করোনা ভাইরাসের মহামারী হোক ইসলামের পথে ফিরে আসা
আসসালামু আলাইকুম।আজ আপনাদের সামনে এমন একটা বিষয় তুলে ধরব যা বাস্তবতার সাথে মিল রয়েছে ও কোরআনে আল্লাহ তায়ালা বলেই দিয়েছেন। আমার কাছে সত্যিই অবাক লাগে কিভাবে এটা সম্ভব?আমাদের অত্র এলাকাগুলোর সবগুলো মসজিদে এখন মুসল্লিয়ে ভরপুর পাঁচ ওয়াক্ত নামাজে!!শিশু,কৌশোর,যুবকদের আগমনে মসজিদ যেন পরিপূর্ণ কানায়-কানায়।অথচ পূর্বে মসজিদগুলো প্রায় ফাঁকা থাকত। এটা শুধু আমাদের অত্র এলাকাগুলোর মসজিদে নয় পোরো বাংলার মসজিদগুলো এখন মুসল্লিয়ে পরিপূর্ণ। আমি আবারও ভুল করেছি পোরো বাংলাদেশ নয়, সারা বিশ্বের মসজিদগুলোতে মুসল্লিয়ে পরিপূর্ণ। হ্যাঁ, স্পেনে আট'শত বছর পর মসজিদে আযানের ধ্বণি শুনা গেছে!!আকাশ-বাতাশ, সকল বস্তুু সেই প্রভুর দিকে ফিরে আসার ডাক শুনেছে। এই পরিবর্তন কি করে হলো?কে করেছে এই পরিবর্তন?আমার তো অবাক লাগে আমাদের ঐতিহ্যবাহী বালুয়াকান্দি কমপ্লেক্সের জুম্মা নামাজে গিয়ে দেখি নামাজ পড়ার জন্য একটু জায়গা ফাঁকাও নেই!! মাগরিবের নামাজ পড়তে গিয়ে বালুয়াকান্দি পশ্চিমপাড়ায় গিয়ে দেখি মসজিদ পরিপূর্ণ ভরা!!
আমি আমাদের কমপ্লেক্সেই পাঁচ ওয়াক্ত নামাজ পড়ি,জামিয়া এখন বন্ধ, কিন্তুু এত বড় মসজিদের লম্বা লাইনে প্রতি ওয়াক্তে প্রায় ৩ লাইন মুসল্লি ভরে!!! রামজান মাসে এই দৃশ্যগুলো দেখা যায়, অথচ রমজান আসতে আরো একমাস বাকি।
রাতে নামাজ পড়ে এসে শুরু করলাম কোরআন শরিফ নিয়ে আমার গবেষনা,চিন্তা-ফিকির । আমাদের কোরআনে কি নাই?যা ঘটেছে, ঘটবে সকল কিছু আছে, আল্লাহু আকবর। আমার এই আলোচনা, লেকচার,গবেষণার পরে একজনের অন্তরেও যদি আল্লাহর ভয় আসে তবেই আমার লেখা স্বার্থক ইনশাআল্লাহ।
আমার সাথে যুক্ত আছে ১০ হাজার মানুষ,আমার ফেইজবুক আইডি,পেইজ,ওয়েবসাইট,ইউটিউব চ্যানেলে মিলে ১০ হাজার মানুষ আমার সাথে যুক্ত আছে। এখানে আছে নাস্তিক,অমুসলিম,মুসলিম সব ধরনের লোক। যাহোক,আল্লাহ সকলকে দ্বীনের সহিহ বুজ দান করুক,আমিন।
আমি আমাদের কমপ্লেক্সেই পাঁচ ওয়াক্ত নামাজ পড়ি,জামিয়া এখন বন্ধ, কিন্তুু এত বড় মসজিদের লম্বা লাইনে প্রতি ওয়াক্তে প্রায় ৩ লাইন মুসল্লি ভরে!!! রামজান মাসে এই দৃশ্যগুলো দেখা যায়, অথচ রমজান আসতে আরো একমাস বাকি।
রাতে নামাজ পড়ে এসে শুরু করলাম কোরআন শরিফ নিয়ে আমার গবেষনা,চিন্তা-ফিকির । আমাদের কোরআনে কি নাই?যা ঘটেছে, ঘটবে সকল কিছু আছে, আল্লাহু আকবর। আমার এই আলোচনা, লেকচার,গবেষণার পরে একজনের অন্তরেও যদি আল্লাহর ভয় আসে তবেই আমার লেখা স্বার্থক ইনশাআল্লাহ।
আমার সাথে যুক্ত আছে ১০ হাজার মানুষ,আমার ফেইজবুক আইডি,পেইজ,ওয়েবসাইট,ইউটিউব চ্যানেলে মিলে ১০ হাজার মানুষ আমার সাথে যুক্ত আছে। এখানে আছে নাস্তিক,অমুসলিম,মুসলিম সব ধরনের লোক। যাহোক,আল্লাহ সকলকে দ্বীনের সহিহ বুজ দান করুক,আমিন।
আসলে বিশ্ব পরিবর্তন পরিস্থিতি আমাদেরকে কিসের বার্তা দিচ্ছে?আল্লাহর ওয়াদা কি সত্য নয়?বর্তমানে করোনা ভাইরাসের মহামারিতে বিশ্ব আতঙ্ক। সেই সাথে আবার পঙ্গপালের ক্ষয়-ক্ষতি।
আল্লাহ বলেন
আল্লাহ বলেন
وَلَقَدْ أَرْسَلْنَآ إِلٰىٓ أُمَمٍ مِّن قَبْلِكَ فَأَخَذْنٰهُم بِالْبَأْسَآءِ وَالضَّرَّآءِ لَعَلَّهُمْ يَتَضَرَّعُونَ
তারপর আমি তাদের উপর রোগব্যাধি, অভাব, দারিদ্র্য, ক্ষুধা চাপিয়ে দিয়ে ছিলাম, যেন তারা আমার কাছে নম্রতাসহ নতি স্বীকার করে।
(সূরা আনআম-৪২)
(সূরা আনআম-৪২)
হে বিশ্ব,হে বিশ্বের মানবজাতি!!কোরানার আক্রমণ,তারপর পঙ্গপালের তারপর নাসা বিজ্ঞানীরা জানিয়েছে ২৯ শে এপ্রিল রামজান মাসে পৃথিবীর দিকে ছুটে আসসে এক এ্যাস্টোরয়েট!!!!যদি কোনো মতে পৃথিবীতে পড়ে তাহলে পৃথিবীর ক্ষয়-ক্ষতির কথা চিন্তাও করা যাবে না!!!দেখেন হাদিসে বর্নিত হয়েছে কিয়ামতের পূর্বে পৃথিবীতে রামজান মাসের মাঝা-মাঝি সময়ে এমন একটা বিকট শব্দ যার ফলে ৭০ হাজার মানুষ বোবা,৭০ হাজার বর্ধির, ৭০ হাজার অজ্ঞান হয়ে যাবে।
দেখেন আজ বিশ্বে অন্যায়-অত্যাচার,অপরাধ, জিনা-ব্যবিচার, মুসলিম নির্যাতন বেড়েই চলছে।এসব ঘটনা আল্লাহর পক্ষ থেকে, যেন এসব নির্দশন দেখে মানুষ আল্লাহর পথে ফিরে আসে।
আল্লাহ বলেন,
দেখেন আজ বিশ্বে অন্যায়-অত্যাচার,অপরাধ, জিনা-ব্যবিচার, মুসলিম নির্যাতন বেড়েই চলছে।এসব ঘটনা আল্লাহর পক্ষ থেকে, যেন এসব নির্দশন দেখে মানুষ আল্লাহর পথে ফিরে আসে।
আল্লাহ বলেন,
ۚ وَمَا نُرْسِلُ بِالْءَايٰتِ إِلَّا تَخْوِيفًا
"আসলে ভয় প্রদর্শনের উদ্দেশ্যেই কেবল আমি নিদর্শন পাঠিয়ে থাকি।"
(সূরাঃবানী ইসরাঈল)
(সূরাঃবানী ইসরাঈল)
আল্লাহ তার বান্দানের শাস্তি দিতে চান না বরং চান যেন আল্লাহ ভীরু,আল্লাহ ওয়ালা হয়ে যায়, আল্লাহর পথে ফিরে আসে।
আল্লাহ বলেন:-
আল্লাহ বলেন:-
إِن تُعَذِّبْهُمْ فَإِنَّهُمْ عِبَادُكَ ۖ وَإِن تَغْفِرْ لَهُمْ فَإِنَّكَ أَنتَ الْعَزِيزُ الْحَكِيمُ
তুমি যদি তাদেরকে শাস্তি দাও তবে তারা তো তোমারই বান্দাহ আর যদি তাদেরকে ক্ষমা কর তুমি তো মহাপরাক্রান্ত মহাপ্রজ্ঞার অধিকারী।’
(সূরাঃ মায়িদাহ,১১৮)
(সূরাঃ মায়িদাহ,১১৮)
হে প্রিয় ভাই ও বন্ধু !হে মুসলিম জাতি ও অমুসলিম!এখনও তওবার দরজা খোলা আছে। খোদার কসম বাবারা একদিন তওবার দরজা বন্ধ হয়ে যাবে, যখন দেখবেন পশ্চিম আকাশে সূর্যটা উদিত হয়েছে!!সেদিন এই দৃশ্য দেখে সকলে ঈমান আনবে ও তওবা করবে কিন্তুু তখন তো কাজ হবে না।দেখেন আল্লাহ পছন্দ করেন দেখে ঈমান আনার চেয়ে না দেখে ঈমান আনার। সেদিন তো আপনারা এই দৃশ্য দেখে ঈমান আনবেন,সেদিন কাজে আসবে না,তওবার দরজা বন্ধ হয়ে যাবে।
এখনই তওবা করুন,যত গুনাহ থাকুক না কেন আল্লাহর ওয়াদা সত্য।
তিনি বলেন:-
এখনই তওবা করুন,যত গুনাহ থাকুক না কেন আল্লাহর ওয়াদা সত্য।
তিনি বলেন:-
يٰٓأَيُّهَا الَّذِينَ ءَامَنُوا تُوبُوٓا إِلَى اللَّهِ تَوْبَةً نَّصُوحًا عَسٰى رَبُّكُمْ أَن يُكَفِّرَ عَنكُمْ سَيِّئَاتِكُمْ وَيُدْخِلَكُمْ جَنّٰتٍ تَجْرِى مِن تَحْتِهَا الْأَنْهٰرُ يَوْمَ لَا يُخْزِى اللَّهُ النَّبِىَّ وَالَّذِينَ ءَامَنُوا مَعَهُۥ ۖ نُورُهُمْ يَسْعٰى بَيْنَ أَيْدِيهِمْ وَبِأَيْمٰنِهِمْ يَقُولُونَ رَبَّنَآ أَتْمِمْ لَنَا نُورَنَا وَاغْفِرْ لَنَآ ۖ إِنَّكَ عَلٰى كُلِّ شَىْءٍ قَدِيرٌ
ওহে যারা ঈমান এনেছ! তোমরা আল্লাহর কাছে তাওবাহ কর- আন্তরিক তাওবাহ। সম্ভবতঃ তোমাদের প্রতিপালক তোমাদের মন্দ কাজগুলোকে তোমাদের থেকে মুছে দিবেন, আর তোমাদেরকে দাখিল করবেন জান্নাতে যার তলদেশ দিয়ে বয়ে চলেছে ঝর্ণাধারা। সে দিন আল্লাহ নবীকে আর তার সঙ্গে যারা ঈমান এনেছিল তাদেরকে লজ্জিত করবেন না। (সেদিনের ভয়াবহ অন্ধকার থেকে মু’মিনদের রক্ষার ব্যবস্থা হিসেবে) তাদের নূর দৌড়াতে থাকবে তাদের সামনে আর তাদের ডান পাশে। তারা বলবে, ‘হে আমাদের প্রতিপালক! আমাদের নূরকে আমাদের জন্য পরিপূর্ণ করে দাও আর আমাদেরকে ক্ষমা কর; তুমি সব কিছুর উপর ক্ষমতাবান।’
(সূরাঃ তাহরিম,৮)
(সূরাঃ তাহরিম,৮)
হে অমুসলি! খোদার কসম তোমারা কিন্তুু সেদিন এই কথা বলবে আর আফসোস করবে, আমাকে যদি আবার পৃথিবীতে পাঠানো হতো, আমি মুমিনদের অন্তভুক্ত হয়ে যাব।
সূরা যুমারের ৫৮ নং আয়াতে আল্লাহ বলেছেন
সূরা যুমারের ৫৮ নং আয়াতে আল্লাহ বলেছেন
أَوْ تَقُولَ حِينَ تَرَى الْعَذَابَ لَوْ أَنَّ لِى كَرَّةً فَأَكُونَ مِنَ الْمُحْسِنِينَ
অথবা শাস্তি দেখার পর কাউকে যেন বলতে না হয়, আমাকে যদি একবার (পৃথিবীতে) ফিরে যাবার সুযোগ দেয়া হত, তাহলে আমি সৎকর্মশীলদের অন্তর্ভুক্ত হতাম।
হে মোহতেরাম ভাই ও বন্ধুরা!হে মানবজাতি!আমাদেরকে এখনই আল্লাহর দিকে ফিরে আসা উচিত। আপনারা বর্তমানে নিজ চোখে পৃথিবীর বুকে আসা ছোট-খাট আযাবগুলো দেখতেছেন। কিন্তুু বড় আযাব অতি দ্রুত আসবে ইনশাআল্লাহ। বড় আযাব এসে পড়ল কিন্তুু আমরা তওবা করলাম না ফলে আমরা ব্যর্থ হয়ে গেলাম।
وَأَنِيبُوٓا إِلٰى رَبِّكُمْ وَأَسْلِمُوا لَهُۥ مِن قَبْلِ أَن يَأْتِيَكُمُ الْعَذَابُ ثُمَّ لَا تُنصَرُونَ
তোমরা তোমাদের প্রতিপালকের অভিমুখী হও আর তাঁর অনুগত হও তোমাদের কাছে ‘আযাব আসার পূর্বে। (‘আযাব এসে গেলে) তোমাদেরকে সাহায্য করা হবে না।
হে ভাই,আমাদের এই হায়াতে জিন্দেগির পিছনের দিকে তাকালেই শুধু গুনাহ আর গুনাহ দেখতে পাই। যা হবার হয়ে গেছে। আমরা এখন অনুতপ্ত। তাই আমদের নিরাশ হওয়ার কোনো কারনই নাই।
সূরাঃ যুমারের ৫৩ নং আয়াতে আল্লাহ বলেই দিয়েছেন
সূরাঃ যুমারের ৫৩ নং আয়াতে আল্লাহ বলেই দিয়েছেন
قُلْ يٰعِبَادِىَ الَّذِينَ أَسْرَفُوا عَلٰىٓ أَنفُسِهِمْ لَا تَقْنَطُوا مِن رَّحْمَةِ اللَّهِ ۚ إِنَّ اللَّهَ يَغْفِرُ الذُّنُوبَ جَمِيعًا ۚ إِنَّهُۥ هُوَ الْغَفُورُ الرَّحِيمُ
বল- হে আমার বান্দাগণ! যারা নিজেদের উপর বাড়াবাড়ি করেছ, তোমরা আল্লাহর রহমত থেকে নিরাশ হয়ো না। আল্লাহ সমস্ত গুনাহ ক্ষমা করে দেবেন। তিনি অতি ক্ষমাশীল, অতি দয়ালু।
হে প্রিয় ভাই ও বোন! আল্লাহ আমাদের শাস্তি দিবেন না যদি আমরা তওবা করে তার নিকট ক্ষমা প্রার্থনা করি। আল্লাহ বলেন
وَمَا كَانَ اللَّهُ لِيُعَذِّبَهُمْ وَأَنتَ فِيهِمْ ۚ وَمَا كَانَ اللَّهُ مُعَذِّبَهُمْ وَهُمْ يَسْتَغْفِرُونَ
তুমি তাদের মাঝে থাকা অবস্থায় আল্লাহ তাদেরকে শাস্তি দিবেন না এবং যখন তারা ক্ষমা প্রার্থনা করতে থাকবে এরূপ অবস্থায়ও আল্লাহ তাদেরকে শাস্তি দিবেন না।
(সূরাঃআনফাল ৩৩)
(সূরাঃআনফাল ৩৩)
অবশেষে আমি আমার কোরআনের এই আয়াতগুলো নিয়ে চিন্তা-ফিকির করার সময়টি আপনাদের সামনে তুলে ধরলাম। বর্তমান বিশ্বের এই পরিস্থিতি দেখে সত্যিই অন্তরে প্রশান্তি বিরাজ করেছে। সেই সাথে পোরো বাংলাদেশ ও বিশ্বের মুসলিম ও অমুসলিমরাও আল্লাহকে স্মরণ করতেছে।
হে মুসলিম ও অমুসলিম!! ঘটনা একদিন সত্যিই ঘটে যাবে। তখন কিন্তুু আপনি বাধ্য হয়ে, নিজ চোখে দেখেই বলবেন আল্লাহ বলতে কেহ একজন নিশ্চয় রয়েছেন। আজ আমরা দাজ্জালীয়াতের মিডিয়া ও ফেতনায় পড়ে আল্লাহর কথা ভুলে গিয়েছি ও তার অনুগত্যের কথাও। আসলে মানবজাতির একটা বৈশিষ্ট্য হচ্ছে যখন তারা বিপদে পড়ে বা তাদের উপর বিপদ আসে তখন তারা আল্লাহকে খুব বেশি স্মরণ করে।
আল্লাহ বলেন
আল্লাহ বলেন
فَإِذَا مَسَّ الْإِنسٰنَ ضُرٌّ دَعَانَا ثُمَّ إِذَا خَوَّلْنٰهُ نِعْمَةً مِّنَّا قَالَ إِنَّمَآ أُوتِيتُهُۥ عَلٰى عِلْمٍۭ ۚ بَلْ هِىَ فِتْنَةٌ وَلٰكِنَّ أَكْثَرَهُمْ لَا يَعْلَمُونَ
অতঃপর কোন বিপদাপদ মানুষকে স্পর্শ করলে সে আমাকে ডাকে। তারপর যখন আমি আমার পক্ষ থেকে নি‘আমত দিয়ে তাকে অনুগ্রহ করি তখন সে বলে, ‘জ্ঞানের কারণেই কেবল আমাকে তা দেয়া হয়েছে’। বরং এটা এক পরীক্ষা। কিন্তু তাদের অধিকাংশই তা জানে না।
(সূরাঃ যুমার,৪৯)
(সূরাঃ যুমার,৪৯)
আল্লাহ আমাদেরকে তার ইবাদত করার তৌফিক দান করুক,সেই সাথে তওবা করে পরিপূর্ণভাবে মুমিন হওয়ার তৌফিক দান করুক,আমিন।
লেখকঃ আসাদুল্লাহ
Blogger: Asadullah
(Asadullah News & Library)
Channel: Asadullah TV.BD
সহযোগিতায়ঃ স্নেহের ছোট ভাই হাফেজ আব্দুল্লাহ
দোয়া_অভিমতঃ উস্তাজুল ওলামা,ছদর হুজুর (দা.বা)
Blogger: Asadullah
(Asadullah News & Library)
Channel: Asadullah TV.BD
সহযোগিতায়ঃ স্নেহের ছোট ভাই হাফেজ আব্দুল্লাহ
দোয়া_অভিমতঃ উস্তাজুল ওলামা,ছদর হুজুর (দা.বা)

Comments
Post a Comment