১৫০ বছর পর আমীরগঞ্জের দ্বিতীয় কৃষি চাষ বিদ্রোহ!!!
আসসালামু আলাইকুম। আজ আপনাদের সাথে এমন একটা বিষয় তুলে ধরব যা শুনে ও দেখে আমাদের প্রতিবাদ,বিদ্রোহ করতে হবেই। আমি আমাদের আমীরগঞ্জের ইতিহাস মোটা-মোটি জানি ও ইতিহাস পড়েছি। আটকান্দীর/নীল কুঠির সেই মসজিদ যিনি নির্মাণ করেছেন তিনি ছিলেন একজন বিদ্রোহ,সুদর্শন পুরুষ, দেওবন্দের ছাত্র ও আলেম এবং বগুরার নবাব পরিবারের একমাত্র কন্যা ছাদতুন্নেছাকে বিবাহ করেছিলেন।
সেই মাওলানা বিদ্রোহী আলিম উদ্দিন সাহেব ১৫০ বছর পূর্বে নীল চাষ বিদ্রোহ করে আমাদের ইউনিয়ন থেকে ইংরেজদেরকে তাড়িয়েছেন।
আপনারা যানেন যে, কৃষকরা যুগের পর যুগ ধরেই অত্যাচারিত,শোষিত!!এই আধুনিক যুগেও আবার শোষিত হচ্ছে কৃষকগণ।আমাদের আমীরগঞ্জ ইউনিয়নের সর্ব দক্ষিণে ঐ মেঘনা নদীর তীরে যা আমাদের বালুয়াকান্দির মৌজা ও হাসনাবাদের মৌজার সংযোগস্থল। দড়ি-বালুয়াকান্দি,খলাপাড়া,নলবাটা গ্রামের বিশাল হাওর অবস্থিত সেই সর্ব দক্ষিণের দিকে যা আমীরগঞ্জের শেষ সীমানা। সেখানে ৩ টা ইটের বাটা নির্মাণ করা হয়েছে প্রায় ৭-৮ বছর পূর্বেই।
কিন্তুু বর্তমানে কৃষকদের কাছ থেকে ইটাখোলার মালিক জমি ক্রয় করে নিচ্ছেন।পরে ঐ জমিন থেকে ক্রেন দিয়ে গভীর করে মাটি তুলার ফলে পাশের জমিন এমনেতেই ভেঙ্গে যায়!! পরবর্তীতে ঐ কৃষক বাধ্য হয়ে তার জমিনও বিক্রি করে দেয়।এভাবে শত-শত জমিন বিক্রি হয়ে গেছে!! শত-শত একর জমিন আমরা চিরতরে হারিয়ে ফেলেছি ও এই জমিনে আর কখনো সোনাল ফসল হবে না।
এটা আমাদের আমীরগঞ্জের কৃষি ও অর্থনৈতিক সম্পদ।এভাবে আমাদের চোখের সামনে নষ্ট হয়ে যাবে আমরা চেয়ে-চেয়ে দেখব? ইটের বাটা থাকুন সমস্যা নাই কারন ঐ ইটাখোলায় কাজ করে শত-শত শ্রমিক যারা তাদের পরিবারের চাহিদা মেটাতে পারছে,তাছাড়া আমাদের এলাকার, উপজেলা,জেলাতেও ইট সাপ্লাই দেওয়া হচ্ছে। কিন্তুু আমাদের সম্পদ ক্ষতি করে যে তা করবে তা কখনো হতে দিব না। আমি এই ১৫০ বছর পর আমীরগঞ্জের দ্বিতীয় কৃষি চাষ বিদ্রোহের প্রতিবাদ ও বিদ্রোহ এই প্রথম মিডিয়া জগতের সামনে, আমাদের আমীরগঞ্জের মানুষের সামনে তুলে ধরলাম। আমি আপনাদেরকে ২১ মিনিটের ভিডিওতে সকল দৃশ্য তুলে ধরলাম। এবার প্রতিবাদ ও বিদ্রোহ করার সময় সেই সাথে প্রশাসন ও চেয়ারম্যান,মেম্বারদেরকে এগিয়ে আসতে হবে।
জয় হোক কৃষকদের,মুক্ত হোক ধনী শ্রেণির শোষণ থেকে কৃষকগন।
(আসাদুল্লাহ)
channel: Asadullah TV.BD
web: Asadullah News & Library
page: Asadullah TV.BD


Comments
Post a Comment