Skip to main content

রাতের স্বপ্নে দেখা অপরূপ রূপবর্তী নন্দিনীর সাথে সকালেই বাস্তবে দেখা!!"






"রাতের স্বপ্নে দেখা অপরূপ রূপবর্তী নন্দিনীর সাথে সকালেই বাস্তবে দেখা!!" 

২৭ শে মার্চ ২০২০ ইং

স্বপ্ন যে বাস্তবরূপ নেবে সেটা তো কল্পনার বাহিরে। তবে যে এমনটাই ঘটেছে। তমিস্রা ঘরে স্বপনে পাহিয়া তারে হারাই স্বপনে বারে-বার। স্বপ্ন-সহচারীর সাথে যে এভাবে বাস্তবে মিলন হবে তা কখনো কল্পনা করি নি। কবির লেখা কবিটার ঘটনা যে বাস্তবরূপ নিবে তাও ভাবিনি। আমার লেখা " স্বপ্ন-সহচারী " কবিতার কল্পনার কাহিনী আজি সত্য হয়ে গেল!তাহলে বলতে থাকি সেই রাতের স্বপ্নলোকের স্বপ্ন-সহচারীর কাহিনী।

২৬ শে মার্চ বৃহস্পতিবার দিবাগত রাত্রি। বৃহস্পতিবার রাত্রিটা ভালো করেই উপভোগ করি, তাছাড়া ছুটির ও পার্টির রাত্রি।সন্ধ্যায় ওয়াইফাই,রাতে পার্টি,ঘোরা-ফেরা, আড্ডা ইত্যাদি করে কাঁটায় বৃহস্পতিবার রাত্রি। রাতে এসে দেখি বাড়ির গেইট তালা দেওয়া বাজে ১০ টা,দেওয়াল বেয়ে রুমে এসে কিছুক্ষণ বই পড়লাম। তারপর ঘুমাতে-ঘুমাতে তো ১২ টা বেজেই গেল।
মধ্য রাতের এলার্ম দিয়ে রেখেছি যেহেতু জুম্মা রাত্র তাহাজ্জুত পড়ার নিয়ত।ঘুমিয়ে গেলাম তারপরই সেই স্বপ্ন,সেই স্বপ্নন ঘরের স্বপ্ন-সহচারী। কি হে তার রূপ,এ রূপে দ্ধগ্ধ হয়ে যায় মোর আঁখি। এত রূপ তার?লম্বা এলো চুল, রাঙ্গা পদের নূপুরের ঝুমুর,মায়াবী ঢল-ঢল নয়নের দৃষ্টি,চাঁদমাখা মুখের হাস্যজ্জ্বল,রক্তিম ওষ্ঠ,নরম হস্ত ইত্যাদির গুনে-গুনান্নিত সেই স্বপ্ন-সহচারী। অনেকে বলিবে তুমি তো সাহিত্যেক বাবু,কবি বাবু তাই এমন করিয়া সাহিত্যের রস দিয়া বর্ণনা করিয়াছ। কিন্তুু তা নয়, যেমন স্বপ্ন তেমন করিয়াই বর্ণনা করিয়াছি।
নিকেতনের পাশের আমাদের ঐতিহ্যবাহী বালুয়াকান্দি ইসলামী কমপ্লেক্সের বৃহত্তম কবরস্থানের রাস্তা দিয়ে সে একলা হেঁটে যাচ্ছে। এমন রূপসী কন্য নির্জন রাস্তা দিয়ে নীরবে হেঁটে যাবে তা কি হয়? তাই মনের দুটো ভাবর্থ ব্যক্ত করিবার জন্য তার সাথে হাঁটে লাগলাম আর বলতে লাগলাম তৃষাতুর হৃদের মনের ভাবার্থ না বলা কথাগুলো। সঙ্গীবিহীন একা একলা জীবন পাড়ি দিয়েছি আঠারোর প্রাচীর ভেঙ্গে আরো এক বছর তার মানে এক যুগ পাড়ি দিয়ে আরো সাত বছর। তবুও হৃদের বন্ধন কোনো তনয়ার সনে অদ্যাপি হয় নি। কৌশোরের সমাপনের একজনের সনে শুরু হয়েও শেষ হয়ে গেল। তারপর আর প্রেমের রাজ্যে কখনো যায় নি,হাঁটিনি প্রেমের পথে প্রেম কাননে দুজনে হাতে হাত রেখে।তারপর রাতের স্বপ্নে দেখিলাম স্বপ্ন-সহচারীর সাথে বহুত কথা বলিলাম অবশেষে তাকে আমার মোবাইল ফোনের নাম্বারটা দিয়ে দিলাম এবং বলে দিলাম তোমার এই রূপ আমার বড় বেশি ভালো লাগিয়াছে। বিশ্বাস করুন এই একবিংশ শতাব্দীতে এসেও আমি আজও পর্যন্ত কোনো নন্দিনীকে এই ভালোবাসার কথা বা প্রস্তাব দেওয়ার সাহস অর্জন করতে পারি নি। সেক্ষত্রে আমি ভীতু,দূর্বল,লজ্জাশীল ইত্যাদি।
তারপর আমার কথাটা শুনার পর তার মুখে হাসির চিহ্ন দেখিতে পেলাম। আমি আর তার সাথে হাঁটলাম না লজ্জাবোধ করিলাম।সে একা-একা হেঁটে চলে যাচ্ছে আর আমি অপেক্ষায় আছি আমায় কখন সে ফোন দিয়ে বলবে........♥

হঠাৎ ঘুম ভেঙ্গে গেল আমার এক বন্ধু রাত ২ টা ৪৫ মিনিটে ফোন দিয়েছিল সেই ফোনে!!ইস তারপর জানি কি ঘটতেছিল বা কি ঘটবে??ফোন দেওয়ার আর সময় পাইল না এই অসময়ে এত রাতে ফোন!!


স্বপ্ন এমনই এক জিনিস যা অসমাপ্ত। এমন স্বপ্ন দেখলেও ভালো লাগে তবে কল্পনার জগতে বার-বার তার কথাই বলে। সকালে ঘুম থেকে ওঠে নিজেকে প্রস্তুত করে বাড়ির পাশের বন্ধুদের আম্র কাননে গিয়ে বসলাম, আর আম্র কাননের সাথেই কবরস্থানের রাস্তা। রাতের স্বপ্নের ঘটনা মনে পড়ে গেল এই রাস্তায় তাকে দেখেছিলাম।তারপর এক বড় ভাই এসে বলতে লাগল রাতের কাহিনী!!রাতে সবগুলো মসজিদে আযান দিয়েছিল,অত্র গ্রামগুলোসহ পোরো বাংলাদেশে এই ঘটনা ঘটেছে রাত ১২ থেকে ৩ টা পর্যন্ত প্রায় সকল মসজিদগুলোতে আযান দিয়েছিল, অনেকে নামাজ পড়েছে!!কিসের জন্য? কোন দিকে নাকি ভূমিকম্প,দেশ মাটির নিচে চলে যাচ্ছে,পাথর বৃষ্টি বর্ষণ,শিশু জম্মের পর  বলেছ " মসজিদে আযান দাও ও নামাজ পড়" ইত্যাদি ইত্যাদি কথা।
আমি তো শুনেই বলে দিলাম এটা সম্পূর্ণ গুজব ও আজগবি,বনোয়াট কথা। বর্তমানে পোরো দেশে গুজব অতি দ্রুত ছড়ে যায় ও মানুষও সেসবে কান দেয়!!!
যাহোক,পরে ঘটনা ও রাতের গ্রামের কাহিনী শুনার জন্য আমাদের বাড়ির পাশের বালুয়াকান্দি জামতলা মোড়ে চলে গেলাম। ও....তার মানে এক বন্ধু রাতে ফোন দিয়েছিল এই ঘটনার জন্যই।
জামতলায় গিয়ে দেখি সকল বন্ধুরা ক্রিকেট খেলতেছে, খেলা শেষে সকলে আসল ও রাতের?? ঘটনার কাহিনী শুনলাম। তারা তো সকলেই রাতে নামাজ পড়েছে, গ্রামের প্রায় সকলে আর আমি ঘুমে বিভোর ও স্বপ্ন নিয়ে। তাদের কাহিনী শুনে হাসতে-হাসতে দিশেহারা।

তারপর চোখ পড়ল ঐ দিকে। যা দেখার জন্য আমি কখনো প্রস্তুুত ছিলাম না। আজ রাতে যে নন্দিনীকে স্বপ্নে দেখেছিলাম সেই মেয়েটি রাস্তা দিয়ে হেঁটে যাচ্ছে!!! বন্ধুরের এই আড্ডাখানা থেকে কোনো মতে বের হলাম। জামতলা মোড় থেকে আমাদের কমপ্লেক্সে যে রাস্তাটা গিয়াছে সেটা দিয়ে চলতে লাগলাম, কবরস্থানের কোনায় আসলাম।
সে চলে যাচ্ছে, আমার সাহস হয় না গিয়ে তার সাথে সব ঘটনা বলি।সাথে এক বন্ধু ছিল তাকে বলি সব, সে বলে গিয়ে দেখা করে আসতে। এতক্ষণে সে কমপ্লেক্সর গেইটের সামনে চলে গেছে। আমি হাঁটা দিলাম, গিয়ে দেখি কমপ্লেক্সের দ্বিতীয় গেইটের সামনে বরাবর আমাদের বি,কে বাংলা বাজারের রাস্তায়।তারমানে তার বাড়ি আমাদের গ্রামে নয় পাশের গ্রামে। বাজারে গেলাম সর্ব পশ্চিমে গিয়ে দেখি সে গ্রামে প্রবেশ করল। নীরব-নির্জন রাস্তায় জনশূন্য,হাঁটতে-হাঁটতে সাহস করে বলে ফেললাম সব কাহিনী। স্বপ্নে যে তাকে দেখেছি সে কথা বলে দিলাম।বললাম তুমি কি আমাদের গ্রামের উচ্চ বিদ্যালয়ে পড়? না, বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়ে। ইস রে! যদি আমাদের গ্রামের বিদ্যালয়ে পড়ত তাহলে প্রতিদিন দেখতে পেতাম,আমাদরর বাড়ির পাশের  রাস্তা দিয়ে যেত!
স্বপ্নে যা-যা বলেছি বাস্তবেও তা বলেছি!!অবশেষে নাম্বারটা দিয়ে বললাম ও বলেছি মুখস্ত করে রাখ!!
তারপর ফিরে এলাম, সত্যিই সে অনেক সুন্দরী।যা বলার ভাষা নাই।
ওগো সুদূরিকা, ওগো স্বপ্ন-সহচরী!! তোমায় দেখে সত্যিই উৎফুল্লিত।স্বপ্ন যে বাস্তবতায় পরিণত হয় তা কখনো জানতাম না আজ ঘটার পর জেনেছি!!
আমার মনে পড়ে প্রায় ১ বছর পূর্বে লেখা " স্বপ্ন-সহচারী" কবিতার কথা, এই কবিতার কাহিনী আজ স্বপ্নে দেখে সকালে বাস্তব দেখলাম!!


সত্যিই অবাক হলাম।

আমি জীবনে কখনো  নন্দিনীর ভালোবাসার পাবার বা ভালোবাসব তা কখনো করব না। কারন কবিতায় সেই বিষয়টায় ফুটিয়ে তুলেছি। সময় যখন ছিল তখন তা পায় নি, আজ সময় নাই তাকে পেয়েছি। অর্থ্যাৎ ঠিক সময়ে তাকে পাবার বন্দনা করেছি পায় নি,আজ অসময়ে সঠিক মানুষটিকে পেয়েছি কিন্তুু এখন যে কবি শূণ্য পূজারী!!!

         স্বপ্ন-সহচারী
               আসাদুল্লাহ
==================================
এত দিনে এলে এ অবেলায় ওগো স্বপ্ন-সহচারী!
হৃদ মন্দিরের বন্দনা করিয়া আজি শূন্য পূজারী।
তোমা ক্ষন নব যৌবনাতে
অনন্তকালের চিরন্তন সঙ্গিনী,
এ অবেলায় আসিয়াছ তুমি?
নাহি ব্যকুল প্রেম শূন্য ভিখারিনী।
আশাহত জীবনাতে ক্লান্ত,বিদগ্ধ
এত দিন ছিনু অধীর অপেক্ষায় তোমা আশায়,
ওগো স্বপ্ন-সহচারী! সুদূরিকা, দূরে-দূরে থাক
জড়ালে না মোরে ইন্দ্রজালের ভালোবাসায়।
তোমা নাম নাহি জানা, ওগো স্বপ্ন-সহচারী
সতত করিয়াছি তোমা হৃদের বন্দনা,
ওগো মম প্রেম প্রেয়সি!ক্ষন যৌবনাতে
তুমি মোর হৃদ ভূবনের প্রজ্বলিত চন্দ্রনা।
তৃষাতুর হৃদে,শুষ্ক স্বপ্নময় আঁখিতে
তোমা লাগিয়াছে মোর বড় যেন ভালো,
চির অপেক্ষায় কাঁটিয়াছি সতত প্রহর
ভাবিয়াছি হৃদ মন্দিরে জ্বালিবে প্রেমের আলো।
প্রেম সত্য,সত্য মম বাণী,প্রেম সত্য চিরন্তন
প্রেম পাত্র চিরন্তন এ ধরিত্রিতে নয়,
তবু বাঁশির বুক ফাটিয়া তোমা ডাকি
যেন সুর হৃদে লাগে যেন তোমা সনে প্রেম হয়।
ওগো স্বপ্ন-সহচারী!আজি আসিলে এ অবেলায়?
সতত দিবস-শর্বরী তোমা ভেবে ছিনু সারা বেলায়,
প্রেম পূসুন শুকিয়ে গেছে,বকুল মাল্য ছিড়ে গেছে
সুর থেমে গেছে, আজি আমি আছি মরন-বেলায়।
কবি অধীর অপেক্ষায় ছিনু তোমা প্রতীক্ষায়,
হৃদ তৃষ্ণা মিটে যাবে তোমা সুখময় ভালোবাসায়।
অপেক্ষায় ছিনু হৃদ মন্দিরে হয়ে প্রেম পূজারী,
নাহি তোমা লভি যৌবনাতে ওগো স্বপ্ন-সহচারী।
যবে স্বপ্নে দেখিয়াছিনু তোমা, মনে পড়ে ত্রিযামা,
তোমা বন্দনা করি,তুমিই জীবনাতে মম প্রিয়তমা।
তুমি আজি এলে এ অবেলায়,ওগো স্বপ্ন-সহচারী,
কি তোমা দিব এ মরনবেলায়,আজি শূন্য পূজারী?
                           (সমাপ্ত)
==================================
কবিতাঃস্বপ্ন-সহচরী
তারিখ:০৩-০৬-২০১৯ ইং
সময়:সকাল ১১ টায়
উৎসর্গ করিলাম:ভালো লাগার মানুষটিকে

my youtube channel: Asadullah TV.BD
Page: Asadullah TV.BD


Comments

Popular posts from this blog

কাব্যঃ অপরিচিতা||কবিঃ আসাদুল্লাহ||একুশে বই মেলা ২০২৫ ইং||নরসিংদী,বাজার হাসনাবাদ,রায়পুরা,নরসিংদী||

কাব্যঃ অপরিচিতা কবিঃ আসাদুল্লহ                                কাব্যঃ অপরিচিতা                   কবিঃ আসাদুল্লাহ প্রথম প্রকাশঃ একুশে বইমেলা ২০২৫ ইং কবি পরিচিতিঃ আসাদুল্লাহ এর জম্ম ১৫ ই মার্চ ২০০১ সালে ঐতিহ্যবাহী নরসিংদী জেলার বৃহত্তম রায়পুরার উপজেলার পূর্ব রায়পুরার চরাঞ্চলের চর মধুয়া ইউনিয়নের চর মধুয়া গ্রামের সিকদার বাড়িতে।আসাদুল্লাহ এর বাবার নাম হাজ্বী আঃ খালেক এবং মাতা মরহুম শিরিনা আক্তার।৬ ভাইয়ের মধ্যে আসাদুল্লাহ ৫ম,কোনো বোন নাই।বাড়ির সাথে ঐতিহ্যবাহী বালুয়াকান্দি ইসলামী কমপ্লেক্সের আল জামিয়াতু শামসুল উলুম বালুয়াকান্দি মাদ্রাসার(স্থাপিতঃ ১৯২১ সালে) উস্তাজুল উলামা সদর হুজুর(দা.বা) নানাজ্বীর একমাত্র  প্রিয় খাদেম ছিলেন,সদর হুজুর ১০৬ বছর বয়সে ৩১-১-২০২১ ইং ইন্তেকাল করেন। শিক্ষা জীবনঃ আসাদুল্লাহ ২০০৬ সালে চরসুবুদ্ধি ইউনিয়নের বড়ই তলা গ্রামের নানাীর বাড়ি থেকে প্লে-তে ভর্তি হন "চরসুবুদ্ধি ফুলকুড়ি কিন্ডারগার্টেনে" ২০০৭ সালে নার্সারী পড়া শেষ করে জম্মভূমি চর মধুয়া ...

প্যারাডক্সিক্যাল সাজিদ ১ ও ২ এবং আরজ আলীর সমীপে pdf বই ডাউনলোড করুন ও পড়ুন

"প্যারাডক্সিক্যাল সাজিদ" আরিফ আজাদ আসসালামু আলাইকুম প্রিয় ভাই ও বোন।আজ আপনাদের সাথে নিয়ে আসলাম আরিফ আজাদ ভাইয়ে প্যারাডক্সিক্যাল সাজিদ ১ ও ২ বই দুটি এবং "আরজ আলীর সমীপে" বইটি। সারা বাংলার ভাইরাল বই "প্যারাডক্সিক্যাল সাজিদ ১ ও ২ " বই দুটি। যদি বইগুলো না পড়ে থাকুন এখনই ডাউনলোড করে পড়া শুরু করুন। প্যারাডক্সিক্যাল সাজিদ: ডাউনলোড প্যারাডক্সিক্যাল সাজিদ ২ : ডাউনলোড আরজ আলীর সমীপে: ডাউনলোড আপনার কোন বইটি দরকার?  তা কমেন্ট বক্সে লিখুন। ধন্যবাদ Asadullah News & Library

"একই রজনীতে দু'জন ব্যক্তি আল্লামা মামুনূল হক সাহেব ও শাইখের স্বপ্ন যিয়ারতে ধন্য"!!

"একই রজনীতে দু'জন ব্যক্তি আল্লামা মামুনূল হক সাহেব ও শাইখের স্বপ্ন যিয়ারতে ধন্য"!!  "একই রজনীতে দু'জন ব্যক্তি আল্লামা মামুনূল হক সাহেব ও শাইখের স্বপ্ন যিয়ারতে ধন্য"!! #Blog_post:91 (20-11-2020)4:00 pm #Blogger_Asadullah #Asadullah_News_&_Library আলহামদুলিল্লাহ, দীর্ঘ বহু মাস পর ভালো কিছু ও নেককার বান্দাদের স্বপ্ন যিয়ারতে ধন্য হয়।হে আমার প্রিয় মহাব্বতের দু'জন শাইখুল হাদিসকে আজ পবিত্র জুম্মা রজনীতে স্বপ্নে দেখতে পায়,আলহামদুলিল্লাহ শাইখুল হাদিস আল্লামা মামুনূল হক(দা.বা) সাহেব আমার বাসায় আসেন,সাহেবকে বসতে দেয় ও খাবার পরিবেশন করি সাথে তার খাদেমও ছিল।কিছু কথা বলি ও আমাকে কিছু নসিহত করেন। গত মাসে মামুনূল হক সাহেবে একটা লেকচার আপলোড দেয় আমার আইডিতে সেটা প্রায় ১০ হাজারের উপরে ভিউ যে হয়ে সেটাও বলেছিলাম।অবশেষে হযরত আমাদের বাড়ি থেকে বিদায় নেয়। আলহামদুলিল্লাহ, পরে স্বপ্নে দেখি আমাদের ঐতিহ্যবাহী আল জামিয়াতু শামসুল উলুম বালুয়াকান্দির শাইখুল হাদিস যিনি দীর্ঘ ৩০ বছর ধরে হাদিসের দরসের খেদমত করে যাচ্ছেন  এবং বর্তমানে তিনি এই মাদ্রাসার ভারপ্রাপ্ত মোহতামীমের দায়িত্ব পালন...