Skip to main content

ধর্ষক মজনুর শাস্তির পূর্বে ২০১৯ সালের ছয়শত শিশু ধর্ষণের ধর্ষকের শাস্তি আগে হতে হবে "


"ধর্ষক মজনুর শাস্তির পূর্বে ২০১৯ সালের ছয়শত শিশু ধর্ষণের ধর্ষকের শাস্তি আগে হতে হবে "


আমি হয়ত মেধাবী না তবে স্মরণশক্তিশালী। ছোট বেলায় ২ বছর বয়সে যে পিডার দিয়ে দুধ খাইতাম সেই পিডারে আধা লিটার দুধ লইত বড় হয়ে বলে দিতে পেরেছি!! বড় হয়ে মাকে জিজ্ঞাসা করলাম আমাকে কি প্রতিদিন ছাগলের দুধ খাওয়াইত নাকি? বলল হ্যাঁ। কিভাবে বলে দিলাম কারন আমি যখন বড় হয় তখন গ্লাস দিয়ে গরুর দুধ দিত মা। না, ছোট বেলায় আমি যে দুধ খাইতাম আর বড় হয়ে যে দুধ খাইতাম উভয় দুধের গন্ধ এক না, ছাগালের দুধে কেমন জানি অন্যরকম একটা গন্ধ করত।তাই বড় হয়ে মাকে বলে দিয়েছি আমাকে দু'বছর বয়সে খাওয়ানো হতো এক প্রাণীর দুধ ও বড় হওয়ার পর খাওয়াত অন্য প্রাণীর দুধ!!!

মানে আমি আপনাদের মতো আর মেধাবী হতে পারি নি তবে স্মরণশক্তিশালী বটে!!!

ইস্যুর পর ইস্যু আসে তারপর আবার নতুন ইস্যু আসে, আমরা একটু নীরব হই আন্দোলন করে, তারপর আবার নতুন ইস্যু আসে অবশেষে আমরা পূর্বের ইস্যুর কথা ভুলে যায়। মিডিয়া হাসালে আমরা হাসি, মিডিয়া কাঁদালে আমরা কাঁদি। মিডিয়ার কাছে বন্ধী আমাদের বঙ্গের বাঙ্গালীর আবেগ।

এতদিন শুধু আপনাদের আর মিডিয়ার কাহিনীগুলো দেখতে ছিলাম। আরে আন্দোলন বন্ধ করে নীরব হয়ে গেলেন কেন?ধর্ষক ধর্ষণ করিয়া আত্মতৃপ্তি পেয়েছে। ধর্ষক সুঠাম,শক্তিশালী ও তিন ঘন্টা যাবৎ ধর্ষণ করিয়াছে। মজনু ভাইকে দেখে আমার মনে হয় তাকে কেহ নির্যাতন ও ধর্ষণ করেছে! অথচ সে ধর্ষক। একজন মানসিক ভারসাম্যহীন ও প্রতিবন্ধী বললে ভুল হবে না।
আরে হ্যাঁ, আমি তো মজনু ভাইয়ের পক্ষে কথা বলতেছি না,মানলাম সে ধর্ষক, একজন শিক্ষিত আপুকে ধর্ষণ করেছে মানলাম তো.....আপনারা বিচার পাইবেন কারন সারা দেশ ও বঙ্গের বাঙ্গালী ফেবু উইজাররাও আন্দোলন করতেছে। আরে ঢাবির শিক্ষিত ভাই ও আপুরাও তো মাঠে আছে কারন ধর্ষণে স্বীকার যে সেই আপু যে ঢাবির ছাত্রী।

হ্যাঁ,বলতেছিলাম আমি স্মরণশক্তিশালী একজন ছেলে। অতীতের ফেলে আসা স্মৃতি, ঘটনা, ইস্যু ইত্যাদি আমার এই  মতিষ্কের ৮০% অংশ জুড়ে অবস্থিত সেরেব্রামে বেশ গেঁথে রাখতে পারি ইনশাআল্লাহ।

এবার আসি আসল তর্ক-বিতর্কে। এই নতুন বছরের ২০২০ সালের ৫ ই জানুয়ারি ঢাবির ছাত্রী ধর্ষিত হয় ও এটাই এই নতুন বছরের প্রথম ধর্ষণের ঘটনা। দেশ ও দেশের মানুষ ও অনলাইন নিউজ পোর্টলগুলোতে এবং স্যোশাল মিডিয়াতেও ঝড় বয়ছে। কারন ধর্ষকের শাস্তি ও ফাঁসি চাই। হ্যাঁ, আন্দোলন ও দাবি একদম যথার্থ ও কার্যকর হলে আমাদের মা ও বোনেরা সেই সাথে শিশুরা আর ধর্ষিত হবে না।

আমি ২০২০ সালের ৫ই জানুয়ারির কথা বলতেছি না বরং ২০১৯ এর ৫ ই জানুয়ারির কথা বলতেছি। ২০১৯ সালটা শুরু হয় ২ বছরের একজন শিশুকে ধর্ষণ করার মধ্য দিয়ে। হ্যাঁ, আয়েশা মনি নামে গান্ডুরিয়ার  দুই বছরের শিশুকে নাহিদ (৩২) নামে এক নরপশু ধর্ষণ করে। শুধু কি তাই?  কখনো না, ধর্ষণ করেই সে শান্ত হয় নি বরং তিনতলা থেকে ফেলিয়ে হত্যাও করেছে!!  তার মা রাস্তায় ব্যানার নিয়ে একাই আন্দোলন করেছেন ও সরকারের কাছে বিচার চেয়েছেন। আপনারা একজনও তো তার পাশে দাঁড়ান নি, প্রসাশন বিচার করে নি। কারন তারা যে বস্তির লোক। ঐ আয়েশা মনি যে ঢাবির ছাত্রী না। তবে হ্যাঁ, আমি আমার জায়গা থেকে আমার চ্যানেলে নিউজ ভিডিও ও সোশ্যালে মিডিয়াতে স্ট্যাটাস দিয়েছি। ২০১৯ সালের ৫ ই জানুয়ারি সন্ধ্যায় ধর্ষিত হয় আয়েশা মনি আর ২০২০ সালের ৫ই জানুয়ারি সন্ধ্যায় ধর্ষিত হয় ঢাবির ছাত্রী। এই যে এসব ধর্ষণের ঘটনা ঠিক একই দিনে একই সময়ে ঘটতেছে এসব কিছু ঐসব পূর্বের ধর্ষিত বোনদের অভিশাপ কারন তাদের ধর্ষকের বিচার যে হয় নি!!!

আমি আয়েশা মনির বিচার এই ২০২০ সালে এসে চাচ্ছি না বরং বঙ্গের সব ইতিহাস রেকর্ড করেছে ২০১৯ সাল। এই ২০১৯ সালে বঙ্গে ৬০০ শত শিশু ধর্ষিত হয়েছে, এটা তো শুধু মিডিয়ার তথ্য আরো কত শত-শত শিশু যে ধর্ষিত হয়েছে ২০১৯ সালে সে তথ্য প্রকাশ হয় নি। শিশু ধর্ষিত হয়েছে, যুবতী নহে


আমি এই ছয়শত শিশুর পক্ষে কথা বলতেছি। ধর্ষককেও চিন্হিত করা হয়েছে তবে বিচার কোথায়? তাই ধর্ষক আবার ধর্ষণ করার সুযোগ পেয়েছে!!!

হ্যাঁ, ধর্ষণের শাস্তি ধর্ষকের মৃত্যুদণ্ড। এই চুক্তিতে এমপি ও বিচারক যখন সাক্ষর করিবেন তখন ঐ এমপিও ও বিচারকও তো একজন ধর্ষক।

২০২০ সালের এই ঢাবির আপুর ধর্ষণের বিচার হোক এটাই চাই তবে এই ধর্ষকের বিচার করার পূর্বে ২০১৯ সালের ছয়শত শিশুকে ধর্ষণকারীর বিচার আগে হতে হবে তারপর ২০২০ সালের ধর্ষণের ধর্ষকের বিচার। মিডিয়া আমাদেরকে শুনিয়েছে হাজার-হাজার ধর্ষণের তথ্য কিন্তুু শুনাইনি কোনো ধর্ষণের ধর্ষকের শান্তির তথ্য।

বাংলাদেশ প্রশাসন ও সরকারের কাছে আমাদের এই আবেদন যে, ধর্ষকের শাস্তি যখন পবিত্র কোরআনের আইনের মতে হবে তখন কেহ ধর্ষণ করিবার পূর্বে একবার হলেও তার গরম মস্তিষ্কে এই শাস্তির কথা স্মরণ হবে ফলে ধর্ষণ আর হবে না।

ইসলাম জিনা-ব্যবিচারকে কখনো সমর্থ করে না বরং এর শাস্তি কঠোর কিন্তুু মানব রচিত আইনে এই শাস্তি যদি থাকিত!!

وَلَا تَقْرَبُوا الزِّنٰىٓ ۖ إِنَّهُۥ كَانَ فٰحِشَةً وَسَآءَ سَبِيلًا

"আর ব্যভিচারের কাছেও যেয়ো না। নিশ্চয় এটা অশ্লীল কাজ এবং মন্দ পথ।"
(সূরা-বানী ইসরাঈল, আয়াত:৩২)

Comments

Popular posts from this blog

কাব্যঃ অপরিচিতা||কবিঃ আসাদুল্লাহ||একুশে বই মেলা ২০২৫ ইং||নরসিংদী,বাজার হাসনাবাদ,রায়পুরা,নরসিংদী||

কাব্যঃ অপরিচিতা কবিঃ আসাদুল্লহ                                কাব্যঃ অপরিচিতা                   কবিঃ আসাদুল্লাহ প্রথম প্রকাশঃ একুশে বইমেলা ২০২৫ ইং কবি পরিচিতিঃ আসাদুল্লাহ এর জম্ম ১৫ ই মার্চ ২০০১ সালে ঐতিহ্যবাহী নরসিংদী জেলার বৃহত্তম রায়পুরার উপজেলার পূর্ব রায়পুরার চরাঞ্চলের চর মধুয়া ইউনিয়নের চর মধুয়া গ্রামের সিকদার বাড়িতে।আসাদুল্লাহ এর বাবার নাম হাজ্বী আঃ খালেক এবং মাতা মরহুম শিরিনা আক্তার।৬ ভাইয়ের মধ্যে আসাদুল্লাহ ৫ম,কোনো বোন নাই।বাড়ির সাথে ঐতিহ্যবাহী বালুয়াকান্দি ইসলামী কমপ্লেক্সের আল জামিয়াতু শামসুল উলুম বালুয়াকান্দি মাদ্রাসার(স্থাপিতঃ ১৯২১ সালে) উস্তাজুল উলামা সদর হুজুর(দা.বা) নানাজ্বীর একমাত্র  প্রিয় খাদেম ছিলেন,সদর হুজুর ১০৬ বছর বয়সে ৩১-১-২০২১ ইং ইন্তেকাল করেন। শিক্ষা জীবনঃ আসাদুল্লাহ ২০০৬ সালে চরসুবুদ্ধি ইউনিয়নের বড়ই তলা গ্রামের নানাীর বাড়ি থেকে প্লে-তে ভর্তি হন "চরসুবুদ্ধি ফুলকুড়ি কিন্ডারগার্টেনে" ২০০৭ সালে নার্সারী পড়া শেষ করে জম্মভূমি চর মধুয়া ...

প্যারাডক্সিক্যাল সাজিদ ১ ও ২ এবং আরজ আলীর সমীপে pdf বই ডাউনলোড করুন ও পড়ুন

"প্যারাডক্সিক্যাল সাজিদ" আরিফ আজাদ আসসালামু আলাইকুম প্রিয় ভাই ও বোন।আজ আপনাদের সাথে নিয়ে আসলাম আরিফ আজাদ ভাইয়ে প্যারাডক্সিক্যাল সাজিদ ১ ও ২ বই দুটি এবং "আরজ আলীর সমীপে" বইটি। সারা বাংলার ভাইরাল বই "প্যারাডক্সিক্যাল সাজিদ ১ ও ২ " বই দুটি। যদি বইগুলো না পড়ে থাকুন এখনই ডাউনলোড করে পড়া শুরু করুন। প্যারাডক্সিক্যাল সাজিদ: ডাউনলোড প্যারাডক্সিক্যাল সাজিদ ২ : ডাউনলোড আরজ আলীর সমীপে: ডাউনলোড আপনার কোন বইটি দরকার?  তা কমেন্ট বক্সে লিখুন। ধন্যবাদ Asadullah News & Library

চটি গল্পের সেক্সের দুনিয়া থেকে হেদায়েতের পথে || Asadullah News & Library||

  #চটি_গল্পের_সেক্সের_দুনিয়া_থেকে_হেদায়েতের_পথে!#Hacked_Facebook_id!! ভাবলাম এই যুব সমাজ মিডিয়া আর ফেইজবুকের কল্যাণে তার অপব্যবহারের ফলে অশ্লীলতার চরম পর্যায়ে চলে যাচ্ছে!  এদোরকে কিভাবে থামানো যায়?কিভাবে এদের যৌবনের উষ্ণ রক্তকে শীতল করা যায়।আর এর জন্যই আমার একটু প্রয়াস তাদেরকে হেদায়েতের পথে আহব্বান করার। #প্রথম_মিশন আমার প্রথম মিশন ছিল একজন বড় ভাইয়ের উপর।সে বলেছিল চট্রগ্রামে থাকে,তার প্রায় সব গোপন কথায় জেনে গিয়েছিলাম,পরে তার আইডি আমার দখলে নিয়ে আসি।তার সমস্ত ডাটা ও ডিটেলস জানতে পারি।সে আমাকে বলেছিল বাংলাদেশের চট্রগ্রামে থাকে কিন্তুু দেখলাম বিদেশে থাকে ও দোবাইয়ে এবং বাড়ি কক্সবাজারে।যাহোক,তাকে বুজানোর পর তার মুখ দিয়ে যেসব বাক্যগুলো এসেছিল "ভাই,তোমার সাথে আমার আরো আগে পরিচিত হলো না কেন?ভাই,হে সত্যিই তো আমারও তো একজন বোন আছে, আমার বোনকে কেহ যদি সেক্স ভিডিও,পিক ও অশ্লীল কথা বলে তখন আমার কাছে কেমন লাগবে?আর আমি তো এমন অজস্র মেয়েদের সাথে এরকম করে আসতেছি!!হে ভাই,তুমি আমার জীবনটাই বদলে দিয়েছ!তোমার কাছে ওয়াদা দিলাম জীবনে আর কখনো এরকম করব না। আর আমি এসব পথে এসেছি একটাই কারন সময় কাঁটানোর জ...