিখঃ২৫-০৬-২০১৯ ইং
সময়ঃ সন্ধা ৭:৩০ মিনিটে
ঢাকা থেকে আসার সময় তিতাস ট্রেনে দাঁড়িয়ে।

                কবি রাণীর কাব্য
 
আমি তোমা ভালোবাসি তাইতো আমি কবি,
"অপরিচিতার  কাব্য" সে যে তোমার প্রতিচ্ছবি।
তোমাতে খুজিয়া পাহি যত মম কবিতার ছন্দ,
ছড়াও ছন্দের প্রভা মম কাব্যের তুমি রূপসী চন্দ্র।
তোমায় দেখে রচি কাব্য,কবিতা রচা হয় নি কভু বন্ধ,
মহা কাব্যের রাণী তুমি,পড়িয়াছে লোকে বলেনি কভু তা যে মন্দ।
তোমায় আমি ভালোবাসি,তুমি কাব্যের মহা রাণী,
তোমায় আমি অমর করিলাম,লিখে গেলাম যত বাণী।
ভালোবেসে ডাকি তোমায় তুমি কাব্যের রাণী,
ভবের কাছে দিয়ে গেলাম "অপরিচিতার কাব্যখানি।
তোমায় দেখে লিখে গেলাম অমর কাব্যখানি,
আমার পূত প্রেমে, আমার গানে আছ তুমি রাণী।
ভবে থেকে যাব যবে,মেলিও কাব্য স্মরণ হবে,
যবে তুমি নেত্রজল বিসর্জন দিবে, ধন্য হব তবে।
হৃদ গহীনে হৃদয় ভরে,পড়িবে মনে তখন মোরে,
ভবে থেকে পাঠিও দূরূদ-সালাম, সুখে রব পরপারে।
মোরে ভাবিয়া ফেলিও না ওগো প্রিয়া নেত্রজল,
তবে যে মুছে যাবে তোমার মায়াবী আঁখির কাজল।
ওগো, হঠাৎ একদিন হবে মম চির মরন,
পড়িও কাব্য যাবে না ভুলে হবে মোরে স্মরণ।
তোমাতে লুকিয়ে আছে সকল
কালের সকল কবির কবিতা,
তোমার রূপের বাহারে,মায়ার বন্ধনে,
মিথ্যে ছলনায়, তুমি কাব্যের দুহিতা।
সকল যুগের কবিগণ চির পরাজিত তোমার সনে,
এই অভিনয়ে,হেরেছে কবিরা হৃদয় প্রেমের রণে।
কত কবি নির্জন-নিভৃতে,নিশিতে জেগে রিচিয়েছে
নয়ন জলে, ব্যথার অনলে ডুবে,তোমার কবিতা?
ওগো কবি রাণী!ধ্বনিত হয়েছে কবির মুখে বাণী
তুমি সকল যুগের নাট্যের-অভিনয়ের চির বণিতা।
ওগো কবি রাণী!জীবন মাঝে চিরভাবে যেন লভি,
সব যুগের প্রকৃত প্রেমিক হয়েছে তোর কবি।
কবির হৃদয়ে কবিতা দিয়ে একেছে ঐ রূপের ছবি,
তুমি মিথ্যে কবি রাণী,যুগের প্রেমিকগণ কবি রাণীর জন্য হয়েছে কবি,মিথ্যে তোমার সবি।
কবি কভু নাহি লিখত এই কবিতা, এই কাব্য,
ব্যর্থ কবি রাণীর প্রেমে! নিঃষ্ঠুর কবির এই ভাগ্য।
কবি রাণীর রাঙ্গা পদের নূপুরের ঝুমুর-ঝুমুর সুরে
য়েছে তোমার বাণী,
ওগো কবি রাণী!আমি জানি গো তা জানি।
তোমাতে খুঁজে পেল সব যুগের কবি তার কবিতা,
তুমি প্রেম প্রয়াসী,হৃদয় ভঙ্গুরি,তুমি কাব্য দুহিতা।
ওগো কবি রাণী! আমি জানি গো চিরভাবে জানি,
সকল কবির মুখে ধ্বনিত হয়েছে তোমার বাণী।
তোমায় আমি ভালোবাসি,
তুমি মম কাব্যের রাণী,
তাইতো আমি তোমা লাগি
লিখে গেলাম "অপরিচিতার কাব্যখানি"।
আমি তোমা ভালোবাসি তাইতো আমি কবি,
আমার এ কবিরূপ সে যে তোমার প্রেমের ছবি।
আমি তোমা ভালোবাসি তাইতো আমি কবি,
"অপরিচিতার কাব্য" সে যে তোমার প্রতিচ্ছবি।

তারিখঃ১৯-১২-২০১৯ ইং
সময়ঃ রাত ১২ টা ৩০
তারিখ:০৮-০২-২০১৯ ইং
সময়: শক্রবার দুপুর ১২ টায়(আম বাগানে বসে)





ভালোবাসা এলো না 
       
কেহ ভালোবাসল না,এলো না যে জীবনাতে প্রেম,
বহু বছর অপেক্ষায় হৃদয়ের রং দিয়ে অঙ্কিত প্রিয়ার ফ্রেম।
হাঁটে-ঘাঁটে-পথে কতজন যাই তবু নাহি দেয় দৃষ্টি,
অদ্যাপি কোনো নন্দিনীর ভাবনায় নাহি এলুম হয়নি যে প্রেম সৃষ্টি।
দেখেছিনু বারে-বার রূপবর্তী রাণী ঘুমের ঘরে,
তারে ভালোবাসিয়াছি সবটুকু হৃদয় উজার করে।
এ যে স্বর্গের দিব্যাঙ্গনা,স্বপ্নে মিলন মেলায়,
কখন কবে আসবে কাছে অজানা অবেলায়?
আসবে যবে প্রিয়া কাছে বাসবে মোরে ভালো
জ্বালব তখন হৃদ মন্দিরে আমার প্রেমের আলো।
স্বপ্ন দেখি আসবে প্রিয়া বধূ সেজে মম ঘরে,
বাঁধবে প্রিয়া সুখের বাসা মোর হৃদয় নীড়ে।
তবু জীবনাতে এলো না ভালোবাসা পেল না কারো দেখা,
তাইতো রচা হয়েছে আমার যত বিরহের কাব্য লেখা।
কেহ ভালোবাসেনি আসে নি আমার দ্বারে,
কোনো প্রিয়ার হৃদয় নাড়া দেয় নি মম বাঁশির সুরে।
আমার গানে আমার সুরে আসবে ছুটে যে প্রিয়া,
বাসব তারে ভালো মোর পবিত্র হৃদয়ে নিয়া।
আমি যারে ভালোবাসব সেই তো মোর প্রিয়া,
আমার যত কাব্য কবিতা তার গুনের কথা দিয়া।
আসবে যবে আমার প্রিয়া ধরবে মোর হাত,
ঐ রজনীতে বাসব ভালো,করিব বন্দনা সারা রাত।
তবু ভালোবাসা এলো না যে,পেল না যে কারো দেখা,
হয়ত প্রভু ললাটে লিখেছে এক পবিত্র পরমা সুন্দরীর নাম লেখা।

তারিখঃ ১৪-০১-২০২১ ইং
সময়ঃ সকাল ১০ টায়


মধুপুর গ্রাম

যেতে হবে বহুদূর,সেই মধুপুর,দিতে হবে
পাড়ি পদ্মা-মেঘনা,ধলেশ্বরি-বুড়িগঙ্গা,
অপরূপ রূপের বাহার সৌন্দর্যের লীলাভূমি
উচ্চ শিক্ষার আলোয় আলোকিত রাঙ্গা।
শারীরতত্ত্বের যত মহা জ্ঞানী,চিকিৎক যেন হয়,
মধুপুরে মহা চিকিৎসালয় আমার শিক্ষার আলয়।
শারীরতত্ত্বের জ্ঞানে যেন পরিপূর্ন বিকশিত হয়,
যেথায় শারীরতত্ত্বে মহা জ্ঞানী,আমার চিকিৎসালয়।
শারীরতত্ত্বে পিপাসু,জ্ঞানে যেনো সব রোগ-শোক হয় জানা,
শারীরতত্ত্বের জ্ঞানী গুরু!দিও শিক্ষা আছে যত অজানা।
যেথায় মানব রুগ্ন-ভগ্ন-ক্ষুন,কত রোগে আহাজারি-হাহাকার,
মোর গুরুজন শিক্ষা-দীক্ষায় জ্ঞানে
সুস্থ-সবল করে রোগী দেয় নমস্কার।
শিখছি,জানছি গুরুজনের কাছে
কত অজানা রোগ দিবা-রাত্রি,
মধুপুরে আসিয়াছি আমি অজ্ঞ,
যেন হয় বিজ্ঞ,চিকিৎসা পথের যাত্রী।
যেথায় বাজছে দিবা-নিশি শারীরতত্ত্বের যত সুর,
তবু যেতে হবে বহুদূর,সেই দখিনা পদ্মার পাড় মধুপুর।
মাগো,তোমার তনয় ফিরবে একদিন পূর্ন জ্ঞানে বাড়ি,
দোয়া করিস মাগো,আছি কষ্টে মহা অর্নবে যে মোর তড়ী।
যেতে হবে  বহু পথ, দিতে হবে জীবন তরী পাড়ি,
কতনা ভয় এ পথে,কত কষ্ট,আর কত আহাজারি।
কত হাজার-লাখো-কোটি রুগ্ন-ভগ্ন মানব অপেক্ষায়,
শারীরতত্ত্বের পূর্ণতায় ফিরব যবে সুস্থ হবে মম সেবায়।
দোয়া করিও ওগো মানব ফিরে আসিবো একদিন হায়,
সুস্থ-সবল জীবন ফিরে দিব আমার মহৎ মানব সেবায়।
তবে আমি যেনো বাঁচি অনন্তকাল মানব মনে,
সব কিছু বিসর্জন দিবো মানব লাগি,ভালোবাসা মানবের সনে।
আমি চির কৃতজ্ঞ,চির ঋনী তোমার প্রতি ওগো মধুপুর,
ভবের রিজিক তোমাতে অজ্ঞ থেকে করিয়াছো বিজ্ঞ প্রজ্বলিত হৃদয়পুর।

তারিখঃ ২-১১-২০২৪ ইং
সময়ঃ দুপুর ২ টায়

         তুমি এলে না ফিরে

তুমি যে চলে গেলে এলে না তো আর ফিরে,
একাকীত্বের  জীবন ব্যাথার বসবাস হৃদয় নীড়ে।
"কবি!হে দূরত্ব বেড়েছে গুরুত্ব কমে নি  কভু,
তোমার পবিত্র ভালোবাসা হৃদয়ে রেখেছি তবু।"
অদ্যাপি তোমার অপেক্ষায় জীবন নদীর তীরে,
কভু যেও না গো ভুলে এসো ত্বরায় মম হৃদয় পাড়ে।
"পাগল কবি!আমিও একলা আছি শূন্য নীড়ে,
ভুলেও হয় নি ভুলা বারে-বারে মনে যে পড়ে।"
পড়ন্ত বেলায় বিষন্ন হয়ে এলো অলক মেলিয়া,
হয়তো পুষ্পিতা ভাবে যে দিনগুলো এসেছে ফেলিয়া।
আমায় ভেবে পুষ্পিতা চেয়ে থাকে,
কখন আসবো এই প্রান্তরে,
পুষ্পিতার যত দুখ সব দূর করিয়া দিবো,
অপেক্ষায় থাকে পুষ্পিতা জড়াবে অন্তরে।
"মায়র বাঁধন কভু কি গো যায় ছেড়া?
জানি গো কবি কষ্টের অম্বরে মোরে ছাড়া।"
তোমায় ভেবে তাকিয়ে দেখি হয়তো তুমি
সেই রক্তিম বিকেলের সবিতা,
পুষ্পিতা এখনও কথা বলে মোর সনে
আর আমি রচি পুষ্পিতার রূপের কাব্য-কবিতা।
মোর প্রেম সত্য, পবিত্র মনের আশা বাণী,
তুমি যে গেলে এলে না তো ওগো রূপের রাণী।
"হে আমারও প্রেম ছিলো সত্য আমি তোমার কবি রাণী,
বলো কবি এমন প্রেম কি করিতে পারি কভু হাতছানি?"
তুমি না এলে কাঁটে বিরহের কান্নায় প্রতি রাত্রি,
তারাদের মেলায় খুজি হয়ে আকাশের মুসাফির যাত্রী।
"তোমাকেও না দেখলে নাহি ঘুম আসে রাতে,
স্বপ্নের রাজ্যে খুজি অবশেষে ঘুম আসে প্রভাতে।"
অপরিচিতা হয়ে এসে চির পরিচিতা হয়ে গেলে,
মায়র বাঁধন ছিন্ন করে গেলে একলা মোরে ফেলে।
"হঠাৎ করে দেখা বলো থাকি কেমনে ভুলে?
আছো তুমি হৃদয় বাগানের প্রতিটি ফুলে-ফুলে।"
ওগো মায়াবিনী!মায়ার বাঁধনে প্রেমের জালে,
চির বন্দি করিলে এ কোন মোরে প্রেমের ইন্দ্রজালে?
"প্রেমের পরশে ডেকে এনেছি হৃদয়ের মাজারে,
প্রেম পূজারী!মোর বন্দরা করো বারে-বারে।"
ওনো ওরে ভাই!পুষ্পিতা দেখিতে কভু মন্দ না,
রূপের বাহারে পাগল করি সদা তার বন্দনা।
"হে ঐ জ্যোস্নার চন্দ্র কোনো কালেও অন্ধ না,
মোর প্রেমে রচিত করো মোর কাব্য-কবিতা কতনা।"
আসো না এ পাড়ে কতদিন গত হয়ে যায়,
অপেক্ষার প্রহন গুনি কি ব্যাথা দিয়ে গেলে হায়?
"আসবো কেমনে?ভাঙ্গলো যে মোর হৃদয় কূল,
তবে অভিমান, কবি নাহি কভু তোমার কোনো ভুল!"
ধরা তবু নাহি দিলে মোর পিঞ্জর মাঝে,
তোর পাড়ে তবু নাহি ছুটে যায় মরি যে লাজে।
"কবি তোমার বিরহের বাঁশির সুর মোর কর্নে বাজে,
আমি তোমায় ভুলি নি কবি,বেঁচে আছে হৃদয় মাজারে।"
পাখি কোন কুঞ্জ বনে গেলে,কোথায় করো বাস?
থাকো তবে সুখে করে দিয়ে মোর চির সর্বনাশ।
যৌবন বিফল ব্যাথারা করিলো এ জীবন গ্রাস,
সঙ্গিবিহীর জীবন মোর আমি যে চিন দেবদাস।
"কবি এখনও কি সঙ্গি বিহীর মোর আশায়?
আঁশিটি বছর কাটিয়ে দিলে আমার ভালোবাসায়।
আমিও তো একলা একা ছিন্ন মোর যৌবন,
কি ভ্রান্তি করিলাম হায় বৃথা দু'জনার জীবন।"
আসলে না আর ফিরে বাসলে না তো ভালো,
কার হৃদ মন্দিরে আজি জ্বালো প্রেমের আলো?
"কবি,হয়তো ভুল বুজছো,বলিও না এ কথা কভু,
শুধু ভালো বাসিয়াছি তোমায় ভালো বাসবো তবু।"
ওগো মোর প্রিয়া!এসেছিলে হয়ে স্বপ্ন-সহচারী,
দিবন-রজনী ছিলাম করিয়াছি তোমার প্রেম পূজারী।
"আমিও তো সদা করিয়াছি তোমার বন্দনা,
ওগো কবি,ক্ষমা করো মোরে তুমি আর কবুল কেঁদোনা।"
বিদায় বেলায় যদি গো পায় তোমার দেখার দান,
তবে এই তো রানী বেঁচে যাবে মোর চপল প্রাণ।
"মোর হৃদয় মাজারে ঘুমাও তুমি সারা জীবন ভর,
স্মরন করিও মোরে তবুও করিও না কভু পর।"
তোমার পূজা করিয়া আজি শূন্য ভিখারি,
বিরহ বেদনার তটিনীতে আজি মোর জীবন তরী।
মাঝে-মাঝে স্বপন ঘরে দেখি স্বপ্নে তোমার ছবি,
স্বপ্নে পেয়ে হারায় স্বপ্নে আর ভাবি,আমি তোমা কবি।
স্বপন  ঘরে পেয়ে তোমা ললাট মাঝে দিয়েছিনু চুমি,
তুমি বিহনে আজি মোর জীবন চিন মরুভূমি।
"সব ব্যাথা ভুলে দিবো শান্ত কবে মনের যত কথাবলি,
আর কেঁদিও না তুমি ভিজিও না চোখের জলে,ওগো কবি।
এখনও যে ভালোবাসো মোরে চির ধন্য তাতে,
এখনও তোমায় ভেবে অশ্রু ঝড়ায় প্রতি রাতে।"
ওগো পুষ্পিতা!এলে না তো আর মোর হৃদয় পাড়ে,
তোমায় দেখবো বলে মেঘনার তীরে গিয়েছি বারে-বারে।
ক্লান্ত ভর দুপুরে নির্জন কুঞ্জে  বাঁশিতে বিরহের সুর,
কাঁদে বাঁশি,কাঁদি আমি আসো না তো মোর হৃদয়পুর।
জ্যোস্নার রজনীতে চন্দ্রমাখা মুখ দেখবো বলে,
ব্যার্থ,সদা বার-বার গিয়েছি আম্র কুঞ্জের ছায়া তলে।
"হে কবি!হয়তো হঠাৎ করে তোমার তীরে,
আবারও হাসি-হর্ষ হবে দু'জনের হৃদয় নীড়ে।
সেদিন তোমায় সব ভালোবাসা দিবো, নিবো মন,
আমার পরশ হস্তে আদর-সোহাগ করবো সারাক্ষন।"
যবে থাকিবো না আমি এই মেঘনা নদীর পাড়ে,
পাখা মেলে চলে যাবো দূর- বহু দূর ঐ পড়পাড়ে।
"ওগো, এমন করে বলিও না কবি,লাগে যে বড় ভয়,
আমার পাগল কবি,তুমি ছাড়া ধরনীতে আর তো কেহ নয়।
যদি না হয় দু'জনার মধুর মিলন এ পাড়ে হে প্রভু,
তবু যেনো ঐ পড়পাড়ে ছিন্ন না হয় দুটি হৃদয় কভু।"
পড়ন্ত বিকেলে যবে থাবিবো না এই প্রেম বাগে,
জানি,হৃদয় ভরে স্মরন করিবে মোরে শত অনুরাগে।
খুঁজিবে মোরে এই প্রান্তরে আসিবে যবে তুমি,
খুঁজিবে সিন্ধু-মরুভূমি-গিরি এই কবরস্খানে বনভূমি।
পাবে নাহি মোরে সব ছিন্ন করিয়া ঐ পড়পাড়ে,
তবে প্রিয় ভাবিও আসাদ ভালোবাসিয়াছে বারে-বারে।
তোমার আশায় মেঘনার তীরে রেখে গেছি ঝড়া পালক স্মৃতি,
মহিতে মিডিয়াতে রেখে গেছি আমার যতো বিরহের গীতি।
নাহি হলো তোমার সরে মোর মধুর প্রেম-প্রীতি,
"অপরিচিতা" কাব্য মেলে পড়িও এটাই শেষ মিনতি।
"কবি,বিদায় বেলায় আমায় নিও তোমার সনে,
হয়তো বিধি নাহি লিখেছে মিলন মোদের দু'টি মনে।
আসতে চাহি তবু আসা হয় না তোমার পাড়ে,
আমিও তোমার সনে থাকবো ঐ পড়পাড়ে থাকবো একই নীড়ে।"
ওগো অভিমানী পুষ্পিতা!গেলে যে চলে আজও এলে না ফিরে,
কোন ভুলে গেলে তুমি মোর হৃদয় নীড় ছিরে?
এবার পেলে রাখবো তোমায় চিরতরে মম বুকে,
অপেক্ষার আছি কখনো আসবে তুমি এই দ্যুলোকে।

তারিখঃ ১-১১-২০২৪ ইং
সময়শ সন্ধ্যা ৬ টায়


          মায়ের ক্যান্সার ও মৃত্যু

মেঘনার তীরে জম্ম আমার মেঘনা প্রিয় সখা,
অপরূপ গ্রাম,সকাল-সাঝে মেঘনার রূপ দেখা।
কত কষ্ট সংসার,কত দুঃখের গল্প মায়ের কুড়ে ঘরে,
কষ্ট আরো বেড়ে যায়,নিঃস্ব-অসহায় কালবৈশাখীর ঝড়ে।
আশির দশকে সরকারী কর্মী পাত্র আসিলো বিয়ে,
নাহি রাজি তবুও মা,হারাম রিজিক দিলো চিরতরে নিবিয়ে।
ঐ সংসারে যাবে যাহাতে দু'মোঠো অন্ন তিনবেলা ঝুটে,
তবু্ও হালাল রিজিক উপার্জন কোনো মতে খেটেখুটে।
আমার পিতার নাহি অর্থ-সম্পদ,অসহায় নাহি কিছু,
বড়ই কষ্টের সংসার,দারিদ্ররা ছাড়ে না তবু হাত পিছু।
এক বেলা ঝুটিলে উদরে অন্ন, দু'বেলা নাহি মিলে,
কত কষ্টের সংসারে জননী আসিলো কষ্টে জীবন তিলে-তিলে।
সহ্য তবু গর্ভধারিনী কত ব্যাথা একা
জমিয়ে রাখিলো অন্তরালে।
ছয় সন্তানের মা,তবুও জননী
লালন-পালন করিলো কত কষ্টে,
দেখিলাম হায়,শুনো ওরে ভাই,
আদর্শ মা পরিপূর্ণে যত বৈশিষ্টে।
নব্বই দশকে পাড়ি জমালো পিতা আরব মরুর দেশে,
বড় সংসারের যত দুঃখ-কষ্ট কমলো তবু অবশেষে।
সুশিক্ষায় শিক্ষিত করিলো মা,
বানালো হাফেজ-আলেম-চিকিৎস হায়,
কত কষ্ট-দুঃখ সহ্য তবু জননী,
পৌছালো মোদের সুখের অবস্থায়।
চিরকাল চির কৃতজ্ঞ গো মা,সুখে রেখে
চলে গেলে আজি তুমি,
সুশিক্ষায় শিক্ষিত বানাতে
ছাড়িলো মা আমার জম্মভূমি।
আরব মরুর দেশে শস্য ফলায় পিতা মরুর মাটির বুকে,
অসহায়-দরিদ্রতা গোছিলো দূর করিলো পিতা অন্ধকে।
দেখিয়াছি প্রত্যহ দরিদ্র-অসহায় ভিখারিনীগন
জননীর  কাছে বসে বলিতো অসহায়-দরিদ্রের কথা,
উদর পূর্তি করিত পরিতৃপ্ত হতো,অন্ন-অর্থ করিত দান
সব ভিখারিনীগন অশ্রুসিক্তো বলিতো মনের যত ব্যাথা।
গ্রামের যত মা-বোন জননীর
নিকট থেকে নিত যত পরামর্শ,
সবার সুখ-দুখে,বিপদে-আপদে,
জননী সবার পাশে করিত হৃদয়স্পর্শ।
আলেম পরিবার ভিটে হারা নিঃস্ব-অসহায়,
নাহি কোনো সম্বল,দিলো মা ঘর-বাড়ি,দিলো এক যুগ ঠাঁই,
সদা অসহায়-দরিদ্রের সাহায্যে মায়া মমতাময়ী,
আদর্শ মায়ের যত গুন মম জননীর মাঝে শুনো ওরে ভাই।
সারাটা জীবন দেখেছি গর্ভধারিনীর
নয়নে কষ্টের অবিরাম জল,
সন্তানগনের সুখের জন্য মা দিয়েছে সব বিসর্জন
করিয়াছে জননী আজি সব সন্তানের জীবন উজ্জল।
মোরে শারীরতত্ত্বের মহা বিদ্যার চিকিৎসালয়ে
স্খান দিয়া করিয়াছি আমার স্বপ্ন ধন্য,
মাগো তোমার ছেলে চিকিৎক,ধরার মহৎ কর্ম,
ক্ষমা করো মাগো,তোমার সুদ নাহি পূর্ণ চিরকাল ঋনশুন্য।
সেদিন মা করুন কন্ঠে বলিলো ওরে খোকা,
"বক্ষ-উদরে অবিরাম কি যে অসহ্য-যন্ত্রনার ব্যাথা,
বলিলাম হায়,ধৈয্য ধরো মাগো,ক'দিন পর ছুটিতে আসিয়া
অভিজ্ঞ চিকিৎকে নির্মূল করিবো,এসে দেখি অচলবস্থা।
যত দিন গত হয়, অহস্য যন্ত্রনার ব্যাথা উদর ও বক্ষে,
খুঁজে পেলো উদরে মৃত্যুর দূত,ক্যান্সার যে মৃত্যুর পক্ষে।
ভূবন মাঝে নাই যে কোনো পথ্য,ব্যর্থ চিকিৎসকের পক্ষে,
আহ মাগো!কত অসহ্য যন্ত্রনা-ব্যাথা উদর ও বক্ষে দেখিছি স্বচক্ষে।
তবু আমি সর্বোচ্চ চেষ্টা করিয়াছি,
বলিয়াছি কিছু হয় নি ওগো মা,
ত্বরায় সুস্থ-সবল করিব তোমায়,
প্রভু দয়া করিবে তোমার যে কত নেকী আমলনামা!
শান্তনার সুরে বলিয়াছি এই মৃত্যু ক্যান্সার দয়া
করে দিয়েছে যে সৃষ্টিকর্তা মাগো তোমাকে দান,
কেঁদো না গো ওগো মা,চির শান্তি মিলিবে স্বর্গে,
মৃত্যুর ক্যান্সার উছিলায় পরকালে দিবে মহা সম্মান।
মধ্য রজনীতে অন্ধ ঘরের বন্ধ নিকেতনে দু'হাত তুলে,
ওগো শাফি!মৃত্যুর ক্যান্সার করে দাও সুস্থতার অনুকুলে।
প্রভু হে!জননী সবে অর্ধ-শত বছর বসত করিল এ ভবে,
এতো ত্বরায় মৃত্যু হানা দিলো আমার জননীর ঘরে নীরবে?
রক্ষা করো ওগো শাফি!যত ভুল-ভ্রান্তি,
পৃথিবীর যত দেনা-লেনা করো মায়ের মাফি,
মৃত্যুরা করছে লাফালাফি তবু নাহি আনিতে
পারিলাম মায়ের সম্মুখে জীবনের সফলতার ট্রফি।
জীবনভর মায়ের বাহ্যিকে-অন্তরালে দুঃখ-কষ্ট বাসবাস,
অবশেষে উদর ক্যান্সার মায়ের জীবন কিরলো সর্বনাশ।
স্বর্গীয় সময়ে ভোরের বেলায়
আমার মা গেলো চিরতরে ঘুমে,
সকলেই একদিন ছাড়িব ভূবন
সৃষ্টিকর্তার প্রকৃতির নিয়মে।
জননী বিধাতার সব নিয়ম
পালন করিয়াছো ধর্মে ও কর্মে,
মাগো তুমি চির সুখ পাবে
কার্মের এই মর্মে প্রতি জম্মে-জম্মে।
আসবো মাগো তোমার বুকে,
চিরকাল বাঁচবো দ্যুলোকে,
সেদিন চিরকাল চিরতরে ঘুমাবো তোমার বুকে,
আমরা একদিন আসবো মাকো চিরতরে পরলোকে।
জননী আজি স্বর্গের বাগিচায় ঘুমে আমার বৃক্ষের ছায়াতলে,
আসব মাগো ঘুমাব আমি তোমার পরশের আঁচলে।
ক্ষমা করো ওগো দয়ময়!আমার মায়ের যত ভুল-ত্রুটি,
ক্যান্সার বিনময়ে দাও উপহার জন্নাতের দরজা মেলে আটটি।
মোর যত ভবের মাঝে সৎ কর্ম-কীর্তি,
যত আছে নেকি করিলাম মাকে দান,
ওগো বিচার দিনের মহা বিচারক!দয়া-মায়া
করো মম গর্ভধারিনীকে জান্নাত করিও প্রদান।

তারিখঃ ৩-১১-২০২৪ ইং
সময়ঃ রাত ৯ টায়,সোহরাওর্দী উদ্যানে বসে যেখানে একুশে বই মেলা অনুষ্ঠিত হয়।আজ ঢাকায় এসেছি কাব্যের কভার ফটো তুলার জন্য।
"অপরিচিতা" কাব্যে ৭০ টি কবিতা লিখেছি, "মায়ের ক্যান্সার ও মৃত্যু" এই কবিতাটি কাব্যের সর্বশেষ লেখা ৭০ তম কবিতা

উৎসর্গঃ কবিতাটি উৎসর্গ করিলাম আমার মরহুম মাকে ও হাজ্বী বাবাকে।আজ ৩-১১-২০২৪ ইং ঠিক এমন ১ বছর পূর্বে ৩-১১-২০২৩ ইং আমার মায়ের FNAC রিপোর্ট আমার হাতে এসেছে & অবশেষে ইয়া শাফি দান করা উপহারে আমার মায়ের Stomach Adeno Carcinoma ক্যান্সার ধরা পড়ছে।পরে দ্রুত পরের দিনই মাকে ঢাকায় এনে দেশের অন্যতম সেরা ক্যান্সার বিশেষজ্ঞ ডাক্তার স্যারদের মাধ্যমে ট্রিটমেন্ট এবং সর্বোচ্চ দামি ফ্রান্সের কেমোথেরাপি দিয়েছি।১ম কেমোথেরাপি দেওয়ার পর মা সুস্থ হয়েছিলো কিন্তুু ২য় কেমোথেরাপি দেওয়ার পর অবশেষে ৫-১২-২০২৩ ইং ফজর বাদ আমার মা ৫৩ বছর বয়সে দুনিয়ার মায়া ত্যাগ করে আল্লাহর ডাকে সাড়া দিয়ে চলে গেছে।মাকে আমাকে ফোন দিয়ে বললো,পেটে ও বুকে ব্যাথা করে,আমি বললাম কয়দিন পর পূজার ছুটিতে এসে আপনাকে ভালো ডাক্তার দেখাবো।পূজার ছুটিতে মেডিকেল থেকে এসে আমাদের গ্রামের পিজি হাসপাতালের সহকারী অধ্যাপক ডাঃ মোবিন স্যারকে দেখালাম & ডায়াগনোষ্টিকে ক্যান্সার ধরা পড়ছে ও তা ৩ নং স্ট্যাজে চলে গেছে। দীর্ঘ ৯০ দিন মায়ের সাথে ছিলাম!মেডিকেল থেকে সারাদিন জার্নি করে রাত ১০ টায় বাড়ি গেলাম, মা আমাকে খাবার খাওয়ালো!মায়ের হাতে রান্না করা ওটাই আমার শেষ খাবার ছিলো,মায়ের রান্না অসাধারন সুস্বাধু ছিলো।রাতে যখন ঘুমাতে গেলাম স্বপ্নে দেখলাম মাকে ডাক্তারের কাছে নিয়ে গেছি & ডাক্তার বড় ধরনের একটি রোগ নির্ণয় করলো।সকালে ঘুম থেকে ওঠে ভাবতে লাগলাম আমি যা স্বপ্নে দেখি সেটাই বাস্তবে সত্যি হয়ে যায়।অবশেষে সেটাই হলো। পরে মায়ের মৃত্যুর একদিন আগেও স্বপ্নে দেখলাম মায়ের ইন্তেকাল হয়েছে এর পরের দিনই মা দুনিয়া ছেড়ে চলে গেছে।এক কথায় পৃথিবীর সব মায়েরাই ভালো কিন্তুু আমার মা আমার চোখে পৃথিবীর সেরা ও আদর্শ মা।একদিকে ধর্মভীরু,পর্দাশীল,জ্ঞানী সর্ব গুনে গুনান্নিত ছিলো মা।

বাংলাদেশের ২য় বৃহত্তম কবরস্থান আমাদের ঐতিহ্যবাহী বালুয়াকান্দি ইসলামী কমপ্লেক্সের(১৯২১ সালে প্রতিষ্ঠিত)
বালুয়াকান্দি কবরস্থানে মা হাজার-লাখো মাইয়্যেতের সাথে জান্নাতের বাগিচায় ঘুমিয়ে।কবরস্থারের পশ্চিম দিকে ক্রয় করা স্খানে কবরস্থান সকলের এই ব্লকে ২০১৯ সালে আমি নিজ হাতে ২০০ মেহগনি গাছ লাগিয়েছি।আমার লাগানো গাছের ছায়াতলে মা ঘুমিয়ে আছে।গাছ লাগানোর সবগুলো নেকী মায়ের কবরে সদকায়ে যারিয়া হিসেবে কবুল করুক।মায়ের পাশের কবরটা বাবার জন্য নির্ধারিত করে রেখে দিয়েছি।৫ নং ব্লকের ৩৪ নং কবরটি বাবার,৩৫ নং কবরটি মায়ে,৩৬ ও ৩৭ নং কবরটি আমার নিজের উপার্জিত টাকায় ক্রয় করে কিনে রেখেছি।আমার ও বড় হাজ্বী ভাইয়ের  জন্য ইনশাআল্লাহ।

আমার মাকে আল্লাহ জান্নাতের উচ্চ মাকাম নছিব করুন,আমিন

-১. رَّبِّ ارْحَمْهُمَا كَمَا رَبَّيَانِي صَغِيرًا
উচ্চারণ : ‘রাব্বির হামহুমা কামা রাব্বায়ানি সাগিরা।

’অর্থ : (হে আমাদের) পালনকর্তা! তাদের উভয়ের প্রতি দয়া কর; যেভাবে তারা আমাকে শৈশবে লালন-পালন করেছেন।’ (সুরা বনি ইসরাইল : আয়াত ২৪)

২. رَبَّنَا ٱغْفِرْ لِى وَلِوَٰلِدَىَّ وَلِلْمُؤْمِنِينَ يَوْمَ يَقُومُ ٱلْحِسَابُ
উচ্চারণ : ‘রাব্বানাগফিরলি ওয়ালিওয়ালিদাইয়্যা ওয়া লিলমুমিনিনা ইয়াওমা ইয়াকুমুল হিসাব।

’অর্থ : ‘হে আমাদের রব! যেদিন হিসাব কায়েম হবে, সেদিন আপনি আমাকে, আমার বাবা-মাকে ও মুমিনদেরকে ক্ষমা করে দেবেন।’ (সুরা ইবরাহিম : আয়াত ৪১)

৩. رَّبِّ ٱغْفِرْ لِى وَلِوَٰلِدَىَّ وَلِمَن دَخَلَ بَيْتِىَ مُؤْمِنًا وَلِلْمُؤْمِنِينَ وَٱلْمُؤْمِنَٰتِ وَلَا تَزِدِ ٱلظَّٰلِمِينَ إِلَّا تَبَارًۢا
উচ্চারণ : ‘রাব্বিগফিরলি ওয়ালিওয়ালিদাইয়্যা ওয়া লিমান দাখালা বাইতিয়া মুমিনাও ওয়া লিলমুমিনিনা ওয়াল মুমিনাত ওয়া লা তাযিদিজ জ্বালিমিনা ইল্লা তাবারা।’

অর্থ : ‘হে আমার রব! আমাকে, আমার বাবা-মাকে, যে আমার ঘরে ঈমানদার হয়ে প্রবেশ করবে তাকে এবং মুমিন নারী-পুরুষকে ক্ষমা করুন আর আপনি জালিমদের ধ্বংস ছাড়া আর কিছুই বাড়িয়ে দেবেন না।’
(সুরা নুহ : আয়াত ২৮)

আল্লাহ আমার মাকে জান্নাতের উচ্চ কামাম দান করুক।
আমিন,ছুম্মা আমিন।

জীবন যোদ্ধে বেঁচে থাকার জন্য পবিত্র কোরআনের মোটিভেশন আয়াতগুলো

"হতাশ হয়ো না, উঠো! সিজদাহ করো এবং কাঁদো!"
-- সূরা ইউসুফ : ৮৬

→ মানুষ যা চায় তাই কি পায়?
সূরা নাজম:২৪

→ মানুষ তাই পায় যা সে চেষ্টা করে।
সূরা নাজম:৩৯
-
"আল্লাহ কষ্টের পর সুখ দিবেন।"
-- সূরা ত্বলাক : ৭
-
"নিশ্চয়ই কষ্টের সাথে রয়েছে স্বস্তি।"
-- সূরা ইনশিরাহ : ৬

"জেনে রেখো, আল্লাহর সাহায্য নিকটে।"
-- সূরা বাক্বারা : ২১৪

"হে আল্লাহ, আমি তো কখনো আপনাকে ডেকে ব্যর্থ হইনি।"
-- সূরা মারইয়াম : ৪

"এবং অবশ্যই আমি তোমাদের পরীক্ষা করব কিছুটা ভয়, ক্ষুধা, মাল ও জানের ক্ষতি ও ফল-ফসল বিনষ্টের মাধ্যমে। তবে সুসংবাদ দাও সবরকারীদের।"
-- সূরা বাক্বারা : ১৫৫
-
"আমি তো আমার দুঃখ ও অস্থিরতাগুলো আল্লাহর সমীপেই নিবেদন করছি।"
-- সূরা ইউসুফ : ৮৬
-

"একমাত্র কাফির ছাড়া অন্য কেউ আল্লাহর রহমত থেকে নিরাশ হয় না।"
-- সূরা ইউসুফ : ৮৭
-
"আল্লাহ কোনো ব্যক্তির উপর তার সাধ্যের চাইতে বেশী, এমন বোঝা চাপিয়ে দেন না।"
-- সূরা বাক্বারা : ২৮৬
-
-
"হে ঈমানদারগণ, তোমরা সবর ও নামাজের মাধ্যমে সাহায্য প্রার্থনা কর। নিশ্চয়ই আল্লাহ ধৈর্যশীলদের সঙ্গে রয়েছেন।"
‌‌ -- সূরা বাক্বারা : ১৫৩

‘হে ইমানদারগণ! তোমরা ধৈর্য ধারণ করো, ধৈর্যের প্রতিযোগিতা করো এবং যুদ্ধের জন্য প্রস্তুত থাকো, আল্লাহকে ভয় করো যাতে তোমরা সফলকাম হতে পারো।’
(সুরা-৩ আল ইমরান, আয়াত: ২০০)

‘হে মুমিনগণ! ধৈর্য ও সালাতের মাধ্যমে তোমরা সাহায্য প্রার্থনা করো। নিশ্চয়ই আল্লাহ ধৈর্যশীলদের সহিত আছেন।’
(সুরা: ২ বাকারা, আয়াত: ১৫৩)।
-
অতএব, কোনো হতাশা আমার জন্য নয়।
আমিই সফলকামী এবং বিজয়ী হবো,ইনশাল্লাহ!
-
"' আলহামদুলিল্লাহি আ'লা কুল্লি হাল '"
সকল অবস্থায় আল্লাহর প্রশংসা করুন।



জীবনে একবার হলেও পড়ুন রিজিক নিয়ে কোরআনের আয়তগুলো

রিজিক নিয়ে আমার সৃষ্টিকর্তার বাণী!বর্তমানে ৯০% মানুষ রিজিক নিয়ে হতাশা-পেরেশানীতে & ডিপ্রেশনে!আমি বুজি না আপনারা কি জীবনে কখনো পড়েন নি পবিত্র কোরআনের এই আয়াতগুলো??আরে ভাই আমার,আরে বোন আমার পৃথিবীর সবার রিজিক তো পৃথিবী সৃষ্টির ৫০ হাজার বছর আগেই লিখা হয়ে গেছে!আপনার রিজিক দুনিয়াতে যতটুকু লিখা হয়ে গেছে তার থেকে এক বিন্দু কম বা বেশি আপনি রিজিক পাবেন না তাই জীবনের সফলত,ব্যার্থতা,ইনকাম নিয়ে আর হাতাশ হবেন না।

নিশ্চয় আল্লাহ হলেন তিনি, যিনি রিজিকদাতা এবং মহাশক্তিধর ও মহাপরাক্রমশালী।’ (সুরা আয যারিয়াত, আয়াত, ৫৮)

‘এমন কে আছে, যে তোমাদের রিজিক দান করবে? যদি তিনি তাঁর রিজিক বন্ধ করে দেন?’ (সুরা মুলক, আয়াত ২১)।

 ‘আকাশে রয়েছে তোমাদের রিজিক ও প্রতিশ্রুত সব কিছু। ’ (সূরা জারিয়াত, আয়াত, ২২)

জমিনে বিচরণকারী যত প্রাণী আছে, সবার রিজিকের দায়িত্ব আল্লাহর ওপরে। (সুরা হুদ: আয়াত ৬)

‘নিশ্চয় তোমার রব যাকে ইচ্ছা তার জন্য রিজিক বাড়িয়ে দেন এবং যাকে ইচ্ছা তার জন্য রিজিক সীমিত করে দেন। আর অবশ্যই তিনি তার বান্দাদের সম্পর্কে পূর্ণ জ্ঞাত এবং প্রত্যক্ষদর্শী।’ (সূরা বনি ইসরাঈল, আয়াত, ৩০)

আমি অবশ্যই তোমাদের পরীক্ষা করব, কখনো ভয়ভীতি, কখনো অনাহার দিয়ে, কখনো তোমাদের জানমাল ও ফসলাদির ক্ষতির মাধ্যমে। (এমন পরিস্থিতিতে ধৈর্যধারণ করতে হবে) তুমি ধৈর্যশীলদের (জান্নাতের) সুসংবাদ দান করো।’ (সূরা বাকারা, আয়াত, ১৫৫)

‘পার্থিব জীবনের ওপর কাফেরদের উন্মত্ত করে দেওয়া হয়েছে। আর তারা ইমানদারদের প্রতি লক্ষ করে হাসাহাসি করে। পক্ষান্তরে যারা পরহেজগার তারা সেই কাফেরদের তুলনায় কেয়ামতের দিন অত্যন্ত উচ্চমর্যাদায় থাকবে। আর আল্লাহ যাকে ইচ্ছা সীমাহীন রুজি দান করেন।’ (সূরা আল বাকারা , আয়াত, ২১২)

‘এবং তিনি তাকে এমন জায়গা থেকে রিজিক দান করেন যার উৎস সম্পর্কে তার কোনো ধারণাই নেই। যে ব্যক্তি আল্লাহর ওপর ভরসা করে তিনিই তার জন্য যথেষ্ট। ’ (সূরা আত ত্বালাক, আয়াত, ৩)।  

যদি আল্লাহ তায়ালা তার সব বান্দাদের প্রচুর রিজিক দান করতেন, তাহলে তারা পৃথিবীতে বিপর্যয় সৃষ্টি করত। বরং তিনি যে পরিমাণ চান তার জন্য ততটুকুই রিজিক নাজল করেন।’ (সূরা শুয়ারা, আয়াত, ২৭)।  

অতঃপর যখন জুমার নামাজ শেষ হয়ে যাবে তখন তোমরা পৃথিবীতে ছড়িয়ে পড় এবং আল্লাহর অনুগ্রহ তালাশ কর এবং আল্লাহকে বেশি বেশি স্মরণ কর।’ (সূরা জুমুয়াহ, আয়াত, ১০)

 ‘হে মানুষ! তোমরা আল্লাহকে ভয় করো। ধনসম্পদ সংগ্রহে উত্তম পন্থা অবলম্বন করো। কেননা কেউ তার রিজিক পরিপূর্ণ না করে মৃত্যুবরণ করবে না। যদিও তা অর্জনে বিলম্ব হোক না কেন।’ (সুনানে ইবনে মাজাহ)

ইনশাআল্লাহ,আমিন।

দীর্ঘ ৪-৫ বছর সাহিত্যে ফিরে এসেছি।এগুলো বেশির ভাগই ৩-৪ বছর আগের কবিতা!বর্তমানে যদি কবিতা ও কাব্য লেখায় হাত দেয় আশা করি ভালো কিছু রচনা করতে পারবো ইনশাআল্লাহ।সামনের বই মেলায় আমার কাব্য,ইসলামিক উপন্যাস,ইসলামিক বই বের করবো ইনশাআল্লাহ।সকলের কাছে দোয়ার দরখাস্ত।

                                 (সমাপ্ত)



Asadullah(MBBS 4th year Dhaka)
আমার সাথে যোগাযোগ করার মাধ্যম, যেকোনো তথ্য জানতে বা সহায়তার জন্য ও মেডিকেল এডমিশনের ভর্তি বিষয়ে,লেখা-পড়ার বিষয়ে পরামর্শে & প্রাইভেট মেডিকেলে কমে ও কিস্তিতে ভর্তি হতে বা বিদেশে mbbs পড়তে  কল করতে পারো বা What's app এ নক বা কল দিতে পারো

what's app:01568318976

Call:01608090856

Youtube Chennel: Asadullah TV.BD
https://www.youtube.com/@AsadullahTVBD

Follow & Like My Facebook Page:
Asadullah TV.BD
https://www.facebook.com/bloggerasadullah

Visit My Website: Asadullah News & Library
https://asadullahnl.blogspot.com/?m=1

Gamil: mdasadullah3535@gmail.com


QR কোড স্ক্যান করুন


        
                           Whats app:
                            Youtube Channel


                                 website
আমার ইউটিউব চ্যানেলে সবগুলো কবিতার আবৃত্তি ভিডিও আকারে


                           Facebook Page:







Comments

Popular posts from this blog

প্যারাডক্সিক্যাল সাজিদ ১ ও ২ এবং আরজ আলীর সমীপে pdf বই ডাউনলোড করুন ও পড়ুন

"প্যারাডক্সিক্যাল সাজিদ" আরিফ আজাদ আসসালামু আলাইকুম প্রিয় ভাই ও বোন।আজ আপনাদের সাথে নিয়ে আসলাম আরিফ আজাদ ভাইয়ে প্যারাডক্সিক্যাল সাজিদ ১ ও ২ বই দুটি এবং "আরজ আলীর সমীপে" বইটি। সারা বাংলার ভাইরাল বই "প্যারাডক্সিক্যাল সাজিদ ১ ও ২ " বই দুটি। যদি বইগুলো না পড়ে থাকুন এখনই ডাউনলোড করে পড়া শুরু করুন। প্যারাডক্সিক্যাল সাজিদ: ডাউনলোড প্যারাডক্সিক্যাল সাজিদ ২ : ডাউনলোড আরজ আলীর সমীপে: ডাউনলোড আপনার কোন বইটি দরকার?  তা কমেন্ট বক্সে লিখুন। ধন্যবাদ Asadullah News & Library

চটি গল্পের সেক্সের দুনিয়া থেকে হেদায়েতের পথে || Asadullah News & Library||

  #চটি_গল্পের_সেক্সের_দুনিয়া_থেকে_হেদায়েতের_পথে!#Hacked_Facebook_id!! ভাবলাম এই যুব সমাজ মিডিয়া আর ফেইজবুকের কল্যাণে তার অপব্যবহারের ফলে অশ্লীলতার চরম পর্যায়ে চলে যাচ্ছে!  এদোরকে কিভাবে থামানো যায়?কিভাবে এদের যৌবনের উষ্ণ রক্তকে শীতল করা যায়।আর এর জন্যই আমার একটু প্রয়াস তাদেরকে হেদায়েতের পথে আহব্বান করার। #প্রথম_মিশন আমার প্রথম মিশন ছিল একজন বড় ভাইয়ের উপর।সে বলেছিল চট্রগ্রামে থাকে,তার প্রায় সব গোপন কথায় জেনে গিয়েছিলাম,পরে তার আইডি আমার দখলে নিয়ে আসি।তার সমস্ত ডাটা ও ডিটেলস জানতে পারি।সে আমাকে বলেছিল বাংলাদেশের চট্রগ্রামে থাকে কিন্তুু দেখলাম বিদেশে থাকে ও দোবাইয়ে এবং বাড়ি কক্সবাজারে।যাহোক,তাকে বুজানোর পর তার মুখ দিয়ে যেসব বাক্যগুলো এসেছিল "ভাই,তোমার সাথে আমার আরো আগে পরিচিত হলো না কেন?ভাই,হে সত্যিই তো আমারও তো একজন বোন আছে, আমার বোনকে কেহ যদি সেক্স ভিডিও,পিক ও অশ্লীল কথা বলে তখন আমার কাছে কেমন লাগবে?আর আমি তো এমন অজস্র মেয়েদের সাথে এরকম করে আসতেছি!!হে ভাই,তুমি আমার জীবনটাই বদলে দিয়েছ!তোমার কাছে ওয়াদা দিলাম জীবনে আর কখনো এরকম করব না। আর আমি এসব পথে এসেছি একটাই কারন সময় কাঁটানোর জ...