কবিতাঃ "পবিত্র নন্দিনী " লেখকঃ আসাদুল্লাহ ||অপরিচিতার কবিতাবলি||কাব্যঃ কবি রাণীর কাব্য||Asadullah News & Library
পবিত্র নন্দিনী
আসাদুল্লাহ
==============================
ওগো অপরিচিতা!এত দিনে এলে অবেলায়,
খুঁজেছি পল্লী-নগরে ধবল মেঘের ভেলায়।
ওগো স্বপ্ন-সহচরী!সুদূরিকা থাক দূরে-দূরে,
এলে না তো এপাড়ে,খুঁজেছি হৃদয় জোড়ে।
ওগো হৃদ রাজ্যের অপরূপের রূপসী রাণী,
কত নিশি-দিন জেগেছি ভেবে রাত্রি জাগরণী
হঠাৎ দখিনা বাতায়নে বেসে আসবে জানি,
দেখে রচিত হবে তোমা রূপের এ কাব্যখানি।
বহু বছর ছিনু একাকীত্বে তোমার জন্য শুধু,
ওগো রূপবর্তী!জানি গো রূপে করিবে জাদু।
যে গুন লভি জানি মম গুনে গুনান্নিত তুমি,
পরিশ্রমী চাষী যে,সোনালী শস্য দেয় যে জমি।
শুধু তোমা জন্য অধীর অপেক্ষায় ব্যকুল মনে
আকুল হয়ে থেকেছি মিলন হবে তোমা সনে।
তৃষার্তা হৃদয়,চঞ্চল মন,অতৃপ্ত কাতর আঁখি,
ব্যথ্যা বক্ষে,অম্বু চক্ষে,হৃদ পিঞ্জরে নাই পাখি।
একলা মোর জীবন সখাবিহীন নাহি সঙ্গী,
কত পথ পাড়ি দিয়ে এসেছ ওগো মম বিহঙ্গী।
আজি সব ব্যথা মুছে যাবে,চলে যাবে যত দুখ
মায়াবী নয়নে দৃষ্টিতে আজি এসেছে যত সুখ।
ওগো হে মোর পরম পবিত্র চির প্রিয়তমা,
যত ভ্রান্তি দয়ালু গুনে কর এ পাপিষ্ঠকে ক্ষমা।
তোমার যত পবিত্র গুন দাও হে মোর মাঝে,
কুলষিত অন্তর নূরের দৃপ্তিতে দৃপ্ত কর আজে।
ওগো প্রিয়সী!অন্তর নয়নে দেখিতুম বারে-বার,
সেই হাস্যজ্জ্বল,এলো চুল,রাঙ্গা পদ তোমার।
ওগো কল্যাণী! মনিব কভু ভিখারী দেয় তাড়ি,
দিও না ফিরিয়া এসেছি যে তোমার মন বাড়ি।
বসুন্ধরাতে প্রথম প্রেম করেছে আদম-হাওয়া,
সে প্রেমের সূত্রেআজি তোমায় কাছে পাওয়া।
ছিন্ন কর হে পবিত্র পরম চির প্রিয়তমা মোরে,
সুখী, মার যদি মোরে অগ্নিতে পোড়ে-পোড়ে।
এত পবিত্র গুনে-গুনান্নিত ওগো মোর প্রিয়া!
হস্ত ধর মোরেও তোমা সনে স্বর্গে নাও নিয়া।
এ তমিস্রা পথে যেও না গো মোরে ফেলিয়া,
ওগো স্বর্গের হুর দাও তোমার ডানা মেলিয়া।
নাও মোরে আপন করে চির সুখের নীড়ে,
কত বছর পর আজি পেয়েছি তোমা ফিরে।
আজি এসো মোর পবিত্র হৃদে ওগো মম রাণী,
ওগো পথ চলার চির প্রিয়তমা পবিত্র নন্দিনী।
==============================
তারিখঃ১১-০৮-২০২০ ইং সময়ঃ রাত ১২ টায়
উৎসর্গ করিলামঃসেই অপরিচিতাকে যার অপেক্ষার প্রহর গুনি প্রতি দিবস-রজনী!!!
প্রেম-পিরিতি-ভালোবাসা নিয়ে কিছু সত্য কথা
তারিখঃ১১-০৮-২০২০ ইং সময়ঃ রাত ১২ টায়
উৎসর্গ করিলামঃ অপরিচিতার খুজে সে আসবে হঠাৎ করে জীবনাতে সেই চির দ্বীনী ফরহেজগার জীবনসঙ্গিনীকে ইনশাআল্লাহ।
:)♥+♥:)
প্রেম-পিরিতি-ভালোবাসা নিয়ে আমার কিছু সত্য কথা
সাহিত্য জগতে বহু মাস পরে এসেছি।যে ভালো লাগার সাহিত্য সেটা আজ আর ভালো লাগে না। বুকভরা অভিমান আর ক্ষোভ নিয়ে সাহিত্যকে ত্যাগ করেছি।কারন সাহিত্য সবার জন্য না, সাহিত্য রচনার জন্য প্রয়োজন হয় একজন সঙ্গি, একজন বন্ধু যার হাত ধরে এগিয়ে চলে বহু পথ।পৃথিবীর যত কবি আর সাহিত্যিক ছিল তারা কিন্তুু এমনেতেই হয়ে যায় নি। প্রিয় কবি কাজী নজরুল বলেছিল" প্রেমের পরশে সকলেই কবি হয়ে যায়" প্রেম আর ভালোবাসা, বর্তমান পৃথিবীর প্রেম আর ভালোবাসা এমন যে এই প্রেম ভালোবাসার জগৎকে অপবিত্র করে ফেলেছে।প্রকৃত প্রেম এই আধুনিকতার যুগে নাই বললেই চলে।যতই আধুনিকতা বেড়ে চলছে ততই প্রেম অপবিত্র হয়ে যাচ্ছে।বর্তমানের প্রেমে শুধু যৌনতা আর অশ্লীলতায় ভরপুর এবং উভয়ের প্রেমের নামে তাদের শারীরিক তৃপ্তি মেটায় তাছাড়া এ প্রেমে কোনো মানসিক বা আত্মিক কোনো কিছুই নাই।ভালোবাসা কাকে বলে?যে ভালোবাসা নিজের জীবনের দায়িত্বে ও কত্যব্যকে কাজে লাগানোর মনোভাব তৈরি করে এবং নিজের স্বপ্ন ও চাওয়াকে পূর্ণ করতে শেখায় তাকেই ভালোবাসা বলে।যে ভালোবাসা কি তা বুজে, সে একজনকে ভালোবাসে না বরং তার চারপাশের সকলকে সে ভালোবাসতে জানে।
এমন প্রেম বা প্রেমিকার খুজি যে আমাকে না দেখার আগেও দেখেছে তার গুনের মধ্যে।যে গুন তাতে আছে সেগুন তার প্রেমিকের মধ্যেও পাবে। কোনো নন্দিনী রূপের সৌন্দর্যের যে প্রেমে পড়ে সেটা প্রেম নয় বরং সেটা তো তার চোখের ধোকা মাত্র।আর প্রকৃত প্রেমিকরা তো মনের সাথে বহু দূর থেকেও বার্তা আদান-প্রদান করতে পারে।হ্যাঁ, জীবনে চলার পথে একজন ভালো বন্ধু বা বান্ধবী খুব প্রয়োজন।জীবনে চলার পথে যে তিনটি সিদ্ধান্ত নিতে ভুল করে তার পোরো জীবনটাই এলো-মেলো হয়ে যায়। বই,বন্ধু ও রাস্তা এই তিনটি জিনিসকে যে ভালো করে পেয়েছে সে জীবনের মূল্য বুজে ও জীবন তার জন্য কল্যানময় হয়।হাজারটা বন্ধুর প্রয়োজন নাই বরং একজন সৎ বন্ধু থাকলেই চলবে।বিজ্ঞরা বলে থাকে তাদেরকেই বন্ধু কর যাদের সাথে থাকলে তোমার জ্ঞান বাড়ে ও আমল-আখলাক সুন্দর হয় ও আল্লাহর স্মরণ হয়।
হে যিনিই প্রকৃত মহান প্রেমিক যিনি তার সৃষ্টিকর্তাকে ভালোবাসা।আচ্ছা তোমাদের কাছে আমার একটা প্রশ্ন,তুমি যদি তোমার সৃষ্টিকর্তাকেই ভালো না বাসতে পারলে তাহলে তার সৃষ্টি করা একটা জীবকে কি আসলেই ভালোবাসো???
হে আমি বলতেছি, হৃদয়, অন্তর, মন বা কলবের কথা। যার এই ছোট্ট অঙ্গটি ঠিক আছে তার সব কিছু ঠিক আছে, আর এই কলব বা হৃদয় দেখেই তোমাকে সেদিন হাশরের ময়দানে তোমার প্রতিপালক তোমার বিচার করবে।একজন সুন্দর চেহরার তনয়ার পিছনে না দৌড়িয়ে একজন সুন্দর হৃদয়ধারনকারী ব্যক্তির পিছনে দৌড়াতে থাকো।
আজকের সম্পর্কগুলো কেমন হয়ে গেছে জানো?বিয়ের পূর্বে আমরা এতটাই সুন্দর-সুন্দর চেহারাধারী এতগুলো সম্পর্কে জড়িয়ে পড়ি যে বিয়ের পর একটা সম্পর্কই রক্ষা করতে পারি না!!!
আরে, এই আধুনিক যুগে হাজারটা রঙ্গিন প্রোফাইল দেখে আমরা আমরা যেমন সহজে সম্পর্কে জগিয়ে পড়ি ঠিক তেমনি এই সম্পর্কগুলো ভাঙ্গাটাও এত সহজ হয়ে পড়েছে।
হে তুমি যদি সত্যিই কাউকে ভালোবাসতে চাও তাহলে আগে তুমি তোমার নিজেকে ভালোবাসতে শিখতে হবে।প্রেমিক কারা হয় জানো, যাদের মধ্যে কঠোর পরিশ্রম করার মনোভাব থাকে।আর যারা বার-বার বলে ভালোবানি,ভালোবাসি, ভালোবাসি। তুমি বিশ্বাস করো, তার চেয়ে বড় মিথ্যাবাদী আর কেহ নাই,কেননা সে তোমাকে পেয়ে নিজের চাওয়া পূর্ণ করতে চাই আর এরই নাম হলো স্বার্থ ভালোবাসা নহে।
ভালোবাসা আসলোই কাকে বলে?
হে ভালোবাসা এমনই হয় যা কোনো কিছু মানে না!!ধর্ম-গোত্র-বর্ন-দেশ-দূরত্ব কোনো কিছুই মানে না।আর দূরের ভালোবাসাগুলো আরো শক্তিশালী হয়ে থাকে।আরে প্রকৃত প্রেমিক কারা জানো?হে যারা ভালোবাসার বহিঃপ্রকাশ করে না।কেননা পৃথিবীর সবচেয়ে চরম মিথ্যা একটা বাক্য হলো " আমি তোমাকে ভালোবাসি" আরে আমি তো তাকে এই জন্য ভালোবাসি কারন তাকে পেয়ে আমি খুশি হব আর এটা শুধু আমার স্বার্থ।হে যারা প্রকৃত প্রেমিক তারা অপেক্ষা করে বহুত অপেক্ষা যা অন্য প্রেমিকরা পারে না।আর এটাই আসল ও সত্য প্রেম। ভালোবাসা মুখ দিয়ে বলা যতটা সহজ তা পালন করা এর এতটা সহজ নয়।কারন যারা প্রকৃত প্রেমিক তাদের এই ভাবনাটা সর্বদা তাদেরকে তাড়া করে যে ঐ প্রেমিকাকে আমার জীবনে পেতে হবেই আর তাকে পাওয়ার আগে আমার দায়িত্ব ও কৃত্যাব্যগুলোকে আগে পালন করতে হবে আর তখনই সে তার নিজের স্বপ্নকে নিজের লক্ষ্য ও উদ্দেশ্যকে সফল করার জন্য অক্লান্ত পরিশ্রম করে যায় দিন-রাত আর এই পরিশ্রম করার প্রেরণা যোগায় ঐ ভালোবাসার মায়ার বাঁধন।তার মানে প্রশ্নটা এটা দাঁড়াচ্ছে যে, প্রকৃত প্রেম বা প্রকৃত প্রেমিক তারাই যারা তাদের ভালোবাসাকে চিরভাবে জয় করার জন্য আগে নিজের দায়িত্বকে সম্পন্ন করে থাকে।আরে তুমি যদি নিজের দায়িত্বই পূরণ না করতে পারো তাহলো অন্য আরেকজন মেয়ের দায়িত্ব কিভাবে পূরণ করবে??
হে ভালোবাসারও বৃদ্ধি ঘটে আর সেটা হৃদয়ে।ভালোবাসা হঠাৎ করেই আসে কিন্তুু ভালোবাসা তৈরি হয় ধীরে-ধীরে।
হে,আমি আজও কাউকে ভালোবাসতে পারি নি কারন আমার দায়িত্ব, লক্ষ্য, উদ্দেশ্য এবং স্বপ্নগুলো আজও পূরণ হয় নি।যেদিন আমি আমার দায়িত্ব নিতে পারবো সেদিন আমি অন্য আরেকজনেরও দায়িত্বও নিতে পারবো আর এরই নাম ভালোবাসা।
(আসাদুল্লাহ)
I Love you forever
যাহোক,বহু মাস পর কবিতা লিখলাম,কমেন্ট করে জানাও কেমন হলো। ভালো থেকো, সুস্থ থেক এবং করোনার মহামারি থেকে আল্লাহ যেন মুসলিম উম্মাহকে মুক্ত করে ও হেদায়েতের পথ দেখায়,আমিন।
Blogger: Asadullah News & Library
Youtuber : Asadullah TV.BD
পোস্ট আপডেটঃ১৪-০১-২০২১ ইং
অপরিচিতার পরিচয়
আসাদুল্লাহ
================================
জানতে গিয়ে হয় নি জানা,আমার বুকে ভয়,
কল্প আঁখিতে হৃদয়ে আঁকি অপরিচিতার
পরিচয়।
সে অজানা প্রান্তরে,ভেসে আসে ভ্রাম্যমানে,
ছুটে আসে অদৃশ্য মায়ার বাঁধনে হৃদের টানে।
মনে হয় খুব কাছে এইতো বুজি পাশে এসেছে প্রিয়ে,
বারে-বারে অদৃশ্যে স্পর্শ করি ত্বরায় ভ্রাম্যমানে গিয়ে।
বুজবে না গো ওগো প্রিয়া--------
কূল ভেঙ্গেছে আমার পাড়ে তোমার ধারে নয়,
তোমার তরীর তরঙ্গ করিল মম হৃদয় তীর ক্ষয়।
জানি আসবে নাহি ভগ্ন নদীর ক্লান্ত মেঘনার তীরে,
অতিথী বিহঙ্গ কি কভু ফিরে আসে নীড়ে?
দেখেও হয় না দেখা,ভাবার্থ ব্যক্ত হয় যে লেখা,
ভাবতে গিয়েও অবাক লাগে তুমি যে মোর অপরিচিতা সখা।
বিরহের বাঁশিতে তুলেছি বেদনার সুর বসে এই নির্জন কান্তরে,
কোন অজানা প্রান্তর থেকে তুমি আজি হঠাৎ এলে মম অন্তরে?
কল্পলোকে কর্নে শুনেছি তোমা সুমিষ্ট ভামাস্বর,
তোমা আগমনে শান্ত শীতল তপ্ত হৃদয় বালুচর।
"কবি!আমায় তুমি ভুল ভাবছো আমি অজানা অপরিচিতা,
বলো কবি,কভু কি সত্য হয় মরুভূমির মরিচিকা?"
এমন করে বলিও না ওগো চঞ্চল মেঘবালিকা,
তুমি বৃষ্টি হয়ে ঝড়িও আমার হৃদয় মরুভূমে ওগো দূরের অপরিচিতা।
মোর এই তৃষাতুর তপ্ত মরুভূমে ফেলিও তোমা চরন,
জানি শান্ত হবে মরু,জেগে ওঠবে সবুজেরা তবেই যেন হয় মরন।
ওগো অজানা অপরিচিতা হৃদয় পথের যাত্রী,
পাশে থাকিও নাহি হবে ভয় কেঁটে যাবে তমিস্রা রাত্রি।
এই তো বুজি কর্নে শুনি রাঙ্গা পদের নূপুর ধ্বনি,
সমীরে ভেসে আসে এলো অলকের সুভাশ
ওগো রূপের রাণী।
কল্পলোকে দেখি সেই হাস্যজ্জ্বল মুখখানি,
তোমায় ভেবে রচি মোর অমর কাব্য ওগো কবি রাণী।
কবি কভু কোনো কালে নাহি পেল কবি রাণীর কাছে জয়,
রূপবর্তী রূপমুগ্ধ কবি রাণীর কাছে যত কবির কলম হয়েছে পরাজয়।
আমায় তুমি রাখিও তোমার চোখে কাজল মেখে,
বক্ষ পিঞ্জরে বন্দী করে রাখিও,রচিব কাব্য তোমায় দেখে-দেখে।
ওগো দূরের অজানা অপরিচিতা রাণী,
দেখতে গিয়েও হলো না দেখা ঐ মুখখানি।
জানতে গিয়ে আজও তারে হলো না যে জানা,
অদ্যাপি থেকে গেলো সে চির অপরিচিতা অজানা।
আমার বুকে কত আশা,বক্ষ ভরা যে কত ভয়?
জানি,কোনো কালেও নাহি হবে জানা অপরিচিতার হৃদয়ের পরিচয়।
দূরে থেকেও অপরিচিতা কাছে মনে যে হয়,
আজও অপেক্ষায় জানতে অপরিচিতার পরিচয়।
=================================
#কবিতাঃঅপরিচিতার পরিচয়
#কাব্যঃ কবি রাণীর কাব্য
#তারিখঃ ১৪-০১-২০২১ ইং
#সময়ঃ রাত ১২ টায়, ১৩ তারিখ রাত ১১ টা থেকে লেখা শুরু ও রাত ১২ টায় শেষ হলো
#উৎসর্গঃ কোনো এক অজানা অপরিচিতার অপেক্ষায় যে হালাল পবিত্র জীবনসঙ্গিনীকে আল্লাহ নির্ধারিত করে রেখেছেন!!!হা হা হা,মিছা কতা!!!
২০২১ সালের প্রথম কবিতা,দীর্ঘ বহু মাস পর কবিতা লিখার ব্যর্থ চেষ্টা!!!
#কবিতা_ভালোবাসা_এলো_না
ভালোবাসা এলো না
আসাদুল্লাহ
================================
কেহ ভালোবাসল না,এলো না যে জীবনাতে প্রেম,
বহু বছর অপেক্ষায় হৃদয়ের রং দিয়ে অঙ্কিত করেছি প্রিয়ার ফ্রেম।
হাঁটে-ঘাঁটে-পথে কতজন যাই তবু নাহি দেয় দৃষ্টি,
অদ্যাপি কোনো নন্দিনীর ভাবনায় নাহি এলুম হয়নি যে প্রেম সৃষ্টি।
দেখেছিনু বারে-বার রূপবর্তী রাণী ঘুমের ঘরে,
তারে ভালোবাসিয়াছি সবটুকু হৃদয় উজার করে।
এ যে স্বর্গের দিব্যাঙ্গনা,স্বপ্নে মিলন মেলায়,
কখন কবে আসবে কাছে অজানা অবেলায়?
আসবে যবে প্রিয়া কাছে বাসবে মোরে ভালো
জ্বালব তখন হৃদ মন্দিরে আমার প্রেমের আলো।
স্বপ্নন দেখি আসবে প্রিয়া বধূ সেজে মম ঘরে,
বাঁধবে প্রিয়া সুখের বাসা মোর হৃদয় নীড়ে।
তবু জীবনাতে এলো না ভালোবাসা পেল না কারো দেখা,
তাইতো রচা হয়েছে আমার যত বিরহের কাব্য লেখা।
কেহ ভালোবাসেনি আসে নি আমার দ্বারে,
কোনো প্রিয়ার হৃদয় নাড়া দেয় নি মম বাঁশির সুরে।
আমার গানে আমার সুরে আসবে ছুটে যে প্রিয়া,
বাসব তারে ভালো মোর পবিত্র হৃদয়ে নিয়া।
আমি যারে ভালোবাসব সেই তো মোর প্রিয়া,
আমার যত কাব্য কবিতা তার গুনের কথা দিয়া।
আসবে যবে আমার প্রিয়া ধরবে মোর হাত,
ঐ রজনীতে বাসব ভালো,করিব বন্দনা সারা রাত।
তবু ভালোবাসা এলো না যে, পেল না যে কারো দেখা,
হয়ত প্রভু ললাটে লিখেছে এক পবিত্র পরমা সুন্দরীর নাম লেখা।
=================================
তারিখঃ ১৪-০১-২০২১ ইং
সময়ঃ সকাল ১০ টায়
উৎসর্গঃ প্রিয়া মানে অজানা বউকে,হা হা হা!!
২০২১ সালের ২য় কবিতা।
অপেক্ষায় যে হালাল পবিত্র জীবনসঙ্গিনীকে আল্লাহ নির্ধারিত করে রেখেছেন!!!হা হা হা,মিছা কতা!!!
২০২১ সালের প্রথম কবিতা,দীর্ঘ বহু মাস পর কবিতা লিখার ব্যর্থ চেষ্টা!!!
আমার "কবি রাণী কাব্যটি" পড়তে নিচের লিংকে ক্লিক করুন
https://asadullahnl.blogspot.com/2020/02/blog-post_62.html?m=1
ছবিঃ আসাদুল্লাহ (৩১-১২-২০১৯ইং)
ছবিঃ প্রিয় মেঘনার তীরে
(বাড়ির গেইটের সামনে)
ধন্যবাদ আবার ভিজিট করবেন হে প্রিয় পাঠক।
Blogger & Youtuber: Asadullah











ওই?
ReplyDeleteহায় রে কপাল মন্দ,
ReplyDeleteপ্রেমের দরজা মোর বন্দ!!
বাহ।রীতিমতো অবাক। ভবিষ্যতে আরো ভালো করো আশায় রইলাম 😍😍
ReplyDelete