বালুয়াকান্দির কবরস্থান থেকে বলতেছি এসব মাজার পূজারিদের বিরুদ্ধে
নাউযুবিল্লাহ!! আমি এই মুহুর্তে প্রায় ১০:৩০ মিনিটে আমাদের বালুয়াকান্দির কবরস্থানে আছি। খোদার কসম,হাসনাবা বাজারে যে আক্কল শার গান-বাজনা চলতেছে এই কবরস্থান থেকে স্পষ্ট শুনা যাচ্ছে!!!! আস্তাগফিরুল্লাহ, আমি নিশ্চিশ ঐ গানে মাজারে যারা এখন আছেন তাদের সকলের পরিবারের বা গোষ্ঠীর কেহ না কেহ এই কবরস্থানে ঘুমিয়ে আছেন!!!
শুধু একবার ঠান্ডা মাথায় চিন্তা করুন মৃত্যুর আর এই ব্যাপারটা।গতকাল রাত থেকে আজ পর্যন্ত পোরো নরসিংদীর যে পোস্টটি ভাইরাল হয়েছে মানে আক্কল শাহ মাজার নিয়ে এম.আর মামুন ভাইয়ের পোষ্টটি।সেটা নিচে তুলে ধরা হলো।
আর হ্যাঁ, আমাদের শতবর্ষ পূর্তি অনুষ্ঠান আগামীকাল, গান-বাজনা কি আগামীকালও চলব?আহ! আমীরগঞ্জ ইউনিয়নে আগামীকাল দেশ-বিদেশের বিখ্যাত উলামাগন পা রাখবেন আর সেই মাটিতে আজ এসব নোংরামী চলতেছে!!একদিকে মাজার পূজারী আর অন্যদিকে দ্বীনের মহা-সম্মেলন, একই পাত্রে কখনো মূত্র ও খাবার রাখা যায় না!!! আমরা চাই আমীরগঞ্জ থেকে সকল মাজার ভেঙ্গে ফেলা হোক ও চিরস্থায়ীভাবে।।
এরকম একটা দ্বীনের পরিবেশ যেখান থেকে দ্বীনের আলো সারা বিশ্বে ছড়িয়ে পড়ে সেখানে এসব নোংরামী কি করে হতে পারে? তারপরও কি আমরা জাগ্রত হব না? হায়, খোদার কসম যে যুবক, হে আমীরগঞ্জ বাসী একদিন আমি আপনি সকলে এই কবরস্থানে ঘুমাবো তখন কিন্তুু আল্লাহর কাছে জবাবদিহি করতে হবে এসব অসৎকাজের ব্যাপারে কি আমরা বাঁধা দিয়েছি কিনা!! এই পোস্টটি কবরস্থানে চাররাস্তার মোড়ে দাঁড়িয়ে লিখেছি।আজ জমিনের উপরে কাল জমিনের নিচে থাকব। হায় আল্লাহ আপনি সাক্ষী থাকুন, আমি সৎ কাজের আদেশ ও অসৎ কাজের নিষেদ করেছি। হায় আল্লাহ আমি আমার জবান দ্বারা আমার হাত দ্বারা করেছি। হায় আল্লাহ আমি আমার জায়গা থেকে যতটুকু করার করেছি। আপনি সাক্ষী থাকুন হায় আল্লাহ।
এম আর মামুন ভাইয়ের সেই ভাইরাল পোস্টটি:
আক্কেল শাহ্'র মাজারের সারারাতের গান বাজনায় অতিষ্ঠ এলাকার SSC পরিক্ষার্থী ও এলাকাবাসী।
এর শেষ কোথায়? যেখানে কোনু লাশ নেই সেখানে আবার কিসের মাজার ? ধান্দামির সীমা লংঘন হয়ে গেছে, গান বাজনা বাজাচ্ছেন- তো মাইক দিয়ে কেন? বক্স দিয়ে মাজারের ভিতরেই বাজান,মাইক দিয়ে সারারাত কেন ? তাছাড়া আগামীকাল থেকে বালুয়াকান্দি মাদ্রাসা ময়দানে ওয়াজের কথা কি আয়োজকদের মাথায় নেই ?
প্রভাবশালীদের সহযোগিতায় নরসিংদীর রায়পুরার হাসনাবাদ বাজারের পূর্ব প্রান্তে অবস্থিত এই মাজারে দুইদিন ব্যাপি সন্ধ্যা থেকে শুরু হয়ে সারারাত কয়েকটি মাইকের মাধ্যমে এই গান বাজনা করানো হয়, এতে এলাকাবাসী অনেক ক্ষুব্ধ হয়ে রয়েছে বলে যানা গেছে। উল্লেখ্য থাকে যে - একই ব্যাক্তির মাজার দুই যায়গায় রয়েছে একটি - হাটুভাংগা অপরটি হাসনাবাদ বাজারে। এই শিরিক ব্যাধাতি থেকে এলাকাবাসী রেহায় চায়।
প্রশাসনের দৃষ্টি আকর্ষন করছি ও এসব বন্ধের দাবি যানাচ্ছি।



Comments
Post a Comment