Skip to main content

হাবিপ্রবির ভর্তি শিক্ষার্থীদের একতা এক্সপ্রেস ট্রেনে টিটি হয়রানী,মারধর ও অশ্লীল গালা-গালি করেছে!



 ভর্তি পরীক্ষার্থীদের একতা এক্সপ্রেস ট্রেনে হয়রানী,অশ্লীল ভাষা ও মার-ধর করে টিটি ও সিকিউরিটি!!

প্রতিবেদকঃ আসাদুল্লাহ
০৪-১২-২০১৯ ইং, রাত ৩:০০ টায়

হাজী দানেশ বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের ভর্তি পরীক্ষার্থীদের আন্তঃনগর একতা এক্সপ্রেস ট্রেনে হয়রানী,অশ্লীল ভাষা ও মার-ধর করেছে ট্রেনের টিটি ও সিকিউরিটি!গতকাল ০৩-১২-২০১৯ ইং মঙ্গলবার সম্পন্ন হয়েছে হাবিপ্রবির A,D ইউনিটের পরীক্ষা। ঢাকার ও টাঙ্গাইলের উদ্দেশ্যে ছাত্র-ছাত্রীরা বাসায় ও অনেকে টাঙ্গাইলে মাওলানা ভাসানী বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের পরীক্ষা ৬ তারিখে তাই রওনা দিয়েছেন।

ঢাকাগামী আন্তঃনগর "একতা এক্সপ্রেস " ট্রেনে রাত ১১ টায় দিনাজপুর রেলওয়ে স্টেশন থেকে ছাত্র-ছাত্রীরা বাসায় ও মাওলানা ভাসানী বিজ্ঞান ও প্রয়ুক্তি বিশ্ববাদ্যালয়ে পরীক্ষার জন্য রওনা দেয়। কিন্তুু দুঃখের বিষয় সত্য হলেও জাতিকে জানাচ্ছি যে, মানুষ আজ টাকার জন্য মনুষ্যত্বকে  বিক্রি করে দিয়েছে অর্থের কাছে শুধু নিজের স্বার্থের জন্য!! 


#ট্রেন_কতৃপক্ষ_ছাত্র_ছাত্রীদের_সাথে_যা_করল

রাত ১২ টার পর থেকে শুরু হয় তাদের মিশন ও অর্থ কুড়ানোর হিংস্র ভয়ংকর আচরন!আর তাদের এই মিশন ও ফোকাস ছাত্রদের জন্য, তাদেরকে অর্থশূন্য করা।  প্রায় সকলেই দিনাজপুরে এই প্রথম এসেছে, তাছাড়া সকল পরিবার আর স্বচ্ছ নয়, দারিদ্র্যতায় নিমজ্জিত অসংখ্য ছাত্র-ছাত্রীর পরিবার। অনেক পরিবারই তাদেরকে পর্যাপ্ত অর্থ সাথে দিয়ে দিতে পারে না কিন্তুু মনুষ্যত্বহীন ট্রেনের টিটি, সিকিউরিটি তারা সে গল্প শুনতে চাই না তারা চাই তাদের পকেটে টাকা! 
সকল টিটি ও সিকিউরিটি এক যোগে তাদের মিশন পরিচালনা করেছে! যেসব ছাত্ররা টিকোট কাঁটেনি তাদেরকে করা হয়েছে হয়রানী।যেখানে ঢাকায় সিটসহ টিকেট ৪৬৫ টাকা সেখানে তাদের কাছে ৫৫০ টাকা ধরেছে!!ছাত্ররা ২০০, ৩০০ টাকা দিয়েছে তবু মানে নি!! প্রায় ছাত্রদের আর্থিক অবস্থা দূর্বল, তারা বাড়ি ফেরার পর্যাপ্ত টাকা রেখে ২০০ বা ৩০০ দিতে চাইলে তাদেরকে অশ্লীল ভাষা ও বকা-বাজি করেছে!! আর যাদের কাছে অল্প টাকা ছিল বাড়ি ফেরার ভাড়াটুকু সেটাও দিতে হয়েছে, দিতে হয়নি অশ্লীল গালা-গালিও শুনতে হয়েছে!! আর যাদের কাছে একে বারেই টাকা নাই বা কম টাকা দিতে চাইছিল তাদের উপরে হাত তুলেছে, থাপ্পর মেরেছে! আর যারা টাকা নাই কিন্তুু যা ছিল তা দিয়ে  শূন্যহাত হয়েছে তাদেরকে কি করা হয়েছে যানেন? ধরেন সে যাবে ঢাকায় তার হাতে মাত্র ২০০ টাকা আছে ও সেটাই দিয়েছে কিন্তুু তাদের কথা ৫০০ টাকা দিতেই হবে!! পরে তাকে বলা হয়েছে ইমুক ষ্টেশনে নেমে যেতে ও নামিও দিয়েছে!! অনেক ছাত্রদেরকে নাটোর ষ্টেশনে নামিয়ে দেওয়া হয়েছে তখন রাত ৩ টা বাজে! অথচ তার গন্তব্য তো ছিল ঢাকা!! কত আকুতি-মিনতি করেছে অনেকে কিন্তুু  তাদের পাষাণ মনুষ্যত্বহহীন শক্ত হৃদয় কি গলে?


শুধু কি তাই, প্রতিটি বগিতে ৪-৫ জন সিকিউরিটি ঘোরা-ফেরা করেছে, আর হায়না স্বার্থলোভী সাজু নামের টিটি ফোন করতেছে একের পর এক, তাকে ইমুক ষ্টেশনে নামিয়ে দেওয়া হয়েছে কি না?তিনি নিজেও বার-বার ঘুরে-ঘুরে দেখতেছিলের। এতদিন জানতাম টিটি একবার সবকিছু চেক করে চলে যায় আর পিছনে ফিরে আসে না কিন্তুু তারা আমাদের উপর নজরদারি করেছে রাত ১২ টা থেকে ভোর ৫ টা পর্যন্ত!!
আরে ভাই, কোনো ছাত্র কি যাত্রীদের বিরক্ত করেছে? তাদের চেয়ারের হাতলে গিয়ে বসেছে?  ছাত্ররা তো দরজার ফাঁকা জায়গায় শুধু দাড়িয়েছিল শীতের বাতাসে  মধ্যে।
কোনো এক সিকিউরিটি প্রথমেই বলেছিল এই ট্রেনের টিটি সাজু খুবই খারাপ!! আর তার প্রমাণ রাত ১২ টার পর থেকে নিজের চেখেই দেখেছি।

আরে ভাই, আমরা কি দিনাজপুর কোথায় তা জানতাম বা চানতাম? শুধু যুদ্ধের জন্য আর জীবনের জন্য এসেছিলাম। হে ছাত্র ভাইয়েরা, কেহ না দেখলেও দেখেছি তোমার চোখের জল, পেরেশানী, তোমাকে যে থাপ্পর আর গালি-গালাজ করেছে তাও দেখেছি ও শুনেছি। জানি কখনো তুমি পরিবারের কাছে এই ব্যথাে কথা বলবে না আর জাতির কাছে বিচার দিবে না।


হে আমার ডিজিটাল বাংলাদেশের " বাংলাদেশ রেলওয়ে "  এইসব জাতি গড়ার কারিগর আর দেশের জনসম্পদ ছাত্ররা ৩৬৫ দিনের মধ্যে একবারই প্রতিটি ভর্তি  যুদ্ধে রাত জেগে দাঁড়িয়ে ট্রেনে করে যায়  আর সেই একদিনের ঘটনায় তাদের মনে থাকবে সারা জীবন।
আমার তো মনে হয়, ঐসব ছাত্ররা যদি বাড়িতে ফোন দিয়ে বলে মা গো রাত ৩ টায় ইমুক ষ্টেশনে টিটি ধাক্কা দিয়ে নামিয়ে দিয়েছে তাহলে যে শুধু তার ঘুমটাই হারাম হবে তা কিন্তুু নয় পরিবারের মা ও বাবার, অবশ্য তা বলবে না।


শুনে রাখ হে আমার জাতি, আজকে যে এসব ছাত্ররা এত কষ্ট করতেছে তা কি শুধু নিজের জন্য কখনো নয় বরং দেশ ও দেশের মানুষের জন্যই। তবে এসব স্বার্থপর রেলওয়ে সিকিউরিটি আর টিটিরা তো ছাত্রদের পকেটে টাকা কেন নাই, পরিবার কেন দরিদ্র তা শুনতে চাই না তারা চাই টাকা কারন টাকাগুলো যে সরকারী খাতায় না গিয়ে তাদের পকেটে যায়।

রাত জেগে এসব করুন ঘটনা বলার কারন একটাই, আসরা চাই না আমাদের জুনিয়ন ছোট ভাই যারা আগামীতে আসবে তাদের সাথে এরকম ঘটনা ঘটুক। তাহলে খুবই কষ্ট পাবে।
আর বাংলাদেশ রেলওয়ে কতৃপক্ষের কাছে আবেদন রইল, কতৃপক্ষের আইন অবশ্যই ঠিক আছে তবে ঠিক নয় নিযুক্ত ব্যক্তিগন। হ্যাঁ, টিকেট ছাড়া ট্রেন ভ্রমন অপরাদ তা জানি তবে এবছরে একটা দিন ছাত্রদেরকে একটু সুযোগ দেওয়া যায় না?

[আমার লেখা এখানেই স্বার্থক ছাত্র ভাইদের দুঃখের রাত জাগা পেরেশানি আর টিটি ও সিকিউরিটির আচরন জাতির সামনে ও আগামীর হাবিপ্রবির ভর্তিইচ্ছু জুনিয়রদের সামনে তুলে ধরতে তো পরেছি ]





Comments

Popular posts from this blog

কাব্যঃ অপরিচিতা||কবিঃ আসাদুল্লাহ||একুশে বই মেলা ২০২৫ ইং||নরসিংদী,বাজার হাসনাবাদ,রায়পুরা,নরসিংদী||

কাব্যঃ অপরিচিতা কবিঃ আসাদুল্লহ                                কাব্যঃ অপরিচিতা                   কবিঃ আসাদুল্লাহ প্রথম প্রকাশঃ একুশে বইমেলা ২০২৫ ইং কবি পরিচিতিঃ আসাদুল্লাহ এর জম্ম ১৫ ই মার্চ ২০০১ সালে ঐতিহ্যবাহী নরসিংদী জেলার বৃহত্তম রায়পুরার উপজেলার পূর্ব রায়পুরার চরাঞ্চলের চর মধুয়া ইউনিয়নের চর মধুয়া গ্রামের সিকদার বাড়িতে।আসাদুল্লাহ এর বাবার নাম হাজ্বী আঃ খালেক এবং মাতা মরহুম শিরিনা আক্তার।৬ ভাইয়ের মধ্যে আসাদুল্লাহ ৫ম,কোনো বোন নাই।বাড়ির সাথে ঐতিহ্যবাহী বালুয়াকান্দি ইসলামী কমপ্লেক্সের আল জামিয়াতু শামসুল উলুম বালুয়াকান্দি মাদ্রাসার(স্থাপিতঃ ১৯২১ সালে) উস্তাজুল উলামা সদর হুজুর(দা.বা) নানাজ্বীর একমাত্র  প্রিয় খাদেম ছিলেন,সদর হুজুর ১০৬ বছর বয়সে ৩১-১-২০২১ ইং ইন্তেকাল করেন। শিক্ষা জীবনঃ আসাদুল্লাহ ২০০৬ সালে চরসুবুদ্ধি ইউনিয়নের বড়ই তলা গ্রামের নানাীর বাড়ি থেকে প্লে-তে ভর্তি হন "চরসুবুদ্ধি ফুলকুড়ি কিন্ডারগার্টেনে" ২০০৭ সালে নার্সারী পড়া শেষ করে জম্মভূমি চর মধুয়া ...

প্যারাডক্সিক্যাল সাজিদ ১ ও ২ এবং আরজ আলীর সমীপে pdf বই ডাউনলোড করুন ও পড়ুন

"প্যারাডক্সিক্যাল সাজিদ" আরিফ আজাদ আসসালামু আলাইকুম প্রিয় ভাই ও বোন।আজ আপনাদের সাথে নিয়ে আসলাম আরিফ আজাদ ভাইয়ে প্যারাডক্সিক্যাল সাজিদ ১ ও ২ বই দুটি এবং "আরজ আলীর সমীপে" বইটি। সারা বাংলার ভাইরাল বই "প্যারাডক্সিক্যাল সাজিদ ১ ও ২ " বই দুটি। যদি বইগুলো না পড়ে থাকুন এখনই ডাউনলোড করে পড়া শুরু করুন। প্যারাডক্সিক্যাল সাজিদ: ডাউনলোড প্যারাডক্সিক্যাল সাজিদ ২ : ডাউনলোড আরজ আলীর সমীপে: ডাউনলোড আপনার কোন বইটি দরকার?  তা কমেন্ট বক্সে লিখুন। ধন্যবাদ Asadullah News & Library

চটি গল্পের সেক্সের দুনিয়া থেকে হেদায়েতের পথে || Asadullah News & Library||

  #চটি_গল্পের_সেক্সের_দুনিয়া_থেকে_হেদায়েতের_পথে!#Hacked_Facebook_id!! ভাবলাম এই যুব সমাজ মিডিয়া আর ফেইজবুকের কল্যাণে তার অপব্যবহারের ফলে অশ্লীলতার চরম পর্যায়ে চলে যাচ্ছে!  এদোরকে কিভাবে থামানো যায়?কিভাবে এদের যৌবনের উষ্ণ রক্তকে শীতল করা যায়।আর এর জন্যই আমার একটু প্রয়াস তাদেরকে হেদায়েতের পথে আহব্বান করার। #প্রথম_মিশন আমার প্রথম মিশন ছিল একজন বড় ভাইয়ের উপর।সে বলেছিল চট্রগ্রামে থাকে,তার প্রায় সব গোপন কথায় জেনে গিয়েছিলাম,পরে তার আইডি আমার দখলে নিয়ে আসি।তার সমস্ত ডাটা ও ডিটেলস জানতে পারি।সে আমাকে বলেছিল বাংলাদেশের চট্রগ্রামে থাকে কিন্তুু দেখলাম বিদেশে থাকে ও দোবাইয়ে এবং বাড়ি কক্সবাজারে।যাহোক,তাকে বুজানোর পর তার মুখ দিয়ে যেসব বাক্যগুলো এসেছিল "ভাই,তোমার সাথে আমার আরো আগে পরিচিত হলো না কেন?ভাই,হে সত্যিই তো আমারও তো একজন বোন আছে, আমার বোনকে কেহ যদি সেক্স ভিডিও,পিক ও অশ্লীল কথা বলে তখন আমার কাছে কেমন লাগবে?আর আমি তো এমন অজস্র মেয়েদের সাথে এরকম করে আসতেছি!!হে ভাই,তুমি আমার জীবনটাই বদলে দিয়েছ!তোমার কাছে ওয়াদা দিলাম জীবনে আর কখনো এরকম করব না। আর আমি এসব পথে এসেছি একটাই কারন সময় কাঁটানোর জ...