শতবর্ষ পূর্তি উপলক্ষে আশ শামস স্মারকে আমার লেখা
আলহামদুলিল্লাহ, আজকের এই শতবর্ষ পূর্তির দিনে পৃথিবীর সবার চেয়ে আমি পুলকিত,উৎফুল্লিতত,বিমোহিত।
"ঐতিহ্যবাহী আল জামিয়াতু শামসুল উলুম বালুয়াকান্দির শতবর্ষ স্মারকের ১৮৮ পৃষ্ঠায় আমার লেখাটি স্থান পেয়েছে যা ছিল শতবর্ষের স্মৃতিচারণমূলক লেখা সেই কূপকে নিয়ে।
৫ জন ব্যক্তি স্মৃতিচারণমূলক লেখা লিখেছে ও ৩ জনই আলেম ও মুফতি আর একজন আমাদের গর্বিদ ড.আবদুল হাই সিদ্দিক স্যার বাংলাভিশন সাবেক মহা-পরিচালক। তারপরের জন আমি। তাছাড়া স্মারকে যাদের লেখা সবাই আলেম ও মুফতি,মোয়াদ্দিস ইত্যাদি ও বড় পর্যায়ের ব্যক্তিবর্গ ও প্রাক্তন ছাত্র।
আসলে আমি দুইটা লেখা জমা দেয় একটা নানা হুজুরকে নিয়ে ও আরেকটি স্মৃতিচারণমূরক যার ফলে আমার লেখাটি বিশাল বড় হয়ে যায় যা স্মারকে ৭-১০ পেইজ হয়ে যাবে!!!তাই স্মৃতিচারণমূলক লেখাটাই গন্য হয়।
যাহোক,সকালে বাজার থেকে নাস্তা খেয়ে জামিয়ার শাইখুল হাদিস সাহেকের রুমে শাইখের সাথে দেখা করার জন্য যাই ও স্মারকে এই প্রথম দেখি ও লেখাটা দেখলাম
আসলে গত রমজান মাসের ১৯ রমজান কমপ্লেক্সের মসজিদে বসে লেখি এই স্মৃতিচারণ মূলক কূপের ইতিহাস পরে উস্তাজুড় উলামাকে নিয়ে দেখায় ও তিনি সাক্ষর করেন ২৫-০৫-২০১৯ ইং জোহর বাদ লিখি।
আমি আন্তরিক ধন্যবাদ জানাই "স্মারক পরিচালনা পরিষদকে ও জামিয়ার শিক্ষক মুফতি শরিফ সাহেব হুজুরকে।



Comments
Post a Comment