Skip to main content

ঐতিহ্যবাহী বালুয়াকান্দি ইসলামী কমপ্লেক্সে আপনাদের দানের হাত বাড়িয়ে দিন

#ঐতিহ্যবাহী_বালুয়াকান্দি_কমপ্লেক্সে_আপনাদের_দান_বৃথা_যায়_নি_ইনশাআল্লাহ

আলহামদুলিল্লাহ, শতবর্ষ উপলক্ষে আমাদের ঐতিহ্যবাহী বালুয়াকান্দির ইসলামী কমপ্লেক্সের আল জামিয়াতু শামসুল উলুম বালুয়াকান্দি মাদ্রসার পূর্তি অনুষ্ঠানের প্রায় ২ কোটি টাকা বাজেট হয়েছে। এই কয়েক মাস ধরে আমাদের আমীরগঞ্জ ইউনিয়নের অত্র গ্রামগুলোতে কমিটি গঠনের মাধ্যমে কালেকশ করা হয়েছে প্রতিটি গ্রামে।
আলহামদুলিল্লাহ, আমাদের বালুয়াকান্দি গ্রাম থেকে ৫ লাখ টাকা কালেকশন করা হয়েছে। তাছাড়া খলাপাড়া গ্রাম থেকেও প্রচুর টাকা কালেকশন হয়েছে, দড়ি কালুয়াকান্দি থেকেও লাখ দুয়েক, আগানগর গ্রাম থেকেও আরো অন্যান্য গ্রামগুলো থেকেও।

আসলে প্রতিষ্ঠান কারো একার নয়, এটা আমাদের আমীরগঞ্জ ইউনিয়নের মা ও একদিন আমরা সকলেই এই মায়ের বুকে চির ঘুমে মগ্ন থাকিক ও কিয়ামতের দিন আমাদের ঘুম ভাঙ্গিবে। সাথে রইবে আমাদের আমল ও এই দানের সোয়াব ইনশাআল্লাহ। শতবর্ষ পূর্তি অনুষ্ঠানে এটাই প্রামাণ হলো যে আমরা সকলে যে কতখানি ভালোবাসি এই প্রতিষ্ঠানকে। কেহ ২,৫,১০,৫০,১০০ বস্তা চাউল,ডাউল ইত্যাদি প্রতিনিয়নই দান করে এতিমখানায়।আলহামদুলিল্লাহ, সম্প্রতি এক দানবীর পোরো কমপ্লেক্সে স্থায়িভাবে ডিজিটাল লাইটিং লাগিয়ে দিয়েছে যাতে প্রায় ৪ লাখ টাকা খরচ হয়েছে, খন্দকার পরিবারের আমার প্রিয় ও সম্মানিত বস রাহুল তাহের ভাই ৬০০ গাছ লাগিয়ে দিয়েছেন যা প্রায় ২ লক্ষ টাকার গাছ!!!খন্দকার পরিবারের তার বড় ভাই হেলাল খন্দকার সাহেক তিনতলা ভবনের পোরো টাইলস দিয়েছেন।
আসলে,সকলেই এই কমপ্লেক্সে প্রতিনিয়ন দান করে আসতেছে ও করতেছে। পূর্বপুরুষদের মেহনতের ফলে আজকের এই প্রতিষ্ঠান শতবর্ষের মধ্যে এসে দাঁড়িয়েছে। অত্র এলাকার মানুষগনের ভালোবাসা,দান-খয়রাত,চিন্তা-ফিকির ইতৌাতি ও  দূর-দূরান্তের মানুষের দান খয়তার সবই তাতে মিশ্রিত।
প্রতিবছর প্রায় ৬০ লাখ টাকা খরচ হয় এই জামিয়াতে ও এতিমখানায়। এই ৬০ লাখ টাকা সরকার দেয় না এগুলো মানুষের দান, আপনার, আমার, আমাদের মেহনতের টাকাই।

যাহোক, আমি শতবর্ষের দ্বার লগ্নে এসে আপনাদের ধন্যবাদ ও কৃতজ্ঞতা দিয়ে ছোট করতে চাই না। শুরু থেকে এই পর্যন্ত ও কিয়ামতের আগ পর্যন্ত যারা এই কমপ্লেক্সে ও আল্লাহর রাস্তায় দান করেছে ও করবে সকলের দানকে আল্লাহ কবুল করুক, আমিন।
আর মহান আল্লাহ আপনাদের এই দানের প্রসংশা তার পবিত্র কোরআনের সেই ১৪৫০ বছর পূর্বেই বলেদিয়েছেন:-

مَّن ذَا الَّذِى يُقْرِضُ اللَّهَ قَرْضًا حَسَنًا فَيُضٰعِفَهُۥ لَهُۥ وَلَهُۥٓ أَجْرٌ كَرِيمٌ

কে সেই ব্যক্তি, যে আল্লাহকে উত্তম ধার দিবে, এরপর তিনি তার জন্যে তা বহুগুণে বৃদ্ধি করবেন এবং তার জন্যে রয়েছে সম্মানিত পুরস্কার।
(সূরা হাদীদ,১১)

إِنَّ الْمُصَّدِّقِينَ وَالْمُصَّدِّقٰتِ وَأَقْرَضُوا اللَّهَ قَرْضًا حَسَنًا يُضٰعَفُ لَهُمْ وَلَهُمْ أَجْرٌ كَرِيمٌ

নিশ্চয় দানশীল ব্যক্তি ও দানশীলা নারী, যারা আল্লাহকে উত্তমরূপে ধার দেয়, তাদেরকে দেয়া হবে বহুগুণ এবং তাদের জন্যে রয়েছে সম্মানজনক পুরস্কার।
(সূরা হাদীদ:১৮)

قُل لِّعِبَادِىَ الَّذِينَ ءَامَنُوا يُقِيمُوا الصَّلٰوةَ وَيُنفِقُوا مِمَّا رَزَقْنٰهُمْ سِرًّا وَعَلَانِيَةً مِّن قَبْلِ أَن يَأْتِىَ يَوْمٌ لَّا بَيْعٌ فِيهِ وَلَا خِلٰلٌ

আমার বান্দাদেরকে বলে দিন যারা বিশ্বাস স্থাপন করেছে, তারা নামায কায়েম রাখুক এবং আমার দেয়া রিযিক থেকে গোপনে ও প্রকাশ্যে ব্যয় করুক ঐদিন আসার আগে, যেদিন কোন বেচা কেনা নেই এবং বন্ধুত্বও নেই।
(সূরা ইব্রাহিম:৩১)

قُلْ إِنَّ رَبِّى يَبْسُطُ الرِّزْقَ لِمَن يَشَآءُ مِنْ عِبَادِهِۦ وَيَقْدِرُ لَهُۥ ۚ وَمَآ أَنفَقْتُم مِّن شَىْءٍ فَهُوَ يُخْلِفُهُۥ ۖ وَهُوَ خَيْرُ الرّٰزِقِينَ

বলুন, আমার পালনকর্তা তাঁর বান্দাদের মধ্যে যাকে ইচ্ছা রিযিক বাড়িয়ে দেন এবং সীমিত পরিমাণে দেন। তোমরা যা কিছু ব্যয় কর, তিনি তার বিনিময় দেন। তিনি উত্তম রিযিক দাতা।
(সূরা ছাবা: ৩৯)

তোমরা আল্লাহর পথে যা খরচ কর তার পুরোপুরি প্রতিদান তোমাদেরকে দেয়া হবে, আর তোমাদের সাথে কক্ষনো যুলম করা হবে না।'
(সূরা আনফাল:৬০)

Comments

Popular posts from this blog

কাব্যঃ অপরিচিতা||কবিঃ আসাদুল্লাহ||একুশে বই মেলা ২০২৫ ইং||নরসিংদী,বাজার হাসনাবাদ,রায়পুরা,নরসিংদী||

কাব্যঃ অপরিচিতা কবিঃ আসাদুল্লহ                                কাব্যঃ অপরিচিতা                   কবিঃ আসাদুল্লাহ প্রথম প্রকাশঃ একুশে বইমেলা ২০২৫ ইং কবি পরিচিতিঃ আসাদুল্লাহ এর জম্ম ১৫ ই মার্চ ২০০১ সালে ঐতিহ্যবাহী নরসিংদী জেলার বৃহত্তম রায়পুরার উপজেলার পূর্ব রায়পুরার চরাঞ্চলের চর মধুয়া ইউনিয়নের চর মধুয়া গ্রামের সিকদার বাড়িতে।আসাদুল্লাহ এর বাবার নাম হাজ্বী আঃ খালেক এবং মাতা মরহুম শিরিনা আক্তার।৬ ভাইয়ের মধ্যে আসাদুল্লাহ ৫ম,কোনো বোন নাই।বাড়ির সাথে ঐতিহ্যবাহী বালুয়াকান্দি ইসলামী কমপ্লেক্সের আল জামিয়াতু শামসুল উলুম বালুয়াকান্দি মাদ্রাসার(স্থাপিতঃ ১৯২১ সালে) উস্তাজুল উলামা সদর হুজুর(দা.বা) নানাজ্বীর একমাত্র  প্রিয় খাদেম ছিলেন,সদর হুজুর ১০৬ বছর বয়সে ৩১-১-২০২১ ইং ইন্তেকাল করেন। শিক্ষা জীবনঃ আসাদুল্লাহ ২০০৬ সালে চরসুবুদ্ধি ইউনিয়নের বড়ই তলা গ্রামের নানাীর বাড়ি থেকে প্লে-তে ভর্তি হন "চরসুবুদ্ধি ফুলকুড়ি কিন্ডারগার্টেনে" ২০০৭ সালে নার্সারী পড়া শেষ করে জম্মভূমি চর মধুয়া ...

প্যারাডক্সিক্যাল সাজিদ ১ ও ২ এবং আরজ আলীর সমীপে pdf বই ডাউনলোড করুন ও পড়ুন

"প্যারাডক্সিক্যাল সাজিদ" আরিফ আজাদ আসসালামু আলাইকুম প্রিয় ভাই ও বোন।আজ আপনাদের সাথে নিয়ে আসলাম আরিফ আজাদ ভাইয়ে প্যারাডক্সিক্যাল সাজিদ ১ ও ২ বই দুটি এবং "আরজ আলীর সমীপে" বইটি। সারা বাংলার ভাইরাল বই "প্যারাডক্সিক্যাল সাজিদ ১ ও ২ " বই দুটি। যদি বইগুলো না পড়ে থাকুন এখনই ডাউনলোড করে পড়া শুরু করুন। প্যারাডক্সিক্যাল সাজিদ: ডাউনলোড প্যারাডক্সিক্যাল সাজিদ ২ : ডাউনলোড আরজ আলীর সমীপে: ডাউনলোড আপনার কোন বইটি দরকার?  তা কমেন্ট বক্সে লিখুন। ধন্যবাদ Asadullah News & Library

"একই রজনীতে দু'জন ব্যক্তি আল্লামা মামুনূল হক সাহেব ও শাইখের স্বপ্ন যিয়ারতে ধন্য"!!

"একই রজনীতে দু'জন ব্যক্তি আল্লামা মামুনূল হক সাহেব ও শাইখের স্বপ্ন যিয়ারতে ধন্য"!!  "একই রজনীতে দু'জন ব্যক্তি আল্লামা মামুনূল হক সাহেব ও শাইখের স্বপ্ন যিয়ারতে ধন্য"!! #Blog_post:91 (20-11-2020)4:00 pm #Blogger_Asadullah #Asadullah_News_&_Library আলহামদুলিল্লাহ, দীর্ঘ বহু মাস পর ভালো কিছু ও নেককার বান্দাদের স্বপ্ন যিয়ারতে ধন্য হয়।হে আমার প্রিয় মহাব্বতের দু'জন শাইখুল হাদিসকে আজ পবিত্র জুম্মা রজনীতে স্বপ্নে দেখতে পায়,আলহামদুলিল্লাহ শাইখুল হাদিস আল্লামা মামুনূল হক(দা.বা) সাহেব আমার বাসায় আসেন,সাহেবকে বসতে দেয় ও খাবার পরিবেশন করি সাথে তার খাদেমও ছিল।কিছু কথা বলি ও আমাকে কিছু নসিহত করেন। গত মাসে মামুনূল হক সাহেবে একটা লেকচার আপলোড দেয় আমার আইডিতে সেটা প্রায় ১০ হাজারের উপরে ভিউ যে হয়ে সেটাও বলেছিলাম।অবশেষে হযরত আমাদের বাড়ি থেকে বিদায় নেয়। আলহামদুলিল্লাহ, পরে স্বপ্নে দেখি আমাদের ঐতিহ্যবাহী আল জামিয়াতু শামসুল উলুম বালুয়াকান্দির শাইখুল হাদিস যিনি দীর্ঘ ৩০ বছর ধরে হাদিসের দরসের খেদমত করে যাচ্ছেন  এবং বর্তমানে তিনি এই মাদ্রাসার ভারপ্রাপ্ত মোহতামীমের দায়িত্ব পালন...