Skip to main content

প্রবন্ধ:" আমার সত্য " Asadullah News & Library




#প্রবন্ধ_আমার_সত্য   
         আসাদুল্লাহ

আমার সত্যের পথে চলিবার পূর্বে সালাম জানাই আমার সত্যকে। যে সত্যকে চিনিয়াছে সে কখনো মিথ্যাকে ভয় করে না। এই সত্য তার শির উচু করিয়া রাখে। তখন সে লোকভয়,ক্ষমতা ভয়,ও জগতের যত ভয় আছে সবগুলোকে লাথি মারিয়া তাহার সত্যের শক্তিকে বক্ষে ধারন করিয়া মাথা উচু করিয়া পৃথিবীর বুকে চলে। তাহার মাঝে তখন শুধু প্রভুর ভয় কাজ করে।যে সত্যকে চিনিতে পারিয়াছে সে কখনো নিন্দুকের নিন্দাকে পরোয়া করে নহে। সমালোচকদের সমালোচনায় তার কিছু আসে-যায় না বরং এই সমালোচনার মাধ্যমে তাহার সত্য আরো শক্তিশালী হইয়া ওঠে।


আমি আমার সত্যকে বাহ্যিক ও অন্তর চক্ষু দিয়া দর্শন করিয়াছি তাই মিথ্যাকে ভয় করিয়া চলি না। আমার সত্য দেখাবে আমার পথ আর সেই পথেই আমার পদচারণ। আমি আমার সত্যের পথে চলার পূর্বে মৃত্যুপুরীতে গিয়া আমি আমার নিজেকে মরতে দেখেছি। আর তখন থেকেই মৃত্যকে ভয় পায় না, খুব কাছ থেকে আমি আমার মৃত্যুকে দেখেছি কারন সত্যের আরেক নাম মৃত্যু। এই সত্য প্রকাশ করতে গিয়া মৃত্যুর সম্মুখীন হতে হয় মিথ্যার কাছে। তবে আগে সত্যের জয় হয় তারপর সত্যের মৃত্যু।অবশ্য সত্যের মৃত্যু নাই সত্যবাদীর মৃত্যু।


এই সত্য বলার ক্ষেত্রে দেশ ও দশের ক্ষতি হয় না, কোনো সমাজ তা প্রতিষ্ঠানের ক্ষতি হয়, ক্ষতি হয় ব্যক্তির। পৃথিবীতে যত বিদ্রোহ আর সত্যের আন্দোলন হয়েছিল সবগুলো ব্যক্তির ও মতাদর্শেরর বিরুদ্ধ কোনো দেশর বিরুদ্ধে নয় বরং দেশকে রক্ষা করার জন্য আবার ধর্মের ক্ষেত্রেও হয়েছিল ধর্মকে রক্ষার জন্য।


সত্যের পথে, ন্যায়ের পথে, বিদ্রোহের পথে,প্রতিবাদের সাথে সকলে চলিতে পারে না। এই গুন আল্লাহ সকলকে দান করে না তবে সকলের মধ্যে আছে সুপ্ত অবস্থায়, তাকে জাগিয়ে তুলতে হয়।হোক সেটা দৈহিক শক্তি দিয়া, মুখের ধ্বনি দিয়া অথবা কলমের শক্তি দিয়া। কিন্তুু এটা চিরন্তন সত্য যে পৃথিবীতে যাহারা সত্যের পথে, ন্যায়ের পথে, বিদ্রোহের পথে চলেছিল তাদেরকে ভয় দেখানো হয়েছিল এমনকি মৃত্যু উপহারও দিয়েছিল তবু ব্যক্তি সত্য থেকে হটেনি। কারন সে তার সত্যকে চিনেতে পারিয়াছে।


আমার সত্যের পথে, ন্যায়ের পথে চলার পূর্বে আবারও সালাম জানাই আমার সত্যকে। আমি আমার সত্যকে অন্তরে ধারন করিয়া নিয়েছি আর তা প্রকাশ করি কলমের মাধ্যমে অবশেষে ধ্বনিত হয় মুখ দিয়া। সত্যকে চিনিয়াও যদি লোকভয়,ক্ষমতা ভয় আর মৃত্যুর ভয়ের ফলে এই সত্যকে বর্জন করি তবে আমি কাপুরুষ, ভন্ড,ভীতু এবং সত্যকে চিনিয়াও সত্যকে হত্যা করিলাম।তাই সত্যের পথে অন্যায়ের বিরুদ্ধে হোক পথা চলা ও আমৃত্যু।এটাই বিধাতার কাছে কামনা করি, প্রভু হে, যাহা সত্য সেই সত্যের পথে যেন পদচারণ করিয়া সত্যকে পদচুম্বন করিতে পারি।

Comments

Popular posts from this blog

কাব্যঃ অপরিচিতা||কবিঃ আসাদুল্লাহ||একুশে বই মেলা ২০২৫ ইং||নরসিংদী,বাজার হাসনাবাদ,রায়পুরা,নরসিংদী||

কাব্যঃ অপরিচিতা কবিঃ আসাদুল্লহ                                কাব্যঃ অপরিচিতা                   কবিঃ আসাদুল্লাহ প্রথম প্রকাশঃ একুশে বইমেলা ২০২৫ ইং কবি পরিচিতিঃ আসাদুল্লাহ এর জম্ম ১৫ ই মার্চ ২০০১ সালে ঐতিহ্যবাহী নরসিংদী জেলার বৃহত্তম রায়পুরার উপজেলার পূর্ব রায়পুরার চরাঞ্চলের চর মধুয়া ইউনিয়নের চর মধুয়া গ্রামের সিকদার বাড়িতে।আসাদুল্লাহ এর বাবার নাম হাজ্বী আঃ খালেক এবং মাতা মরহুম শিরিনা আক্তার।৬ ভাইয়ের মধ্যে আসাদুল্লাহ ৫ম,কোনো বোন নাই।বাড়ির সাথে ঐতিহ্যবাহী বালুয়াকান্দি ইসলামী কমপ্লেক্সের আল জামিয়াতু শামসুল উলুম বালুয়াকান্দি মাদ্রাসার(স্থাপিতঃ ১৯২১ সালে) উস্তাজুল উলামা সদর হুজুর(দা.বা) নানাজ্বীর একমাত্র  প্রিয় খাদেম ছিলেন,সদর হুজুর ১০৬ বছর বয়সে ৩১-১-২০২১ ইং ইন্তেকাল করেন। শিক্ষা জীবনঃ আসাদুল্লাহ ২০০৬ সালে চরসুবুদ্ধি ইউনিয়নের বড়ই তলা গ্রামের নানাীর বাড়ি থেকে প্লে-তে ভর্তি হন "চরসুবুদ্ধি ফুলকুড়ি কিন্ডারগার্টেনে" ২০০৭ সালে নার্সারী পড়া শেষ করে জম্মভূমি চর মধুয়া ...

প্যারাডক্সিক্যাল সাজিদ ১ ও ২ এবং আরজ আলীর সমীপে pdf বই ডাউনলোড করুন ও পড়ুন

"প্যারাডক্সিক্যাল সাজিদ" আরিফ আজাদ আসসালামু আলাইকুম প্রিয় ভাই ও বোন।আজ আপনাদের সাথে নিয়ে আসলাম আরিফ আজাদ ভাইয়ে প্যারাডক্সিক্যাল সাজিদ ১ ও ২ বই দুটি এবং "আরজ আলীর সমীপে" বইটি। সারা বাংলার ভাইরাল বই "প্যারাডক্সিক্যাল সাজিদ ১ ও ২ " বই দুটি। যদি বইগুলো না পড়ে থাকুন এখনই ডাউনলোড করে পড়া শুরু করুন। প্যারাডক্সিক্যাল সাজিদ: ডাউনলোড প্যারাডক্সিক্যাল সাজিদ ২ : ডাউনলোড আরজ আলীর সমীপে: ডাউনলোড আপনার কোন বইটি দরকার?  তা কমেন্ট বক্সে লিখুন। ধন্যবাদ Asadullah News & Library

চটি গল্পের সেক্সের দুনিয়া থেকে হেদায়েতের পথে || Asadullah News & Library||

  #চটি_গল্পের_সেক্সের_দুনিয়া_থেকে_হেদায়েতের_পথে!#Hacked_Facebook_id!! ভাবলাম এই যুব সমাজ মিডিয়া আর ফেইজবুকের কল্যাণে তার অপব্যবহারের ফলে অশ্লীলতার চরম পর্যায়ে চলে যাচ্ছে!  এদোরকে কিভাবে থামানো যায়?কিভাবে এদের যৌবনের উষ্ণ রক্তকে শীতল করা যায়।আর এর জন্যই আমার একটু প্রয়াস তাদেরকে হেদায়েতের পথে আহব্বান করার। #প্রথম_মিশন আমার প্রথম মিশন ছিল একজন বড় ভাইয়ের উপর।সে বলেছিল চট্রগ্রামে থাকে,তার প্রায় সব গোপন কথায় জেনে গিয়েছিলাম,পরে তার আইডি আমার দখলে নিয়ে আসি।তার সমস্ত ডাটা ও ডিটেলস জানতে পারি।সে আমাকে বলেছিল বাংলাদেশের চট্রগ্রামে থাকে কিন্তুু দেখলাম বিদেশে থাকে ও দোবাইয়ে এবং বাড়ি কক্সবাজারে।যাহোক,তাকে বুজানোর পর তার মুখ দিয়ে যেসব বাক্যগুলো এসেছিল "ভাই,তোমার সাথে আমার আরো আগে পরিচিত হলো না কেন?ভাই,হে সত্যিই তো আমারও তো একজন বোন আছে, আমার বোনকে কেহ যদি সেক্স ভিডিও,পিক ও অশ্লীল কথা বলে তখন আমার কাছে কেমন লাগবে?আর আমি তো এমন অজস্র মেয়েদের সাথে এরকম করে আসতেছি!!হে ভাই,তুমি আমার জীবনটাই বদলে দিয়েছ!তোমার কাছে ওয়াদা দিলাম জীবনে আর কখনো এরকম করব না। আর আমি এসব পথে এসেছি একটাই কারন সময় কাঁটানোর জ...